অতলান্তিক মহাসাগরের এক রহস্যময় অঞ্চল হিসেবে পরিচিত বারমুডা ট্র্যাঙ্গেলকে ঘিরে বহু বছর ধরে কৌতূহল ও বিতর্ক রয়েছে। বিজ্ঞানীরা কাল্পনিক ত্রিভুজের মাধ্যমে এই এলাকাকে চিহ্নিত করেছেন যেখানে বহু জাহাজ ও বিমানের অন্তর্ধানের গল্প শোনা যায়। আধুনিক গবেষণা ও নতুন আবিষ্কারের মাধ্যমে কি এবার এই অজানা রহস্যের প্রকৃত ব্যাখ্যা সামনে আসবে
বারমুডা ট্র্যাঙ্গেল নাম শুনলেই মানুষের মনে একসঙ্গে রহস্য ভয় এবং কৌতূহল জেগে ওঠে বহু দশক ধরে এই অঞ্চলকে ঘিরে অসংখ্য গল্প কাহিনি এবং জল্পনা প্রচলিত রয়েছে অতলান্তিক মহাসাগরের পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত এই এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই বিজ্ঞানী গবেষক এবং সাধারণ মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে আছে বলা হয় বহু জাহাজ ও বিমান এই অঞ্চলে প্রবেশ করার পর আর ফিরে আসেনি তারা কোথায় গেল কীভাবে গেল তার কোনও নিশ্চিত ব্যাখ্যা আজও পাওয়া যায়নি এই অনিশ্চয়তাই বারমুডা ট্র্যাঙ্গেলকে বিশ্বের সবচেয়ে রহস্যময় অঞ্চলগুলির একটিতে পরিণত করেছে
বারমুডা ট্র্যাঙ্গেল কোনও নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানা দিয়ে ঘেরা জায়গা নয় বিজ্ঞানীরা এই অঞ্চলকে চিহ্নিত করার জন্য একটি কাল্পনিক ত্রিভুজাকার সীমারেখার ধারণা দিয়েছেন পুয়ের্তো রিকো মিয়ামি এবং বারমুডা দ্বীপকে অদৃশ্য রেখায় যুক্ত করলে যে ত্রিভুজ তৈরি হয় তাকেই বলা হয় বারমুডা ট্র্যাঙ্গেল এই ত্রিভুজের মধ্যেই নাকি অতীতে একের পর এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে কোনও জাহাজ আচমকা নিখোঁজ হয়ে গেছে কোনও বিমান মাঝ আকাশ থেকে উধাও হয়ে গেছে অথচ তাদের কোনও ধ্বংসাবশেষ বা যাত্রীদের কোনও চিহ্ন কখনও পাওয়া যায়নি
বিশ শতকের শুরু থেকে এই অঞ্চল নিয়ে আলোচনা আরও জোরদার হয় বিশেষ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কয়েকটি বিমান নিখোঁজ হওয়ার ঘটনার পর বারমুডা ট্র্যাঙ্গেল বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসে সেই সময় থেকেই নানা তত্ত্ব সামনে আসতে শুরু করে কেউ বলেন এখানে চৌম্বক ক্ষেত্র অস্বাভাবিক যার ফলে দিক নির্দেশক যন্ত্র কাজ করে না কেউ বলেন সমুদ্রের নীচে শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয় যা মুহূর্তের মধ্যে জাহাজ ডুবিয়ে দিতে পারে আবার কেউ কেউ একে ভিনগ্রহীদের কর্মকাণ্ড বা সময়ের ফাঁকফোকরের ফল বলে মনে করেন
বিজ্ঞানীরা যদিও অতিপ্রাকৃত ব্যাখ্যায় খুব একটা আস্থা রাখেন না তাঁদের মতে প্রকৃতির মধ্যেই এর উত্তর লুকিয়ে থাকতে পারে আবহাওয়ার হঠাৎ পরিবর্তন ভয়ংকর ঝড় সমুদ্রের প্রবল স্রোত কিংবা মানুষের নৌ ও বিমান পরিচালনায় ত্রুটিও দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে কিন্তু সমস্যা হল এই সব ব্যাখ্যা দিয়েও সব ঘটনার যুক্তিসঙ্গত উত্তর পাওয়া যায় না কারণ বহু ক্ষেত্রে কোনও বিপর্যয়ের স্পষ্ট চিহ্ন মেলেনি
