মুম্বইয়ের এক আইনজীবী অনলাইন ট্রেডিংয়ে বিনিয়োগ করে সম্প্রতি প্রায় ৫ লক্ষ টাকা হারিয়েছেন। অভিযোগ, যে ট্রেডিং প্ল্যাটফর্মটি তাঁকে প্রলুব্ধ করেছিল, তারা নেহা কক্কড়ের নাম ও ছবি ব্যবহার করেছিল নিজেদের প্রচারের জন্য। এখন এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ, উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
আইনি জটিলতায় জড়ালেন জনপ্রিয় বলিউড গায়িকা নেহা কক্কড়। ৫ লক্ষ টাকার এক অনলাইন জালিয়াতি মামলায় তাঁর নাম উঠে আসায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগের তদন্তে ইতিমধ্যেই নেমেছে মুম্বইয়ের উয়োরলি থানার পুলিশ।
ঘটনায় অভিযোগকারী মুম্বইয়ের এক আইনজীবী, শবনম মহম্মদ হুসেন সইদ। জানা গিয়েছে, অনলাইন ট্রেডিংয়ের মাধ্যমে বিনিয়োগ করতে গিয়ে সম্প্রতি তিনি ৫ লক্ষ টাকা হারিয়েছেন। শবনম জানিয়েছেন, যে ওয়েবসাইটে তিনি বিনিয়োগ করেছিলেন, সেটি নিজেদের প্রচারে নেহা কক্কড়ের নাম ও ছবি ব্যবহার করেছিল। সেই ভিডিও দেখে গায়িকার উপস্থিতিতে প্ল্যাটফর্মটিকে বিশ্বাসযোগ্য ভেবে বিনিয়োগ করেছিলেন তিনি।
তদন্তে উঠে এসেছে, গায়িকার নাম ও ছবি বেআইনি ভাবে ব্যবহার করেছিল ওই ট্রেডিং ওয়েবসাইট। নেহা কক্কড়ের সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠানের কোনও আনুষ্ঠানিক যোগ বা অনুমোদন ছিল না।
ঘটনার সূত্রপাত জুন মাসে। সেই সময় অনলাইনে একটি ভিডিও দেখে ওয়েবসাইটটির বিষয়ে জানতে পারেন আইনজীবী শবনম। ভিডিওতে দাবি করা হয়েছিল, “ওয়েবসাইটটি পুরোপুরি আইনসম্মত এবং নিরাপদ।” এরপর তিনি ওয়েবসাইটের একাধিক প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ করেন, যাদের নাম বিজয় ও জিমি ডি’সুজ়া বলে জানা গেছে। তাঁরা শবনমকে আশ্বাস দেন, অ্যাকাউন্ট খুললেই মোটা অঙ্কের মুনাফা পাওয়া যাবে।
তাঁদের কথায় বিশ্বাস রেখে ১৮ জুন নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ৫ লক্ষ টাকা স্থানান্তর করেন শবনম। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়েও টাকা ফেরত না পেয়ে তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হন।
বর্তমানে উয়োরলি থানার পুলিশ এই প্রতারণার ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে। নেহা কক্কড়ের পক্ষ থেকে এখনও কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া বা বিবৃতি পাওয়া যায়নি। তবে এর আগেও বলিউডের একাধিক তারকার ছবি বা ভিডিও ব্যবহার করে অনলাইন প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে, যা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে।