Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

আগুনের উত্তাপে পুড়ে উঠল মাটি অসহায় মানুষ

আগুনের হঠাৎ লেলিহান শিখা যখন চারদিকে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করল, তখন চারপাশের পরিবেশ যেন মুহূর্তেই বদলে গেল। প্রচণ্ড উত্তাপে শুধু গাছপালা বা ঘরবাড়িই নয়, মাটিও যেন দগ্ধ হয়ে উঠল। আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে কাছাকাছি আসার সাহস পাচ্ছিল না কেউ। মানুষের চোখে তখন শুধুই আতঙ্ক, কানে ভেসে আসছিল আগুনের দাউ দাউ শব্দ, আর চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছিল ধোঁয়ার দমবন্ধ করা গন্ধ। স্থানীয় লোকজন প্রথমে ভেবেছিল আগুন হয়তো দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসবে, কিন্তু পরিস্থিতি মুহূর্তেই হাতছাড়া হয়ে যায়। প্রবল বাতাস আগুনকে আরও উসকে দিয়ে চারদিকে ছড়িয়ে দিতে থাকে, যেন আগুনের নিজস্ব কোনও দৌড় প্রতিযোগিতা চলছে। মাটির ওপরে তাপমাত্রা এমনভাবে বৃদ্ধি পেল যে পা রাখাই দায় হয়ে দাঁড়াল। ঘরছাড়া মানুষজন নিরাপদ স্থানে ছুটতে লাগল, কিন্তু তাদের চোখে ছিল বাড়িঘর, ফসল আর জীবনের সমস্ত পরিশ্রম হারানোর যন্ত্রণা। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা প্রাণপণ চেষ্টা চালালেও প্রকৃতির এ রুদ্ররূপ সামলানো সহজ ছিল না। পানি ঢালা মাত্রই আগুন যেন আরও ক্ষুধার্ত হয়ে উঠছিল। দমকলকর্মীদের মুখে ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট, কিন্তু দায়িত্ববোধ তাদের পিছিয়ে যেতে দিচ্ছিল না। একদিকে আগুন, অন্যদিকে মানুষের আর্তচিৎকার পুরো পরিবেশ তখন এক বিভীষিকাময় স্থবিরতার চাদরে ঢাকা। অসহায় মানুষজন চোখের সামনে নিজের ঘরবাড়ি ছাই হয়ে যেতে দেখছিল। কেউ চোখের পানি ধরে রাখতে পারেনি, কেউ আবার বাকরুদ্ধ হয়ে শুধু তাকিয়ে ছিল। শিশুরা আতঙ্কে মায়ের আঁচলে মুখ লুকিয়ে ফেলছিল, আর প্রবীণরা স্মৃতির ভারে আরও ভারাক্রান্ত হয়ে পড়ছিল। জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে মানুষজনকে ঠাঁই দেওয়া হলেও তাদের মনে ছিল অনিশ্চয়তার এক অদৃশ্য চাপ আগামীকাল কী হবে, কোথায় ফিরবে তারা? আগুন শেষ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে এল বটে, কিন্তু মানুষের জীবনে রেখে গেল গভীর ক্ষত এবং অগণিত প্রশ্ন। পুড়ে যাওয়া মাটি ঠান্ডা হতে সময় লাগবে, কিন্তু মানুষের মন থেকে এই দিনের স্মৃতি মুছে যাবে না এত সহজে। আগুন শুধু ঘর নয়, মানুষের স্বপ্ন, শান্তি আর নিরাপত্তার বোধও পুড়িয়ে দিয়ে গেছে।

আগুনের লেলিহান শিখা যখন হঠাৎ করেই আকাশের দিকে উঠে যেতে শুরু করল, তখন যেন পুরো গ্রামের পরিবেশ মুহূর্তেই বদলে গেল। শান্ত দুপুরের সেই নিরীহ আবহ একঝটকায় পরিণত হলো তীব্র আতঙ্কে। সূর্যের তাপের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে উঠল আগুনের উত্তাপ, আর সেই উত্তাপে পুড়ে উঠল শুষ্ক মাটি। বাতাসের প্রতিটি ঝাপটায় আগুন যেন আরও উন্মত্ত হয়ে উঠছিল, তার তপ্ত নিঃশ্বাসে চারপাশের সবুজ ঘাস, শুকনো পাতা, এমনকি মানুষের দম পর্যন্ত হারিয়ে যাচ্ছিল। যারা ঘটনাস্থলের একটু কাছে ছিল, তারা অনুভব করতে পারছিল পায়ের তলায় তীব্র জ্বালা, যেন মাটি নিজেই আগুন নিয়ে শ্বাস নিচ্ছে।