এই রহস্যের মধ্যেই সাম্প্রতিক গবেষণা নতুন আশার আলো দেখিয়েছে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন বারমুডা অঞ্চলের সমুদ্রের নীচে একটি অস্বাভাবিক পাথুরে কাঠামোর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে যা পৃথিবীর অন্য কোথাও দেখা যায় না এই কাঠামো সমুদ্রত্বকের ঠিক নীচে অবস্থিত এবং এর বিস্তার অনেক দূর পর্যন্ত গবেষকদের মতে এই বিশেষ ভূগঠনই বারমুডা অঞ্চলকে পৃথিবীর অন্যান্য সমুদ্রাঞ্চল থেকে আলাদা করে তুলেছে
এই আবিষ্কার প্রমাণ করে যে বারমুডা ট্র্যাঙ্গেল কেবল গল্প বা কল্পনার জায়গা নয় ভূবিজ্ঞানের দিক থেকেও এটি সত্যিই ব্যতিক্রমী একটি অঞ্চল সমুদ্রের নীচে থাকা এই কাঠামো সমুদ্রতলের উচ্চতা জলপ্রবাহ এমনকি চৌম্বক ক্ষেত্রের উপরও প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে যদিও এসব এখনও গবেষণার স্তরে রয়েছে এবং নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে আরও সময় লাগবে
বারমুডা ট্র্যাঙ্গেল নিয়ে মানুষের আগ্রহ কমেনি বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা আরও বেড়েছে আধুনিক প্রযুক্তি স্যাটেলাইট নজরদারি গভীর সমুদ্র অনুসন্ধান যন্ত্র এবং উন্নত গবেষণা পদ্ধতির সাহায্যে বিজ্ঞানীরা ধীরে ধীরে এই রহস্যের স্তরগুলো উন্মোচন করার চেষ্টা করছেন প্রতিটি নতুন তথ্য আমাদের বোঝার পরিধি বাড়াচ্ছে এবং অজানাকে জানার পথে এক ধাপ এগিয়ে নিচ্ছে
হয়তো ভবিষ্যতে এমন এক দিন আসবে যখন বারমুডা ট্র্যাঙ্গেলের সমস্ত প্রশ্নের বৈজ্ঞানিক উত্তর মিলবে তখন এই অঞ্চল আর ভয় বা রহস্যের প্রতীক হয়ে থাকবে না বরং পৃথিবীর প্রাকৃতিক ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায় হিসেবে স্বীকৃতি পাবে ততদিন পর্যন্ত বারমুডা ট্র্যাঙ্গেল মানুষের কল্পনা বিজ্ঞান এবং অনুসন্ধিৎসার মিলনস্থল হয়ে থেকেই যাবে
দীর্ঘদিন ধরে এই ঘটনাগুলির ব্যাখ্যা দিতে নানা তত্ত্ব উঠে এসেছে কেউ বলেছেন ভিনগ্রহীদের কাজ কেউ বলেছেন সময়ের ফাঁক বা অন্য জগতের প্রবেশদ্বার আবার কেউ কেউ প্রাকৃতিক কারণের দিকে ইঙ্গিত করেছেন যেমন ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড় বা সমুদ্রের হঠাৎ উত্তাল হয়ে ওঠা কিন্তু কোনও তত্ত্বই পুরোপুরি প্রমাণিত হয়নি ফলে রহস্য থেকেই গেছে
সম্প্রতি একটি নতুন গবেষণা এই রহস্য ঘিরে নতুন আলো ফেলেছে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন বারমুডা ট্র্যাঙ্গেল অঞ্চলের সমুদ্রের নীচে একটি বিশাল এবং অদ্ভুত পাথুরে কাঠামোর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে যা পৃথিবীর অন্য কোথাও দেখা যায় না এই আবিষ্কার বিজ্ঞানীমহলে নতুন কৌতূহল সৃষ্টি করেছে এবং অনেকের ধারণা এই কাঠামোর মধ্যেই লুকিয়ে থাকতে পারে বারমুডা রহস্যের গুরুত্বপূর্ণ সূত্র
আমেরিকার একদল বিজ্ঞানী দীর্ঘ সময় ধরে বারমুডা অঞ্চল নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছিলেন তাঁরা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে সংঘটিত বড় ভূমিকম্পের তথ্য বিশ্লেষণ করেন ভূমিকম্পের সময় যে শক্তিশালী তরঙ্গ পৃথিবীর অভ্যন্তর দিয়ে ছড়িয়ে পড়ে সেই তরঙ্গ বিভিন্ন স্তরে গিয়ে আচরণ বদলায় সেই পরিবর্তন বিশ্লেষণ করেই বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর নীচের স্তরগুলির গঠন সম্পর্কে ধারণা পান এই পদ্ধতি ব্যবহার করেই তাঁরা বারমুডার নীচে গভীর সমুদ্রতলের একটি অস্বাভাবিক স্তরের সন্ধান পান
