সঞ্জয় মাঞ্জরেকর, ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার ও বিশ্লেষক, সম্প্রতি বিরাট কোহলির একাদশ সংস্করণে ক্রিকেট খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে তার হতাশা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, বিরাট কোহলি যখন ক্রিকেট থেকে অবসর নেবেন, তখন সেটি স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে। কিন্তু অবাক করার বিষয় হলো, তিনি নিজের ক্যারিয়ারের একদম নতুন দিক হিসেবে ওডিআই খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন, যা তার জন্য কিছুটা অপ্রত্যাশিত। মাঞ্জরেকর আরও বলেছেন, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কোহলি কি তাঁর ক্রমবর্ধমান চাপ ও সীমাবদ্ধতাগুলোকে অস্বীকার করছেন? বিশ্বকাপের মত বড় টুর্নামেন্টের পর, কোহলি কি নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করবেন, নাকি তিনি তার ক্যারিয়ারের নতুন ধাপে একটি নতুন লক্ষ্য তৈরি করবেন? এমন মন্তব্য নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠেছে ক্রিকেট মহলে। কোহলির সিদ্ধান্ত ক্রিকেট ভক্তদের মধ্যে একাধিক প্রশ্ন তৈরি করেছে এবং তার ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
স্পোর্টস ডেস্ক | ৬ জানুয়ারি, ২০২৬
ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে বিরাট কোহলি এক জীবন্ত কিংবদন্তি। গত দেড় দশকে তিনি নিজেকে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যেখানে রেকর্ড ভাঙা আর গড়া তার কাছে যেন নিত্যদিনের ব্যাপার। তবে ২০২৫ সালে টেস্ট ক্রিকেট থেকে তার আকস্মিক অবসর এবং সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বিশেষ করে ওয়ানডে ফরম্যাটে খেলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রখ্যাত ক্রিকেট বিশ্লেষক সঞ্জয় মাঞ্জরেকর। মাঞ্জরেকরের মতে, কোহলি যদি সব ধরনের ক্রিকেট থেকেই অবসর নিতেন, তবে তা হতো স্বাভাবিক। কিন্তু ওয়ানডে বেছে নেওয়াটা তার কাছে 'হতাশাজনক'।
সম্প্রতি একটি ভিডিও বার্তায় সঞ্জয় মাঞ্জরেকর তার স্বভাবসুলভ কড়া ভাষায় কোহলির সমালোচনা করেছেন। তার মূল আপত্তির জায়গাটি হলো কোহলির টেস্ট ক্রিকেটকে ‘বিদায়’ জানানো। মাঞ্জরেকর বলেন, "বিরাট যদি পুরোপুরি ক্রিকেট ছেড়ে দিতেন, তবে আমি তাকে সাধুবাদ জানাতাম। কিন্তু তিনি টেস্ট ছেড়ে ওয়ানডে খেলছেন, যেটা একজন টপ-অর্ডার ব্যাটারের জন্য সবচেয়ে সহজ ফরম্যাট। এটা আমাকে হতাশ করেছে।"
মাঞ্জরেকর আরও যোগ করেন যে, যেখানে জো রুট বা স্টিভ স্মিথের মতো সমসাময়িক ক্রিকেটাররা টেস্ট ক্রিকেটে একের পর এক মাইলফলক স্পর্শ করছেন (যেমন রুটের ৪১তম সেঞ্চুরি), সেখানে কোহলির মতো একজন ক্রিকেটারের টেস্ট ক্রিকেট থেকে সরে আসাটা মেনে নেওয়া কঠিন। মাঞ্জরেকরের দাবি, গত পাঁচ বছর টেস্টে কোহলির গড় ছিল মাত্র ৩১-এর কাছাকাছি, এবং তিনি নিজের টেকনিক্যাল ত্রুটিগুলো (বিশেষ করে অফ-স্টাম্পের বাইরের বল) শোধরানোর চেয়ে সহজ পথ হিসেবে ওয়ানডে বেছে নিয়েছেন।
