বর্ধমান রেলস্টেশনের প্রাঙ্গনে আয়োজিত হল অল ড্রাইভার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের এক গুরুত্বপূর্ণ সংবর্ধনা সভা। এদিন সংগঠনের রাজ্য নেতৃত্বদের সংবর্ধিত করা হয় জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ড্রাইভার ভাইদের উপস্থিতিতে। সংবর্ধনা গ্রহণ করেন সংগঠনের রাজ্য প্রেসিডেন্ট মোশাররফ হোসেন এবং রাজ্য বোর্ডের লিগ্যাল এডভাইজার শেখ আনারুল ইসলাম ওরফে কাঞ্চন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা সভাপতি কিশোর বালা ওরফে বিট্টু দা সহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সম্প্রতি ১৪ তারিখ থেকে রাজ্য নেতৃত্বরা দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে ড্রাইভারদের দাবিদাওয়া সংক্রান্ত স্মারকলিপি জমা দেন। প্রধানমন্ত্রী দপ্তর, স্বরাষ্ট্র দপ্তর, রাষ্ট্রপতি দপ্তর এবং পরিবহন দপ্তরে একাধিক দাবি পত্র পেশ করা হয়েছে। পরদিন ১৫ তারিখ দিল্লিতে একটি সাংবাদিক বৈঠকেরও আয়োজন করা হয়, যেখানে ড্রাইভারদের দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলি তুলে ধরা হয়। মূলত ড্রাইভারদের স্বার্থে মোট ২৯ দফা দাবি বাস্তবায়নের বিষয়টি সরকারের সামনে জোরালোভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। সংগঠনের দাবি অনুযায়ী, ড্রাইভাররা যেন সম্মানের সঙ্গে, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ পরিবেশে তাঁদের কাজ করতে পারেন, তার জন্য সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এই দাবিগুলির মধ্যে অন্যতম হল বছরে একটি দিন ড্রাইভার দিবস হিসেবে সরকারিভাবে পালন করা, যাতে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া যায়। পাশাপাশি শ্রম আইন, সামাজিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্যবিমা, কাজের সময়সীমা এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত একাধিক দাবিও তুলে ধরা হয়েছে।
বর্ধমান রেলস্টেশনের প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হলো অল ড্রাইভার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের এক গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ সংবর্ধনা সভা, যেখানে সংগঠনের রাজ্য নেতৃত্বদের সম্মান জানানো হয়। এই অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ড্রাইভার ভাইদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সংবর্ধিত হন অল ড্রাইভার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য প্রেসিডেন্ট মোশাররফ হোসেন এবং রাজ্য বোর্ডের লিগ্যাল এডভাইজার শেখ আনারুল ইসলাম ওরফে কাঞ্চন। গোটা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ড্রাইভারদের দীর্ঘদিনের দাবি, আন্দোলন এবং ভবিষ্যৎ কর্মসূচির স্পষ্ট বার্তা উঠে আসে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা সভাপতি কিশোর বালা ওরফে বিট্টু দা সহ সংগঠনের একাধিক জেলা ও ব্লক স্তরের নেতৃত্ব। সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা সভাপতি জানান, সম্প্রতি সংগঠনের রাজ্য নেতৃত্বরা ড্রাইভারদের নানান দাবি নিয়ে দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী দপ্তর, স্বরাষ্ট্র দপ্তর, রাষ্ট্রপতি দপ্তর এবং পরিবহন দপ্তরের কাছে ড্রাইভারদের সমস্যার কথা তুলে ধরা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যে বঞ্চনা ও অবহেলার মধ্যে ড্রাইভাররা কাজ করে চলেছেন, সেই বাস্তব চিত্র সরকারকে জানানোই ছিল এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।
তিনি আরও জানান, ১৪ তারিখ থেকে শুরু করে ধারাবাহিকভাবে একাধিক দপ্তরে সংগঠনের দাবি পেশ করা হয়েছে এবং ১৫ তারিখ দিল্লিতে একটি সাংবাদিক বৈঠকেরও আয়োজন করা হয়। সেই সাংবাদিক বৈঠকে ড্রাইভারদের স্বার্থে মোট ২৯ দফা দাবির বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এই দাবিগুলির মূল লক্ষ্য হলো ড্রাইভাররা যেন সম্মানের সঙ্গে, নিরাপদ পরিবেশে এবং সামাজিক মর্যাদা বজায় রেখে তাঁদের পেশাগত কাজ করতে পারেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ড্রাইভাররা সমাজ ও অর্থনীতির এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও তাঁদের প্রাপ্য সম্মান ও সুযোগ সুবিধা আজও অনেকাংশে অধরা।
সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্য প্রেসিডেন্ট মোশাররফ হোসেন বলেন, আজ পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন ব্লক ও মিউনিসিপালিটি এলাকা থেকে ড্রাইভার ভাইয়েরা এসে তাঁদের সংবর্ধিত করেছেন, যা সংগঠনের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। তিনি জানান, কেন্দ্র সরকার এবং রাজ্য সরকার উভয়ের কাছেই সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি পত্র পেশ করা হয়েছে এবং রাষ্ট্রপতি ভবনেও সেই দাবি পৌঁছেছে। ড্রাইভারদের সমস্যাগুলি আর শুধু স্থানীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা জাতীয় স্তরে তুলে ধরা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সংবর্ধনা সভায় রাজ্য প্রেসিডেন্ট মোশাররফ হোসেন জানান, পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন ব্লক ও মিউনিসিপালিটি এলাকা থেকে ড্রাইভাররা এসে তাঁদের সম্মানিত করেছেন, যা সংগঠনের কাছে গর্বের বিষয়। তিনি আরও বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য দুস্তরের সরকারকেই সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি পত্র পেশ করা হয়েছে এবং রাষ্ট্রপতি ভবনেও সেই দাবি পৌঁছেছে। তবে আগামী দিনে যদি সরকার এই দাবিগুলি গুরুত্ব সহকারে না নেয় এবং বাস্তবায়নের পথে না এগোয়, তাহলে সংগঠন বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে বলে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
এই সংবর্ধনা সভার মাধ্যমে ড্রাইভারদের ঐক্য, দাবি ও আন্দোলনের বার্তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিল অল ড্রাইভার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনের বক্তব্য, ড্রাইভারদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে।
তিনি আরও বলেন, ড্রাইভারদের পেশাগত নিরাপত্তা, সামাজিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সুবিধা, কাজের সময়সীমা, আইনগত সহায়তা এবং মর্যাদাপূর্ণ কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। সংগঠনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবি হলো বছরে একটি দিন সরকারিভাবে ড্রাইভার দিবস পালন করা, যাতে সমাজের সর্বস্তরে ড্রাইভারদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া যায়। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উঠে আসে যে, ড্রাইভাররা শুধু শ্রমিক নন, তাঁরা সমাজ ও অর্থনীতির চাকা সচল রাখার অন্যতম কারিগর।
রাজ্য নেতৃত্বরা জানান, দিল্লিতে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক বৈঠকটি অনেকটাই আশাব্যঞ্জক হয়েছে এবং জাতীয় স্তরের সংবাদমাধ্যমে ড্রাইভারদের দাবি গুরুত্ব পেয়েছে। তবে সেই সঙ্গে সতর্ক বার্তাও দেওয়া হয়েছে যে, দাবি পেশ করলেই হবে না, তা বাস্তবায়নের পথে না গেলে সংগঠন চুপ করে বসে থাকবে না। সরকার যদি আগামী দিনে এই দাবিগুলি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা না করে, তাহলে অল ড্রাইভার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে বলে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
সংবর্ধনা সভায় উপস্থিত ড্রাইভারদের মধ্যেও ছিল দৃঢ় ঐক্য ও দৃঢ়তার বার্তা। অনেকেই জানান, প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাঁরা কাজ করেন, অথচ ন্যূনতম সামাজিক সুরক্ষা ও সম্মান থেকে তাঁরা বঞ্চিত। এই সংগঠনের মাধ্যমে তাঁরা প্রথমবার নিজেদের কথা জোরের সঙ্গে বলার একটি মঞ্চ পেয়েছেন বলে অনুভব করছেন। রাজ্য নেতৃত্বদের এই সংবর্ধনা তাঁদের কাছে শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং আন্দোলনের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা।
বর্ধমান রেলস্টেশনের প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হলো অল ড্রাইভার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের এক উল্লেখযোগ্য সংবর্ধনা সভা, যা ড্রাইভার সমাজের ঐক্য, দাবি ও ভবিষ্যৎ আন্দোলনের দিকনির্দেশ স্পষ্ট করে দিল। এদিন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ড্রাইভারদের উপস্থিতিতে সংগঠনের রাজ্য নেতৃত্বদের সম্মান জানানো হয়। অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিলেন সংগঠনের রাজ্য প্রেসিডেন্ট মোশাররফ হোসেন এবং রাজ্য বোর্ডের লিগ্যাল এডভাইজার শেখ আনারুল ইসলাম ওরফে কাঞ্চন। বর্ধমান রেলস্টেশনের চত্বরে এই সভা ঘিরে ছিল উৎসাহ, আবেগ এবং দৃঢ় সংকল্পের পরিবেশ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে পূর্ব বর্ধমান জেলা সভাপতি কিশোর বালা ওরফে বিট্টু দা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে অল ড্রাইভার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য নেতৃত্বরা ড্রাইভারদের দীর্ঘদিনের নানা সমস্যাকে সামনে রেখে রাজধানী দিল্লিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী দপ্তর, স্বরাষ্ট্র দপ্তর, রাষ্ট্রপতি দপ্তর এবং পরিবহন দপ্তরের কাছে ড্রাইভারদের বাস্তব পরিস্থিতি, বঞ্চনা ও দাবি তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের পরিবহন ও শ্রম দপ্তরেও সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি পত্র পেশ করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল ড্রাইভারদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদার প্রশ্নকে সরকার ও প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে দেওয়া।
