তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই গ্রেফতার প্রাক্তন তৃণমূল কর্মী মাসুদ করিম। কংগ্রেসের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই পুরনো মামলা ব্যবহার করে এই গ্রেফতার। ঘটনায় উত্তপ্ত এলাকা।
তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পরই গ্রেফতার—এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের উত্তাল হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহল। প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী মাসুদ করিমের গ্রেফতার ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা, অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ এবং প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন। দলবদলের রাজনীতিতে এই গ্রেফতারি নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাসুদ করিম দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। দলীয় সংগঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতেন তিনি। এলাকায় দলের বিভিন্ন কর্মসূচি ও রাজনৈতিক আন্দোলনে তাঁর উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে গত কয়েক মাস ধরেই দলের অন্দরে তাঁর অসন্তোষ বাড়ছিল বলে দাবি তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের।
মাসুদ করিমের অভিযোগ, স্থানীয় নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই দলীয় স্বজনপোষণ, তৃণমূল স্তরের কর্মীদের অবমূল্যায়ন এবং ভিন্নমত দমন করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছিল। বারবার বিষয়টি দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বকে জানানো হলেও কোনও সুরাহা হয়নি বলে দাবি তাঁর। সেই অসন্তোষ থেকেই তিনি শেষ পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন।
গত ১০ ডিসেম্বর অধীর রঞ্জন চৌধুরীর উপস্থিতিতে আয়োজিত এক রাজনৈতিক সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেসে যোগদান করেন মাসুদ করিম। ওই সভা ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিনের তৃণমূল কর্মীর কংগ্রেসে যোগদানকে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করেন অনেকেই।
সভামঞ্চ থেকেই মাসুদ করিম প্রকাশ্যে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক তথা রাষ্ট্রমন্ত্রী আখরুজ্জামানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, এলাকায় দলীয় গণতন্ত্র কার্যত লুপ্ত হয়ে গেছে। সাধারণ কর্মীদের মতামত উপেক্ষা করা হচ্ছে এবং বিরোধী কণ্ঠস্বর দমন করার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে।
এই বক্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় তীব্র আলোচনা। তৃণমূল শিবিরে বিষয়টি ভালোভাবে নেওয়া হয়নি বলেই রাজনৈতিক সূত্রের দাবি।
কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয় বলে অভিযোগ ওঠে। মাসুদ করিমের দাবি, যোগদানের রাতেই তাঁর বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। তাঁর অভিযোগ, একদল দুষ্কৃতী এসে বাড়িতে হামলা চালায়, আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে ভয় দেখানো হয়।
তিনি সরাসরি এই ঘটনার জন্য তৃণমূল সমর্থকদের দায়ী করেন। ঘটনার পর তিনি স্থানীয় থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগও জমা দেন বলে জানা গেছে। যদিও পুলিশি তদন্তের অগ্রগতি বা এই অভিযোগের ভিত্তিতে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
এই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। কংগ্রেস শিবির অভিযোগ তোলে, বিরোধী দলে যোগ দেওয়ার ফলেই মাসুদ করিমকে টার্গেট করা হচ্ছে।
এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই শনিবার মাসুদ করিমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সংবাদ সূত্রে জানা গেছে, পূর্বে দায়ের হওয়া একটি মামলার ভিত্তিতেই এই গ্রেফতারি। তবে মামলার প্রকৃতি, অভিযোগের ধারা বা মামলাটি কত বছরের পুরনো—এই বিষয়ে প্রশাসনের তরফে এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
এই গ্রেফতারির সময় নির্বাচন, দলবদল ও সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনার সময়কাল একে অপরের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