গবেষণায় দেখা গেছে বারমুডা অঞ্চলের সমুদ্রত্বকের ঠিক নীচে একটি দীর্ঘ পাথুরে স্তর রয়েছে সাধারণত সমুদ্রত্বক শেষ হলেই ম্যান্টেল স্তর শুরু হয় কিন্তু বারমুডার ক্ষেত্রে তা হয়নি এখানে সমুদ্রত্বক এবং ম্যান্টেলের মাঝখানে অতিরিক্ত একটি স্তর রয়েছে যা অন্য কোনও সমুদ্র অঞ্চলে দেখা যায় না এই বিষয়টি বিজ্ঞানীদের বিস্মিত করেছে কারণ পৃথিবীর ভূগঠন সম্পর্কে প্রচলিত ধারণার সঙ্গে এটি পুরোপুরি মেলে না
গবেষকরা জানিয়েছেন এই পাথুরে স্তরের ঘনত্ব আশপাশের স্তরের তুলনায় কম এবং এটি যেন ইচ্ছাকৃতভাবে সেখানে আটকে আছে এমন অনুভূতি দেয় বিজ্ঞানীদের মতে এই স্তরের উৎস এখনও পরিষ্কার নয় তবে এর সঙ্গে অতীতে ঘটে যাওয়া আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপের যোগ থাকতে পারে
অনেক কোটি বছর আগে বারমুডা সংলগ্ন এলাকায় আগ্নেয়গিরির সক্রিয়তা ছিল নিয়মিত অগ্নুৎপাত ঘটত সেই সময় ম্যান্টেলের গলিত পদার্থ উপরে উঠে এসে সমুদ্রত্বকের মধ্যে ঢুকে পড়েছিল বলে ধারণা করা হয় সেই পাথুরে পদার্থের কিছু অংশ হয়তো আজও সমুদ্রত্বকের নীচে আটকে রয়েছে যার ফলে ওই অঞ্চলের গঠন অন্য জায়গার থেকে আলাদা হয়ে গেছে
এই কারণেই বারমুডা অঞ্চলের সমুদ্রস্তর আশপাশের এলাকার তুলনায় কিছুটা উঁচু এবং সমুদ্র তুলনামূলকভাবে ফুলে থাকা অবস্থায় থাকে সাধারণভাবে ম্যান্টেলের উষ্ণ পদার্থ উপরে উঠে এলে সমুদ্রত্বক ফুলে ওঠে কিন্তু পরে ভূগর্ভস্থ পাতের নড়াচড়ায় আবার তা স্বাভাবিক হয়ে যায় বারমুডার ক্ষেত্রে তা হয়নি দীর্ঘ সময় ধরে কোনও আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ না থাকা সত্ত্বেও এই উঁচু গঠন বজায় রয়েছে
বিজ্ঞানীদের একাংশ মনে করেন বারমুডার নীচে ম্যান্টেল স্তরে এমন কিছু প্রক্রিয়া এখনও চলছে যার প্রভাব সরাসরি উপরে দেখা যায় না কিন্তু ভিতরে ভিতরে তা অঞ্চলটির ভূগঠনে প্রভাব ফেলছে এই অদৃশ্য প্রক্রিয়াগুলিই হয়তো সমুদ্রের আচরণ এবং চৌম্বক ক্ষেত্রের উপর প্রভাব ফেলতে পারে
অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন সমুদ্রের নীচের এই অস্বাভাবিক গঠন জলপ্রবাহে হঠাৎ পরিবর্তন ঘটাতে পারে সমুদ্রের স্রোত আচমকা শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে বা দিক বদলাতে পারে যার ফলে জাহাজ নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে আবার চৌম্বক ক্ষেত্রের অস্বাভাবিকতার কারণে বিমানের যন্ত্রপাতি বিভ্রান্ত হতে পারে যদিও এসব এখনও অনুমানের স্তরে রয়েছে
সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি হল সমুদ্রের নীচে পাওয়া এই পাথুরে স্তরের সঙ্গে জাহাজ ও বিমান অন্তর্ধানের কোনও সরাসরি যোগ রয়েছে কি না এখন পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা এমন কোনও স্পষ্ট প্রমাণ হাতে পাননি যার মাধ্যমে নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে এই কাঠামোর কারণেই দুর্ঘটনাগুলি ঘটেছে তবু গবেষকদের মতে এই আবিষ্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এর মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে বারমুডা অঞ্চল ভূগঠনের দিক থেকে সত্যিই আলাদা এবং ব্যতিক্রমী এই তথ্য রহস্য সমাধানের পথে একটি নতুন দিক খুলে দিয়েছে
