হাটগোবিন্দপুর এম.সি হাই স্কুলের ৮০তম জন্মদিবস উপলক্ষে একটি বিশেষ অনুষ্ঠান বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্থানীয় এবং সমাজকল্যাণ সংস্থাগুলোর সঙ্গে মিলিত হয়ে শিক্ষার্থীদের এবং সাধারণ জনগণকে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি বিশেষ পুষ্টি পরামর্শ কর্মসূচি আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্কুল শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্থানীয় বাসিন্দা এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বর্ধমান সদর প্যায়ারা নিউট্রিশন ওয়েলফেয়ার সোসাইটির বিশেষ ডায়েট চার্ট প্রস্তুতি। সংস্থার সিনিয়র ডায়েটিশিয়ান লাবনী ভট্টাচার্য সাধারণ মানুষ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের পুষ্টি পরামর্শ প্রদান করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান উত্তরের বিধায়ক মাননীয় নিশীথ মালিক মহাশয়, যিনি নিজের জন্য একটি বিশেষ ডায়েট চার্ট তৈরি করেন। এছাড়াও পুষ্টি সংক্রান্ত পরামর্শ গ্রহণ করেন বাজেপ্রতাপপুর রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ স্বামী অজ্ঞানানন্দ মহারাজ, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাননীয় মনোরঞ্জন সরকার মহাশয়, সভাপতি মহাদেব রায় মহাশয়, জেলা স্কুল পরিদর্শক মাননীয় দেবব্রত পাল মহাশয় এবং সহকারী পরিদর্শক মাননীয় মলয় কুমার দে মহাশয়। সংস্থার সম্পাদক প্রলয় মজুমদার অনুষ্ঠানে বলেন, স্কুল শিক্ষায় পুষ্টি শিক্ষা এবং খাদ্য সচেতনতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হলে সমাজের স্বাস্থ্য যথাযথভাবে রক্ষা করা সম্ভব। শিক্ষার্থীরা যদি ছোটবেলায় থেকেই সঠিক পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ধারণা গ্রহণ করে, তাহলে তারা ভবিষ্যতে সুস্থ জীবনযাপন করতে সক্ষম হবে।
হাটগোবিন্দপুর এম.সি হাই স্কুলের ৮০তম জন্মদিবসের অনুষ্ঠানটি ছিল এক অসাধারণ এবং স্মরণীয় দিন। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ সাজানো হয়েছিল উৎসবমুখর পরিবেশে, যেখানে বিভিন্ন ধরনের ফুল, ব্যানার এবং রঙিন আলো দিয়ে পুরো এলাকা আলোকিত ছিল। সকাল থেকেই শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং স্থানীয় মানুষজন বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উপস্থিত হতে শুরু করেন। এই বিশেষ দিনে বিদ্যালয় শুধু নিজের শিক্ষার্থীদের আনন্দের কারণ নয়, বরং স্থানীয় সমাজের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে চেয়েছিল, যা হলো স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সচেতনতা। স্কুল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে বর্ধমান সদর প্যায়ারা নিউট্রিশন ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সহযোগিতা নিয়ে একটি বিশেষ পুষ্টি পরামর্শ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষামূলক হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে জানাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে কাজ করেছিল।
অনুষ্ঠানটি শুরু হয় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাননীয় মনোরঞ্জন সরকারের সংক্ষিপ্ত অভিভাষণ দিয়ে। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, শরীর সুস্থ না থাকলে আমরা আমাদের শিক্ষার সম্পূর্ণ সুবিধা নিতে পারি না। তাই স্কুল শিক্ষায় শুধু পাঠ্যবই নয়, পুষ্টি শিক্ষাকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, যাতে ছাত্রছাত্রীরা ছোটবেলায় থেকেই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে বড় হতে পারে। এরপর উপস্থিত অতিথিদের পরিচয় দেওয়া হয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান উত্তরের বিধায়ক মাননীয় নিশীথ মালিক মহাশয়, যারা অনুষ্ঠানে একটি বিশেষ ডায়েট চার্ট তৈরির মাধ্যমে উপস্থিত সবাইকে পুষ্টি সচেতনতার গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। এছাড়াও বাজেপ্রতাপপুর রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ স্বামী অজ্ঞানানন্দ মহারাজ, বিদ্যালয়ের সভাপতি মহাদেব রায় মহাশয়, জেলা স্কুল পরিদর্শক মাননীয় দেবব্রত পাল মহাশয় এবং সহকারী পরিদর্শক মাননীয় মলয় কুমার দে মহাশয় উপস্থিত ছিলেন।
