Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

বেড়ে উঠছে সন্তান এই বয়সে খাবারে কোন পুষ্টি উপাদান জরুরি জানেন?

বাচ্চার সঠিক বৃদ্ধি ও মস্তিষ্কের উন্নতির জন্য প্রয়োজন সঠিক পুষ্টি  কোন খাবারগুলো প্রতিদিনের ডায়েটে রাখবেন জেনে নিন এই প্রতিবেদনে।

স্কুলপড়ুয়া ছেলেমেয়েদের বয়সটাই হল বেড়ে ওঠার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই পর্যায়ে তাদের শারীরিক, মানসিক এবং বৌদ্ধিক বিকাশ দ্রুত ঘটে। তাই এই সময় সঠিক পুষ্টির জোগান না পেলে ভবিষ্যতে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে শিশু। অনেক অভিভাবকই বুঝতে পারেন না, ঠিক কোন ধরনের পুষ্টি উপাদান প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখা উচিত।

শিশুর সার্বিক বিকাশের জন্য প্রথমেই প্রয়োজন প্রোটিন। প্রোটিন পেশি গঠন ও মেরামতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিদিনের দৌড়ঝাঁপে শরীরের কোষের যে ক্ষয় হয়, তা পূরণ করতে প্রোটিন অপরিহার্য। পাশাপাশি অসুখ থেকে দ্রুত সেরে উঠতেও এটি সাহায্য করে। মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ডাল, ছোলা, বাদাম এবং পনির—এই সব খাবারে পর্যাপ্ত প্রোটিন পাওয়া যায়। উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ—দুই ধরনের প্রোটিনই শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয়।

এরপর আসে আয়রন, যা রক্তে অক্সিজেন পরিবহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আয়রনের ঘাটতি হলে রক্তাল্পতা, ক্লান্তি এবং মনোযোগের অভাব দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন আয়রনের অভাব থাকলে মস্তিষ্কের বিকাশও ব্যাহত হতে পারে। তাই পালং শাক, মেথি, কুমড়োর বীজ, বেদানা, কাঁচকলা, অ্যাপ্রিকট এবং মাংসের মেটে—এই ধরনের আয়রন সমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত দেওয়া উচিত।

ক্যালশিয়াম এবং ভিটামিন ডি-ও এই বয়সে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশুদের হাড় ও দাঁতের গঠনে ক্যালশিয়াম অপরিহার্য। অন্যদিকে, ভিটামিন ডি ক্যালশিয়াম শোষণে সাহায্য করে। দুধ, ডিম, মাছ, শাকসবজি এবং ফল এই দুই পুষ্টির ভালো উৎস। এছাড়া, প্রতিদিন কিছুটা সময় সূর্যের আলোতে থাকা ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করে, যা শিশুদের সুস্থ বৃদ্ধির জন্য খুব প্রয়োজনীয়।

শিশুদের শক্তি জোগাতে কার্বোহাইড্রেট অপরিহার্য। এই বয়সে প্রচুর এনার্জির প্রয়োজন হয়, যা কার্বোহাইড্রেট থেকে পাওয়া যায়। ভাত, রুটি, ডাল এবং শস্যজাত খাবার থেকে প্রয়োজনীয় কার্বোহাইড্রেট মেলে। তবে শুধুমাত্র সিম্পল কার্বোহাইড্রেট নয়, কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট যেমন—গমের আটা, ওটস বা রাগি—এই ধরনের খাবার বেশি উপকারী।

শিশুদের সঠিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য সুষম খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে স্কুলপড়ুয়া বয়সে শারীরিক, মানসিক এবং বৌদ্ধিক উন্নতি দ্রুত ঘটে, তাই এই সময়ে প্রয়োজন সঠিক পুষ্টির জোগান। অনেক সময় অভিভাবকেরা শুধুমাত্র পেট ভরানোর দিকে নজর দেন, কিন্তু খাবারের গুণগত মান এবং পুষ্টিগুণের দিকে নজর দেওয়া আরও জরুরি।

এই প্রেক্ষিতে জিঙ্ক এবং ভিটামিন সি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি পুষ্টি উপাদান। জিঙ্ক শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি নতুন স্নায়ুকোষ বা নিউরন তৈরিতে সাহায্য করে, যার ফলে বৌদ্ধিক ক্ষমতা এবং শেখার দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। এছাড়া, জিঙ্ক শরীরের বিভিন্ন এনজাইমের কাজেও সহায়তা করে এবং সামগ্রিক শারীরিক বৃদ্ধিতে অবদান রাখে।

অন্যদিকে, ভিটামিন সি শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি শরীরকে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে এবং অসুখ-বিসুখের ঝুঁকি কমায়। বিশেষ করে ঋতু পরিবর্তনের সময়ে শিশুদের সুস্থ রাখতে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। লেবুজাতীয় ফল যেমন কমলা, লেবু, আমলকি—এছাড়া ক্যাপসিকামেও ভিটামিন সি পাওয়া যায়।

