সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে দ্বিতীয় বার মা হলেন কমেডিয়ান ভারতী সিংহ। শুটিং চলাকালীনই হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি, সেখানেই জন্ম নেয় তাঁদের দ্বিতীয় পুত্রসন্তান।
বলিউড ও টেলিভিশন দুনিয়ায় গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই একটাই নাম ঘুরপাক খাচ্ছিল—ভারতী সিংহ। কমেডির মঞ্চে যাঁর উপস্থিতি মানেই হেসে গড়াগড়ি, সেই ভারতীকে ঘিরেই চলছিল নানান জল্পনা। কেউ বলছিলেন তিনি নাকি যমজ সন্তানের মা হতে চলেছেন, কেউ আবার নিশ্চিত ছিলেন দ্বিতীয় বার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর এই বার কন্যাসন্তানই আসছে। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে বিনোদন সংবাদমাধ্যম—সব জায়গাতেই ছিল নানা আলোচনা, অনুমান আর উত্তেজনা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই সব জল্পনায় জল ঢেলে দিয়ে এল বাস্তবের খবর। দ্বিতীয় বার মা হলেন ভারতী সিংহ, কোলে এল ফুটফুটে এক পুত্রসন্তান।
এই সুখবর সামনে আসতেই অনুরাগীদের মধ্যে খুশির হাওয়া। কারণ ভারতী কেবল একজন জনপ্রিয় কমেডিয়ান নন, তিনি দর্শকদের কাছে পরিবারেরই একজন। তাঁর জীবনের ছোট-বড় মুহূর্ত, হাসি-কান্না, সাফল্য-সংগ্রাম—সবটাই তিনি বারবার ভাগ করে নিয়েছেন সকলের সঙ্গে। ফলে তাঁর দ্বিতীয় সন্তানের আগমনও যেন একান্ত ব্যক্তিগত আনন্দ হয়েও সকলের উৎসব হয়ে উঠেছে।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্তানের জন্মের দিনটিও ছিল একেবারেই ভারতীসুলভ। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার শেষ পর্যায়েও কাজ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখেননি তিনি। অন্য দিনের মতোই শুটিংয়ে গিয়েছিলেন, ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে হাসি-ঠাট্টা, মজা, কাজ—সবই চলছিল স্বাভাবিক ছন্দে। সহকর্মীরাও বুঝতেই পারেননি যে এত কাছাকাছি এসে গিয়েছে সেই বিশেষ মুহূর্ত। কিন্তু কিছু ক্ষণের মধ্যেই শরীর বুঝিয়ে দেয়—সময় এসে গিয়েছে। আর এক মুহূর্ত দেরি না করে তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই নিরাপদে জন্ম নেয় তাঁদের দ্বিতীয় সন্তান।
ভারতী ও তাঁর স্বামী হর্ষ লিম্বাচিয়ার জন্য এই মুহূর্ত নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বিশেষ। দু’জনেই তাঁদের কেরিয়ারে ব্যস্ত, জনপ্রিয় এবং কাজপ্রিয় মানুষ। তবু পরিবারকে সব সময়ই অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছেন তাঁরা। প্রথম সন্তান লক্ষ্যর জন্মের পর ভারতীর জীবনে যে বদল এসেছিল, তা তিনি নিজেই বহুবার প্রকাশ্যে বলেছেন। কাজের ব্যস্ততা, রাতের শুটিং, দীর্ঘ ট্রাভেল—সব কিছুর মাঝেই কীভাবে একজন মা হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলেছেন, সেই অভিজ্ঞতা তিনি অকপটে ভাগ করেছেন দর্শকদের সঙ্গে।
এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই খুশির হাওয়া বয়ে যায় অনুরাগীদের মধ্যে। কারণ ভারতী শুধু একজন সেলিব্রিটি নন, তিনি বহু দর্শকের কাছে পরিবারেরই একজন সদস্য। তাঁর হাসি, কান্না, সংগ্রাম, সাফল্য—সবকিছুই তিনি বরাবর খোলামেলা ভাবে ভাগ করে নিয়েছেন সকলের সঙ্গে। তাই তাঁর জীবনের এই নতুন অধ্যায়ও যেন ব্যক্তিগত গণ্ডি পেরিয়ে এক সার্বজনিক আনন্দে পরিণত হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্তানের জন্মের দিনটিও ছিল একেবারে ভারতীর স্বভাবসুলভ। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার শেষ পর্যায়েও কাজ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেননি তিনি। অন্য দিনের মতোই শুটিংয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন। ক্যামেরার সামনে হাসি-ঠাট্টা, মজা, কাজ—সবই চলছিল স্বাভাবিক ছন্দে। সহকর্মীদের অনেকেই বুঝতেই পারেননি যে এত কাছাকাছি এসে গিয়েছে সেই বিশেষ মুহূর্ত। কিন্তু কিছু সময়ের মধ্যেই শরীর সংকেত দেয়, আর এক মুহূর্ত দেরি না করে তাঁকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই নিরাপদে জন্ম নেয় তাঁদের দ্বিতীয় সন্তান।
ভারতী ও হর্ষের জন্য এই মুহূর্ত নিঃসন্দেহে আবেগে ভরা। দু’জনেই পেশাগত জীবনে অত্যন্ত ব্যস্ত এবং সফল। তবু পরিবারকে সবসময় অগ্রাধিকার দিয়ে এসেছেন তাঁরা। প্রথম সন্তান লক্ষ্যর জন্মের পর ভারতীর জীবনে যে আমূল পরিবর্তন এসেছিল, সে কথা তিনি নিজেই বহুবার জানিয়েছেন। মাতৃত্ব তাঁকে আরও সংবেদনশীল, আরও দায়িত্বশীল মানুষ করে তুলেছে বলেই তাঁর বিশ্বাস।
ভারতী বরাবরই নিজের মনের কথা বলতে ভালোবাসেন। দ্বিতীয় বার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর তিনি একাধিক সাক্ষাৎকারে মজা করেই বলেছিলেন, এই বার তাঁর ইচ্ছে কন্যাসন্তান হোক। হাসতে হাসতে জানিয়েছিলেন, “মেয়ের মা না হওয়া পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাব।” সেই মন্তব্যে যেমন ছিল রসিকতা, তেমনই ছিল একজন মায়ের স্বপ্ন। তাই দ্বিতীয় বারও পুত্রসন্তান হওয়ায় অনেকে ভাবছিলেন, হয়তো তাঁর মন খারাপ হবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র একেবারেই ভিন্ন।
ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন অতিথির আগমনে ভারতী ও হর্ষ ভীষণই খুশি। সন্তানের লিঙ্গ নয়, তার সুস্থতাই তাঁদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মা ও সন্তান দু’জনেই ভালো আছেন। পরিবারের সদস্যদের মুখে এখন শুধুই হাসি। শুভেচ্ছা বার্তায় ভরে উঠেছে তাঁদের ফোন ও সোশ্যাল মিডিয়া।
ভারতী-হর্ষের বড় ছেলে লক্ষ্য এখন তিন বছরের। বয়স কম হলেও তার কথা ও আচরণ ইতিমধ্যেই সকলের মন ছুঁয়েছে। ভারতী গর্ভবতী থাকার সময় একটি ভিডিও শেয়ার করেছিলেন, যেখানে লক্ষ্য বলেছিল, “ও আমার সঙ্গী। তুমি চিন্তা কোরো না। আমিই ওর দেখভাল করব।” সেই কথায় আবেগে ভেসে গিয়েছিলেন ভারতী নিজেও। ছোট্ট ছেলের মুখে এমন দায়িত্ববোধ দেখে চোখে জল চলে এসেছিল তাঁর।
