Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

পঞ্চভূতে বিলীন অজিত দাদা চোখের জলে শেষ বিদায় জানালেন ভক্তরা

তাঁর শেষ যাত্রায় শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ ও নীতিন গাদকারি, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীনসহ বহু রাজনৈতিক নেতা ও পরিবারের সদস্যরা। শোকস্তব্ধ পরিবেশে তাঁকে শেষ বিদায় জানানো হয়।

বারামতী, ২৯ জানুয়ারি — জন্মভূমিতেই শেষ বিদায়

বারামতী—যেখানে শুরু হয়েছিল রাজনৈতিক জীবনের পথচলা, যেখানে তিনি পেয়েছিলেন প্রথম জনসমর্থনের স্বীকৃতি, যেখানে রাজনীতির মাটিতে নিজের শক্ত ভিত গড়ে তুলেছিলেন—সেই বারামতীতেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার।

বিমান দুর্ঘটনায় আকস্মিক মৃত্যু দেশের রাজনৈতিক মহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। বৃহস্পতিবার সকালে বারামতীর বিদ্যা প্রতিষ্ঠান মাঠে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হয় তাঁর শেষকৃত্য। ৬৬ বছর বয়সে প্রয়াত এই নেতাকে শেষ বিদায় জানাতে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রথম সারির রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, দলীয় নেতারা, প্রশাসনিক কর্মকর্তারা এবং হাজার হাজার সাধারণ মানুষ।

শোকস্তব্ধ পরিবেশে, চোখের জলে ভিজে ওঠা বারামতীর আকাশ যেন সাক্ষী থাকল এক যুগান্তকারী রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তির।


রাজনৈতিক জীবনের শুরু ও উত্থান

অজিত পাওয়ারের রাজনৈতিক জীবনের সূচনা বারামতী থেকেই। শারদ পাওয়ার পরিবারের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার বহন করলেও, নিজের পরিচয় গড়ে তুলতে তাঁকে পাড়ি দিতে হয়েছে কঠিন পথ।

তিনি সাতবার বিধায়ক নির্বাচিত হন বারামতী কেন্দ্র থেকে। প্রতিবারই বিপুল জনসমর্থন তাঁর রাজনৈতিক শক্তির প্রমাণ দেয়। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি ছিলেন শুধু একজন নেতা নন, বরং ‘অজিত দাদা’—যাঁর কাছে সমস্যা নিয়ে গেলে মিলত সমাধানের আশ্বাস।

রাজনীতির ময়দানে তাঁর উত্থান ছিল ধীরে, কিন্তু দৃঢ়। কৃষি, শিল্প, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং গ্রামীণ অর্থনীতির ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ভূমিকা

মহারাষ্ট্র রাজনীতিতে অজিত পাওয়ারের ভূমিকা ছিল বহুমাত্রিক। পৃথ্বীরাজ চ্যবন, উদ্ধব ঠাকরে, একনাথ শিন্ডে এবং দেবেন্দ্র ফড়নবীশ—এই চার মুখ্যমন্ত্রীর অধীনে তিনি উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রায় তিনি প্রশাসনিক দক্ষতা, রাজনৈতিক কৌশল এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের দৃঢ়তা দিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।

তিন বছর আগে কাকা শারদ পাওয়ারের বিরুদ্ধে তাঁর বিদ্রোহ এনসিপি দলকে ভেঙে দেয়। সেই রাজনৈতিক মোড় ঘুরিয়ে তিনি এনডিএ সরকারের সঙ্গে যুক্ত হন এবং পুনরায় উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এই সিদ্ধান্ত তাঁকে রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এলেও, তাঁর নেতৃত্বগুণ ও প্রশাসনিক দক্ষতা প্রশ্নাতীত ছিল।

শেষ যাত্রার দৃশ্য: জনসমুদ্রের ঢেউ

প্রথমে স্থির হয়েছিল, বৃহস্পতিবার সকাল ন’টায় বিদ্যা প্রতিষ্ঠান ক্যাম্পাস থেকে শুরু হবে অজিত পাওয়ারের শেষযাত্রা। শহরের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পথ অতিক্রম করে সকাল ১১টায় ফের মাঠে ফিরে আসবে তাঁর নশ্বর দেহ।

এই সময় সাধারণ মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন তাঁদের প্রিয় নেতাকে।

কিন্তু বাস্তবতা ছিল আরও আবেগঘন।

ভিড় ক্রমশ জনপ্লাবনের রূপ নেয়। হাজার হাজার মানুষ বারামতীর রাস্তায় নেমে আসে। রাজনৈতিক দল, সাধারণ নাগরিক, কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র—সবাই যেন একসঙ্গে হারিয়েছিল তাঁদের নেতা, তাঁদের অভিভাবক।

জননিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে শেষযাত্রার পথ সংক্ষিপ্ত করা হয়।

রাজনৈতিক নেতাদের শেষ শ্রদ্ধা

অজিত পাওয়ারের শেষ বিদায়ে উপস্থিত ছিলেন—

  • কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

  • কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গাদকারি

  • মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ

  • বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন

  • বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা

  • প্রশাসনিক কর্তারা

  • পরিবারের সদস্যরা

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গান স্যালুট, জাতীয় পতাকায় মোড়া কফিন—সব মিলিয়ে শেষ বিদায়ের মুহূর্ত ছিল আবেগঘন ও ঐতিহাসিক।

রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ও বিতর্ক

অজিত পাওয়ারের রাজনৈতিক জীবন শুধু সাফল্যে ভরা ছিল না, ছিল বিতর্কেও পরিপূর্ণ।

তিনি ছিলেন একদিকে কঠোর প্রশাসক, অন্যদিকে দক্ষ রাজনৈতিক কৌশলী।

এনসিপির ভাঙন, বিজেপির সঙ্গে জোট, ক্ষমতার পুনর্বিন্যাস—সব ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।

সমর্থকদের কাছে তিনি ছিলেন উন্নয়নের প্রতীক, আর সমালোচকদের কাছে ছিলেন বিতর্কিত রাজনৈতিক চরিত্র।

news image
আরও খবর

কিন্তু একথা অস্বীকার করা যায় না—মহারাষ্ট্র রাজনীতিতে তাঁর প্রভাব ছিল গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী।

বারামতীর সঙ্গে অজিত পাওয়ারের সম্পর্ক

বারামতী শুধু তাঁর রাজনৈতিক কেন্দ্র নয়, ছিল তাঁর আবেগের কেন্দ্র।

এই শহরের কৃষক, শ্রমিক, যুবসমাজ—সবার সঙ্গে ছিল তাঁর নিবিড় সম্পর্ক।

বন্যা, খরা, কৃষি সংকট, শিল্পায়ন—সব ক্ষেত্রে বারামতীর উন্নয়নে তিনি রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

আজ সেই বারামতীই হারাল তার সবচেয়ে শক্তিশালী রাজনৈতিক কণ্ঠস্বর।


সাধারণ মানুষের চোখে ‘অজিত দাদা’

শেষযাত্রার দিন বারামতীর রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের চোখে ছিল জল।

এক বৃদ্ধ কৃষক বললেন,
“আমাদের জন্য উনি শুধু নেতা ছিলেন না, পরিবারের লোক ছিলেন।”

এক তরুণ বললেন,
“রাজনীতি যাই হোক, বারামতীর জন্য উনি যা করেছেন, তা কেউ ভুলতে পারবে না।”

এই আবেগই প্রমাণ করে—অজিত পাওয়ার ছিলেন শুধু রাজনীতিবিদ নন, ছিলেন জননেতা।

রাজনীতির এক অধ্যায়ের সমাপ্তি

অজিত পাওয়ারের প্রয়াণ মহারাষ্ট্র রাজনীতিতে এক শূন্যতা তৈরি করেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তাঁর মৃত্যুর ফলে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন আসতে পারে।

এনসিপি, বিজেপি এবং বিরোধী শিবির—সব পক্ষই নতুন কৌশল নির্ধারণ করতে বাধ্য হবে।

একদিকে রাজনৈতিক শূন্যতা, অন্যদিকে আবেগ—এই দুইয়ের মাঝখানে দাঁড়িয়ে মহারাষ্ট্র রাজনীতি নতুন মোড়ের দিকে এগোচ্ছে।

শেষ কথা

বারামতীর মাটিতে জন্ম নেওয়া রাজনৈতিক যাত্রা, বারামতীতেই শেষ হল।

পঞ্চভূতে বিলীন হল অজিত পাওয়ারের নশ্বর দেহ, কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক উত্তরাধিকার থেকে যাবে ইতিহাসের পাতায়।

আজ বারামতীর আকাশ ভারী, বাতাস ভারী, মানুষের হৃদয় ভারী।

একটি যুগ শেষ হল।

কিন্তু স্মৃতি থেকে যাবে—
‘অজিত দাদা’ নামের এক শক্তিশালী রাজনৈতিক চরিত্র।

অজিত পাওয়ারের অনুপস্থিতি শুধু রাজনৈতিক স্তরে নয়, প্রশাসনিক কাঠামোতেও গভীর প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। দীর্ঘদিন ধরে মহারাষ্ট্র রাজনীতিতে তিনি ছিলেন এক শক্তিশালী সিদ্ধান্তগ্রহণকারী নেতা। রাজ্যের অর্থনীতি, কৃষিনীতি, অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রশাসনিক সংস্কারে তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। ফলে তাঁর প্রয়াণে যে নেতৃত্বের শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা পূরণ করা সহজ হবে না।

রাজনৈতিক মহলের মতে, অজিত পাওয়ার ছিলেন এমন একজন নেতা, যিনি সংকটের মুহূর্তে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন এবং রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখতেন। তাঁর নেতৃত্বে বহুবার রাজনীতির মোড় ঘুরেছে, জোট রাজনীতিতে এসেছে নাটকীয় পরিবর্তন। তাই তাঁর মৃত্যুর পর রাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্র নতুন করে আঁকা হতে পারে।

