Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

ঠিক সাত বছর পর চাঁদের সঙ্গে প্রকাণ্ড গ্রহাণুর সংঘর্ষের আশঙ্কা হিরোসিমার চারশো গুণ শক্তিশালী বিস্ফোরণ টের পাবে পৃথিবীও

২০২৪ সালে প্রথম বার শনাক্ত হওয়া একটি বিশাল গ্রহাণু পৃথিবী ও চাঁদের দিকে ধাবিত হচ্ছে বলে জানা যায়। শুরুতে আশঙ্কা করা হয়েছিল গ্রহাণুটি সরাসরি পৃথিবীতে আঘাত হানতে পারে। তবে সাম্প্রতিক গবেষণায় সেই ঝুঁকি অনেকটাই কমেছে। বরং এখন চাঁদের সঙ্গে সংঘর্ষের সম্ভাবনাই বেশি বলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন

প্রকাণ্ড এক গ্রহাণুর সঙ্গে ঠিক সাত বছর পরে চাঁদের সংঘর্ষের সম্ভাবনা নিয়ে বিশ্ব জুড়ে বিজ্ঞানী মহলে গভীর আলোচনা চলছে
এই ঘটনা মানব সভ্যতার কাছে এক বিরল কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মহাকাশ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে
চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ এবং পৃথিবীর পরিবেশ ও ভারসাম্যের সঙ্গে তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে
এই কারণে চাঁদের সঙ্গে কোনও বিশাল গ্রহাণুর সংঘর্ষ হলে তার প্রভাব পরোক্ষ ভাবে পৃথিবীর উপরও পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা

বিজ্ঞানীদের মতে এই গ্রহাণুটি অত্যন্ত দ্রুত গতিতে পৃথিবী ও চাঁদের দিকে এগিয়ে আসছে
প্রথম দিকে ধারণা করা হয়েছিল গ্রহাণুটি সরাসরি পৃথিবীর দিকেই আঘাত হানতে পারে
সে সময় এই সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ব জুড়ে আতঙ্ক এবং উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে
অনেকেই আশঙ্কা করেছিলেন যে মানব সভ্যতার উপর বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও নিখুঁত পর্যবেক্ষণ এবং জটিল গণনার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা পরিস্থিতি নতুন করে বিশ্লেষণ করেন

এই বিশ্লেষণে দেখা যায় যে পৃথিবীর সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষের ঝুঁকি আগের তুলনায় অনেকটাই কমে এসেছে
বরং গ্রহাণুটির গতিপথ এমন ভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে যে চাঁদের সঙ্গে সংঘর্ষের সম্ভাবনাই তুলনামূলক ভাবে বেশি
এই তথ্য সামনে আসার পর আতঙ্কের রূপ কিছুটা বদলালেও উদ্বেগ একেবারে কাটেনি
কারণ চাঁদের সঙ্গে সংঘর্ষ হলেও তার প্রভাব মানবজাতির জন্য একেবারে নিরীহ হবে এমনটা কেউই নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না

চাঁদের বুকে যদি এই গ্রহাণু আছড়ে পড়ে তবে সেখানে একটি বিশাল বিস্ফোরণ ঘটতে পারে
বিজ্ঞানীদের ধারণা অনুযায়ী সেই বিস্ফোরণ শক্তির দিক থেকে অতীতের বহু পরিচিত ঘটনার তুলনায় অনেক বেশি তীব্র হতে পারে
চাঁদের পৃষ্ঠে বড় আকারের গর্ত তৈরি হতে পারে
সেই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ ধূলিকণা এবং শিলা মহাকাশে ছড়িয়ে পড়তে পারে

এই ছড়িয়ে পড়া অংশের কিছু পৃথিবীর দিকেও এগিয়ে আসতে পারে
যদিও পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল অনেক ক্ষেত্রে আমাদের রক্ষা করে
তবুও পৃথিবীকে ঘিরে থাকা কৃত্রিম উপগ্রহগুলির জন্য এটি একটি বড় ঝুঁকি হয়ে উঠতে পারে
যোগাযোগ আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ এবং নেভিগেশন ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত উপগ্রহগুলির ক্ষতি হলে আধুনিক জীবনে তার ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে

