কলকাতার এক পুরোনো রাস্তা, আমহাস্ট স্ট্রিট— যেখানে নীরবতা ভেঙে জেগে ওঠে প্রতিবাদের আগুন। তৃষা, আরিব আর অসংখ্য মুখ মিলে সৃষ্টি করে এক নতুন ইতিহাস। এই আগুন ধ্বংসের নয়, এটি সাহস আর ন্যায়ের প্রতীক। “আমহাস্ট স্ট্রিটে — অগ্নি ও প্রতিবাদের গল্প” এক প্রজন্মের শপথ, অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক অগ্নিঝরা কণ্ঠস্বর।
একসময় যেখানে শোনা যেত হাসির শব্দ, এখন সেখানে শোনা যায় কণ্ঠস্বর—ক্ষোভের, প্রতিবাদের, আর অগ্নির...
রাতের আঁধারে কেউ মশাল জ্বালিয়েছে...
কিন্তু এ আগুন ধ্বংসের নয়—এ আগুন প্রতিরোধের।
তৃষা— এক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী।
তার বন্ধুর মৃত্যুর ন্যায় চাইতে নেমেছে রাস্তায়।
তার পাশে আছে আরিব— কবি, স্বপ্নবাজ, যে কলমকে অস্ত্র বানিয়েছে।
আর আছে শত শত মুখ, একটাই কণ্ঠে—“আমরা থামব না!”
যখন শহর ঘুমিয়ে পড়ে ,আমহাস্ট স্ট্রিট জেগে ওঠে!জেগে ওঠে মানুষের রাগ,
এই আগুন কেবল আগুন নয়,এটা এক শহরের আত্মা।যেখানে ভয় ভেঙে জন্ম নেয় সাহস,আর নীরবতা ভেঙে জন্ম নেয় প্রতিবাদ।আমহাস্ট স্ট্রিটে আজ আগুন জ্বলছে,কিন্তু সেই আগুনের ছায়ায় জন্ম নিচ্ছে নতুন ইতিহাস।
এক প্রজন্ম শিখছে—চুপ করে থাকা মানে সম্মতি নয়,প্রতিবাদ মানেই জীবন।এ শুধু এক রাস্তার গল্প নয়...
এ এক সময়ের গল্প, এক প্রজন্মের শপথ।আমহাস্ট স্ট্রিটে অগ্নি ও প্রতিবাদের গল্প যতদিন অন্যায় থাকবে, ততদিন এই আগুন জ্বলবে|