Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

দীপাবলির পর বিষাক্ত বাতাসে ঢেকে দিল্লি — রাজধানীতে ফের শ্বাসকষ্টের দাপট

প্রতি বছরই শীতের শুরুতেই দিল্লি দমবন্ধ অবস্থায় পড়ে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। দীপাবলির পর আতসবাজির ধোঁয়া, গাড়ির ধোঁয়া এবং পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলির খেত পোড়ানোর ধোঁয়ায় রাজধানীর বাতাস আবারও বিষাক্ত হয়ে উঠেছে।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদন:
প্রতি বছর সময়ের নিয়মে যেমন শীত আসে, তেমনই দিল্লি শহরে ফিরে আসে ভয়ঙ্কর বায়ুদূষণের দাপট। এ বছরও রাজধানীর আকাশ ঢেকে গেছে ঘন, ধোঁয়াটে কুয়াশায়। চোখ জ্বালা, গলা পোড়া এবং নিঃশ্বাসে জ্বালাপোড়া— এই উপসর্গগুলো যেন দিল্লিবাসীর নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে।

গত কয়েকদিন ধরে দিল্লি ও তার আশপাশের শহরগুলিতে (গুরগাঁও, নয়ডা, গাজিয়াবাদ, ফারিদাবাদ) বায়ুমান সূচক বা AQI “খারাপ” থেকে “খুব খারাপ” শ্রেণিতে ঘুরছে। দীপাবলির পর রাতের আকাশ আতসবাজির আলোয় রঙিন হলেও, পরের দিন সকালেই দেখা দিয়েছে দূষণের ঘন চাদর। প্রতিবেদন বলছে, গত চার বছরের মধ্যে এটাই ছিল সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ‘পোস্ট-দীপাবলি’ বায়ুদূষণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দিল্লির বিষাক্ত বাতাসের জন্য একক কোনও কারণ দায়ী নয়। এটি একাধিক কারণের মিলিত প্রভাব— আতসবাজির ধোঁয়া, যানবাহনের নির্গমন, এবং পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশে ফসল কাটার পর খেত পোড়ানো থেকে নির্গত ধোঁয়া। এই সবই মিলে রাজধানীর বাতাসকে প্রায় প্রতি বছরই শ্বাসরুদ্ধকর করে তোলে।

news image
আরও খবর

শীতের আগমনও পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। ঠান্ডা আবহাওয়া ও বাতাসের গতি কমে যাওয়ায় দূষণ জমে থাকে নিচের স্তরে, ফলে বাতাসে ক্ষতিকর কণাগুলি ছড়িয়ে পড়ে না এবং মানুষ সেগুলো শ্বাসের সঙ্গে টেনে নেয়।

এই বছরও পরিস্থিতি ভিন্ন নয়। বিভিন্ন প্রতিবেদন বলছে, কারখানার ধোঁয়া, গাড়ির ধোঁয়া, এবং কৃষিক্ষেত পোড়ানোর অনুপাত নিয়ে বিভ্রান্তি থাকলেও, শেষ পর্যন্ত দিল্লিবাসী আবারও বিষাক্ত বাতাসের মধ্যে জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে।

Preview image