পশ্চিমবঙ্গে ২০২৫-র SIR (বিশেষ নিবিড় সংশোধন) প্রক্রিয়ার আওতায় খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য নির্বাচনী অফিসের ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজের নাম খুঁজে দেখা যাবে এবং যাতে কাদের নাম বাদ পড়েছে সে তালিকাও দেখা যাবে। যারা খসড়া তালিকায় নাম পাননি, তারা ভবিষ্যতে আবেদন বা অভিযোগ করতে পারবেন।
পশ্চিমবঙ্গে ২০২৫ সালের বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়ার অধীনে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটার তালিকাকে আরও স্বচ্ছ ও নির্ভুল করে তুলতেই এই বিশেষ সংশোধন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল যে ভোটার তালিকায় মৃত ভোটারের নাম, ঠিকানা পরিবর্তন হলেও নাম না কাটা ভোটার কিংবা একই ব্যক্তির একাধিক নাম নথিভুক্ত থাকার মতো সমস্যা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন আগেভাগেই উদ্যোগ নিয়ে খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছে, যাতে সাধারণ মানুষ নিজের নাম যাচাই করতে পারেন এবং প্রয়োজন হলে সংশোধনের আবেদন জানান।
এই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহল যেমন বেড়েছে, তেমনই উদ্বেগও দেখা দিয়েছে। অনেকেই জানতে চাইছেন তাঁদের নাম তালিকায় রয়েছে কি না, আবার কারও কারও অভিযোগ, বহু বছর ধরে ভোট দিয়ে আসা সত্ত্বেও খসড়া তালিকায় তাঁদের নাম খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নির্বাচন কমিশন অবশ্য স্পষ্ট করেছে, এটি খসড়া তালিকা হওয়ায় এখানে ভুলত্রুটি থাকতেই পারে এবং সেই কারণেই সাধারণ মানুষকে যাচাইয়ের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংশোধন করে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট এবং রাজ্য নির্বাচন দফতরের নির্দিষ্ট পোর্টালের মাধ্যমে খসড়া ভোটার তালিকা দেখা যাচ্ছে। ভোটাররা তাঁদের নাম, বয়স, ঠিকানা, ছবি এবং ভোটার আইডি নম্বর মিলিয়ে দেখতে পারছেন। অনলাইন ছাড়াও নির্দিষ্ট ব্লক অফিস, পুরসভা কিংবা নির্বাচনী অফিসে তালিকা টাঙানো হয়েছে, যাতে যাঁদের ইন্টারনেট সুবিধা নেই তাঁরাও যাচাই করতে পারেন। কমিশনের দাবি, এই স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটার তালিকায় ভুয়ো নাম বাদ দেওয়া এবং প্রকৃত ভোটারদের অধিকার সুরক্ষিত করাই মূল লক্ষ্য।
খসড়া তালিকা প্রকাশের পরই দেখা গেছে, কিছু ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এর পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। কেউ দীর্ঘদিন অন্যত্র চলে গেলে, মৃত্যুর তথ্য নথিভুক্ত হলে বা একই ব্যক্তির একাধিক নাম থাকলে যাচাইয়ের সময় নাম বাদ যেতে পারে। তবে কমিশন আশ্বাস দিয়েছে, প্রকৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার কোনও উদ্দেশ্য নেই এবং অভিযোগ জানালে তা গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। এই কারণেই খসড়া তালিকার পর আপত্তি ও সংশোধনের সময়সীমা রাখা হয়েছে।
রাজনৈতিক দলগুলিও এই খসড়া ভোটার তালিকা নিয়ে সরব হয়েছে। শাসক ও বিরোধী উভয় পক্ষই নিজেদের মতো করে বিষয়টি ব্যাখ্যা করছে। কোথাও অভিযোগ উঠছে পরিকল্পিতভাবে কিছু নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, আবার কোথাও বলা হচ্ছে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ঠিক করার জন্যই এই কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন ছিল। নির্বাচন কমিশন অবশ্য রাজনৈতিক চাপ বা প্রভাবের অভিযোগ নাকচ করে জানিয়েছে, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও নিয়ম মেনেই এই প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভোটার তালিকা সংশোধনের এই প্রক্রিয়া গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক ভোটার তালিকা না থাকলে নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়ে। তাই সময়সাপেক্ষ হলেও এই ধরনের নিবিড় সংশোধন প্রয়োজন। তবে একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোও জরুরি, যাতে তাঁরা নিজেরাই তালিকা যাচাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারেন।
