Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

"পন্থের চোটে উদ্বেগ, লখনউয়ের বিরুদ্ধে একপেশে জয় কোহলিদের বেঙ্গালুরুর"

লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে একপেশে জয় পেল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। ব্যাটিং ব্যর্থতায় হারের পাশাপাশি সঞ্জীব গোয়েন্‌কার দলের উদ্বেগ বাড়াল অধিনায়ক ঋষভ পন্থের কনুইয়ের চোট।

এটি একটি দারুণ ম্যাচ ছিল, যেখানে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে সহজ জয় অর্জন করেছে। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে লখনউ সুপার জায়ান্টস ১৪৬ রান করেছে। তবে, বেঙ্গালুরুর ব্যাটসম্যানরা লক্ষ্যটি মাত্র ১৫.১ ওভারে ৫ উইকেটে ১৪৯ রান করে সহজেই জয় পেয়ে যায়, যেখানে ২৯ বল বাকি ছিল। এই ম্যাচের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত ছিল, যা ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা সৃষ্টির সুযোগ দিয়েছে।

লখনউ সুপার জায়ান্টসের ওপেনিং ব্যাটসম্যান ঋষভ পন্থের পক্ষে প্রথমে দুর্দান্ত প্রতিক্রিয়া আসেনি। ব্যাটিংয়ের সময়, পন্থ আঘাত পেয়ে কনুইয়ে চোট পেয়ে যান। তবুও, তিনি শুশ্রূষার পর আবার ব্যাট করতে নামেন, কিন্তু উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। আর তার চোট দলটির জন্য বড় উদ্বেগ তৈরি করেছে।

বেঙ্গালুরু দল ১৪৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে একদম চাপের মধ্যে পড়েনি। ওপেনার ফিল সল্ট দ্রুত আউট হয়ে যান, কিন্তু এর পর দেবদত্ত পডিক্কলও ব্যর্থ হন। তবে, বিরাট কোহলির ব্যাটিং তাণ্ডবে তারা কখনওই বিপদে পড়েনি। কোহলি ৩৪ বলে ৪৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। ম্যাচে তার ব্যাট থেকে আসে ৬টি চার এবং ১টি ছক্কা। এর পর, রজত পাটীদার এবং জীতেশ শর্মা আগ্রাসী ব্যাটিং করে দ্রুত রান তুলে ফেলেন। পাটীদার ১৩ বলে ২৭ রান করেন এবং জীতেশ শর্মা ৯ বলে ২৩ রান করেন।

বেঙ্গালুরুর বোলারদের মধ্যে জস হেজলউডের ছিল অবদান। তিনি পন্থকে আঘাত করে ম্যাচে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত সৃষ্টি করেন। এছাড়া, লখনউ দলের বোলারদের মধ্যে সফলতম ছিলেন প্রিন্স যাদব, যিনি ৩২ রানে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন। আবেশ খানও দুটি উইকেট নেন ২৩ রানে।

লখনউ দল ব্যাটিংয়ে খুব একটা ভালো করতে পারেনি, বিশেষত ঋষভ পন্থের চোট এবং ইনিংসের মধ্যে ব্যাটিং ভরাডুবি দলটির জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। প্রথমে এডেন মার্করাম আউট হন, তারপর পন্থ চোটের কারণে মাঠ ছেড়ে চলে যান, এবং এরপর ব্যাটিংয়ের চাপ বেড়ে যায়। নিকোলাস পুরানও শূন্য রানে আউট হন। তবে মিচেল মার্শ এবং আয়ুষ বাদোনি কিছুটা প্রতিরোধ গড়েছিলেন। মার্শ ৩২ বলে ৪০ রান করেন এবং বাদোনি ২৪ বলে ৩৮ রান করেন।