সঞ্জয় মাঞ্জরেকর যাই বলুন না কেন, ২০২৫ সালে ওয়ানডে ক্রিকেটে বিরাটের পরিসংখ্যান কিন্তু অন্য কথা বলছে। গত এক বছরে কোহলি ৬টি ম্যাচে ১৪৬ গড়ে ৬৫১ রান করেছেন, যার মধ্যে তিনটি সেঞ্চুরি রয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজেও তিনি ব্যাক-টু-ব্যাক সেঞ্চুরি করে ভারতকে সিরিজ জিতিয়েছেন। এছাড়া ওয়ানডে ফরম্যাটে তার ৫৩তম সেঞ্চুরিটি করে তিনি শচীন টেন্ডুলকারের রেকর্ডকে অনেক পেছনে ফেলে দিয়েছেন।
বিরাটের সাম্প্রতিক অর্জনের এক ঝলক:
সর্বোচ্চ ওয়ানডে সেঞ্চুরি: ৫৩টি (বিশ্ব রেকর্ড)।
আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০২৫: টুর্নামেন্টে ২১১৮ রান এবং নকআউট পর্বে ১০০০ রান অতিক্রমকারী একমাত্র ব্যাটার।
লিস্ট-এ ক্রিকেট: দ্রুততম ১৬,০০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ।
মাঞ্জরেকরের এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক তর্কের জন্ম দিয়েছে। কোহলি ভক্তদের মতে, ৩৫ বছর বয়সে একজন ক্রিকেটারের কাজের চাপ (Workload) সামলানোর জন্য ফরম্যাট বেছে নেওয়ার অধিকার আছে। রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি দুজনেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৪ জয়ের পর সেই ফরম্যাটকে বিদায় জানিয়েছেন। এরপর টেস্ট থেকে বিরাটের সরে যাওয়াটা তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হলেও, ওয়ানডে ক্রিকেটে তার এখনো যে কার্যকারিতা রয়েছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই।
অন্যদিকে, সমালোচকরা মনে করেন, কোহলির ফিটনেস এবং মানসিক শক্তি যা আছে, তাতে তিনি চাইলেই ঘরোয়া ক্রিকেট খেলে বা কাউন্টি খেলে টেস্টে তার হারানো ফর্ম ফিরে পেতে পারতেন। মাঞ্জরেকরের মতে, কোহলি হার মেনে নিয়েছেন, যা তার মতো লড়াকু মানসিকতার ক্রিকেটারের সাথে মানানসই নয়।
বিরাট কোহলি কেবল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নয়, আইপিএল নিয়েও বড় সিদ্ধান্তের পথে হাঁটছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। ২০২৬ সালের আইপিএল-এর আগে তিনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (RCB)-এর সাথে বাণিজ্যিক চুক্তি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে শোনা যাচ্ছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, তিনি হয়তো ধীরে ধীরে সব ধরনের প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট থেকেই সরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে ২০২৬ সালের নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে তাকে নিয়ে ভক্তদের প্রত্যাশা এখনো আকাশচুম্বী।
বিরাট কোহলি এমন এক ব্যক্তিত্ব যিনি মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই সবসময় সমালোচনার জবাব দিয়েছেন। সঞ্জয় মাঞ্জরেকরের বিশ্লেষণ টেকনিক্যাল দিক থেকে সঠিক মনে হতে পারে, কিন্তু বিরাটের আবেগ এবং ওয়ানডে ক্রিকেটে তার অপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রভাবকে ছোট করে দেখার অবকাশ নেই। ক্রিকেট বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে ২০২৬-এর আসন্ন সিরিজগুলোর দিকে। কোহলি কি পারবেন আরও কিছু জাদুকরী ইনিংস খেলে প্রমাণ করতে যে, তার ওয়ানডে খেলা চালিয়ে যাওয়াটা ভুল ছিল না?