আজ সেই কথাই যেন বাস্তব রূপ নিচ্ছে। লক্ষ্য এখন দাদা। তার জীবনে এসেছে এক ছোট ভাই। দুই ভাইয়ের বন্ধন, তাদের একসঙ্গে বড় হয়ে ওঠা, ঝগড়া-খুনসুটি আর ভালোবাসার গল্প—সবকিছু নিয়েই স্বপ্ন দেখছেন ভারতী ও হর্ষ। তাঁরা বিশ্বাস করেন, দুই সন্তানের সঙ্গে তাঁদের জীবন আরও পরিপূর্ণ হয়ে উঠবে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, চলতি বছরের অক্টোবরে দ্বিতীয় বার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে এনেছিলেন ভারতী ও হর্ষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা সেই পোস্টে ছিল আনন্দ, উত্তেজনা ও ভালোবাসার ছোঁয়া। কখনও ভারতীর বেবি বাম্পের ছবি, কখনও আবার হর্ষের মজার ক্যাপশন—সব মিলিয়ে সেই মুহূর্তগুলি অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিলেন তাঁরা। প্রতিটি পোস্টেই উপচে পড়েছিল শুভেচ্ছা আর ভালোবাসা।
গর্ভাবস্থার সময়েও ভারতী ছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সক্রিয়। কখনও নিজের শরীরের পরিবর্তন নিয়ে রসিকতা, কখনও মাতৃত্বের অনুভূতি নিয়ে আবেগঘন লেখা—সবই জায়গা পেয়েছে তাঁর পোস্টে। তিনি একাধিক বার বলেছেন, মাতৃত্ব তাঁকে ধৈর্য শিখিয়েছে, জীবনকে নতুন চোখে দেখতে শিখিয়েছে।
ভারতীর জীবনের পথচলা কখনওই সহজ ছিল না। অতিরিক্ত ওজন নিয়ে কটাক্ষ, ট্রোলিং, সমালোচনা—সবকিছুর মুখোমুখি দাঁড়িয়েই তিনি নিজের জায়গা তৈরি করেছেন। কমেডিকে হাতিয়ার করে তিনি নিজেকে প্রমাণ করেছেন। মাতৃত্বের পরেও সেই লড়াই থেমে যায়নি। বরং আরও দৃঢ়তা নিয়ে সামনে এগিয়ে গিয়েছেন তিনি।
ভারতী বরাবরই খোলামেলা মানুষ। তাঁর জীবনের সুখ যেমন লুকোননি, তেমনই লুকোননি ইচ্ছেগুলিও। দ্বিতীয় বার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর একাধিক সাক্ষাৎকারে তিনি মজা করে বলেছিলেন, এই বার তিনি কন্যাসন্তান চান। এমনও বলেছিলেন, “মেয়ের মা না হওয়া পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাব!” সেই মন্তব্যে যেমন হাসি ছিল, তেমনই ছিল একজন মায়ের স্বপ্ন। তাই দ্বিতীয় বারও পুত্রসন্তান হওয়ায় অনেকে ভেবেছিলেন, হয়তো তাঁর মন খারাপ হবে। কিন্তু বাস্তব চিত্রটা একেবারেই আলাদা।
নতুন অতিথির আগমনে ভারতী ও হর্ষের ঘরে এখন শুধুই আনন্দ। ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে জানা গিয়েছে, সন্তান সুস্থ রয়েছে, মা-ও ভালো আছেন। পরিবারে খুশির আবহ, শুভেচ্ছার বন্যা বইছে চারদিক থেকে। সহকর্মী, বন্ধু, অনুরাগী—সবাই একের পর এক শুভেচ্ছা বার্তা পাঠাচ্ছেন এই তারকা দম্পতিকে।
ভারতী-হর্ষের বড় ছেলে লক্ষ্য এখন তিন বছরের। ছোট বয়স হলেও তার কথাবার্তা আর ভাবনাচিন্তা ইতিমধ্যেই সকলের মন কেড়েছে। ভারতী গর্ভবতী থাকার সময় এক ভিডিওতে লক্ষ্যর একটি কথা শেয়ার করেছিলেন, যা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। সে বলেছিল, “ও আমার সঙ্গী। তুমি চিন্তা কোরো না। আমিই ওর দেখভাল করব।” নিজের ছোট ভাই বা বোনকে নিয়ে এমন দায়িত্বশীল ভাবনা শুনে তখন আবেগে ভেসেছিলেন ভারতী নিজেও। সেই ভিডিওতে তাঁর চোখে জল, গলায় কাঁপন—সবই ধরা পড়েছিল।