গ্রেফতারির পর কংগ্রেস শিবির তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। কংগ্রেস নেতাদের অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই প্রশাসন পুরনো মামলা প্রয়োগ করে গ্রেফতারির পথে হেঁটেছে। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে ওই মামলা থাকলেও আগে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বিরোধী দলে যোগ দেওয়ার পরেই হঠাৎ করে সেই মামলা সক্রিয় হওয়ায় সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে।
কংগ্রেসের এক নেতা প্রকাশ্যে বলেন,
“যিনি তৃণমূল ছাড়লেন, তাঁকেই গ্রেফতার করা হল। অথচ একই মামলায় আগে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এটা স্পষ্ট রাজনৈতিক প্রতিহিংসা।”
কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, প্রশাসনকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং বিরোধী কণ্ঠস্বরকে দমন করাই এর উদ্দেশ্য।
অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে দলের অন্দরের একাংশের বক্তব্য, আইন আইনের পথেই চলেছে এবং এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।
তৃণমূল শিবিরের দাবি, কেউ আইন ভাঙলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াই প্রশাসনের কর্তব্য। দলবদল বা রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে আইনি পদক্ষেপের কোনও যোগ নেই বলেই তাঁদের বক্তব্য।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিরোধী দলে যোগ দেওয়ার পরপরই যদি পুরনো মামলা সক্রিয় হয়, তবে তা স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহ তৈরি করে।
অতীতেও পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এই ধরনের অভিযোগ একাধিকবার উঠেছে—বিরোধী নেতা বা দলবদলকারী কর্মীদের বিরুদ্ধে পুরনো মামলা প্রয়োগ করে গ্রেফতার বা হয়রানির অভিযোগ সামনে এসেছে।
এক রাজনৈতিক বিশ্লেষকের মতে,
“আইন অবশ্যই তার নিজের পথে চলবে। কিন্তু সময়টা যদি রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল হয়, তাহলে প্রশাসনের উপর আস্থা নড়বড়ে হয়ে যায়।”
ঘটনার পর থেকে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বজায় রয়েছে। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মতে, রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জেরে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও ব্যাহত হচ্ছে। তাঁরা দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন।
মাসুদ করিমের গ্রেফতার রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে ঠিক কী ধরনের প্রভাব ফেলতে চলেছে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এটি নিছক একটি ব্যক্তিগত আইনি ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ ক্রমশ কমে আসছে। বরং দলবদল, প্রশাসনের ভূমিকা এবং বিরোধী রাজনীতির ভবিষ্যৎ—এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে এই গ্রেফতার একটি বড় রাজনৈতিক ইঙ্গিত বহন করছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে পশ্চিমবঙ্গে দলবদলের রাজনীতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠেছে। এক দল থেকে অন্য দলে যোগ দেওয়ার ঘটনা নতুন নয়, কিন্তু তার পরপরই যদি প্রশাসনিক পদক্ষেপ বা গ্রেফতারির মতো ঘটনা ঘটে, তা স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহের জন্ম দেয়। মাসুদ করিমের ক্ষেত্রেও ঠিক সেটাই ঘটেছে বলে বিরোধী শিবিরের অভিযোগ।
বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, এই ঘটনা ভবিষ্যতে দলবদলের প্রবণতায় প্রভাব ফেলতে পারে। অনেক রাজনৈতিক কর্মী ও নেতাই হয়তো বিরোধী দলে যোগ দেওয়ার আগে আরও সতর্ক হয়ে উঠবেন। তাঁদের মধ্যে একটি আশঙ্কা তৈরি হতে পারে—দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিলে আইনি বা প্রশাসনিক চাপে পড়তে হতে পারে। ফলে রাজনৈতিক স্বাধীনতার প্রশ্নটি নতুন করে সামনে চলে এসেছে।