খসড়া ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে বা কোনও তথ্য ভুল থাকলে ভোটাররা নির্দিষ্ট ফর্মের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে যেমন এই সুযোগ রয়েছে, তেমনই অফলাইনেও ব্লক বা পুরসভা অফিসে গিয়ে আবেদন জানানো যাবে। আবেদন জমা পড়ার পর সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা তথ্য যাচাই করবেন এবং উপযুক্ত প্রমাণ পেলে নাম সংযোজন বা সংশোধন করা হবে। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এই পুরো প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করা হবে, যাতে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশে দেরি না হয়।
এই খসড়া তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে এসেছে, তা হল ভোটারদের দায়িত্ববোধ। অনেক সময় দেখা যায়, ভোটাররা নিজেদের তথ্য হালনাগাদ করেন না, ফলে ঠিকানা বদল বা বয়স সংক্রান্ত ভুল রয়ে যায়। নির্বাচন কমিশন বারবার আবেদন জানালেও অনেকেই গুরুত্ব দেন না। এবার খসড়া তালিকা প্রকাশের ফলে মানুষ নিজের চোখে ভুল দেখতে পাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে আরও সচেতন করে তুলতে পারে।
গ্রামাঞ্চল থেকে শহর সর্বত্রই এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। গ্রামবাংলায় পঞ্চায়েত অফিস বা স্কুলে টাঙানো তালিকা দেখতে ভিড় করছেন মানুষ। শহরে অনলাইনে মোবাইল বা কম্পিউটারের মাধ্যমে যাচাই করছেন ভোটাররা। অনেক পরিবারে একসঙ্গে বসে সবাই নিজেদের নাম মিলিয়ে দেখছেন, যা এক ধরনের নাগরিক সচেতনতার ছবিও তুলে ধরছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, খসড়া তালিকা নিয়ে বিভ্রান্ত না হয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যাচাই করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক মাধ্যমে নানা গুজব ছড়ালেও সেগুলিতে কান না দিয়ে অফিসিয়াল সূত্র থেকে তথ্য নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের আধিকারিকরা স্পষ্ট করেছেন, খসড়া তালিকা মানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়, বরং এটি একটি যাচাইয়ের ধাপ মাত্র।
সব মিলিয়ে বলা যায়, পশ্চিমবঙ্গে ২০২৫ সালের খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, তেমনই অন্যদিকে সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সময়মতো যাচাই ও সংশোধনের মাধ্যমে চূড়ান্ত তালিকা আরও নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত করতে এই ধরনের উদ্যোগ যে প্রয়োজনীয়, তা এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
পশ্চিমবঙ্গে ২০২৫ সালের বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়ার অধীনে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটার তালিকাকে আরও স্বচ্ছ ও নির্ভুল করে তুলতেই এই বিশেষ সংশোধন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল যে ভোটার তালিকায় মৃত ভোটারের নাম, ঠিকানা পরিবর্তন হলেও নাম না কাটা ভোটার কিংবা একই ব্যক্তির একাধিক নাম নথিভুক্ত থাকার মতো সমস্যা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন আগেভাগেই উদ্যোগ নিয়ে খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছে, যাতে সাধারণ মানুষ নিজের নাম যাচাই করতে পারেন এবং প্রয়োজন হলে সংশোধনের আবেদন জানান।
এই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহল যেমন বেড়েছে, তেমনই উদ্বেগও দেখা দিয়েছে। অনেকেই জানতে চাইছেন তাঁদের নাম তালিকায় রয়েছে কি না, আবার কারও কারও অভিযোগ, বহু বছর ধরে ভোট দিয়ে আসা সত্ত্বেও খসড়া তালিকায় তাঁদের নাম খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নির্বাচন কমিশন অবশ্য স্পষ্ট করেছে, এটি খসড়া তালিকা হওয়ায় এখানে ভুলত্রুটি থাকতেই পারে এবং সেই কারণেই সাধারণ মানুষকে যাচাইয়ের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংশোধন করে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট এবং রাজ্য নির্বাচন দফতরের নির্দিষ্ট পোর্টালের মাধ্যমে খসড়া ভোটার তালিকা দেখা যাচ্ছে। ভোটাররা তাঁদের নাম, বয়স, ঠিকানা, ছবি এবং ভোটার আইডি নম্বর মিলিয়ে দেখতে পারছেন। অনলাইন ছাড়াও নির্দিষ্ট ব্লক অফিস, পুরসভা কিংবা নির্বাচনী অফিসে তালিকা টাঙানো হয়েছে, যাতে যাঁদের ইন্টারনেট সুবিধা নেই তাঁরাও যাচাই করতে পারেন। কমিশনের দাবি, এই স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটার তালিকায় ভুয়ো নাম বাদ দেওয়া এবং প্রকৃত ভোটারদের অধিকার সুরক্ষিত করাই মূল লক্ষ্য।