পুষ্টি সংক্রান্ত পরামর্শ প্রদানে সিনিয়র ডায়েটিশিয়ান লাবনী ভট্টাচার্য মূল ভূমিকা রাখেন। তিনি শুধুমাত্র পুষ্টির তত্ত্ব আলোচনা করেননি, বরং শিক্ষার্থীদের ও উপস্থিত সাধারণ মানুষকে ব্যক্তিগতভাবে ডায়েট চার্ট তৈরি করে দেখান। প্রতিটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপনের ধরন, খাবারের পছন্দ, শারীরিক অবস্থা এবং স্বাস্থ্য পরিস্থিতি অনুযায়ী পুষ্টি পরিকল্পনা কিভাবে করা যায় তা তিনি সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেন। এই প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীরা সচেতন হয় যে খাবারের মান এবং পরিমাণের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
সংস্থার সম্পাদক প্রলয় মজুমদার অনুষ্ঠানে বলেন, স্কুল শিক্ষায় পুষ্টি শিক্ষা এবং খাদ্য সচেতনতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হলে সমাজের স্বাস্থ্য যথাযথভাবে রক্ষা করা সম্ভব। আজকের শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ নাগরিক। তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সচেতন না হলে সমাজের সামগ্রিক স্বাস্থ্যও ঠিকভাবে উন্নতি করতে পারবে না। এই ধরনের উদ্যোগ শিশুদের মধ্যে খাদ্যাভ্যাস, পুষ্টি এবং স্বাস্থ্য সচেতনতার প্রতি আগ্রহ তৈরি করে। বিদ্যালয় ও সংস্থা একসাথে কাজ করলে এমন কার্যক্রম আরও বিস্তৃত এবং কার্যকর হতে পারে।
অনুষ্ঠানের সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন ধরণের কার্যক্রমও আয়োজন করা হয়। শিক্ষার্থীরা নিজেদের হাতে স্বাস্থ্যকর খাবারের ছোট ছোট উদাহরণ তৈরি করে, যেমন স্বাস্থ্যকর স্যান্ডউইচ, ফলমূলের সালাদ এবং প্রাকৃতিক জুস প্রস্তুত করে। এটি শুধু তাদের শেখার প্রক্রিয়াকে আরও আকর্ষণীয় করেছে না, বরং তাদের মধ্যে খাদ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতেও সহায়ক হয়েছে। ডায়েটিশিয়ান নার্গিস লায়েক, কোয়েল মালিক এবং জয়ী সাহা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসে তাদের প্রশ্নের উত্তর দেন এবং পুষ্টি সম্পর্কিত বিভিন্ন জ্ঞান ভাগ করে নেন।
অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্কুল ও সমাজের মধ্যে একটি সুস্থ জীবনধারার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। উপস্থিত অভিভাবকরা শিক্ষার্থীদের এই ধরনের শিক্ষামূলক অনুষ্ঠানকে সমর্থন করেছেন এবং নিশ্চিত করেছেন যে তারা বাড়িতে শিক্ষার্থীদেরকে সঠিক খাদ্যাভ্যাস অনুসরণের জন্য উৎসাহ দেবেন। এছাড়াও স্থানীয় বাসিন্দারা এ ধরনের উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন, কারণ এটি তাদের দৈনন্দিন জীবনের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আরও ডায়েটিশিয়ান নার্গিস লায়েক, কোয়েল মালিক ও জয়ী সাহা প্রমুখরা। তারা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় পুষ্টি এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে বিস্তারিত পরামর্শ প্রদান করেন। এছাড়াও, উপস্থিত সকলের জন্য হালকা স্ন্যাকস ও স্বাস্থ্যকর খাবারের উদাহরণ উপস্থাপন করা হয়।
এই বিশেষ অনুষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনুপ্রেরণামূলক অভিজ্ঞতা হিসেবে কাজ করেছে। শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, স্থানীয় বাসিন্দারাও তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনার জন্য উৎসাহিত হন। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্কুল এবং সমাজের মধ্যে একটি স্বাস্থ্য সচেতন পরিবেশ গড়ে তোলার প্রচেষ্টা সফল হয়েছে।
বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণটি সকাল থেকেই মানুষে ভরে যায়। শিক্ষার্থীরা উত্সাহিত ও আনন্দিতভাবে অংশগ্রহণ করতে আসে, তাদের মধ্যে প্রত্যেকের চোখে কৌতূহল এবং আগ্রহ দেখা যাচ্ছিল। অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের সঙ্গে উপস্থিত থাকায় পুরো প্রাঙ্গণটি একধরনের মিলনমেলায় পরিণত হয়। এই অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল স্বাস্থ্যকর জীবনধারা এবং পুষ্টি সচেতনতার উপর বিশেষ আলোকপাত। বিশেষভাবে আমন্ত্রিত ছিলেন বর্ধমান সদর প্যায়ারা নিউট্রিশন ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সিনিয়র ডায়েটিশিয়ানরা, যারা সাধারণ মানুষ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যক্তিগতভাবে পুষ্টি পরামর্শ প্রদানের জন্য উপস্থিত ছিলেন।
