Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

বিটকয়েনের দাম ২১% কমল নভেম্বর মাসে-ETF আউটফ্লো ও বাজারের অস্থিরতার কারণে বড় পতন

২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে বিটকয়েনের মূল্য একটি বড় পতন করেছে, যা গত বছর জুন মাসের পর সবচেয়ে খারাপ পতন হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। নভেম্বরের প্রথম দিকে বিটকয়েনের দাম প্রায় ২৫,৯০০ ডলার ছিল, যা এখন ২০,৫০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে-এর মানে বিটকয়েনের মূল্য এক মাসে প্রায় ২১% কমে গেছে। এই পতনের পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে ETF আউটফ্লো, যেখানে বিটকয়েন ETF থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ উত্তোলন করা হচ্ছে। এই আউটফ্লো বিটকয়েনের দামকে নিচে নিয়ে এসেছে এবং বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, বিটকয়েনের পতন শুধু ETF আউটফ্লো নয়, বরং মুদ্রানীতি, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা এবং বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অস্থিরতা-এই সব মিলিয়ে ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারে বড় ঝড় সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষত, মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় এবং মার্কিন বাজারে অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ থেকে বিনিয়োগকারীরা সরে গিয়ে সোনায় বিনিয়োগ করছে, যার ফলে বিটকয়েনসহ অন্যান্য ক্রিপ্টোকারেন্সির দাম কমেছে।

বিটকয়েনের দাম ২১% কমল নভেম্বর মাসে: ETF আউটফ্লো বাড়ানোর কারণে ২০২২ সালের জুনের পর সবচেয়ে বড় পতন

বিটকয়েনের দাম এই বছরের নভেম্বর মাসে ব্যাপকভাবে কমে গেছে, যা বিটকয়েনের জন্য ২০২২ সালের জুনের পর সবচেয়ে বড় পতন বলে বিবেচিত। এক দিকে যেখানে সারা বিশ্বে ক্রিপ্টোকারেন্সির প্রতি আগ্রহ বাড়ছিল, সেখানে এখন মার্কেটের মধ্যে অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। ডিসেম্বরের শুরুর দিকে বিটকয়েনের দাম ছিল প্রায় ২০,৫০০ ডলার, যা গত মাসের শুরুর দিকে ছিল প্রায় ২৫,৯০০ ডলার—এর মানে, নভেম্বর মাসের মধ্যে বিটকয়েনের দাম প্রায় ২১% পতন ঘটেছে। এই বড় পতনের ফলে ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে, এবং বিভিন্ন বিশ্লেষকরা একে “ক্রিপ্টো মন্দা” হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। বিটকয়েনের এমন পতন মূলত কয়েকটি কারণের কারণে ঘটেছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বড় কারণ হলো ETF আউটফ্লো এবং বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অস্থিরতা।

এই বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদনে আমরা বিটকয়েনের বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি, এর পতনের কারণ, ভবিষ্যতের সম্ভাবনা এবং এর পরবর্তী প্রভাবগুলি বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করব। এছাড়াও, এই প্রতিবেদনটি সেগুলোকেও মোকাবেলা করবে যা সাধারণ ক্রিপ্টো ইনভেস্টররা মনে করেন এবং তাদের কীভাবে এই বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি পরিচালনা করতে হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, বিটকয়েনের পতন শুধু ETF আউটফ্লো নয়, বরং মুদ্রানীতি, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা এবং বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক অস্থিরতা—এই সব মিলিয়ে ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারে বড় ঝড় সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষত, মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় এবং মার্কিন বাজারে অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ থেকে বিনিয়োগকারীরা সরে গিয়ে সোনায় বিনিয়োগ করছে, যার ফলে বিটকয়েনসহ অন্যান্য ক্রিপ্টোকারেন্সির দাম কমেছে।

এছাড়াও, বিটকয়েনের হোয়েল হোল্ডাররা, যারা দীর্ঘদিন ধরে বিটকয়েন ধরে রেখেছিলেন, তারা এখন তাদের বড় পরিমাণে বিটকয়েন বিক্রি করছেন। এতে বাজারে বিক্রয় চাপ তৈরি হয়েছে এবং দাম কমে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরণের বিক্রয়ের কারণ হলো বাজারে অস্থিরতা এবং পুনরায় বিটকয়েনের প্রতি আস্থা ফিরে না আসা।

