অভিনেত্রী বিদেশে কাজের প্রসঙ্গে কথা বলছিলেন ঠিক সেই সময় দর্শকাসন থেকে এক অনুরাগী জানতে চান আলিয়া কি কোনদিন পাকিস্তানে আসবেন এই অপ্রত্যাশিত প্রশ্নে মুহূর্তে চাঞ্চল্য ছড়ায় কিন্তু অভিনেত্রী নিজের স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে স্পষ্ট উত্তর দেন এবং পরিস্থিতি সামলায়
আলিয়া ভট্টকে ঘিরে আবারও তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক এবং কৌতূহল। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে তিনি যখন দর্শকদের উদ্দেশে কথা বলছিলেন তখন হঠাৎই এক অনুরাগীর সরাসরি প্রশ্ন ছুড়ে দেওয়া হয় অভিনেত্রীর দিকে। প্রশ্ন ছিল অত্যন্ত চমকপ্রদ। আলিয়া কি কোনও দিন পাকিস্তানে যাবেন। অভিনেত্রী তখন বিদেশি ছবিতে কাজের অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলছিলেন। সেই সময় দর্শক আসন থেকে ওঠা এই প্রশ্ন মুহূর্তে হলজুড়ে হইচই ফেলে দেয়। চারপাশে হাসাহাসি এবং বিস্ময় মেশানো প্রতিক্রিয়া ভেসে ওঠে। যদিও অভিনেত্রী যথেষ্ট সংযতভাবেই উত্তর দেন। তিনি বলেন কাজের প্রয়োজনে পৃথিবীর যেকোনও জায়গায় তিনি যেতে প্রস্তুত। তাঁর এই উত্তর নিরপেক্ষ অথচ দৃঢ় এবং সেই কারণেই সমাজমাধ্যমে তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
আলিয়া ভট্ট বলিউডের অন্যতম সফল অভিনেত্রী। পাশাপাশি তিনি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও নিজের উপস্থিতি স্পষ্টভাবে জানান করেছেন। তিনি অভিনয় করেছেন হার্ট অফ স্টোন নামের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রে যেখানে গ্যাল গ্যাডোট এবং জেমি ডোরনানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা গিয়েছে তাঁকে। ফলে আন্তর্জাতিক দর্শকের সামনে আলিয়ার পরিচিতি এবং গ্রহণযোগ্যতা দুইই বেড়েছে। সেই কারণে বিদেশি উৎসবে তাঁকে ঘিরে প্রত্যাশা থাকে বেশি। দর্শকের কৌতূহলও স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকে। প্রশ্নোত্তর পর্বে যে প্রশ্ন উঠল তা অনেকের কাছে অপ্রত্যাশিত মনে হলেও আলিয়া পরিস্থিতি সামলেছেন স্বাভাবিক ভঙ্গিতে।
এই উত্তর সামনে আসতেই সমাজমাধ্যমে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ মনে করছেন অভিনেত্রী কূটনৈতিক এবং সাবলীলভাবে উত্তর দিয়েছেন। কেউ আবার দাবি করছেন আলিয়া কোনও বিতর্কে না জড়াতে চেয়ে নিরাপদ সুরে কথা বলেছেন। এমনও অনেকে বলছেন আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতীয় শিল্পীদের এই ধরনের উত্তরই দেওয়া উচিত কারণ তা পেশাদারিত্বের পরিচয় বহন করে। অন্যদিকে আরেক অংশের দাবি আলিয়া ভট্ট অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবে বলেছেন তিনি একজন পেশাদার আর্টিস্ট এবং কাজের প্রয়োজনে যে কোনও জায়গায় যেতে পারেন। এতে অপ্রস্তুত হওয়ার কিছুই নেই।