ডায়েটিশিয়ান লাবনী ভট্টাচার্য অনুষ্ঠানে প্রধান ভূমিকা পালন করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের এবং উপস্থিত মানুষজনকে দেখান কিভাবে দৈনন্দিন জীবনের খাদ্যাভ্যাসে ছোট ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যকর জীবনধারা গড়ে তোলা যায়। তিনি প্রতিটি বয়সের জন্য উপযুক্ত পুষ্টির ধরন, সঠিক খাদ্যের সময় এবং খাদ্যের পরিমাণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। উপস্থিতরা জানতে পারে যে কেবল স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া যথেষ্ট নয়, বরং তার সঙ্গে শারীরিক কার্যক্রম ও মানসিক সুস্থতার ভারসাম্য বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান উত্তরের বিধায়ক মাননীয় নিশীথ মালিক মহাশয়। তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসে নিজের জন্য একটি বিশেষ ডায়েট চার্ট তৈরি করেন এবং বলেন, স্বাস্থ্যই হলো আমাদের জীবনের মূল ভিত্তি। আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস এমনভাবে হওয়া উচিত যা আমাদের শক্তি দেয়, আমাদের মনোবল বাড়ায় এবং আমাদের জীবনকে সুস্থ ও সমৃদ্ধ করে। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মাননীয় মনোরঞ্জন সরকার মহাশয়, বিদ্যালয়ের সভাপতি মহাদেব রায় মহাশয়, জেলা স্কুল পরিদর্শক মাননীয় দেবব্রত পাল মহাশয় এবং সহকারী পরিদর্শক মাননীয় মলয় কুমার দে মহাশয়। তাদের প্রত্যেকেই শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করেন এবং পুষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সংস্থার সম্পাদক প্রলয় মজুমদার এই অনুষ্ঠানে বলেন, “শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি করা, শুধুমাত্র তাদের শারীরিক বিকাশের জন্য নয়, বরং সমাজের সামগ্রিক স্বাস্থ্য রক্ষার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজকের শিশু ও কিশোররা আগামী দিনের নাগরিক। তারা যদি ছোটবেলায় থেকেই সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং পুষ্টি সম্পর্কে সচেতন হয়, তবে সমাজে সুস্থ ও সচেতন মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। স্কুল এবং সমাজ যদি একসঙ্গে এই ধরনের উদ্যোগ নেয়, তবে তার প্রভাব আরও বিস্তৃত এবং কার্যকর হবে।
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হালকা কার্যক্রম। তারা স্বাস্থ্যকর খাবারের উদাহরণ তৈরি করে দেখায়, যেমন ফলের সালাদ, স্বাস্থ্যকর স্যান্ডউইচ, প্রাকৃতিক জুস ইত্যাদি। এই কার্যক্রম শুধু তাদের শেখার প্রক্রিয়াকে আকর্ষণীয় করেনি, বরং তাদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতার বীজ বোনেছে। উপস্থিত ডায়েটিশিয়ান নার্গিস লায়েক, কোয়েল মালিক এবং জয়ী সাহা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসে তাদের প্রশ্নের উত্তর দেন এবং খাদ্য, পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিস্তারিত জ্ঞান ভাগ করে নেন।
হাটগোবিন্দপুর এম.সি হাই স্কুলের ৮০তম জন্মদিবসের এই বিশেষ অনুষ্ঠানটি প্রমাণ করেছে যে শিক্ষা ও পুষ্টি একসাথে গেলে সমাজের সুস্থতার জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করা সম্ভব। এই ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে যে শিক্ষা ও পুষ্টি একত্রে গেলে সমাজে সুস্থতার ভিত্তি অনেক শক্তিশালীভাবে তৈরি করা সম্ভব। বিদ্যালয় এবং সমাজের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে এই ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত করা যেতে পারে। শিক্ষার্থীদের কাছে এটি শুধুমাত্র একটি আনন্দদায়ক দিন নয়, বরং জীবনধারার জন্য একটি শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা। ভবিষ্যতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আরও নিয়মিতভাবে পুষ্টি শিক্ষাকে পাঠ্যক্রমের অংশ করার পরিকল্পনা করছে, যাতে শিক্ষার্থীরা ছোটবেলায় থেকেই স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে বড় হতে পারে এবং সমাজের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।