Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

আগ্রা-লখনউ এক্সপ্রেসওয়েতে চলন্ত বাসে ভয়াবহ আগুন : অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ৩৯ যাত্রী

উত্তর প্রদেশের আগ্রা-লখনউ এক্সপ্রেসওয়েতে আজ, ২৬ অক্টোবর ২০২৫, রবিবার ভোরে একটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। কাকোরি থানার রেভরি টোল প্লাজার কাছাকাছি স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে, যখন বাসটি দিল্লি থেকে গণ্ডা যাচ্ছিল। বাসের পিছনের চাকা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। যাত্রীদের মধ্যে ৩৯ জন ছিলেন, এবং সবাই নিরাপদে বাস থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। ফায়ার ব্রিগেডের দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আশেপাশের ফুয়েল ট্যাঙ্কারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। বাসের চালক জানিয়েছেন যে আগুন হঠাৎ করে শুরু হয়েছিল, সম্ভবত প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে। এই দুর্ঘটনায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

উত্তর প্রদেশের আগ্রা-লখনউ এক্সপ্রেসওয়েতে আজ, ২৬ অক্টোবর ২০২৫, রবিবার ভোরে একটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। কাকোরি থানার রেভরি টোল প্লাজার কাছাকাছি স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে, যখন বাসটি দিল্লি থেকে গণ্ডা যাচ্ছিল | বাসটিতে মোট ৩৯ জন যাত্রী ছিলেন।

বাসটি চলছিল নির্দিষ্ট সময়ে, যখন হঠাৎ বাসের পিছনের চাকা থেকে ধোঁয়া উঠতে শুরু করে। যাত্রীদের কিছুটা বুঝবার আগেই ঘটনাটি দ্রুত বেড়ে অগ্নিগণ্ডে পরিণত হয়। বাসের চালক সজাগভাবে আগুনের সূত্রপাত দেখে গাড়িটিকে নিরাপদ স্থানে থামান এবং সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীদের দ্রুত বাস থেকে নামিয়ে নেন। এই দ্রুত ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপের ফলে সেই অল্প সময়ে যাত্রীদের মধ্যে কলাপ্রাপ্তি না ঘটতেই সবাই নিরাপদে বাস থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন।

এরপর ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছায় ফায়ার ব্রিগেডের দল। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার সঙ্গে-সঙ্গে তারা আশপাশের ফুয়েল ট্যাঙ্কারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন যাতে কোনো বিস্ফোরণ বা বৃহত্তর বিপর্যয় তৈরি না হয়। স্থানীয় পুলিশ-কর্মীরা ও এক্সপ্রেসওয়ে কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা দলও দ্রুত পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে নেয়। বর্তমানে জানা গেছে এই আগুন সম্ভবত প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে লেগেছে—বিশেষ করে চাকার খারাপ অবস্থা বা শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

news image
আরও খবর

দুর্ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ বা প্রাণহানির কোনো খবর পাওয়া যায়নি, যা সত্যিই স্বাভাবিক ভাবেই বড় আশীর্বাদ। তবে বাসটিকে এমন অবস্থা দেখা দিয়েছে যে, গাড়িটিকে শত ভাগে ক্ষতিগ্রস্ত বলা যেতে পারে। এক্সপ্রেসওয়ের ওই অংশে কিছু সময় ট্র্যাফিক ব্যাহত হয়, তবে দ্রুত পুলিশ এবং এক্সপ্রেসওয়ে কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থা নিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এই ঘটনার পর যাত্রীদের জন্য বিকল্প পরিবহন ও সহায়ক ব্যবস্থা করা হয়। স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বিভাগের পক্ষ থেকে অভিযান চালিয়ে দেখা হচ্ছে বাসটির রক্ষণাবেক্ষণ ও যান্ত্রিক অবস্থা নিয়ে। এই ধরনের ঘটনায় সময়মতো গাড়ি থামিয়ে যাত্রীদের নিরাপদে নামিয়ে নেওয়া ও  পদক্ষেপ নেওয়ার গুরুত্ব একবার পুনরায় সামনে এলো।

সংক্ষেপে, দিল্লি থেকে গণ্ডাগামী ওই স্লীপার বাসে আজ ভোরে আগ্রা-লখনউ এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়ানক আগুন লেগে গেলেও ৩৯ যাত্রী সবাই নিরাপদে শেষ পর্যন্ত রক্ষা পেলেন। প্রযুক্তিগত ত্রুটি-ভিত্তিক এই দুর্ঘটনায় বৃহত্তর কোন প্রাণহানি না হওয়ায় কৃপণ হলেও বড় স্বস্তি দেয়া ঘটনা হিসেবে ধরা যেতে পারে।

Preview image