পূর্ব বর্ধমান জেলার গলসিতে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর এক মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা ঘটে যেখানে একটি বর্ধমান মুখী যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকা একটি লরির পেছনে সজোরে ধাক্কা মারে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় বাসের ২৮ জন যাত্রী গুরুতর আহত হন যাদের অবিলম্বে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে
পূর্ব বর্ধমান জেলার গলসি এলাকায় আজ এক ভয়াবহ এবং মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা ঘটে গেল যা সমগ্র জেলায় এক গভীর আতঙ্ক এবং উদ্বেগের ছায়া নামিয়ে এনেছে আজ ভোরবেলার দিকে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ধারে বেআইনিভাবে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বিশাল পণ্যবাহী লরির পেছনে সজোরে ধাক্কা মারে এই ভয়াবহ এবং অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনায় বাসের ভেতরে থাকা অন্তত ২৮ জন নিরীহ যাত্রী গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই স্থানীয় মানুষজন এবং গলসি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে ছুটে আসে এবং অত্যন্ত তৎপরতার সাথে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তর করে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি আবারও আমাদের রাজ্যের জাতীয় সড়কগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বেপরোয়া যান চলাচলের ভয়ানক পরিণতির দিকটি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল
স্থানীয় সূত্র এবং পুলিশ প্রশাসনের প্রাথমিক তদন্ত থেকে জানা গিয়েছে যে যাত্রীবাহী বাসটি আসানসোল দুর্গাপুর অঞ্চল থেকে ছেড়ে বর্ধমান শহরের দিকে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে এগিয়ে আসছিল ভোরবেলার দিকে চালকের চোখে ঘুম চলে আসার কারণে অথবা অতিরিক্ত গতির কারণে বাসটি হঠাৎ করেই তার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে সেই সময় গলসি বাজার এলাকার কাছাকাছি ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের বাঁদিকে কোনো রকম পার্কিং লাইট বা সতর্কতামূলক ইন্ডিকেটর না জ্বালিয়েই একটি পাথর বোঝাই বিশাল লরি অত্যন্ত বিপজ্জনকভাবে দাঁড়িয়ে ছিল দ্রুতগামী বাসটির চালক শেষ মুহূর্তে দাঁড়িয়ে থাকা লরিটিকে দেখতে পেলেও গাড়ির ব্রেক কষে বাসটিকে আর সম্পূর্ণভাবে থামাতে পারেননি যার ফলে বাসটি প্রচণ্ড গতিতে লরিটির পেছনের দিকে সজোরে ধাক্কা মারে ধাক্কার তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে বাসের সামনের অংশটি সম্পূর্ণভাবে দুমড়ে মুচড়ে যায় এবং লরির পেছনের চাকার নিচে ঢুকে যায় বিকট শব্দ শুনে আশেপাশের স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের বাড়ি থেকে বেরিয়ে জাতীয় সড়কের ওপর ছুটে আসেন এবং দুর্ঘটনার ভয়াবহতা দেখে শিউরে ওঠেন
দুর্ঘটনার পর বাসের ভেতরের দৃশ্য ছিল অত্যন্ত হৃদয়বিদারক যাত্রীদের আর্তনাদ এবং কান্নার শব্দে ভোরের শান্ত পরিবেশ মুহূর্তে ভারী হয়ে ওঠে বাসের সামনের দিকে বসে থাকা যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি আঘাত পান অনেকের মাথা ফেটে রক্ত ঝরতে শুরু করে এবং অনেকের হাত পা ভেঙে মারাত্মকভাবে জখম হয় স্থানীয় যুবকরা এবং সাধারণ গ্রামবাসীরা মুহূর্তের মধ্যে উদ্ধারকাজে ঝাঁপিয়ে পড়েন তারা বাসের জানালার কাঁচ ভেঙে এবং দুমড়ে যাওয়া দরজা কোনো রকমে টেনে খুলে ভেতরে আটকে পড়া রক্তাক্ত যাত্রীদের একে একে বাইরে বের করে আনতে শুরু করেন খবর পেয়ে গলসি থানা থেকে পুলিশের টহলদারি ভ্যান এবং হাইওয়ে ট্রাফিক পুলিশের দল কয়েক মিনিটের মধ্যেই ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় পুলিশের তৎপরতায় এবং স্থানীয় মানুষের অদম্য সাহসিকতায় দ্রুত উদ্ধারকাজ চালানো সম্ভব হয় পুলিশ অবিলম্বে বেশ কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করে এবং আহত যাত্রীদের অত্যন্ত সাবধানে তুলে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে দেয়
বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আজ সকাল থেকেই এক চরম ব্যস্ততা এবং উত্তেজনার সৃষ্টি হয় একসাথে এতজন গুরুতর আহত রোগীকে নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সগুলো যখন হাসপাতালের গেটে এসে পৌঁছায় তখন হাসপাতালের ডাক্তার নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা এক অভূতপূর্ব তৎপরতার সাথে চিকিৎসার কাজে নেমে পড়েন হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট এবং সিনিয়র চিকিৎসকদের নির্দেশে আহতদের অবিলম্বে ট্রমা কেয়ার ইউনিট এবং সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয় চিকিৎসকদের দল আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা শুরু করেন এবং যাদের আঘাত অত্যন্ত গুরুতর তাদের অবিলম্বে এক্সরে সিটি স্ক্যান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করার ব্যবস্থা করেন হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে যে আহত ২৮ জন যাত্রীর মধ্যে অন্তত আট জনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক তাদের মাথায় এবং বুকে গভীর চোট লেগেছে এবং প্রচুর রক্তপাত হয়েছে এই আশঙ্কাজনক রোগীদের বাঁচানোর জন্য চিকিৎসকরা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং প্রয়োজনে জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতিও নিচ্ছেন বাকি আহত যাত্রীদের অবস্থা স্থিতিশীল হলেও তারা চরম মানসিক ট্রমা এবং শারীরিক যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন
এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি জাতীয় সড়কের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা বেআইনি পণ্যবাহী লরিগুলোর দৌরাত্ম্য এবং বিপদের দিকটি আবারও জনসমক্ষে তুলে ধরেছে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক যা আগে ২ নম্বর জাতীয় সড়ক বা দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে নামে পরিচিত ছিল সেটি দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম প্রধান এবং ব্যস্ত একটি রাস্তা এই রাস্তার ওপর দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রীবাহী বাস ছোট গাড়ি এবং ভারী পণ্যবাহী লরি যাতায়াত করে কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো এই জাতীয় সড়কের দুই ধারে বিশেষ করে গলসি পানাগড় এবং মেমারি এলাকায় নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে অসংখ্য লরি এবং ট্রাক দিনের পর দিন বেআইনিভাবে পার্ক করে রাখা হয় অনেক সময় লরির চালকরা গাড়ি থামিয়ে রাস্তার ধারের ধাবাগুলোতে খেতে যান বা ঘুমিয়ে পড়েন কিন্তু তারা গাড়ির পেছনের পার্কিং লাইট বা রিফ্লেক্টর জ্বালানোর কোনো প্রয়োজন বোধ করেন না এর ফলে রাতের অন্ধকারে বা ভোরের কুয়াশায় দ্রুতগতিতে আসা অন্যান্য গাড়ির চালকরা দূর থেকে দাঁড়িয়ে থাকা লরিগুলোকে দেখতে পান না এবং একদম কাছে চলে আসার পর যখন বুঝতে পারেন তখন আর ব্রেক কষে দুর্ঘটনা এড়ানোর কোনো উপায় থাকে না এই একই কারণে অতীতেও এই সড়কে বহু মানুষের প্রাণ গেছে কিন্তু তা সত্ত্বেও প্রশাসন এবং ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে এই বেআইনি পার্কিং বন্ধ করার জন্য কোনো দীর্ঘমেয়াদী এবং কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি
এর পাশাপাশি যাত্রীবাহী বাসের চালকদের বেপরোয়া মনোভাব এবং অতিরিক্ত গতিও এই ধরনের দুর্ঘটনার জন্য সমানভাবে দায়ী অনেক সময় বাসের চালকরা বেশি আয়ের আশায় নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অনেক দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য গাড়ির গতিসীমা লঙ্ঘন করেন ভোরবেলার দিকে সারারাত গাড়ি চালানোর ফলে চালকদের চোখে ঘুম নেমে আসা বা ক্লান্তি বা ফ্যাটিগ আসা অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি বিষয় এই ক্লান্তির কারণে চালকদের রিফ্লেক্স বা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখানোর ক্ষমতা অনেক কমে যায় যার ফলে চোখের সামনে বিপদ দেখলেও তারা সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না বিশেষজ্ঞদের মতে দূরপাল্লার বাসগুলোতে দুজন করে চালক রাখা বাধ্যতামূলক করা উচিত যাতে একজন ক্লান্ত হয়ে পড়লে অন্যজন দায়িত্ব নিতে পারেন এবং একটানা গাড়ি চালানোর ফলে সৃষ্ট দুর্ঘটনা এড়ানো যায় কিন্তু পরিবহন মালিকরা অনেক সময় খরচ বাঁচানোর জন্য এই নিয়মটি মেনে চলেন না যার খেসারত দিতে হয় সাধারণ নিরীহ যাত্রীদের নিজেদের জীবন এবং রক্ত দিয়ে
বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে আহত যাত্রীদের আত্মীয় স্বজনরা খবর পেয়ে একে একে ছুটে আসতে শুরু করেছেন হাসপাতালের বাইরে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়েছে স্বজন হারানো বা আহত প্রিয়জনের সুস্থতার আশায় অপেক্ষারত পরিবারের সদস্যদের কান্নায় হাসপাতালের বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আত্মীয়দের বসার ব্যবস্থা করেছেন এবং তাদের প্রতিনিয়ত রোগীদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে অবহিত করছেন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো এবং সাধারণ যুবকরাও এই বিপদের সময় এগিয়ে এসেছেন তারা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকে গিয়ে আহত যাত্রীদের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় রক্ত দান করছেন এবং রোগীর আত্মীয়দের জল ও খাবার দিয়ে সাহায্য করছেন এই মানবিকতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার দৃশ্য প্রমাণ করে যে যেকোনো বিপদের সময় সাধারণ মানুষ একে অপরের পাশে দাঁড়াতে কখনো পিছপা হয় না
পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই দুর্ঘটনার একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করা হয়েছে দুর্ঘটনার পর থেকেই লরির চালক এবং খালাসি পলাতক পুলিশ দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাস এবং লরিটিকে ক্রেন দিয়ে সরিয়ে জাতীয় সড়কের যানজট মুক্ত করেছে এবং লরির মালিকের খোঁজ চালাচ্ছে বেআইনিভাবে লরি পার্কিং করার অপরাধে এবং ট্রাফিক নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে পুলিশ একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে পূর্ব বর্ধমান জেলার ট্রাফিক পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং জানিয়েছেন যে জাতীয় সড়কের ওপর বেআইনি পার্কিং বন্ধ করতে এবার থেকে আরও কঠোর নজরদারি চালানো হবে হাইওয়ে পেট্রলিং বাড়ানো হবে এবং রাতের অন্ধকারে কোনো লরি রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ভারী জরিমানা আদায় করা হবে সাধারণ মানুষ দাবি তুলেছেন যে কেবল দুর্ঘটনার পরই পুলিশের এই তৎপরতা যেন সীমাবদ্ধ না থাকে সারা বছর ধরে নিয়মিত নজরদারি এবং কড়া শাস্তির ব্যবস্থা করলেই এই ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা চিরতরে এড়ানো সম্ভব হবে
এই দুর্ঘটনার পর সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে একটি বৃহত্তর সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত তীব্রভাবে অনুভূত হচ্ছে কেবল পুলিশ বা প্রশাসনের ওপর নির্ভর না করে সাধারণ মানুষ এবং গাড়ির চালকদেরও নিজেদের জীবনের মূল্য বুঝতে হবে যাত্রীদের উচিত বাসে ওঠার পর চালক যদি অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালান তবে তার প্রতিবাদ করা এবং পরিবহন দপ্তরকে জানানো চালকদেরও মনে রাখতে হবে যে তাদের হাতে বহু মানুষের অমূল্য জীবন নির্ভর করছে তাই দায়িত্বশীলভাবে এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে গাড়ি চালানো তাদের প্রধান কর্তব্য অন্যদিকে সরকারের উচিত জাতীয় সড়কের গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা এবং হাইওয়ে ট্রমা কেয়ার সেন্টারের সংখ্যা বৃদ্ধি করা যাতে দুর্ঘটনার পর রোগীদের বর্ধমান মেডিকেল কলেজের মতো বড় হাসপাতালের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করতে না হয় এবং কাছাকাছি জায়গাতেই তারা দ্রুত উন্নত চিকিৎসা পেতে পারেন
পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনা আমাদের সকলের জন্য এক অত্যন্ত কঠোর এবং বেদনাদায়ক সতর্কবার্তা দিয়ে গেল রাস্তার ধারের বেআইনি পার্কিং অতিরিক্ত গতি এবং চালকের গাফিলতির মতো ছোট ছোট ভুলগুলো কীভাবে মুহূর্তের মধ্যে বহু মানুষের জীবন ধ্বংস করে দিতে পারে তা এই দুর্ঘটনা প্রমাণ করল আমরা আশা করি আহত ২৮ জন যাত্রী খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে নিজেদের স্বাভাবিক জীবনে এবং পরিবারের কাছে ফিরে যাবেন এবং প্রশাসন এই দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী দিনে সড়ক নিরাপত্তাকে সুনিশ্চিত করার জন্য সমস্ত রকম প্রয়োজনীয় এবং কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে সাধারণ মানুষের সচেতনতা এবং প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এই দুইয়ের মেলবন্ধনেই ভারতের জাতীয় সড়কগুলো একদিন মৃত্যুফাঁদের বদলে এক অত্যন্ত সুরক্ষিত এবং নিরাপদ যাতায়াতের মাধ্যম হয়ে উঠবে আমরা আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি এবং এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে আর কখনো না হয় তার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি