বছরের শেষ প্রান্তে এসে আবহাওয়ায় হালকা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও এখনও জাঁকিয়ে শীতের অনুভূতি সেভাবে তৈরি হয়নি, সকাল ও রাতের দিকে সামান্য ঠান্ডা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা অনেকটাই কেটে যাচ্ছে। ফলে শীতের পোশাক বের করলেও ভারী জ্যাকেট বা কম্বলের প্রয়োজন এখনো তেমন পড়ছে না আবহাওয়া দফতরের মতে, উত্তরের দিক থেকে শুষ্ক হাওয়া প্রবেশ করায় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে নামছে তবে সক্রিয় পশ্চিমী ঝঞ্ঝা বা শক্তিশালী ঠান্ডা হাওয়ার অভাবে কনকনে শীত এখনও আসেনি। দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান কিছুটা বাড়লেও তা শীতের দাপট জানান দেওয়ার মতো নয় আকাশ পরিষ্কার থাকায় দিনের বেলা রোদে উষ্ণতার অনুভূতিও বজায় থাকছে এই মৃদু শীতের প্রভাব পড়েছে দৈনন্দিন জীবনেও। সকালের দিকে হালকা কুয়াশা দেখা গেলেও তা দ্রুত কেটে যাচ্ছে শীতকালীন সবজি বাজারে এলেও প্রকৃত শীতের আমেজ এখনও পুরোপুরি ধরা পড়েনি। সাধারণ মানুষ সকালে বেরোনোর সময় হালকা সোয়েটার বা চাদর ব্যবহার করলেও দুপুরের দিকে তা আর প্রয়োজন হচ্ছে না চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের আবহাওয়ায় সর্দি-কাশি বা হালকা জ্বরের প্রবণতা বাড়তে পারে তাই হঠাৎ তাপমাত্রার পরিবর্তন থেকে নিজেকে বাঁচাতে সতর্ক থাকা জরুরি বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে বাড়তি যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে সব মিলিয়ে, বছর শেষের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে শীতের আগমনের আভাস মিললেও তার পূর্ণ রূপ এখনো অধরা আবহাওয়ার এই মৃদু চরিত্র আগামী কয়েকদিন বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা কবে নাগাদ জাঁকিয়ে শীত নামবে, সেই অপেক্ষাতেই দিন গুনছে শহরবাসী
বছরের শেষ প্রান্তে এসে প্রকৃতির রূপে ধীরে ধীরে পরিবর্তন দেখা দিচ্ছে দীর্ঘদিনের উষ্ণ আবহাওয়ার পর তাপমাত্রা কিছুটা কমতে শুরু করেছে। দিনের বেলা এখনও রোদের তেজ অনুভূত হলেও সকাল ও রাতের দিকে হালকা শীতের আমেজ পাওয়া যাচ্ছে তবে এই শীত এখনও জাঁকিয়ে বসেনি। কনকনে ঠান্ডা কিংবা ঘন কুয়াশার দৃশ্য খুব একটা চোখে পড়ছে না ফলে শীতকাল এলেও তার দাপট এখনও পুরোপুরি টের পাওয়া যাচ্ছে না
আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী উত্তর দিক থেকে শুষ্ক ঠান্ডা হাওয়া ধীরে ধীরে রাজ্যে প্রবেশ করছে এর ফলেই পারদ কিছুটা নেমেছে কিন্তু শক্তিশালী পশ্চিমী ঝঞ্ঝা বা দীর্ঘস্থায়ী শৈত্যপ্রবাহের অনুপস্থিতির কারণে শীত তার চিরাচরিত রূপে ধরা দিচ্ছে না দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য বাড়লেও তা এখনও স্বাভাবিক সীমার মধ্যেই রয়েছে ফলে সকাল ও রাতের দিকে হালকা ঠান্ডা থাকলেও দুপুরের দিকে আবার উষ্ণতার অনুভূতি ফিরে আসছে
শহর ও গ্রাম উভয় এলাকাতেই এই মৃদু শীতের প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে সকালের দিকে কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা দেখা দিলেও তা খুব দ্রুত কেটে যাচ্ছে সূর্যের আলো ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই আবহাওয়া পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। ফলে যান চলাচল বা দৈনন্দিন কাজে তেমন অসুবিধা হচ্ছে না সাধারণ মানুষ শীতের প্রস্তুতি হিসেবে হালকা সোয়েটার বা চাদর ব্যবহার শুরু করলেও ভারী শীতবস্ত্র এখনও আলমারিতেই রয়ে গেছে
এই আবহাওয়ার প্রভাব পড়েছে কৃষি ক্ষেত্রেও শীতকালীন ফসলের জন্য এই তাপমাত্রা মোটামুটি অনুকূল হলেও প্রকৃত শীত না পড়ায় কিছু ফসলের বৃদ্ধিতে সামান্য বিলম্ব দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা শীতকালীন সবজি যেমন ফুলকপি বাঁধাকপি গাজর মটরশুঁটি বাজারে আসতে শুরু করেছে তবে ফলনের পরিমাণ এখনও পুরোপুরি বাড়েনি কৃষকরা আশা করছেন আগামী দিনে তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমলে ফসলের উৎপাদন ভালো হবে