এরপর, বাকি ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ হন এবং লখনউ দল ১৪৬ রান সংগ্রহ করতে পারে। Abdul Samad এবং পন্থও গুরুত্বপূর্ণ সময়ের মধ্যে আউট হন। শেষে, মুকুল চৌধরি কিছুটা লড়াই করে ২৮ বলে ৩৯ রান করেন। তবে তিনি এককভাবে ম্যাচের মোড় ঘুরাতে পারেননি।

শেষ পর্যন্ত, বেঙ্গালুরু তাদের প্রতিপক্ষকে ২৯ বল বাকি থাকতে ৫ উইকেটে পরাজিত করে। এই ম্যাচটি বেঙ্গালুরু দলের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের প্রতিফলন ছিল, যেখানে কোহলির নেতৃত্বে তারা সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছায়। লখনউ দলের ব্যাটিং ব্যর্থতা এবং ঋষভ পন্থের চোট এই ম্যাচে বড় ভূমিকা পালন করেছে। 

লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে সহজ জয় অর্জন করল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ঋষভ পন্থের নেতৃত্বে লখনউ ১৪৬ রানে গুটিয়ে যায়। বোলারদের চাপে, লখনউ দলের ব্যাটসম্যানরা নিয়মিতভাবে উইকেট হারাতে থাকে। ম্যাচের শুরুতেই জস হেজলউডের বলে কনুইয়ে চোট পান ঋষভ পন্থ, যেটি পরে দলের জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। চোটের পর প্রথমে ব্যাট করতে নেমে রান তোলার সময় তার ব্যাটিংয়ে কোনো প্রভাব পড়েছিল এবং পরে উইকেটরক্ষকের দায়িত্বও তিনি পালন করতে পারেননি।

বেঙ্গালুরুর হয়ে কোহলি দলের পক্ষে ৪৯ রান করে তার সর্বোচ্চ স্কোর করতে সক্ষম হন। কোহলি যে ধরনের ব্যাটিং দেখিয়েছেন তা ছিল অবিশ্বাস্য এবং খুবই স্নিগ্ধ, তাকে সহায়তা করেছেন রজত পাটীদার ও জীতেশ শর্মা, যারা আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে ম্যাচের শেষদিকে লক্ষ্যে পৌঁছানোর কাজটি সহজ করে দিয়েছেন।

লখনউয়ের বোলারদের মধ্যে প্রিন্স যাদব ছিলেন সবচেয়ে সফল, তিন উইকেট নিয়ে দলের জন্য ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। তবে, লখনউয়ের ব্যাটিং ছিল একেবারেই হতাশাজনক, নিয়মিত উইকেট হারানোর ফলে তারা বড় স্কোর করতে পারছিল না। মার্শ ও বাদোনির একটি ভালো জুটি হলেও, শেষ পর্যন্ত সেটা পুরো ইনিংসের জন্য স্থায়ী হতে পারেনি।

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু তাদের প্রয়োজনীয় রান তোলার সময় অনেকটা সহজেই লক্ষ্য পূরণ করে নেয়। এটি তাদের জন্য একটি সমাপ্তি ছিল যেটি মোটেও প্রত্যাশিত ছিল না।

এই ম্যাচে যা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল তা হল কোহলির খেলা। হাঁটুতে চোট পাওয়ার পরেও তার ব্যাটিং ছিল অসাধারণ। তিনি বলেছিলেন, “আমি এদিন ব্যাটিং করতে নামলে হয়তো সঠিকভাবেই রানে ফিরতাম। তবে, দলের জয়ই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।” কোহলির খেলা এই জয়কে আরও বিশেষ করে তুলেছিল, যদিও তাকে ফিল্ডিংয়ে নামানো হয়নি এই দিন।

তবে, লখনউ দলের জন্য এটি একটি হতাশাজনক ম্যাচ ছিল। ঋষভ পন্থের চোট এবং ব্যাটিংয়ের দুর্বলতা তাদের মঞ্চে পরাজয়ের কারণ ছিল। তাদের পরবর্তী ম্যাচে কীভাবে তারা ফিরে আসবে, সেটি দেখার বিষয়। 