শুরুটা ছিল খুব ছোট, হয়তো রান্নার চুলোর একটি অতি সাধারণ স্ফুলিঙ্গ বা কারো অসাবধানতায় ফেলে দেওয়া একটি অর্ধেক নেভা বিড়ি। মানুষের ভুল কতটা মারাত্মক হতে পারে, সে দিনটা যেন তার প্রমাণ হয়ে দাঁড়াল। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে বাঁশঝাড়ে, সেখান থেকে কাশবন আর শুকনো ঘাসের স্তূপে। কেউ প্রথমে বুঝতেই পারেনি কী ঘটতে যাচ্ছে। সামান্য ধোঁয়া দেখে কেউ ভাবেনি যে তার পেছনে লুকিয়ে আছে এত বড় বিপর্যয়। কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই ধোঁয়া কালো হয়ে আকাশ ঢেকে ফেলল, আর বাতাসে শুরু হলো দমবন্ধ করা গন্ধ। ধোঁয়ার সেই গন্ধে ভরে গেল মানুষের নাক মুখ, আর চোখে জমে উঠল জ্বালা।

গ্রামের মানুষ প্রথমে ছুটে গেল টিউবওয়েলে, কেউ ছুটল পুকুরের ধারে। বালতিতে পানি ভরে অসহায় চেষ্টায় আগুন থামানোর চেষ্টা করল তারা। কিন্তু আগুন যেন তখন মানুষের প্রতিটি প্রচেষ্টাকে ব্যঙ্গ করছিল। পানি গিয়ে পড়তেই আগুন যেন আরও ক্ষুধার্ত হয়ে গর্জে উঠছিল। আগুনের শব্দটাকে তখন আর সাধারণ শব্দ বলে মনে হচ্ছিল না, মনে হচ্ছিল কোনো দানব তার রক্তগরম ক্রোধে চারদিকে ছুটে বেড়াচ্ছে। নারী পুরুষ সবাই তখন দিশেহারা। বাবা তার সন্তানকে আঁকড়ে ধরে পালাচ্ছে, মায়েরা গৃহপালিত পশু বাঁচানোর জন্য মরিয়া হয়ে ছুটছে, প্রবীণরা হাঁপাতে হাঁপাতে কোনো রকমে পথ ধরছে।

তাপমাত্রা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে মাটিতে দাঁড়িয়ে থাকা নিজেই ছিল এক ধরনের যন্ত্রণার নাম। অনেকে দেখেছে তাদের পায়ের স্যান্ডেল গলে নরম হয়ে যাচ্ছে, মাটির উপর তাপের ঢেউ নাচছে। পুরো গ্রামটি যেন এক বিশাল চুল্লিতে পরিণত হয়েছে, আর মানুষ ছিল তার ভেতরে আটকে পড়া অসহায় জীব। কেউ যখন আগুনের কাছাকাছি যাওয়ার চেষ্টা করছিল, উত্তাপ তাদের বাধ্য করছিল কয়েক কদম পিছিয়ে যেতে। আগুনের চারপাশে পৌঁছানোই ছিল অসম্ভব, যেন সেখানে বাতাস নয়, শুধু উত্তপ্ত ঝলসানো তরঙ্গ প্রবাহিত হচ্ছিল।

ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু গ্রামের ভেতরের সরু রাস্তা, যানবাহনের ভিড় আর বিস্তৃত আগুনের কারণে সেখানে পৌঁছাতে তাদের সময় লেগে গেল। এর মধ্যেই আগুন ছিল নৃশংসভাবে তার পথ তৈরি করে চলে গেছে। ঘরের চাল, দেওয়ালের খড়, বস্তা, কাঠ, কাপড় সব পুড়ে ছাই হয়ে যেতে শুরু করেছে। যাদের সারা জীবনের সঞ্চয় ছিল মাটির তৈরি ঘরের এক কোণে, তারা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছিল সেই সঞ্চয় মুহূর্তেই পুড়ে ধোঁয়া হয়ে যাচ্ছে। মানুষ তখন শুধু তাকিয়ে ছিল, যেন চোখের সামনে কোনো দুঃস্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে, আর তারা সেই দুঃস্বপ্নের ভেতরে নড়াচড়া তো দূরে থাক, শ্বাস নিতেও পারছে না।