এই একই অনুষ্ঠানে স্বজনপোষণ নিয়েও অভিনেত্রীকে প্রশ্ন করা হয়। আলিয়া জানান যে তাঁর অভিনয়জীবনের শুরুর দিকে তাঁকে প্রায়ই কটাক্ষের মুখোমুখি হতে হয়েছে কারণ তিনি একটি পরিচিত চলচ্চিত্র পরিবার থেকে এসেছেন। বাবা মহেশ ভট্ট বহু বছর ধরে বলিউডে প্রতিষ্ঠিত পরিচালক। মা সোনি রাজদানও পরিচিত অভিনেত্রী। দিদি পূজাও অতীতে বহু ছবিতে অভিনয় করেছেন। এই সমস্ত কারণে আলিয়াকে অনেক সময়েই বলা হয়েছে তিনি সহজ পথ পেয়েছেন। তবে অভিনেত্রীর মতে দর্শক শেষ পর্যন্ত সবকিছু ভুলে যান যদি শিল্পী তাঁদের সামনে ভাল কাজ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন তাঁর জীবনেও বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দৃষ্টিভঙ্গি বদলেছে। আগে তিনি সব কিছু করতে চাইতেন। উচ্ছ্বলতার বশে নানা সিদ্ধান্ত নিতেন। এখন তিনি বেশি ভাবেন বেশি বিচার করেন এবং নিজের উন্নতির পথ খুঁজে নেন।
আলিয়ার এই খোলামেলা বক্তব্য অনেকেরই প্রশংসা কুড়িয়েছে। অভিনেত্রীর মতে শিল্পীর কাজই শেষ পর্যন্ত প্রধান হয়ে ওঠে এবং সেই কারণেই তিনি নিজের অভিনয় দক্ষতা নিয়ে বরাবরই কঠোর পরিশ্রম করেছেন। তিনি বলেন যে তাঁর পূর্বপরিচিতি ছাড়া আর কিছুই তাঁর পথ সহজ করেনি। বরং প্রত্যাশা অনেক ক্ষেত্রে চাপ তৈরি করেছে। তাই নিজের দক্ষতা প্রমাণ করাই ছিল তাঁর একমাত্র লক্ষ্য।
আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে উপস্থিত এই অনুষ্ঠানটি আলোচনায় এসেছে আরও একাধিক কারণে। শুধু পাকিস্তান প্রসঙ্গ নয় শিল্পী হিসেবে আলিয়ার অবস্থান তাঁর বক্তব্য এবং তাঁর ভাবনার পরিণত সুর মন জয় করেছে অনেকের। দর্শকদের মতে তিনি প্রত্যেক প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন ভেবেচিন্তে এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে। কোনও প্রশ্ন তাঁকে অস্থির করতে পারেনি। বরং তিনি নিজের মতামত সাবলীলভাবে তুলে ধরেছেন।
চলচ্চিত্র সমালোচকদের মতে এই সাক্ষাৎকার আলিয়া ভট্টের জনসমক্ষের ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী করে তুলেছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাঁড়িয়ে একজন ভারতীয় অভিনেত্রী যেভাবে নিজেকে তুলে ধরলেন তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। আরও অনেকে মনে করছেন এই উত্তর তাঁর পেশাদারিত্বের পরিচয় দেয়। আলিয়া যে ভারতীয় চলচ্চিত্রশিল্পকে প্রতিনিধিত্ব করছেন তা বুঝিয়ে দিতে তাঁর প্রতিটি কথাই যুক্তিযুক্ত ছিল।
আলিয়ার বক্তব্য ঘিরে যাঁরা বিতর্ক তৈরি করছেন তাঁদের মধ্যে অনেকে বলছেন অভিনেত্রী সরাসরি হ্যাঁ বা না বলেননি বলে প্রশ্ন রয়ে গেল। তবে অন্যদের মতে একজন আন্তর্জাতিক শিল্পীর কাছে কোনও দেশের নাম উল্লেখ করে ব্যক্তিগত মন্তব্য আশা করা ঠিক নয়। তাঁর উত্তরে কাজের প্রসঙ্গই এসেছে এবং সেটাই উপযুক্ত। শিল্পীরা মূলত কাজ নিয়েই ভাবেন। তাঁরা দেশের সীমানা পেরিয়ে ভাষা এবং সংস্কৃতির মিল খুঁজে নিতে চান। তাই আলিয়ার কথার মধ্যে শিল্পীর স্বাধীনতা এবং কাজের প্রতি দায়বদ্ধতা দেখা যায়।
অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও অনেকের আগ্রহ থাকে। কিন্তু আন্তর্জাতিক মঞ্চে তিনি শুধুই শিল্পীর ভূমিকায় কথা বলেছেন। নিজের জীবনের পরিবর্তন নিয়েও আলিয়া খোলামেলাভাবে বলেন যে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি অনেক কিছুই নতুনভাবে দেখেন। অভিনয় সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিও পাল্টেছে। আগে তিনি দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতেন এখন তিনি সেটি ভাবেন বিশ্লেষণ করেন এবং তারপর সিদ্ধান্তে পৌঁছন। এই পরিণত ভাবনা নেটিজেন এবং ভক্তদের কাছেও প্রশংসিত হয়েছে।