এটি একটি বিস্তৃত ম্যাচ বিশ্লেষণ, যেখানে রাজস্থান রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (RCB) সহজেই লখনউ সুপার জায়ান্টস (LSG) কে ৫ উইকেটে হারিয়েছে। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ঋষভ পন্থের নেতৃত্বে লখনউ ১৪৬ রানে শেষ হয়। তবে এই রানটি খুবই কম ছিল, এবং রাজস্থান বেঙ্গালুরুর ব্যাটসম্যানদের জন্য সহজ লক্ষ্যে পরিণত হয়। বিরাট কোহলির নেতৃত্বে বেঙ্গালুরু দল ১৫.১ ওভারে ৫ উইকেটে ১৪৯ রান করে, এবং তারা ম্যাচটি ২৯ বল বাকি রেখে জয়ী হয়।

লখনউ দল প্রথমে ব্যাটিং করার সময় ঋষভ পন্থের কনুইয়ে চোট লাগে। যদিও তিনি ফিরে এসে ব্যাট করতে নামেন, তবে উইকেটরক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। এতে লখনউ দলের চোটের চাপ তাদের ব্যাটিং পারফরম্যান্সকে খারাপ করে তোলে। প্রিন্স যাদবের ৩২ রানে ৩ উইকেট নেয়ার পরও লখনউ দলের ব্যাটসম্যানরা নিয়মিতভাবে উইকেট হারায় এবং কোন বড় জুটি তৈরি করতে পারেনি। ওপেনার এডেন মার্করাম মাত্র ১২ রান করে আউট হন, এবং পরবর্তী ব্যাটসম্যানরা যথাক্রমে দ্রুত আউট হন, যেমন নিকোলাস পুরান (০), আব্দুল সামাদ (০), এবং শামি (০)।

এদিকে, বেঙ্গালুরু দলে প্রথম দিকে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হয়। ওপেনার ফিল সল্ট (৭) দ্রুত আউট হয়ে যান, এবং দেবদত্ত পডিক্কলও (১০) বড় রান করতে পারেননি। তবে কোহলির উপস্থিতি বেঙ্গালুরুর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি ৩৪ বলে ৪৯ রান করেন, যেখানে ৬টি চার এবং ১টি ছয় ছিল। তাঁর ব্যাটিং দলকে ম্যাচের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। কোহলি আউট হওয়ার পর, রজত পাটীদার এবং জীতেশ শর্মা তাদের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে লক্ষ্যে পৌঁছাতে সহায়তা করেন। পাটীদার ১৩ বলে ২৭ রান করেন, এবং জীতেশ ৯ বলে ২৩ রান করেন। শেষে, টিম ডেভিড এবং রোমারিও শেফার্ড বাকি কাজ সম্পন্ন করেন।

news image
আরও খবর

লখনউ দলের পক্ষে সফলতম বোলার ছিলেন প্রিন্স যাদব, যিনি ৩২ রানে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন। আবেশ খানও ২৩ রানে ২ উইকেট নিয়েছিলেন, কিন্তু মহম্মদ শামি ৩০ রান দিয়ে উইকেটহীন ছিলেন।

এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ম্যাচটি একপেশে হয়ে যায়। লখনউ ব্যাটিং শুরু করলেও, তারা নিয়মিতভাবে উইকেট হারায় এবং কোনও বড় জুটি তৈরি করতে পারে না। কোহলির নেতৃত্বে বেঙ্গালুরু ২৯ বল বাকি থাকতেই ম্যাচটি জয়লাভ করে।

এই ধরনের ম্যাচের মধ্যে পারফরম্যান্সের অনেক খুঁটিনাটি বিষয় রয়েছে যা দলের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। লখনউ দলের ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা এবং পন্থের চোট তাদের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে, তবে বেঙ্গালুরুর পারফরম্যান্স তাদের জন্য আত্মবিশ্বাসী।

 

 

 

 


 

 

 

 

 

 

 

 

 

Preview image