এই কারণেই বিজ্ঞানীরা বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন
নাসা সহ বিশ্বের বিভিন্ন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইতিমধ্যেই গ্রহাণুটির গতিবিধির উপর কড়া নজরদারি শুরু করেছে
একাধিক শক্তিশালী টেলিস্কোপের মাধ্যমে নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে
প্রতিটি নতুন তথ্যের সঙ্গে সঙ্গে গ্রহাণুর ভবিষ্যৎ অবস্থান এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি নতুন করে মূল্যায়ন করা হচ্ছে

বিজ্ঞানীদের একাংশ মনে করছেন যে সময় থাকলে এই গ্রহাণুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব
গ্রহাণুর গতিপথ সামান্য পরিবর্তন করে তাকে নিরাপদ পথে সরিয়ে দেওয়া যেতে পারে
অন্য একাংশের মতে মহাকাশেই তাকে ধ্বংস করার পরিকল্পনাও বিবেচনায় রাখা উচিত
তবে এই ধরনের যে কোনও উদ্যোগের ক্ষেত্রে নিখুঁত হিসাব এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি

এই সম্ভাব্য সংঘর্ষ মানব সভ্যতার সামনে এক বড় প্রশ্ন তুলে ধরেছে
মহাকাশ থেকে আসা বিপদের মোকাবিলায় মানুষ কতটা প্রস্তুত
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই বিজ্ঞানীরা দিনরাত কাজ করে চলেছেন
আগামী কয়েক বছর এই গবেষণার দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে চলেছে
কারণ এই সময়ের মধ্যেই মানবজাতির মহাকাশ সুরক্ষার সক্ষমতা নতুন ভাবে পরীক্ষার মুখে পড়বে

এই গ্রহাণুটির সন্ধান প্রথম পাওয়া যায় দুই হাজার চব্বিশ সালে
তখন থেকেই বিশ্বের একাধিক শক্তিশালী টেলিস্কোপ দিয়ে তার গতিপথ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে
গ্রহাণুটির নামকরণ করা হয়েছে দুই হাজার চব্বিশ ওয়াইআর চার
তবে তার সঠিক আকার ভর এবং গঠন এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি
প্রাথমিক গবেষণায় জানা গিয়েছে গ্রহাণুটির প্রস্থ প্রায় ষাট মিটার বা তার কাছাকাছি হতে পারে

বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী ভবিষ্যদ্বাণী সঠিক হলে দুই হাজার বত্রিশ সালের শেষের দিকে এই গ্রহাণুটি চাঁদের খুব কাছ দিয়ে যাবে
সেই সময় সংঘর্ষের একটি বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে
এই সংঘর্ষ হলে চাঁদের বুকে ভয়ংকর এক বিস্ফোরণ ঘটতে পারে
বিশেষজ্ঞদের মতে সেই বিস্ফোরণের শক্তি জাপানের হিরোশিমায় ঘটে যাওয়া পারমাণবিক বিস্ফোরণের তুলনায় বহু গুণ বেশি হতে পারে

এই বিস্ফোরণের আলো পৃথিবী থেকেও দেখা যেতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে
বিশেষ করে চাঁদের যে দিকটি পৃথিবীর দিকে মুখ করে রয়েছে
সেই অংশে যদি সংঘর্ষ ঘটে তবে পৃথিবীর আকাশে এক মুহূর্তের জন্য তীব্র ঝলকানি দেখা যেতে পারে
এই দৃশ্য খালি চোখেও দেখা যেতে পারে এমন সম্ভাবনার কথাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না গবেষকেরা
যদিও আবহাওয়া মেঘের অবস্থান এবং ভৌগোলিক অবস্থানের উপর এই দৃশ্যমানতা নির্ভর করবে