উল্লেখ্য আলিয়া ভট্টকে আগামী দিনে দেখা যাবে লভ অ্যান্ড ওয়ার ছবিতে। এই ছবিটি ইতিমধ্যেই প্রত্যাশা তৈরি করেছে কারণ এটি হবে সম্পূর্ণ নতুন ধরনের প্রেম এবং সংঘাতের গল্প। আলিয়ার কাছে এই ছবির দায়িত্বও খুব গুরুত্বপূর্ণ। তিনি নিজেও জানিয়েছেন তিনি প্রতিটি চরিত্রে সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং লভ অ্যান্ড ওয়ারও তার ব্যতিক্রম হবে না।
আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র মঞ্চে অভিনেত্রী আলিয়া ভট্টকে ঘিরে সম্প্রতি যে প্রশ্ন উঠেছে তা এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। পাকিস্তান প্রসঙ্গে একজন অনুরাগীর করা সোজাসাপটা প্রশ্ন মুহূর্তেই আলোড়ন তোলে। দর্শকমণ্ডলীর সামনে দাঁড়িয়ে এ ধরনের প্রশ্ন অনেককে অস্বস্তিতে ফেলে দিতে পারে কিন্তু আলিয়া ভট্ট নিজের স্বভাবমাফিক সংযত ভঙ্গিতে পরিস্থিতি সামলে নিয়েছেন। তাঁর জবাব ছিল পরিমিত এবং বিবেচনাপ্রসূত। তিনি জানান একজন পেশাদার শিল্পী হিসেবে কাজের প্রয়োজনে তিনি পৃথিবীর যে কোনও জায়গায় যেতে প্রস্তুত। তাঁর এই উত্তর কোনও রাজনৈতিক মতামত নয় বরং একজন শিল্পীর পেশাগত অবস্থান। এই কারণেই তাঁর মন্তব্যকে ঘিরে নতুন করে আগ্রহ দেখা দিয়েছে।
অনেকেই মনে করছেন যে এই উত্তরের মধ্য দিয়ে আলিয়া ভট্ট স্পষ্ট করেছেন শিল্পীর কাজ সীমান্তের বাঁধা মানে না। শিল্পের ভাষা সর্বজনীন। তিনি কোনও দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সরাসরি মত প্রকাশ করেননি। বরং কাজকে সামনে রেখে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন। তাঁর এই সংযত ভঙ্গি এবং বিবেচনাপ্রসূত কথাবার্তা সমাজমাধ্যমে প্রশংসা কুড়িয়েছে। ভক্তদের মতে আলিয়া কোনও বিতর্কে না জড়িয়ে দায়িত্বশীল ভঙ্গিতে উত্তর দিয়েছেন। তিনি এমন ভাষা ব্যবহার করেছেন যা কাউকে আঘাত করে না এবং প্রতিটি পক্ষকেই সম্মান জানায়। ফলে এই বিতর্কে কোনও নেতিবাচক ছায়া পড়েনি বরং শিল্পীর মর্যাদা আরও বেড়েছে।
এই ঘটনাটি আরও একটি দিক স্পষ্ট করে যে আলিয়া ভট্ট এখন শুধু বলিউডের তারকা নন তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়েরও অন্যতম পরিচিত মুখ। তাঁর অভিনয় দক্ষতা ব্যক্তিত্ব এবং পরিণত মানসিকতা তাঁকে একটি বড় অবস্থানে নিয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাঁড়িয়ে তাঁর প্রতিটি উত্তর মানুষের আগ্রহের কারণ হয়ে ওঠে। দর্শকরা শুধু তাঁর অভিনয় নয় তাঁর ভাবনার পরিপক্বতা দেখতে চান। এই সাক্ষাৎকারে তাঁর বক্তব্য থেকেই বোঝা যায় তিনি এখন অনেক বেশি স্থির সমঝদার এবং নিজের জায়গা সম্পর্কে সচেতন।
আলিয়া জানান বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিও বদলেছে। ছোটবেলায় তিনি দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতেন। যে কাজটি সামনে এসেছে সেটাই করতে চাইতেন। উচ্ছ্বাসে ভরপুর ছিলেন। এখন তিনি অনেক বেশি ভেবেচিন্তে এগোতে শেখেছেন। নিজের কাজের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা বেড়েছে। তিনি বুঝেছেন একজন শিল্পীর প্রথম দায়িত্ব দর্শককে ভাল কাজ উপহার দেওয়া। আর সেই দায়িত্ব থেকেই তিনি নিজের প্রতিটি চরিত্রকে পরিপূর্ণ করার চেষ্টা করেন। এই পরিণতি এবং ব্যক্তিগত উন্নতিই তাঁকে আরও পরিণত অভিনেত্রী হিসেবে গড়ে তুলেছে।