এনসিপির ভবিষ্যৎ নিয়েও উঠছে নানা প্রশ্ন। দলের ভেতরে নেতৃত্বের ভার কার হাতে যাবে, কোন গোষ্ঠী কতটা প্রভাব বিস্তার করবে—এসব বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে বিজেপি ও বিরোধী শিবিরও নিজেদের রাজনৈতিক কৌশল নতুন করে সাজাতে ব্যস্ত। রাজ্যের আসন্ন রাজনৈতিক লড়াইয়ে অজিত পাওয়ারের অনুপস্থিতি যে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠবে, তা বলাই বাহুল্য।

অন্যদিকে, সাধারণ মানুষের আবেগও এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। বহু মানুষের কাছে অজিত পাওয়ার ছিলেন শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, বরং আশার প্রতীক। কৃষক, শ্রমিক, যুব সমাজ—সব স্তরের মানুষ তাঁর নেতৃত্বে নিজেদের ভবিষ্যৎ দেখেছিলেন। তাই তাঁর প্রয়াণ শুধু রাজনৈতিক ক্ষতি নয়, বরং সামাজিক ও আবেগগত দিক থেকেও এক অপূরণীয় শূন্যতা।

বিশ্লেষকদের মতে, আগামী দিনে মহারাষ্ট্র রাজনীতি আরও বেশি প্রতিযোগিতামূলক ও অনিশ্চিত হয়ে উঠতে পারে। নতুন নেতৃত্ব, নতুন জোট এবং নতুন রাজনৈতিক কৌশল—সব মিলিয়ে রাজ্যের রাজনীতিতে শুরু হতে চলেছে এক নতুন অধ্যায়। এই অধ্যায়ের প্রতিটি বাঁকে অজিত পাওয়ারের নাম উচ্চারিত হবে, তাঁর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও ভূমিকার আলোচনা চলবে দীর্ঘদিন।

সব মিলিয়ে বলা যায়, অজিত পাওয়ারের প্রয়াণ মহারাষ্ট্র রাজনীতিতে শুধু একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়, বরং একটি নতুন রাজনৈতিক যুগের সূচনা। শূন্যতা, আবেগ এবং পরিবর্তনের এই যুগান্তকারী মুহূর্তে দাঁড়িয়ে মহারাষ্ট্র রাজনীতি কোন পথে এগোয়, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রভাব শুধু মহারাষ্ট্রের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং জাতীয় রাজনীতিতেও তার প্রতিফলন দেখা যেতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা। অজিত পাওয়ার ছিলেন এমন এক নেতা, যিনি রাজ্য ও কেন্দ্রীয় রাজনীতির মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে সক্ষম ছিলেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক শিবিরের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ও সমঝোতার ক্ষমতা বহুবার রাজনৈতিক সংকটের সমাধান করেছে। তাঁর অনুপস্থিতিতে সেই সমীকরণ কতটা বদলে যাবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে।

এনসিপির ভেতরে নেতৃত্বের প্রশ্ন আরও জোরালো হয়ে উঠতে পারে। দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, নেতৃত্বের লড়াই এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে। একই সঙ্গে বিজেপি ও অন্যান্য বিরোধী দল এই পরিস্থিতিকে রাজনৈতিক সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করতে চাইবে—এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে আগামী দিনে মহারাষ্ট্র রাজনীতি আরও বেশি উত্তেজনাপূর্ণ ও সংঘাতপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অন্যদিকে, সাধারণ মানুষের স্মৃতিতে অজিত পাওয়ার থাকবেন এক দৃঢ়চেতা নেতা হিসেবে। তাঁর রাজনৈতিক জীবন ছিল সাহসী সিদ্ধান্ত, কঠিন সংগ্রাম এবং ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এক দীর্ঘ যাত্রার গল্প। সমর্থকদের কাছে তিনি ছিলেন উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার প্রতীক, আর বিরোধীদের কাছে ছিলেন শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী। তাই তাঁর প্রয়াণ রাজনীতির ময়দানে যেমন শূন্যতা তৈরি করেছে, তেমনই মানুষের হৃদয়ে তৈরি করেছে গভীর বেদনার।

সব মিলিয়ে, মহারাষ্ট্র রাজনীতির সামনে এখন এক নতুন চ্যালেঞ্জ—কীভাবে এই শূন্যতা পূরণ করা হবে, কীভাবে নতুন নেতৃত্ব উঠে আসবে এবং কোন পথে এগোবে রাজ্যের ভবিষ্যৎ রাজনীতি। সময়ই বলবে, অজিত পাওয়ার-পরবর্তী যুগে মহারাষ্ট্র রাজনীতি কোন নতুন দিক নির্দেশনা পায় এবং ইতিহাসের পাতায় কীভাবে লেখা হয় এই পরিবর্তনের গল্প।

Preview image