নতুন এই গবেষণা প্রকাশ্যে আসার পর বিজ্ঞানীরা আরও গভীর অনুসন্ধানের প্রয়োজনীয়তার কথা জোর দিয়ে বলেছেন তাঁদের মতে শুধুমাত্র ভূকম্পনের তথ্য বিশ্লেষণ করে পুরো সত্য জানা সম্ভব নয় সমুদ্রের নীচে সরাসরি বিস্তারিত সমীক্ষা চালাতে হবে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে গভীর সমুদ্রযান পাঠিয়ে এই পাথুরে স্তরের প্রকৃত গঠন বৈশিষ্ট্য এবং বিস্তার বিশ্লেষণ করা জরুরি তবেই বোঝা যাবে এই স্তর কীভাবে তৈরি হয়েছে এবং এটি আশপাশের ভূপ্রকৃতি ও সমুদ্রের আচরণে কতটা প্রভাব ফেলছে
বিজ্ঞানীরা মনে করছেন এই পাথুরে কাঠামো হয়তো বহু কোটি বছর আগে ঘটে যাওয়া আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপের ফল সেই সময় ম্যান্টেল থেকে উঠে আসা উত্তপ্ত পদার্থ সমুদ্রত্বকের মধ্যে ঢুকে গিয়ে সেখানে স্থায়ীভাবে আটকে পড়েছিল দীর্ঘ সময় ধরে সেই স্তর অপরিবর্তিত থেকে যাওয়ায় বারমুডা অঞ্চলের ভূগঠন অন্য জায়গার তুলনায় আলাদা হয়ে গেছে এই কারণেই সমুদ্রতল তুলনামূলকভাবে উঁচু এবং অঞ্চলটি কিছুটা ফুলে থাকা অবস্থায় রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে
এই ভূগঠন কি সমুদ্রের স্রোতকে অস্বাভাবিক করে তুলতে পারে বিজ্ঞানীদের একাংশের মতে এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না সমুদ্রের নীচের কাঠামো বদলে গেলে জলপ্রবাহের গতি ও দিক হঠাৎ পরিবর্তিত হতে পারে যার ফলে জাহাজ নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে একই ভাবে চৌম্বক ক্ষেত্রের অস্বাভাবিকতার প্রভাব বিমানের ন্যাভিগেশন যন্ত্রের উপর পড়তে পারে যদিও এই সব বিষয় এখনও গবেষণার স্তরে রয়েছে এবং নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায়নি
বারমুডা ট্র্যাঙ্গেল নিয়ে মানুষের কল্পনা বহু বছর ধরে ভয় রহস্য এবং রোমাঞ্চে ভরা গল্পে আবদ্ধ ছিল সিনেমা বই এবং নানা প্রতিবেদনে এই অঞ্চলকে এক অলৌকিক শক্তির কেন্দ্র হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে যেখানে প্রকৃতির নিয়ম যেন কাজ করে না কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান ধীরে ধীরে সেই রহস্যের বাস্তব ব্যাখ্যার দিকে এগিয়ে চলেছে প্রতিটি নতুন গবেষণা আমাদের অজানার পর্দা একটু একটু করে সরিয়ে দিচ্ছে
বিজ্ঞানীরা আশা করছেন ভবিষ্যতে আরও উন্নত প্রযুক্তি এবং দীর্ঘমেয়াদি গবেষণার মাধ্যমে বারমুডা ট্র্যাঙ্গেলের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে তখন হয়তো জানা যাবে যে এই অঞ্চল কোনও অতিপ্রাকৃত শক্তির নয় বরং পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠনের এক ব্যতিক্রমী উদাহরণ মাত্র সেই দিন বারমুডা ট্র্যাঙ্গেল ভয়ের প্রতীক হিসেবে নয় বরং পৃথিবীর ভূবিজ্ঞানের এক বিস্ময়কর অধ্যায় হিসেবে মানুষের কাছে পরিচিত হয়ে উঠবে