চন্দননগরের কলুপুকুর এলাকায় জগদ্ধাত্রী পুজোর দিনে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। একটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাইকযুক্ত দম্পতির পিছন থেকে ধাক্কা মারে, এতে মহিলা যাত্রী ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। উৎসবের সময় রাস্তায় ভিড় ও যানজট বেশি ছিল এবং ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ অপর্যাপ্ত ছিল। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে লরির চালককে আটক করে। স্থানীয়রা শোক প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার দাবি তুলেছেন।
চন্দননগরের কলুপুকুর এলাকায় জগদ্ধাত্রী পুজোর দিনে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই দুর্ঘটনায় এক মহিলা ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। স্থানীয় মানুষদের মধ্যে এই ঘটনা গভীর শোক এবং আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।একটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাইকে চলা এক দম্পতির পিছন থেকে জোরে ধাক্কা মারে। এই প্রচণ্ড আঘাতে বাইকের পেছনে বসা মহিলা যাত্রী মারাত্মকভাবে আহত হন। তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।স্থানীয়রা জানান, উৎসবের সময় রাস্তায় অতিরিক্ত ভিড় ছিল। যানজট খুব বেশি ছিল। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ যথাযথভাবে করা হয়নি। বিশেষ করে লরির মতো বড় যানবাহন চলাচলের জন্য রাস্তা প্রস্তুত ছিল না। এই কারণেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে।দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। লরির চালককে তৎক্ষণাৎ আটক করা হয়। তাঁকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ দুর্ঘটনার সঠিক কারণ বের করতে তদন্ত শুরু করেছে। স্থানীয় এলাকার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ নথি সংগ্রহ করা হচ্ছে। ভিডিও ফুটেজ খোঁজা হচ্ছে। লরির গতি এবং ব্রেক ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হচ্ছে।দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা এবং পথচারীরা দ্রুত এগিয়ে আসেন। তাঁরা আহতদের সাহায্য করার চেষ্টা করেন। কিন্তু মহিলা যাত্রীকে আর বাঁচানো যায়নি। মৃতের পরিবারের সদস্যরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁরা স্থানীয় প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।কলুপুকুর এলাকা জগদ্ধাত্রী পুজোর জন্য বিখ্যাত। প্রতি বছর এখানে হাজার হাজার মানুষ আসেন। এই সময় রাস্তায় প্রচণ্ড ভিড় হয়। যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। স্থানীয় প্রশাসন আগে থেকে কিছু ব্যবস্থা নেয়। কিন্তু সেগুলো সবসময় কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয় না।এই দুর্ঘটনা স্থানীয় জনজীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছে। অনেকে আতঙ্কিত হয়ে নিজের যানবাহন চালাতে ভয় পাচ্ছেন। উৎসবের সময় নিরাপত্তা নিয়ে মানুষের সচেতনতা বাড়ছে। বিশেষ করে মহিলা ও শিশুদের জন্য ভিড়ের মধ্যে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন।স্থানীয়রা মনে করেন এই দুর্ঘটনা একটি সতর্কবার্তা। উৎসবের সময় যানবাহন নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রশাসন ও পুলিশকে রাস্তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ভিড় নিয়ন্ত্রণে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। সামাজিক মাধ্যমে অনেকে শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁরা আশা করছেন ভবিষ্যতে এই ধরনের দুর্ঘটনা আর ঘটবে না।প্রশাসন জনগণকে আশ্বস্ত করেছে। তারা দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা এড়াতে কঠোর ব্যবস্থা নেবে। ট্রাফিক নিয়মের প্রতি সবাইকে আরও সতর্ক থাকতে হবে।