বিশ্বকাপ জয়ের পর প্রায় তিন দিন কেটে গেলেও স্মৃতি মন্ধানার আবেগের ঘোর এখনও কাটেনি। নবি মুম্বইয়ের মাঠে বসে তিনি ট্রফি জয়ের মুহূর্তের অনুভূতি ভাগ করেছেন এবং জানান, এত বছর পর অর্জিত এই জয়ের আনন্দ ও আবেগ তার চোখে জল এনে দিয়েছে। তিনি বললেন, এই অভূতপূর্ব মুহূর্ত শুধু একটি খেলার জয়ে নয়, পুরো দলের পরিশ্রম ও একতার ফল। পাঠকরা জানতে পারবেন, কীভাবে এই জয়ের আবেগ স্মৃতি মন্ধানার মনে জায়গা করে নিয়েছে এবং তিনি কেন কাঁদলেন।
বিশ্বকাপ জয়ের পর প্রায় তিন দিন কেটে গেলেও স্মৃতি মন্ধানার আবেগের ঘোর এখনও কাটেনি। নবি মুম্বইয়ের মাঠে বসে তিনি ট্রফি জয়ের মুহূর্তের অনুভূতি ভাগ করেছেন এবং জানিয়েছেন, এত বছর পর অর্জিত এই জয়ের আনন্দ ও আবেগ তার চোখে জল এনে দিয়েছে। স্মৃতি বলছেন, এই অভূতপূর্ব মুহূর্ত শুধু একটি খেলার জয়ের নয়, পুরো দলের পরিশ্রম ও একতার ফল। পাঠকরা জানবেন, কীভাবে এই জয়ের আবেগ তার মনে জায়গা করে নিয়েছে এবং কেন তিনি কাঁদলেন।
ম্যাচের পর সম্প্রচারকারী চ্যানেলে কথা বলতে গিয়েই স্মৃতির চোখে দেখা গিয়েছিল জল। সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, “আজ হয়তো ক্রিকেটমাঠে সবচেয়ে বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছি। আগে যতবার হেরেছি, অনেকে কাঁদলেও আমার চোখে জল আসেনি। স্রেফ অনুপ্রেরণা পেয়েছি। তবে জেতার আনন্দে জানতাম এবার আবেগপ্রবণ হব।"
তিনি আরও বলেন, “গত ৩৫–৪০ দিন ধরে যে পরিবেশে আমরা ছিলাম, তাতে বিশ্বকাপ জয়ের পর আবেগপ্রবণ হওয়াটা স্বাভাবিক। সতীর্থদের দিকে তাকিয়ে বুঝছি, ওরা পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ। এ সব দেখে আবেগ তো হবেই। এই মুহূর্তগুলো কেবল খেলার নয়, পুরো দলের কঠোর পরিশ্রম, ধৈর্য ও একতার প্রতিফলন।