জিঙ্কের ভালো উৎস হল বাদাম, বিভিন্ন বীজ, দই, পনির এবং ডাল জাতীয় খাবার। এই সব খাবার নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে শিশুদের শরীরে প্রয়োজনীয় জিঙ্কের ঘাটতি পূরণ হয়। একই সঙ্গে এই খাবারগুলো শরীরের সার্বিক পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

শিশুদের সঠিক বৃদ্ধি ও সুস্থ বিকাশ নিশ্চিত করতে একটি সুষম খাদ্যতালিকার গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে স্কুলপড়ুয়া বয়সে তাদের শারীরিক, মানসিক এবং বৌদ্ধিক উন্নয়ন দ্রুতগতিতে ঘটে। এই সময়টিতে যদি প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি থাকে, তবে তা দীর্ঘমেয়াদে তাদের স্বাস্থ্য, শেখার ক্ষমতা এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই অভিভাবকদের উচিত এই বয়স থেকেই শিশুদের সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা এবং প্রতিদিনের ডায়েটে প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি উপাদান অন্তর্ভুক্ত করা।

সব মিলিয়ে, একটি সুষম খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদান রাখা অত্যন্ত জরুরি। শুধুমাত্র এক বা দুই ধরনের খাবারের উপর নির্ভর করলে শিশুদের শরীরে পুষ্টির ভারসাম্য বজায় থাকে না। বরং প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বৈচিত্র্য আনা প্রয়োজন, যাতে শরীরের প্রয়োজনীয় সব ভিটামিন, খনিজ এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান সঠিকভাবে পাওয়া যায়। একটি ভারসাম্যপূর্ণ ডায়েটে প্রোটিন, আয়রন, ক্যালশিয়াম, ভিটামিন ডি, কার্বোহাইড্রেটের পাশাপাশি জিঙ্ক ও ভিটামিন সি থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রোটিন শিশুদের পেশি গঠন এবং কোষ মেরামতে সাহায্য করে, আয়রন রক্তে অক্সিজেন পরিবহণের জন্য অপরিহার্য, ক্যালশিয়াম ও ভিটামিন ডি হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত করে, আর কার্বোহাইড্রেট শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগায়। একই সঙ্গে জিঙ্ক নতুন স্নায়ুকোষ তৈরিতে সাহায্য করে, যা মস্তিষ্কের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অন্যদিকে, ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শিশুদের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

এই সমস্ত পুষ্টি উপাদান সঠিক পরিমাণে গ্রহণ করলে শিশুদের শারীরিক বৃদ্ধি যেমন সঠিকভাবে হয়, তেমনই তাদের মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি এবং শেখার ক্ষমতাও উন্নত হয়। ফলে তারা পড়াশোনা, খেলাধুলা এবং অন্যান্য কার্যকলাপে আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে।

news image
আরও খবর

শিশুদের খাবারে বৈচিত্র্য আনা অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। প্রতিদিন একই ধরনের খাবার খেলে শিশুরা যেমন বিরক্ত হয়ে পড়ে, তেমনই অনেক সময় প্রয়োজনীয় পুষ্টিও পায় না। তাই তাদের খাদ্যতালিকায় রঙিন সবজি, বিভিন্ন ফল, ডাল, শস্য, দুধ ও দুধজাত খাবার, বাদাম ও বীজ—এই সব কিছু অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। এতে একদিকে যেমন পুষ্টির চাহিদা পূরণ হয়, অন্যদিকে খাবারের প্রতি আগ্রহও বাড়ে।

খাবারকে আকর্ষণীয় করে পরিবেশন করাও শিশুদের খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে সাহায্য করে। যেমন—বিভিন্ন রঙের সবজি দিয়ে সাজানো প্লেট, মজাদার ও স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস, বা ফল দিয়ে তৈরি আকর্ষণীয় ডিশ শিশুদের খেতে উৎসাহিত করে। এতে খাওয়ানোর সমস্যা অনেকটাই কমে যায় এবং শিশুরা স্বাভাবিকভাবেই স্বাস্থ্যকর খাবারের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

এছাড়া, নিয়মিত সময়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলাও জরুরি। অযথা জাঙ্ক ফুড বা অতিরিক্ত প্রসেসড খাবার এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এগুলো শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করতে পারে না। বরং ঘরে তৈরি পুষ্টিকর খাবারই শিশুদের সুস্থ রাখার মূল চাবিকাঠি।

শিশুদের সুস্থ বৃদ্ধি ও সঠিক বিকাশ নিশ্চিত করতে শুধুমাত্র খাবার খাওয়ানোই যথেষ্ট নয়—বরং কী ধরনের খাবার দেওয়া হচ্ছে, কতটা পরিমাণে দেওয়া হচ্ছে এবং সেই খাবারের পুষ্টিগুণ কতটা—এই সব বিষয় সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে স্কুলপড়ুয়া বয়সে শিশুদের শারীরিক, মানসিক এবং বৌদ্ধিক বিকাশ দ্রুতগতিতে হয়। এই সময় সঠিক পুষ্টির অভাব হলে তা তাদের ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যের উপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। তাই অভিভাবকদের এই বিষয়ে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