শহরের বাজারেও শীতের প্রভাব ধীরে ধীরে পড়ছে দোকানে শীতের পোশাকের চাহিদা বাড়লেও তা এখনও সীমিত। হালকা জ্যাকেট সোয়েটার এবং চাদরের বিক্রি তুলনামূলকভাবে বেশি ভারী কোট বা উলের পোশাকের চাহিদা এখনও তেমন দেখা যায়নি ব্যবসায়ীরা বলছেন প্রকৃত শীত পড়লে তবেই কেনাকাটার গতি আরও বাড়বে
শীতের এই মৃদু রূপ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় এক ধরনের স্বস্তি এনে দিয়েছে। অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে অসুবিধা না হওয়ায় অনেকেই সকাল ও সন্ধ্যায় হাঁটাচলা বা শরীরচর্চা করতে পারছেন পার্ক ও খোলা জায়গায় মানুষের উপস্থিতিও চোখে পড়ছে তবে তাপমাত্রার এই ওঠানামার কারণে সর্দি কাশি জ্বরের মতো সমস্যাও দেখা দিচ্ছে
চিকিৎসকদের মতে এই সময়টায় বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন দিনের বেলা গরম এবং রাতের দিকে ঠান্ডা থাকার ফলে শরীর সহজেই অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বেশি তাই আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে চলার জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পোশাক ব্যবহার করা এবং পর্যাপ্ত জল পান করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর দিকেও নজর দেওয়ার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা
পরিবেশবিদদের মতে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে শীতের চরিত্রে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে আগে যেখানে বছরের এই সময়েই জাঁকিয়ে শীত পড়ত এখন সেখানে শীত দেরিতে আসছে এবং তার স্থায়িত্বও কমে যাচ্ছে এর পেছনে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব অস্বীকার করা যায় না বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে ঋতুচক্রের স্বাভাবিক ধারায় পরিবর্তন আসছে বলেই মনে করছেন তাঁরা
শহরের জীবনযাত্রার পাশাপাশি গ্রামীণ জীবনেও এই পরিবর্তনের প্রভাব পড়ছে গ্রামে শীত মানেই ছিল কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল আগুন পোহানো এবং শীতের রোদে বসে গল্প করার দৃশ্য কিন্তু এখন সেই দৃশ্য ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে কুয়াশার পরিমাণ কমে যাওয়ায় সকালের কাজকর্মও আগের তুলনায় সহজ হয়ে উঠেছে। তবে অনেক প্রবীণ মানুষ এই পরিবর্তনকে স্বাভাবিকভাবে নিতে পারছেন না
বছরের শেষ প্রান্তে এসে আবহাওয়ায় ধীরে ধীরে পরিবর্তনের ছোঁয়া লাগতে শুরু করেছে। দিনের তাপমাত্রা আগের তুলনায় কিছুটা কমলেও জাঁকিয়ে শীত এখনও অনুভূত হচ্ছে না সকাল ও রাতের দিকে হালকা ঠান্ডা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের উষ্ণতায় সেই শীতের আমেজ অনেকটাই মিলিয়ে যাচ্ছে ফলে শীতকাল শুরু হলেও তার চিরাচরিত কনকনে রূপ এখনও দেখা যায়নি
আবহাওয়া দফতরের মতে উত্তর দিক থেকে শুষ্ক হাওয়া প্রবেশ করায় পারদ সামান্য নিচের দিকে নামছে। তবে শক্তিশালী শৈত্যপ্রবাহ বা দীর্ঘস্থায়ী ঠান্ডা হাওয়ার অনুপস্থিতির কারণে তাপমাত্রা খুব বেশি কমছে না। দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য বাড়লেও তা এখনও স্বাভাবিক সীমার মধ্যেই রয়েছে। পরিষ্কার আকাশের কারণে দিনের বেলায় রোদে উষ্ণতার অনুভূতি বজায় থাকছে
এই মৃদু শীতের প্রভাব পড়ছে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায়। সকালের দিকে কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা দেখা গেলেও তা দ্রুত কেটে যাচ্ছে। অফিস যাত্রী বা শিক্ষার্থীদের চলাচলে তেমন সমস্যা হচ্ছে না। সাধারণ মানুষ সকালে বেরোনোর সময় হালকা সোয়েটার বা চাদর ব্যবহার করলেও দুপুরের দিকে তা আর প্রয়োজন হচ্ছে না। ভারী শীতবস্ত্র এখনও অনেকেরই আলমারিতেই রয়ে গেছে