মাঞ্জরেকরের ‘হতাশা’ কি বিরাটের নতুন কোনো অর্জনের জ্বালানি হবে? উত্তরটা ক্রিকেট মাঠই দেবে।
ভারতের ক্রিকেটের অন্যতম মেগা স্টার বিরাট কোহলি, তার দীর্ঘ এবং সফল ক্যারিয়ারে বহু দর্শক এবং ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন। কিন্তু সম্প্রতি, সঞ্জয় মাঞ্জরেকর, ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার এবং বিশ্লেষক, বিরাট কোহলির ক্রিকেট থেকে অবসর নেয়ার বিষয়টি নিয়ে কিছুটা হতাশা প্রকাশ করেছেন। মাঞ্জরেকরের মন্তব্য ক্রিকিট বিশ্বের মধ্যে এক ধরনের ঝড় সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেছেন, “বিরাট কোহলি যদি ক্রিকেট থেকে অবসর নিতেন, তা হলে সেটা একটি স্বাভাবিক ব্যাপার হতো, কিন্তু যে কারণে কোহলি এখনো ওডিআই খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন, সেটা অনেকের জন্য হতাশাজনক।”
এটা বেশ অবাক করার মতো একটি মন্তব্য, কারণ বিরাট কোহলির ক্যারিয়ার এখনও দারুণভাবে চলমান। তার ব্যাটিং গেমের সঙ্গে সাথে তার নেতৃত্বের দক্ষতা এবং মাঠে তার উপস্থিতি ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে আছে। মাঞ্জরেকরের বক্তব্য কীভাবে কোহলির ক্রিকেট ক্যারিয়ার এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনাগুলির দিকে একটি নতুন আলো ফেলছে, সেটা ভালোভাবে বুঝতে হলে আমাদের কোহলির পথচলা এবং সঞ্জয় মাঞ্জরেকরের ক্রিকেট বিশ্লেষণকে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।
বিরাট কোহলি, ভারতীয় ক্রিকেট দলের বর্তমান 'গোল্ডেন পিরিয়ড' এর অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান। একসময় তার দক্ষতা এবং সঙ্গতি নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, কোহলি তার ক্যারিয়ারে একাধিক বড় সাফল্য অর্জন করেছেন। একাধিক রেকর্ড ভেঙেছেন, এবং তার নেতৃত্বে ভারতীয় দল অনেক সাফল্য পেয়েছে।
কোহলির শুরুটা ছিল কঠিন, তবে সে প্রতিটি বাধা অতিক্রম করতে পেরেছে এবং আজকের দিন পর্যন্ত বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। কোহলি একাধিক আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ভারতীয় দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন, এবং তার নেতৃত্বে দলটি অনেকবার বিশ্বস্তরীয় সাফল্য অর্জন করেছে।
তবে, কোহলির ভবিষ্যত নিয়ে কিছু প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তার সাম্প্রতিক ফর্মের অবস্থা এবং একাধিক ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ তাকে কিছুটা আঘাত করেছে। ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়ে বিভিন্ন জল্পনা তৈরি হলেও, কোহলি নিজে কখনো তার অবসর গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেননি। বরং তিনি নিজের ফর্ম ফিরে পেতে এবং মাঠে ফিরে আসতে সংকল্পবদ্ধ।
বিরাট কোহলি যখন ২০২১ সালে অধিনায়কত্ব ছাড়েন, তখন অনেকেই মনে করেছিলেন তার অভ্যন্তরীণ চাপ বেড়ে গেছে। তার মধ্যে যা কিছু ঘটছিল, তা তার খেলার জন্য বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তবে, কোহলি তার ফর্ম ফিরে পেয়েছিলেন এবং ২০২২ সালের আইপিএলে তাকে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবে দেখা গিয়েছিল। তার ধারাবাহিকতা এবং মাঠের শৃঙ্খলা তার শক্তিশালী মানসিকতার উদাহরণ, কিন্তু সঞ্জয় মাঞ্জরেকরের মতে, কোহলির এই অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