ফায়ার সার্ভিস এসে পৌঁছানোর পর তারা প্রাণপণ চেষ্টা শুরু করল। পানির পাইপ হাতে নিয়ে আগুনের দিকে ছুটে গেলেন দমকলকর্মীরা। কিন্তু এত বিশাল অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা আগুনকে নিয়ন্ত্রণ করা যেন ছিল অসম্ভব এক লড়াই। তাদের শরীর থেকে ঘাম ঝরছে, কিন্তু আগুনের তাপে সেই ঘাম মুহূর্তেই শুকিয়ে যাচ্ছিল। চাপের পানি দিয়ে কোনো রকমে আগুনের ঢাল ভেঙে দিচ্ছিল তারা, কিন্তু বাতাসের দাপটে আগুন আবার নতুন জায়গায় মাথা তুলছিল। মনে হচ্ছিল আগুনের সঙ্গে লড়াই করা যেন আর আগুন নেভানোর কাজ নয়, বরং এক ধরনের বেঁচে থাকার যুদ্ধ।

এদিকে গ্রামবাসীদের আর্তনাদের শব্দ আকাশ ফাটিয়ে দিচ্ছিল। কেউ তার বাড়ির দিকে ছুটছে, কেউ তার গরুর খোঁয়াড়ের দিকে, কেউ খুঁজছে তার বৃদ্ধ বাবা মাকে। আগুনের ভয়াবহতায় মানুষ যেন ভুলে গেছে কোন দিকে কোথায় যাবে। কেউ কেউ জানে না তার সন্তান নিরাপদ আছে কি না, কেউ জানে না তার সবকিছু হারিয়ে গেছে কি না। বাতাসে কান্নার শব্দ, আর্তনাদ, দৌড়ঝাঁপ, ধোঁয়ার গন্ধ সবকিছু মিলে এক চরম বিশৃঙ্খলার দৃশ্য তৈরি করেছিল। এই আগুন যেন শুধু মাটি আর গাছপালা নয়, মানুষের মন, মানুষের স্থিরতা এবং মানুষের নিরাপত্তাবোধও গ্রাস করে নিচ্ছিল।

ধীরে ধীরে আগুনের তীব্রতা কমতে শুরু করল যখন ফায়ার সার্ভিসের পানি ও প্রাকৃতিক বাধা মিলিয়ে আগুনের অগ্রগতি থামানো গেল। কিন্তু আগুন নিভে যাওয়ার পর গ্রামের যা অবস্থা দাঁড়াল, তা ছিল আরও হৃদয়বিদারক। যেসব ঘরবাড়ি ছিল মানুষের বহু বছরের পরিশ্রমের ফল, সেগুলো এখন শুধু কালো কঙ্কালে পরিণত হয়েছে। দগ্ধ গাছগুলো দাঁড়িয়ে আছে নিথর হয়ে, যেন প্রকৃতিও এই ঘটনার সাক্ষী হয়ে নির্বাক হয়ে গেছে। রাস্তার ওপর ছড়িয়ে পড়েছিল পুড়ে যাওয়া কাঠ, ইট, ধাতুর টুকরো, আর মানুষের ব্যবহৃত অগুনতি জিনিস। আগুন শুধু ঘরই নয়, মানুষের স্বপ্ন, স্মৃতি, সংগ্রহ, সুখ সবকিছুই পুড়িয়ে দিয়েছে।

news image
আরও খবর

জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে মানুষকে রাখা হলো, কিন্তু সেই আশ্রয়ের ভেতরেও মানুষের মন শান্ত ছিল না। কেউ বুকে হাত রেখে বসেছিল, কেউ খালি চোখে তাকিয়ে ছিল দূরে, কেউ কাঁদছিল চুপিচুপি। শিশুদের কাঁদুনি থামছিল না, তাদের চোখে ছিল আগুনের ভয়াবহ ছবি। আর মায়েরা চেষ্টা করছিল নিজের মতো করে তাদের শান্ত করতে। পুরুষরা মাথা নিচু করে বসেছিল, কারণ তারা জানত আগামী দিনে তাদের কী অপেক্ষা করছে নতুন করে শুরু করা, নতুন করে ঘর বানানো, জীবনের শূন্যতা মেনে নেওয়া।

সরকারি কর্মকর্তারা এসে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দেখতে লাগলেন। কিন্তু সংখ্যায় কী ধরা যায় সেই যন্ত্রণা, সেই আতঙ্ক, সেই এক মুহূর্তে সব হারানোর দুঃখ মাটির ওপর হাঁটলে এখনো উষ্ণতা টের পাওয়া যাচ্ছিল। দগ্ধ মাটি যেন মানুষের যন্ত্রণার মতোই ধীরে ধীরে ঠান্ডা হবে, কিন্তু সম্পূর্ণভাবে শান্ত হতে সময় লাগবে অনেক। গ্রামের প্রবীণরা বলছিলেন, তারা জীবনে এত বড় আগুন কখনো দেখেননি। তাদের চোখে ছিল অভিজ্ঞতার ভার, কিন্তু সেই অভিজ্ঞতাও যেন আজ অচেনা কষ্টের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছে।