অনেক সময় দেখা যায়, শিশুরা পেট ভরলেই অভিভাবকেরা নিশ্চিন্ত হয়ে যান। কিন্তু পেট ভরানো আর সঠিক পুষ্টি পাওয়া—এই দুই বিষয় এক নয়। একটি শিশুর দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় এমন সব উপাদান থাকা উচিত, যা তার শরীরের বৃদ্ধির পাশাপাশি মস্তিষ্কের উন্নয়নেও সহায়তা করে। তাই খাবারের গুণগত মান, বৈচিত্র্য এবং সঠিক পরিমাণ—এই তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিতে হবে।

শিশুদের খাদ্যতালিকায় সুষম পুষ্টি বজায় রাখতে হলে প্রোটিন, আয়রন, ক্যালশিয়াম, ভিটামিন ডি, কার্বোহাইড্রেট, জিঙ্ক এবং ভিটামিন সি—এই সব উপাদান সঠিক অনুপাতে থাকা প্রয়োজন। প্রতিটি উপাদানের আলাদা ভূমিকা রয়েছে। যেমন প্রোটিন শরীরের কোষ গঠন ও মেরামতে সাহায্য করে, আয়রন রক্তে অক্সিজেন পরিবহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, ক্যালশিয়াম ও ভিটামিন ডি হাড় ও দাঁত মজবুত করে এবং কার্বোহাইড্রেট শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগায়। একই সঙ্গে জিঙ্ক মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়ক এবং ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

এই সব পুষ্টি উপাদান যদি প্রতিদিনের খাবারে সঠিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা যায়, তাহলে শিশুদের সামগ্রিক বিকাশ সঠিক পথে এগোয়। তারা যেমন শারীরিকভাবে শক্তিশালী হয়, তেমনই তাদের মনোযোগ, স্মৃতিশক্তি এবং শেখার ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। ফলে তারা পড়াশোনা ও খেলাধুলা—দুই ক্ষেত্রেই আরও সক্রিয় ও দক্ষ হয়ে ওঠে।

অভিভাবকদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হল শিশুদের খাবারে বৈচিত্র্য আনা। প্রতিদিন একই ধরনের খাবার খেলে শিশুদের খাওয়ার আগ্রহ কমে যায় এবং অনেক সময় তারা প্রয়োজনীয় পুষ্টি থেকেও বঞ্চিত হয়। তাই খাবারে রঙিন সবজি, বিভিন্ন ধরনের ফল, ডাল, শস্য, দুধ ও দুধজাত খাবার, বাদাম ও বীজ—এই সব কিছু অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। এতে খাবার যেমন পুষ্টিকর হয়, তেমনই আকর্ষণীয়ও হয়ে ওঠে।

খাবার পরিবেশনের ধরণও শিশুদের খাওয়ার অভ্যাসে প্রভাব ফেলে। যদি খাবারটি সুন্দরভাবে সাজিয়ে পরিবেশন করা হয় বা মজাদারভাবে তৈরি করা হয়, তাহলে শিশুরা তা খেতে আগ্রহী হয়। এতে খাওয়ানোর সমস্যা অনেকটাই কমে এবং তারা ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি অভ্যস্ত হয়ে ওঠে।

তবে শুধু খাবার নির্বাচনই নয়, সঠিক পরিমাণেও খাবার দেওয়া জরুরি। অতিরিক্ত খাওয়ানো যেমন ক্ষতিকর, তেমনই কম খাওয়ালেও পুষ্টির ঘাটতি হতে পারে। তাই শিশুর বয়স, শারীরিক চাহিদা এবং দৈনন্দিন কার্যকলাপ অনুযায়ী খাবারের পরিমাণ নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

এই ক্ষেত্রে প্রয়োজনে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত উপকারী হতে পারে। তারা শিশুর শারীরিক অবস্থা, বয়স এবং প্রয়োজন অনুযায়ী একটি সঠিক ডায়েট চার্ট তৈরি করতে পারেন, যা শিশুর সুস্থ বিকাশে সাহায্য করবে। বিশেষ করে যদি শিশুর খাওয়ার অনীহা থাকে বা কোনও নির্দিষ্ট পুষ্টির ঘাটতি দেখা যায়, তাহলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

সবশেষে বলা যায়, সঠিক ও সুষম খাদ্যাভ্যাসই একটি শিশুর সুস্থ ভবিষ্যতের ভিত্তি গড়ে তোলে। ছোটবেলা থেকেই যদি শিশুদের স্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি অভ্যাস তৈরি করা যায়, তবে তা তাদের সারাজীবনের জন্য উপকারী হবে। এই অভ্যাস তাদের শুধু শারীরিকভাবে নয়, মানসিক এবং বৌদ্ধিক দিক থেকেও শক্তিশালী করে তুলবে।

একটি সঠিক খাদ্যাভ্যাস শিশুকে সুস্থ, সক্রিয় এবং আত্মবিশ্বাসী করে তোলে, যা তার ভবিষ্যৎ জীবনে সাফল্যের পথকে আরও সুগম করে। তাই অভিভাবকদের উচিত এখন থেকেই সচেতন হওয়া এবং শিশুদের খাদ্যতালিকায় প্রয়োজনীয় পুষ্টির সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখা।

Preview image