বাজারে শীতকালীন সবজি আসতে শুরু করেছে ফুলকপি বাঁধাকপি গাজর মটরশুঁটির মতো সবজির সরবরাহ বাড়লেও প্রকৃত শীত না পড়ায় ফলনের গতি কিছুটা ধীর। ব্যবসায়ীদের মতে জাঁকিয়ে শীত পড়লে বাজারে সবজির পরিমাণ আরও বাড়বে এবং দামও কিছুটা স্বাভাবিক হবে
চিকিৎসকদের মতে এই সময়টায় আবহাওয়ার ওঠানামার কারণে সর্দি কাশি জ্বরের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। দিনের বেলা গরম এবং রাতের দিকে ঠান্ডা থাকার ফলে শরীর সহজেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী পোশাক ব্যবহার করা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি।
সব মিলিয়ে বলা যায় বছরের শেষের দিকে শীতের উপস্থিতি থাকলেও তার দাপট এখনও পুরোপুরি প্রকাশ পায়নি। পারদ সামান্য নামলেও কনকনে ঠান্ডার দেখা নেই। আগামী দিনে তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রকৃত শীতের অপেক্ষায় দিন গুনছে মানুষ নতুন বছরের সঙ্গে সঙ্গে শীতের জাঁকিয়ে পড়ার প্রত্যাশাও বাড়ছে।
আবহাওয়া দফতরের মতে, উত্তরের দিক থেকে শুষ্ক হাওয়া প্রবেশ করায় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে নামছে তবে সক্রিয় পশ্চিমী ঝঞ্ঝা বা শক্তিশালী ঠান্ডা হাওয়ার অভাবে কনকনে শীত এখনও আসেনি। দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান কিছুটা বাড়লেও তা শীতের দাপট জানান দেওয়ার মতো নয় আকাশ পরিষ্কার থাকায় দিনের বেলা রোদে উষ্ণতার অনুভূতিও বজায় থাকছে
এই মৃদু শীতের প্রভাব পড়েছে দৈনন্দিন জীবনেও সকালের দিকে হালকা কুয়াশা দেখা গেলেও তা দ্রুত কেটে যাচ্ছে শীতকালীন সবজি বাজারে এলেও প্রকৃত শীতের আমেজ এখনও পুরোপুরি ধরা পড়েন সাধারণ মানুষ সকালে বেরোনোর সময় হালকা সোয়েটার বা চাদর ব্যবহার করলেও দুপুরের দিকে তা আর প্রয়োজন হচ্ছে না
চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের আবহাওয়ায় সর্দি-কাশি বা হালকা জ্বরের প্রবণতা বাড়তে পারে তাই হঠাৎ তাপমাত্রার পরিবর্তন থেকে নিজেকে বাঁচাতে সতর্ক থাকা জরুরি বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে বাড়তি যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে
সব মিলিয়ে, বছর শেষের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে শীতের আগমনের আভাস মিললেও তার পূর্ণ রূপ এখনো অধরা আবহাওয়ার এই মৃদু চরিত্র আগামী কয়েকদিন বজায় থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা কবে নাগাদ জাঁকিয়ে শীত নামবে, সেই অপেক্ষাতেই দিন গুনছে শহরবাসী,
পর্যটন ক্ষেত্রেও শীতের এই মৃদু প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে শীতকাল সাধারণত ভ্রমণের উপযুক্ত সময় হিসেবে ধরা হয় কিন্তু জাঁকিয়ে শীত না পড়ায় পাহাড়ি এলাকায় তেমন ঠান্ডার অনুভূতি নেই ফলে পর্যটকদের ভিড় থাকলেও তারা প্রকৃত শীতের স্বাদ পাচ্ছেন না পর্যটন ব্যবসায়ীরা আশা করছেন জানুয়ারি মাসে তাপমাত্রা আরও কমলে পর্যটনের মরশুম জমে উঠবে
সব মিলিয়ে বলা যায় বছরের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে শীতের উপস্থিতি থাকলেও তার দাপট এখনও অনুপস্থিত। পারদ কিছুটা নামলেও কনকনে ঠান্ডা বা দীর্ঘস্থায়ী শৈত্যপ্রবাহের ইঙ্গিত এখনও স্পষ্ট নয় আগামী দিনে আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি কেমন হবে তা নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতূহল রয়েছে। সবাই অপেক্ষায় আছেন কবে প্রকৃত শীত তার পরিচিত রূপে ধরা দেবে। এই অপেক্ষার মধ্যেই বছর শেষ হয়ে নতুন বছরের আগমনের প্রস্তুতি চলছে