তিনি আরও জানান, দিল্লিতে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে ড্রাইভারদের সমস্যা জাতীয় স্তরে তুলে ধরা সম্ভব হয়েছে। ড্রাইভারদের হিতসাধনে মোট ২৯ দফা দাবি সরকারের সামনে পেশ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে পেশাগত নিরাপত্তা, সামাজিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সুবিধা, আইনগত সহায়তা এবং সম্মানজনক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই দাবিগুলির মূল উদ্দেশ্য হলো ড্রাইভাররা যেন ভয় ও অনিশ্চয়তার মধ্যে নয়, বরং আত্মসম্মান ও গৌরবের সঙ্গে তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্য প্রেসিডেন্ট মোশাররফ হোসেন বলেন, আজকের এই অনুষ্ঠান শুধুমাত্র একটি সংবর্ধনা নয়, বরং ড্রাইভার সমাজের ঐক্যের প্রতীক। পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন ব্লক ও মিউনিসিপালিটি এলাকা থেকে ড্রাইভার ভাইয়েরা এসে যে ভালোবাসা ও সম্মান দেখিয়েছেন, তা তাঁদের আন্দোলনের পথে আরও দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে। তিনি জানান, কেন্দ্র ও রাজ্য—উভয় সরকারের কাছেই সংগঠনের দাবি পত্র পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং রাষ্ট্রপতি ভবনেও সেই দাবির প্রতিলিপি জমা পড়েছে। অর্থাৎ ড্রাইভারদের কণ্ঠস্বর আর উপেক্ষিত নয়, তা দেশের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে।
তিনি আরও বলেন, ড্রাইভাররা প্রতিদিন সমাজ ও অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তবুও বহু ক্ষেত্রে তাঁদের কাজের স্বীকৃতি নেই, নেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা। এই পরিস্থিতি বদলাতে সরকারকেই দায়িত্ব নিতে হবে। সংগঠনের অন্যতম প্রধান দাবি হলো বছরে একটি দিন সরকারিভাবে ‘ড্রাইভার দিবস’ পালন করা, যাতে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের অবদান রাষ্ট্র ও সমাজের সামনে স্বীকৃতি পায়। পাশাপাশি কাজের সময়সীমা, স্বাস্থ্যবিমা, দুর্ঘটনাজনিত ক্ষতিপূরণ এবং আইনি সহায়তার মতো বিষয়গুলিও সংগঠনের দাবির মধ্যে রয়েছে।
সভায় রাজ্য নেতৃত্বরা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, দাবি পেশ করাই শেষ কথা নয়। সরকার যদি এই দাবিগুলি বাস্তবায়নের পথে দ্রুত পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে অল ড্রাইভার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে। এই আন্দোলন শুধু রাজ্যস্তরে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং প্রয়োজনে জাতীয় স্তরেও তা বিস্তৃত হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। সংগঠনের বক্তব্যে ছিল শান্তিপূর্ণ কিন্তু দৃঢ় আন্দোলনের বার্তা, যেখানে ড্রাইভারদের অধিকার আদায়ই হবে প্রধান লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ড্রাইভারদের বক্তব্যেও উঠে আসে তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের কঠিন বাস্তবতা। অনেকেই জানান, প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় নামতে হয় তাঁদের, অথচ সামাজিক সুরক্ষা ও সম্মানের অভাব তাঁদের মানসিকভাবে ভেঙে দেয়। এই সংগঠনের মাধ্যমে তাঁরা প্রথমবার নিজেদের কথা একজোট হয়ে বলার শক্তি পেয়েছেন বলে অনুভব করছেন। সংবর্ধনা সভা তাঁদের কাছে শুধুমাত্র একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং ভবিষ্যতের আন্দোলনের জন্য এক নতুন প্রেরণা।
গোটা অনুষ্ঠানের পরিবেশ ছিল আবেগঘন ও দৃঢ় সংকল্পে ভরপুর। সংবর্ধনা সভা থেকে স্পষ্ট বার্তা উঠে আসে যে, ড্রাইভারদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা আদায় না হওয়া পর্যন্ত অল ড্রাইভার ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের আন্দোলন থামবে না। বর্ধমান রেলস্টেশনের এই সভা একদিকে যেমন রাজ্য নেতৃত্বদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, অন্যদিকে তেমনই সরকারের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দাবি না মানলে আগামী দিনে আন্দোলন আরও বৃহত্তর আকার নেবে।