ভারতের বাজারে বিটকয়েনের দামও সঙ্কুচিত হয়েছে। যদিও ভারতে ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘমেয়াদী সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করছেন, তবুও শেয়ার বাজারের পতন এবং সুদের হার বৃদ্ধির কারণে তারা বিটকয়েনসহ অন্যান্য ডিজিটাল অ্যাসেট থেকে সরে যাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উপর বিটকয়েনের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে, এবং যদি পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হয়, তবে বিটকয়েন আবারও তার দামের উন্নতি করতে পারে।

এদিকে, অর্থনীতির পুনরুদ্ধারের সঙ্গে সঙ্গে বিটকয়েনের দাম পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনাও বাড়তে পারে। তবে এই পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারে এখনো অনেক পরিবর্তন ঘটতে বাকি রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য এই মুহূর্তে বিটকয়েন এবং অন্যান্য ক্রিপ্টোকারেন্সির দামে ওঠানামা খুবই সাধারণ এবং তাদের জন্য অস্থিরতার মাঝেও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।

সব মিলিয়ে, বিটকয়েনের পতন সারা বিশ্বের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পতন এবং তার পরবর্তী প্রভাবগুলো বিশ্বের অর্থনৈতিক এবং বিনিয়োগ পরিবেশে বড় রকমের পরিবর্তন আনতে পারে। বিটকয়েনের ভবিষ্যত কি হবে, তা এখন পুরোপুরি নির্ভর করছে বিশ্বের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উপর, তবে বিনিয়োগকারীদের জন্য এখন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


১. বিটকয়েনের পতনের কারণ: ETF আউটফ্লো ও আরও অন্যান্য কারণ

বিটকয়েনের দাম ব্যাপক পতনের অন্যতম প্রধান কারণ হলো ETF আউটফ্লো। একাধিক বিশ্লেষক মনে করছেন, এটি 2022 সালের জুনের পর বিটকয়েনের বাজারের সবচেয়ে বড় আউটফ্লো। এর ফলে বাজারে প্রচুর বিক্রয় চাপ সৃষ্টি হয়েছে, যা দাম কমানোর প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত করেছে। যদিও বিটকয়েনের দাম অস্থির ছিল, কিন্তু ETF আউটফ্লো এর পূর্বাভাস দেয় যে ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারে আরও বড় পরিবর্তন আসতে পারে।

১.১ ETF আউটফ্লো: মূল কারণ

ফিনান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন ও বিনিয়োগকারীরা যারা বিটকয়েনের মতো ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদে বিনিয়োগ করেছিলেন, তারা এই অবস্থা দেখে তাদের অবস্থান হ্রাস করতে শুরু করেছেন। বিটকয়েন ETF থেকে বিপুল পরিমাণে অর্থ উত্তোলন করা হচ্ছে, এবং বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে উৎসাহী বিনিয়োগকারীরা বাজার থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন। এর ফলস্বরূপ, পুরো ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারের পরিবেশ পরিবর্তিত হয়েছে এবং বিটকয়েনের দাম আরও নিচে নেমে গেছে। এই আউটফ্লোর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং সুদের হার বৃদ্ধির প্রভাব, যা বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদে বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে সংশয় তৈরি করেছে।

১.২ বাজারে অস্থিরতা

বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বিটকয়েনসহ অন্যান্য ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজারে অস্থিরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগকারীদের রিস্ক অ্যাসেট থেকে সরে যাওয়ার প্রবণতা ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছে। এই ধরনের অস্থিরতা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং অনেকেই বাজার থেকে তাদের বিনিয়োগ সরিয়ে নিচ্ছেন।

news image
আরও খবর

১.৩ শেয়ারের বাজারের প্রভাব

এছাড়াও, বিশ্বের শেয়ার বাজারের পতন বিটকয়েনের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। যখন শেয়ার বাজারে উত্থান-পতন হয়, তখন বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ যেমন ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে বেরিয়ে যেতে শুরু করেন। এই কারণেই বিটকয়েনের দাম কমে গেছে এবং বাজারে আরও অস্থিরতা দেখা গেছে।


২. বিটকয়েনের পতনের প্রভাব: সারা বিশ্বে ও ভারতের ক্রিপ্টো বাজারে

২.১ বিশ্বব্যাপী প্রভাব

বিটকয়েনের পতন শুধু এককভাবে ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারের উপর প্রভাব ফেলছে না, বরং এটি বিশ্বের অন্যান্য ধাতু এবং সম্পদের বাজারে সমগ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করছে। এর প্রভাব সবার প্রথমে দেখা যাচ্ছে ইউরোপীয় এবং আমেরিকান বাজারে, যেখানে বিনিয়োগকারীরা ক্রিপ্টোকারেন্সিতে তাদের বিনিয়োগে দীর্ঘমেয়াদী সংকোচন ঘটাচ্ছেন।