পাকিস্তান প্রসঙ্গে উত্তেজনা তৈরি হলেও তাঁর কথা থেকে স্পষ্ট যে তিনি কোনও রাজনৈতিক আলোচনায় জড়াতে চান না। বরং কাজকেই কেন্দ্র করে নিজের পথ তৈরি করতে চান। তিনি মনে করেন একজন শিল্পীর সাফল্য নির্ভর করে তার পরিশ্রম এবং কাজের মানের ওপরে। এই দৃষ্টিভঙ্গিই তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে। দর্শকরাও মনে করেন তাঁর উত্তর ছিল পরিমিত এবং প্রয়োজনীয়। এই সংযত ভঙ্গি তাঁকে আরও গ্রহণযোগ্য করেছে আন্তর্জাতিক মঞ্চে।
আলিয়া ভট্ট সামাজিক মাধ্যমে অত্যন্ত জনপ্রিয়। তাঁর প্রতিটি বক্তব্য এবং মন্তব্য সাধারণ মানুষের মাঝে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তাই এই বক্তব্যও বহু মানুষের মধ্যে আলোচনা তৈরি করেছে। কেউ মনে করছেন তিনি কূটনৈতিক হয়েছেন। কেউ মনে করছেন তিনি কূটনীতির আড়ালে শিল্পীর স্বাধীনতাকেই তুলে ধরেছেন। আবার অনেকের মতে তিনি পেশাদারিত্ব দেখিয়েছেন। তবে সবার মাঝেই একটি বিষয় পরিষ্কার আলিয়া পরিস্থিতি সামলাতে জানেন এবং উত্তর দিতে জানেন।
এই প্রসঙ্গটি আরও একটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ যে আন্তর্জাতিক দুনিয়ায় ভারতীয় শিল্পীদের অবস্থান এখন অনেক শক্তিশালী। আলিয়া ভট্ট তার অন্যতম উদাহরণ। তিনি বলিউডে নিজের অবস্থান যেমন সুসংহত করেছেন তেমনি বিদেশি দর্শকের মনেও জায়গা করে নিয়েছেন। তাঁর অভিনীত আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র এবং বিশ্বমঞ্চে তাঁর উপস্থিতি তাঁর গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়ে দিয়েছে। তাই তাঁর মতো শিল্পীর প্রতিটি কথা আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠা স্বাভাবিক।
ভবিষ্যতে আলিয়া ভট্ট কোথায় কাজ করবেন বা কোন চরিত্রে অভিনয় করবেন তা নির্ধারণ করবেন তিনিই। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন যে কাজের প্রয়োজন হলে তিনি যেখানেই যেতে পারেন। আর এই মনোভাবই একজন শিল্পীর পরিচয় বহন করে। সীমান্ত পার হওয়ার আগে যিনি কাজকে প্রধানতা দেন তিনিই প্রকৃত শিল্পী। তাঁর এই মন্তব্য তাই নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং তাঁর জনপ্রিয়তাও আরও উজ্জ্বল করেছে।
আলিয়ার বক্তব্য নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের কাছেও একটি বড় বার্তা দেয়। সেটি হল পেশাদারিত্ব এবং দায়িত্ববোধই শেষ পর্যন্ত শিল্পীর পরিচয় তৈরি করে। কোনও বিতর্কে না জড়িয়েও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করা যায় এবং সেই দক্ষতা আলিয়া ভট্ট খুব সুন্দরভাবে দেখিয়েছেন। আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন যে তিনি শুধু জনপ্রিয় নন তিনি একজন পরিণত চিন্তাশীল এবং সচেতন শিল্পী।
এই ঘটনা ভবিষ্যতেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে থাকবে। তবে একটি বিষয় নিশ্চিত আলিয়া ভট্ট নিজের শান্ত স্বভাব সংযত ভাবনা এবং পরিণত উত্তর দিয়ে সকলের মন জয় করেছেন। তাঁর কাজ এবং তাঁর আচরণই শেষ পর্যন্ত তাঁর পথ নির্ধারণ করবে এবং সেই পথেই তিনি এগিয়ে চলেছেন দৃঢ় আত্মবিশ্বাসে।