খসড়া তালিকা প্রকাশের পরই দেখা গেছে, কিছু ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এর পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। কেউ দীর্ঘদিন অন্যত্র চলে গেলে, মৃত্যুর তথ্য নথিভুক্ত হলে বা একই ব্যক্তির একাধিক নাম থাকলে যাচাইয়ের সময় নাম বাদ যেতে পারে। তবে কমিশন আশ্বাস দিয়েছে, প্রকৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার কোনও উদ্দেশ্য নেই এবং অভিযোগ জানালে তা গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। এই কারণেই খসড়া তালিকার পর আপত্তি ও সংশোধনের সময়সীমা রাখা হয়েছে।
রাজনৈতিক দলগুলিও এই খসড়া ভোটার তালিকা নিয়ে সরব হয়েছে। শাসক ও বিরোধী উভয় পক্ষই নিজেদের মতো করে বিষয়টি ব্যাখ্যা করছে। কোথাও অভিযোগ উঠছে পরিকল্পিতভাবে কিছু নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, আবার কোথাও বলা হচ্ছে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ঠিক করার জন্যই এই কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন ছিল। নির্বাচন কমিশন অবশ্য রাজনৈতিক চাপ বা প্রভাবের অভিযোগ নাকচ করে জানিয়েছে, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও নিয়ম মেনেই এই প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভোটার তালিকা সংশোধনের এই প্রক্রিয়া গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক ভোটার তালিকা না থাকলে নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়ে। তাই সময়সাপেক্ষ হলেও এই ধরনের নিবিড় সংশোধন প্রয়োজন। তবে একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোও জরুরি, যাতে তাঁরা নিজেরাই তালিকা যাচাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারেন।
খসড়া ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে বা কোনও তথ্য ভুল থাকলে ভোটাররা নির্দিষ্ট ফর্মের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে যেমন এই সুযোগ রয়েছে, তেমনই অফলাইনেও ব্লক বা পুরসভা অফিসে গিয়ে আবেদন জানানো যাবে। আবেদন জমা পড়ার পর সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা তথ্য যাচাই করবেন এবং উপযুক্ত প্রমাণ পেলে নাম সংযোজন বা সংশোধন করা হবে। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এই পুরো প্রক্রিয়া নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করা হবে, যাতে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশে দেরি না হয়।
এই খসড়া তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে এসেছে, তা হল ভোটারদের দায়িত্ববোধ। অনেক সময় দেখা যায়, ভোটাররা নিজেদের তথ্য হালনাগাদ করেন না, ফলে ঠিকানা বদল বা বয়স সংক্রান্ত ভুল রয়ে যায়। নির্বাচন কমিশন বারবার আবেদন জানালেও অনেকেই গুরুত্ব দেন না। এবার খসড়া তালিকা প্রকাশের ফলে মানুষ নিজের চোখে ভুল দেখতে পাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে আরও সচেতন করে তুলতে পারে।
গ্রামাঞ্চল থেকে শহর সর্বত্রই এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। গ্রামবাংলায় পঞ্চায়েত অফিস বা স্কুলে টাঙানো তালিকা দেখতে ভিড় করছেন মানুষ। শহরে অনলাইনে মোবাইল বা কম্পিউটারের মাধ্যমে যাচাই করছেন ভোটাররা। অনেক পরিবারে একসঙ্গে বসে সবাই নিজেদের নাম মিলিয়ে দেখছেন, যা এক ধরনের নাগরিক সচেতনতার ছবিও তুলে ধরছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, খসড়া তালিকা নিয়ে বিভ্রান্ত না হয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যাচাই করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সামাজিক মাধ্যমে নানা গুজব ছড়ালেও সেগুলিতে কান না দিয়ে অফিসিয়াল সূত্র থেকে তথ্য নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের আধিকারিকরা স্পষ্ট করেছেন, খসড়া তালিকা মানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়, বরং এটি একটি যাচাইয়ের ধাপ মাত্র।
সব মিলিয়ে বলা যায়, পশ্চিমবঙ্গে ২০২৫ সালের খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা ও নির্ভুলতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে, তেমনই অন্যদিকে সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সময়মতো যাচাই ও সংশোধনের মাধ্যমে চূড়ান্ত তালিকা আরও নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে। গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত করতে এই ধরনের উদ্যোগ যে প্রয়োজনীয়, তা এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।