মাঞ্জরেকর বলেছেন, “আমি মনে করি, কোহলি যে এখনো ওডিআই খেলছেন, তা কিছুটা অপ্রত্যাশিত। আমি ভাবছি, কোহলি কি তার ক্যারিয়ার আরেকটি অধ্যায়ে নিয়ে যাবেন, নাকি এমন কিছু সিদ্ধান্ত নেবেন যা তার ক্যারিয়ারের শেষ পর্যায়কে আরও দূরে নিয়ে যাবে?” মাঞ্জরেকর আরও বলেন, "যদি কোহলি তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষ করতেন, তা হলে সেটা স্বাভাবিক হত, কিন্তু এখন কোহলি তার ক্যারিয়ারকে এক নতুন স্তরে নিয়ে যাচ্ছেন, যা আমাকে কিছুটা বিভ্রান্ত করেছে।”
বিরাট কোহলি এমন এক ব্যাটসম্যান, যিনি তার শুরুর দিনগুলিতে ৫০-এরও কম গড়ের সাথে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রবেশ করেছিলেন, তবে তার গত দশকটি দারুণ সাফল্যমণ্ডিত। তিনি বিশ্বের অন্যতম সেরা ওপেনার এবং মিডল অর্ডারের ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিত। এরই মধ্যে কোহলি একাধিক সেঞ্চুরি, দ্বিগুণ সেঞ্চুরি এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশগুলিতে তার ব্যাটিং দক্ষতা প্রদর্শন করেছেন।
তবে, তাকে ঘিরে কিছু বিতর্ক রয়েছে, যেমন তার অধিনায়কত্বের সময় কিছু পরিস্থিতির মধ্যে ভারতের দলটি কমপক্ষে দুটি বড় টুর্নামেন্টে হেরে গেছে। এছাড়া, তার সাম্প্রতিক ফর্মে কিছুটা ধাক্কা এসেছে, যা তার ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি করেছে। তবে, কোহলি নিজে বারবার বলেছেন, “আমি খেলার জন্য আছি, আমি আমার ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তিত নই।” তবে, সঞ্জয় মাঞ্জরেকরের মন্তব্য কোহলির অবসর নিয়ে কিছু প্রশ্ন তৈরি করেছে।
যখন কোনো ক্রিকেটার তার ক্যারিয়ারের শেষ দিকের দিকে চলে আসেন, তখন তাকে অবসর গ্রহণের বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের চিন্তা ও আলোচনা হতে থাকে। ভক্তরা এবং বিশেষজ্ঞরা দুই দিকেই মন্তব্য করতে থাকেন। বিরাট কোহলি এখন ৩৫ বছরের এবং তার বয়সের কারণে একাধিক প্রশ্ন উঠছে যে, তিনি আর কতদিন ক্রিকেট খেলবেন। ক্রিকেট থেকে অবসর নিতে যে মানসিক প্রস্তুতি প্রয়োজন, সেই দিকেও আলোচনা হতে থাকে।
কোহলির অনেক ভক্ত তার অবসর নিতে চাননি, কারণ তার খেলার ধারাবাহিকতা এবং প্রতিশ্রুতি এখনও দারুণভাবে দৃশ্যমান। তার অনেক ফ্যান তাকে আবার ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত দেখছেন, যেখানে তার দক্ষতা এবং নেতৃত্বকে অস্বীকার করা যায় না। তবে, সঞ্জয় মাঞ্জরেকরের মতামত কিছুটা আলাদা, যেখানে তিনি কোহলির অবসর না নেওয়া নিয়ে তার হতাশা প্রকাশ করেছেন।
বিরাট কোহলি নিজে বলেছিলেন, “যতক্ষণ আমি মাঠে ভালো খেলতে পারব, ততক্ষণ অবসর নেওয়ার চিন্তা করব না।” তিনি বারবার বলছেন যে, তার শারীরিক এবং মানসিক প্রস্তুতি এখনো যথেষ্ট শক্তিশালী। তার মনোভাব একেবারে নেতিবাচক নয়, তবে তার জন্য এটা যথেষ্ট মজারও হতে পারে।
বিশ্ব ক্রিকেটের বিশ্লেষকরা কোহলির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক ভিন্ন মতামত দিয়েছেন। সঞ্জয় মাঞ্জরেকর বিশেষভাবে কোহলির নির্বাচন এবং সাম্প্রতিক ফর্মে কিছু আপত্তি তুলে ধরেছেন, তবে কোহলির প্রতি অনেকের রয়েছে গভীর শ্রদ্ধা এবং আস্থা।