২.২ ভারতে ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারের অবস্থা

ভারতে ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজারে বিগত কয়েক মাসে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। বিটকয়েনের পতন ভারতের ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি বড় ধাক্কা হতে পারে। তবে, ভারতের ক্রিপ্টো বাজারে সরকারের নতুন নীতিমালার জন্য কিছুটা ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সরকার ক্রিপ্টোকারেন্সি নিয়ন্ত্রণে আরও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে, যা ভারতের বাজারে দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা আনতে সহায়তা করতে পারে।


৩. বিটকয়েনের ভবিষ্যত: মার্কেট রেজিস্ট্রেশন ও পুনরুদ্ধারের আশা

৩.১ মার্কেট রেজিস্ট্রেশন

বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি, বিটকয়েন, পুনরায় তার মূল্যে কিছুটা স্থিতিশীলতা আনতে পারে যদি সরকার এবং অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলি নীতিমালা সংস্কার করে এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারে নতুন বিনিয়োগ টানে। একে বলছেন "বাজার রেজিস্ট্রেশন", যেখানে ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজারকে আইনগতভাবে সুসংহত করা হবে এবং বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনা হবে।

৩.২ বিটকয়েনের ভবিষ্যত পুনরুদ্ধার

বিশ্বজুড়ে চলমান সংকট কাটিয়ে, বিটকয়েনের দাম পুনরায় আগের অবস্থানে ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষত যদি বিনিয়োগকারীরা বাজারে আবার ঢোকেন এবং নতুন সরকারের নীতি একেবারে কার্যকর হয়। ভবিষ্যতে বিটকয়েনের দাম আরও বাড়তে পারে যদি সুদের হার এবং অর্থনৈতিক চাপের প্রভাব কমে যায়।


৪. বিটকয়েন ইনভেস্টমেন্টের জন্য টিপস

৪.১ লং টার্ম ইনভেস্টমেন্ট

বিটকয়েনের উপর দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ করার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া উচিত। বাজারের অস্থিরতা বিবেচনায়, ছোট আকারের ইনভেস্টমেন্ট করা নিরাপদ হতে পারে।

৪.২ বিভাগী বিনিয়োগ

ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বিনিয়োগের সময় সমস্ত অর্থ একসাথে না রেখে, ছোট ছোট পরিমাণে ক্রয় করা উচিত। এতে ঝুঁকি কমবে।


৫. উপসংহার: বিটকয়েনের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল না অন্ধকার?

বিটকয়েনের দাম এখনই কমেছে, তবে তার ভবিষ্যত এখনও অন্ধকারে ঢেকে যায়নি। ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জ থাকলেও, সঠিক নীতিমালা এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে বিটকয়েনের দাম পুনরুদ্ধার হতে পারে। আসল বিষয় হল, বাজারে ক্রিপ্টোকারেন্সির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরায় ফিরিয়ে আনা।

বিটকয়েনের পতন পৃথিবীকে একটা শিক্ষা দিয়েছে—যতটা লাভজনক হতে পারে, ততটা ঝুঁকিপূর্ণও হতে পারে। এজন্য, বিনিয়োগকারীদের উচিত বিবেচনা করে পদক্ষেপ নেওয়া এবং তাদের বিনিয়োগ সঠিকভাবে পরিচালনা করা।বিটকয়েনের দাম নভেম্বর মাসে প্রায় ২১% কমে গেছে, যা ২০২২ সালের জুনের পর সবচেয়ে বড় পতন হিসেবে চিহ্নিত। এই পতনের অন্যতম কারণ হলো ETF আউটফ্লো, যেখানে ক্রিপ্টো ETF থেকে বড় পরিমাণ অর্থ উত্তোলন করা হচ্ছে। এর ফলে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে এবং বিটকয়েনের দাম আরও নিচে নেমে গেছে। এছাড়া, মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর সিদ্ধান্ত না নেওয়া এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের কারণে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ থেকে বেরিয়ে সোনায় বিনিয়োগ করছেন। ভারতের ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারও এই পতনের প্রভাব থেকে মুক্ত নয়, যেখানে বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের দিকে ঝুঁকছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদি বৈশ্বিক অর্থনীতি স্থিতিশীল হয়, তবে বিটকয়েন আবার তার মূল্য পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই মুহূর্তে ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজারে অবস্থা অস্থির, এবং বিনিয়োগকারীদের সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

Preview image