এই সংঘর্ষের ফলে চাঁদের পৃষ্ঠে একটি বিশাল গর্ত তৈরি হতে পারে
সঙ্গে সৃষ্টি হতে পারে অসংখ্য ছোট ছোট উল্কাপিণ্ড
এই উল্কাপিণ্ডের কিছু অংশ পৃথিবীর দিকেও ছুটে আসতে পারে
যদিও পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল অনেকটাই সুরক্ষা প্রদান করে
তবুও কৃত্রিম উপগ্রহের ক্ষেত্রে ক্ষতির আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে

পৃথিবীকে ঘিরে থাকা বহু কৃত্রিম উপগ্রহ যোগাযোগ আবহাওয়া নজরদারি এবং সামরিক ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত
এই উপগ্রহগুলির ক্ষতি হলে বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হতে পারে
ইন্টারনেট স্যাটেলাইট টেলিভিশন এবং জিপিএস পরিষেবার উপর তার বড় প্রভাব পড়তে পারে
এই কারণেই বিজ্ঞানীরা বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন

news image
আরও খবর

নাসা সহ বিশ্বের বিভিন্ন মহাকাশ সংস্থা ইতিমধ্যেই এই গ্রহাণু নিয়ে বিশেষ গবেষণা শুরু করেছে
আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আরও শক্তিশালী টেলিস্কোপ দিয়ে এর গতি ও গঠন বিশ্লেষণ করা হবে
বিশেষ করে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ এই গ্রহাণুকে পর্যবেক্ষণ করলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে

গ্রহাণুটির প্রকৃত ভর এবং ঘনত্ব জানা গেলে তার বিপদ মূল্যায়ন আরও নিখুঁত হবে
সেই সঙ্গে এটাও বোঝা যাবে গ্রহাণুটিকে মহাকাশেই ধ্বংস করা সম্ভব কি না
বিজ্ঞানীদের একাংশের মতে সময় থাকলে গ্রহাণুর গতিপথ সামান্য বদলে দেওয়া যেতে পারে
অন্য অংশের মতে মহাকাশেই শক্তিশালী বিস্ফোরণের মাধ্যমে গ্রহাণুটিকে ভেঙে ফেলা সম্ভব

তবে এই ধরনের অভিযানে নিখুঁত হিসাব অত্যন্ত জরুরি
সামান্য ভুল হলে পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে
গ্রহাণুর ভাঙা অংশ যদি নিয়ন্ত্রণহীন ভাবে পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে তবে তা আরও বড় বিপদের কারণ হতে পারে
এই কারণে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন সংঘর্ষের অনেক আগেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ যৌথভাবে এই বিষয়ে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলছে
মহাকাশ কোনও একক দেশের সম্পত্তি নয়
এই ধরনের বিপদের মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি
ভবিষ্যতে এই গ্রহাণু গবেষণাকে কেন্দ্র করে নতুন ধরনের মহাকাশ মিশন শুরু হতে পারে

এই ঘটনা মানুষের কাছে নতুন করে মনে করিয়ে দেয় যে মহাকাশ আদতে কতটা অনিশ্চিত এবং রহস্যময়
পৃথিবীকে ঘিরে থাকা নীল আকাশের বাইরে এক বিশাল অজানা জগৎ রয়েছে
সেই জগতে প্রতিনিয়ত ঘটে চলেছে নানা ঘটনা যার অনেক কিছুই মানুষের চোখের আড়ালে
তবু তার প্রভাব এসে পড়তে পারে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের উপর

পৃথিবী আপাতদৃষ্টিতে একটি নিরাপদ গ্রহ বলেই মনে হয়
বায়ুমণ্ডল আমাদের রক্ষা করে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে
চাঁদ নিয়ন্ত্রণ করে সমুদ্রের জোয়ারভাটা
তবে এই সুরক্ষার আড়ালেও মহাকাশ থেকে আসা বিপদ কখনও পুরোপুরি এড়ানো যায় না
গ্রহাণু ধূমকেতু বা সৌরঝড়ের মতো ঘটনা যে কোনও সময় মানব সভ্যতার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে

গ্রহাণু সংক্রান্ত এই সম্ভাব্য ঘটনা সেই কথাই আবার সামনে নিয়ে এসেছে
চাঁদের সঙ্গে সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকলেও তার প্রভাব পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন নয়
কারণ চাঁদ ও পৃথিবী একটি গভীর মহাকর্ষীয় সম্পর্কের মাধ্যমে একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত
চাঁদের বুকে বড় কোনও পরিবর্তন ঘটলে তার প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে পৃথিবীর উপর পড়তে পারে
এই কারণে বিজ্ঞানীরা বিষয়টিকে কেবল একটি মহাকাশ ঘটনা হিসেবে দেখছেন না
বরং ভবিষ্যৎ মানব নিরাপত্তার প্রশ্ন হিসেবেই দেখছেন

এই প্রেক্ষাপটে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়নই একমাত্র ভরসা হয়ে উঠছে
শক্তিশালী টেলিস্কোপ উন্নত সেন্সর এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে এখন মহাকাশ পর্যবেক্ষণ অনেক বেশি নিখুঁত
আগের তুলনায় অনেক আগে বিপদের ইঙ্গিত পাওয়া সম্ভব হচ্ছে
এই আগাম সতর্কতাই ভবিষ্যতে বড় দুর্ঘটনা এড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার

গ্রহাণু গবেষণা আজ আর কেবল তাত্ত্বিক বিজ্ঞান নয়
এটি সরাসরি মানুষের নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত
গ্রহাণুর গঠন ভর গতি এবং গতিপথ বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা বুঝতে চেষ্টা করছেন কোনটি কতটা বিপজ্জনক
এই গবেষণার উপর ভিত্তি করেই তৈরি হচ্ছে প্রতিরোধ কৌশল
কোথাও গ্রহাণুর গতিপথ সামান্য বদলানোর পরিকল্পনা
কোথাও আবার মহাকাশেই তাকে ধ্বংস করার ধারণা

এই সব উদ্যোগ ভবিষ্যতে মানব সভ্যতার সুরক্ষায় বড় ভূমিকা নিতে পারে
একটি সফল প্রতিরোধ মিশন প্রমাণ করে দিতে পারে যে মানুষ শুধু পৃথিবীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়
মহাকাশের বিপদের মোকাবিলাতেও মানুষ সক্ষম
এটি বিজ্ঞানের এক ঐতিহাসিক সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে

এই মুহূর্তে সব কিছুই সম্ভাবনা এবং হিসাবের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে
চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে আরও সময় প্রয়োজন
আরও তথ্য আরও পর্যবেক্ষণ এবং আরও বিশ্লেষণ দরকার
বিজ্ঞানীরা প্রতিটি পদক্ষেপ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে নিচ্ছেন
কারণ এখানে সামান্য ভুলেরও মূল্য হতে পারে অপরিসীম

তবে এটুকু নিশ্চিত ভাবে বলা যায় যে আগামী কয়েক বছর মহাকাশ বিজ্ঞানীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে
এই সময়ের মধ্যেই অনেক নতুন তথ্য সামনে আসবে
নতুন প্রযুক্তির পরীক্ষা হবে
নতুন মিশনের পরিকল্পনা বাস্তব রূপ পেতে পারে

চাঁদ এবং পৃথিবীর ভবিষ্যৎ সুরক্ষার প্রশ্নে এই গ্রহাণু মানবজাতির সামনে এক বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে
এই পরীক্ষায় মানুষ কতটা প্রস্তুত কতটা সচেতন এবং কতটা ঐক্যবদ্ধ
তার উপর নির্ভর করছে ভবিষ্যতের পথ
মহাকাশের অনিশ্চয়তার মধ্যেই মানব সভ্যতার দৃঢ়তা এবং বুদ্ধিমত্তার আসল পরিচয় ফুটে উঠবে

Preview image