লক্ষ্যর সেই কথাই যেন আজ বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। এখন থেকে সে শুধু একা নয়, তার পাশে থাকবে তার ছোট ভাই। দুই ভাইয়ের সম্পর্ক, তাদের বড় হয়ে ওঠা, একসঙ্গে বেড়ে ওঠার গল্প—সবকিছু নিয়েই ইতিমধ্যেই স্বপ্ন দেখছেন ভারতী ও হর্ষ। তাঁদের কাছের মানুষদের মতে, ভারতী বিশেষভাবে উচ্ছ্বসিত এই কারণে যে, লক্ষ্য একজন দাদা হিসেবে নিজেকে কীভাবে প্রকাশ করে, সেটাই দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের অক্টোবরে দ্বিতীয় বার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে এনেছিলেন ভারতী ও হর্ষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁরা ভাগ করে নিয়েছিলেন সেই সুখবর। ছবিতে কখনও ভারতীর বেবি বাম্প, কখনও আবার হর্ষের মজার ক্যাপশন—সব মিলিয়ে সেই পোস্টগুলি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। অনুরাগীরা ভালোবাসা আর শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছিলেন কমেন্ট বক্স।
গর্ভাবস্থার সময়েও ভারতী সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সক্রিয় ছিলেন। কখনও নিজের শরীরের পরিবর্তন নিয়ে মজা, কখনও মাতৃত্বের অনুভূতি নিয়ে আবেগঘন লেখা—সবই ছিল তাঁর পোস্টে। তিনি একাধিক বার বলেছেন, মাতৃত্ব তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষক। প্রথম সন্তানের পর যেমন বদল এসেছিল তাঁর জীবনে, দ্বিতীয় সন্তানের পর সেই বদল আরও গভীর হবে বলেই বিশ্বাস তাঁর।
ভারতীর জীবনযাত্রা বরাবরই অনুপ্রেরণার। অতিরিক্ত ওজন, ট্রোলিং, কটাক্ষ—সবকিছুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তিনি নিজের জায়গা তৈরি করেছেন। কমেডিকে হাতিয়ার করে নিজের লড়াইকে শক্তিতে বদলে নিয়েছেন। মাতৃত্বের পরেও সেই লড়াই থামেনি। বরং আরও পরিণত, আরও সংবেদনশীল মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলেছেন তিনি।
হর্ষ লিম্বাচিয়াও এই যাত্রায় ভারতীর পাশে পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়েছেন। স্বামী হিসেবে, বাবা হিসেবে তাঁর ভূমিকার কথা ভারতী বহুবার স্বীকার করেছেন প্রকাশ্যে। প্রথম সন্তানের সময় যেমন হর্ষ সব দায়িত্ব ভাগ করে নিয়েছিলেন, দ্বিতীয় সন্তানের ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা যে একই রকম গুরুত্বপূর্ণ, তা বলাই বাহুল্য।
এই মুহূর্তে ভারতী-হর্ষের পরিবারে নতুন অধ্যায়ের সূচনা। দু’টি সন্তানের বাবা-মা হিসেবে তাঁদের জীবন এখন আরও ব্যস্ত, আরও দায়িত্বপূর্ণ, কিন্তু একই সঙ্গে আরও আনন্দে ভরা। রাত জাগা, শিশুর কান্না, ছোট ছোট মুহূর্ত—সব মিলিয়ে আবারও শুরু হল এক নতুন গল্প।
দর্শকদের কাছেও এই খবর নিছক সেলিব্রিটি নিউজ নয়। ভারতী যেন তাঁদেরই ঘরের মেয়ে, বোন বা বন্ধু। তাই তাঁর জীবনের এই সুখের মুহূর্তে সবাই নিজেদের মতো করে অংশ নিচ্ছেন। কেউ লিখছেন শুভেচ্ছাবার্তা, কেউ আবার পুরনো ভিডিও শেয়ার করে স্মৃতিচারণ করছেন।
সব জল্পনা, গুঞ্জন, অনুমানকে পিছনে ফেলে বাস্তবের আনন্দ এখন একটাই বার্তা দিচ্ছে—পরিবারে নতুন সদস্যের আগমনই সবচেয়ে বড় সুখ। কন্যা হোক বা পুত্র, সন্তানের হাসিই একজন মায়ের কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। আর ভারতী সিংহের জীবনে সেই হাসিই এখন দ্বিগুণ হয়ে ধরা দিয়েছে।
হাসির মঞ্চ থেকে বাস্তব জীবনের আবেগ—সব মিলিয়ে ভারতী আবারও প্রমাণ করলেন, তিনি শুধু একজন কমেডিয়ান নন, তিনি একজন পরিপূর্ণ মানুষ, একজন মা। আর তাঁর এই নতুন যাত্রায় শুভকামনার শেষ নেই।