মাসুদ করিমের গ্রেফতারির পর বিরোধী শিবিরে সবচেয়ে বড় যে প্রশ্নটি উঠছে, তা হল নিরাপত্তা। বিরোধী দলে যোগ দেওয়ার পর কোনও রাজনৈতিক কর্মী বা নেতার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কতটা সুরক্ষিত—এই প্রশ্নটি শুধু কংগ্রেস নয়, অন্যান্য বিরোধী দলগুলির মধ্যেও আলোচিত হচ্ছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী কণ্ঠস্বরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব। যদি কোনও বিরোধী কর্মী মনে করেন যে দল পরিবর্তনের পর তাঁর উপর হামলা হতে পারে, বাড়িতে ভাঙচুর হতে পারে বা পুরনো মামলায় গ্রেফতার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তবে তা গণতন্ত্রের জন্য স্বাস্থ্যকর নয়।
এই ঘটনার পর অনেকেই অতীতের বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনার সঙ্গে তুলনা টানছেন, যেখানে দলবদলের পর বিরোধী কর্মীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। মাসুদ করিমের গ্রেফতার সেই স্মৃতিগুলিকেই আবার উসকে দিয়েছে।
এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে সবচেয়ে বেশি। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যে আইন আইনের পথেই চলেছে, তবুও সময়কাল ও প্রেক্ষাপট একাধিক প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রশাসনিক পদক্ষেপ যদি রাজনৈতিক ঘটনার সঙ্গে সময়ের হিসেবে খুব কাছাকাছি ঘটে, তবে তার ব্যাখ্যা আরও স্বচ্ছ হওয়া প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা শুধু বাস্তবে নয়, দেখাতেও বজায় রাখা জরুরি। কারণ সাধারণ মানুষের বিশ্বাস অনেকটাই নির্ভর করে প্রশাসনের স্বচ্ছতার উপর। মাসুদ করিমের গ্রেফতারির ক্ষেত্রে মামলার বিস্তারিত এখনও স্পষ্ট না হওয়ায় সেই বিশ্বাসে ফাটল ধরছে বলে মনে করছেন অনেকে।
রাজ্য রাজনীতিতে দলবদলের প্রবণতা নতুন নয়। তবে এই ঘটনার পর দলবদলের রাজনীতি আরও কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। একজন কর্মী বা নেতা দল ছাড়ার আগে এখন হয়তো শুধু রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নয়, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও আইনি ঝুঁকিও হিসেব করে দেখবেন।
এই পরিস্থিতি রাজনৈতিক ব্যবস্থার জন্য কতটা ইতিবাচক, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। কারণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক মতাদর্শ পরিবর্তন করার অধিকার প্রত্যেকেরই থাকা উচিত। সেই অধিকার যদি ভয় বা চাপের কারণে সংকুচিত হয়, তবে তা দীর্ঘমেয়াদে রাজনৈতিক সংস্কৃতির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
মাসুদ করিমের গ্রেফতার কংগ্রেসের রাজ্য রাজনীতিতে অবস্থানকেও প্রভাবিত করতে পারে। কংগ্রেস শিবির ইতিমধ্যেই এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে তুলে ধরছে। তারা বিষয়টিকে জনসমক্ষে এনে রাজনৈতিক প্রচারে ব্যবহার করতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
অন্যদিকে, শাসক দলের পক্ষ থেকে যদি এই ঘটনার যথাযথ ব্যাখ্যা না আসে, তবে তা বিরোধীদের হাতে আরও শক্তিশালী অস্ত্র তুলে দিতে পারে। আসন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি, সভা ও আন্দোলনে এই গ্রেফতার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে বলেই অনুমান রাজনৈতিক মহলের।
সব মিলিয়ে, মাসুদ করিমের গ্রেফতার শুধু একটি ব্যক্তিগত আইনি ঘটনা নয়। এটি রাজ্য রাজনীতির বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে উঠেছে। দলবদলের রাজনীতি, প্রশাসনের ভূমিকা এবং বিরোধী কণ্ঠস্বরের নিরাপত্তা—এই তিনটি প্রশ্নকে একসঙ্গে সামনে এনে দিয়েছে এই ঘটনা।
এই বিতর্ক রাজ্য রাজনীতিকে কোন দিকে নিয়ে যাবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। তবে এটুকু স্পষ্ট, এই গ্রেফতারির রেশ শুধু একটি এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকবে না। রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশে এর প্রভাব পড়বে এবং ভবিষ্যতে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে এই ঘটনাকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরা হবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
রাজ্য রাজনীতিতে এই বিতর্ক শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলগুলি কী অবস্থান নেয়—সেদিকেই এখন নজর গোটা রাজনৈতিক মহলের।