রাতে যখন আগুনের জ্বলা থেমে গেছে, গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে এক গভীর নীরবতা। সেই নীরবতা ছিল আগুনের গর্জনের থেকেও ভয়াবহ। কারণ সেই নীরবতা বলছিল, এখানে একদিন প্রাণবন্ত জীবন ছিল, শিশুদের হাসি ছিল, কৃষকের লাঙল চলার শব্দ ছিল, গৃহিণীদের ব্যস্ততা ছিল আর আজ সেখানে শুধু শূন্যতা। মাটি পুড়ে গেছে, গাছ পুড়ে গেছে, আর মানুষের মনে পুড়ে গেছে সেই নিরাপত্তার অনুভূতি যা তারা এতদিন ধরে লালন করে এসেছে।

যে মানুষগুলো সারাবছর খেটে খেয়ে কষ্ট করে জীবনটা চালিয়ে নিয়ে যায়, তারাই আজ সবচেয়ে অসহায়। একজন বৃদ্ধ মাটির দিকে তাকিয়ে বলছিলেন, এই মাটিতেই কতো ফসল ফলিয়েছি, কত ঘাম ফেলেছি। আজ মনে হচ্ছে মাটিটাও আমাকে চেনে না। তার কণ্ঠটাতে ছিল অবর্ণনীয় যন্ত্রণা। কেউ তার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মাথা নত করে সম্মান জানাল, কারণ জীবনের সবকিছু হারানোর বেদনা বোঝার জন্য কথার প্রয়োজন হয় না।

আগুন নিভে যাওয়ার পরও মানুষের ভয় কাটেনি। শিশুরা রাতে আগুন দেখার দুঃস্বপ্নে ভয় পেয়ে জেগে উঠছিল। মায়েরা তাদের কোলে নিয়ে বোঝাতে চেষ্টা করছিল যে এখন আর কোনো বিপদ নেই, কিন্তু মায়েদের নিজের মনেও সেই বিশ্বাস পুরোপুরি জন্মাচ্ছিল না। কারণ আগুন যে তাদের চোখে দেখানো একটি দৃশ্য দিয়েছে, তা ভুলে যাওয়া এত সহজ নয়।

অনেকেই ভোরবেলা আবার আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা দেখতে গেল। সূর্যের আলোয় স্পষ্ট হয়ে দেখা গেল আগুনের তাণ্ডব। যেখানে একসময় ছিল ঘরবাড়ির সারি, আজ সেখানে শুধু কালো মাটি। আপনি এক হাত মাটি তুললে সেটা আপনাকে বলবে কি পরিমাণ তাপ সে নিজের মধ্যে ধারণ করেছে। সেই মাটির সঙ্গে মানুষের যন্ত্রণার গল্প যেন মিলে গেছে। বাতাসও যেন আজ ভারী, দগ্ধ গন্ধে ভরা।

কিন্তু মানুষ যে অদ্ভুতভাবে আবারও দাঁড়িয়ে যেতে জানে, সেটা এখানেও দেখা গেল। কিছু লোক ভাঙা ঘরের ইট জড়ো করতে শুরু করল, কেউ খোঁড়া জমি সমান করছিল, কেউ বের করছিল অল্প কিছু অবশিষ্ট জিনিস। মানুষ জানে নতুন করে শুরু করা কত কঠিন, কিন্তু থেমে গেলে জীবনের গতিই থেমে যায়। আগুনের তাণ্ডবে মাটি যতই পুড়ে উঠুক, মানুষের মন আবার শক্ত হয়ে উঠবে এই বিশ্বাসটাই মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

এই আগুন মানুষের জীবনে শুধু ক্ষতি নয়, শিক্ষা দিয়েও গেছে। মানুষ বুঝেছে অসাবধানতার মূল্য কতটা ভয়াবহ হতে পারে। তারা বুঝেছে প্রকৃতি কতটা শক্তিশালী, আর মানুষ তার সামনে কতটা অসহায়। আগুনের লেলিহান শিখা তাদের ছাইয়ে পরিণত করেছে, কিন্তু সেই ছাইয়ের ভেতর থেকেই নতুন দিন, নতুন আশা জন্মাবে এই বিশ্বাসই মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি।

Preview image