Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

১৬ আগস্ট আর ‘খেলা হবে দিবস’ নয়, পালিত হবে ‘আয়ুষ্মান দিবস’: ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

১৬ আগস্ট ‘খেলা হবে দিবস’-এর পরিবর্তে ‘আয়ুষ্মান দিবস’ পালনের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নতুন এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।

১৬ আগস্ট ‘খেলা হবে দিবস’-এর পরিবর্তে ‘আয়ুষ্মান দিবস’, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিসরে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী ১৬ আগস্ট রাজ্যে আর ‘খেলা হবে দিবস’ পালন করা হবে না। তার পরিবর্তে দিনটিকে ‘আয়ুষ্মান দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহল, স্বাস্থ্য প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

রবিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে চালু হওয়া ‘খেলা হবে দিবস’ বাতিল করে ১৬ আগস্ট ‘আয়ুষ্মান দিবস’ পালন করা হবে। নতুন কর্মসূচির মাধ্যমে আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা, স্বাস্থ্যবিমা, চিকিৎসার সুযোগ এবং যোগ্য নাগরিকদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির উপরে জোর দেওয়া হতে পারে। তবে ‘আয়ুষ্মান দিবস’-এর বিস্তারিত কর্মসূচি পরবর্তী সময়ে ঘোষণা করা হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন।

এই সিদ্ধান্তকে শুধু একটি সরকারি দিবসের নাম পরিবর্তন হিসেবে দেখলে বিষয়টির সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ও সামাজিক তাৎপর্য বোঝা যাবে না। ‘খেলা হবে’ শব্দবন্ধটি পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি পরিচিত স্লোগানে পরিণত হয়েছিল। অন্যদিকে ‘আয়ুষ্মান’ শব্দটি কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসুরক্ষা প্রকল্প আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। ফলে একটি রাজনৈতিকভাবে পরিচিত স্লোগানভিত্তিক দিবসকে স্বাস্থ্যসচেতনতা ও সরকারি চিকিৎসা প্রকল্পকেন্দ্রিক দিবসে পরিবর্তন করা নতুন সরকারের নীতিগত অগ্রাধিকারেরও ইঙ্গিত বহন করছে।

২০২১ সালে শুরু হয়েছিল ‘খেলা হবে দিবস’

পশ্চিমবঙ্গে ‘খেলা হবে দিবস’ পালনের সূচনা হয়েছিল ২০২১ সালে। তৎকালীন রাজ্য সরকার ১৬ আগস্ট দিনটিকে খেলাধুলা, বিশেষ করে ফুটবল এবং যুবসমাজকে উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে বিশেষ দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছিল। বিভিন্ন জেলায় ফুটবল প্রতিযোগিতা, ক্রীড়াসামগ্রী বিতরণ এবং যুবকদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরির মতো কর্মসূচি নেওয়া হতো।

সরকারিভাবে এটি ক্রীড়া উন্নয়ন এবং যুবসমাজকে মাঠমুখী করার উদ্যোগ হিসেবে প্রচারিত হলেও ‘খেলা হবে’ ছিল তৎকালীন শাসকদলের বহুল ব্যবহৃত রাজনৈতিক স্লোগান। সেই কারণে দিবসটি শুরু থেকেই প্রশাসনিক কর্মসূচির পাশাপাশি একটি রাজনৈতিক পরিচিতিও বহন করত। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার সেই দিবস বাতিল করে স্বাস্থ্যসুরক্ষাকেন্দ্রিক ‘আয়ুষ্মান দিবস’ চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নতুন সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, ১৬ আগস্টের সঙ্গে কলকাতা ও বাংলার ইতিহাসের একটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক অধ্যায় জড়িয়ে রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এই তারিখে রাজনৈতিক উৎসব পালনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি ১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্টের ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে’ এবং পরবর্তী সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে দিনটিকে কলকাতার ইতিহাসের একটি অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সেই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সামনে রেখেই দিনটিতে পুরোনো রাজনৈতিক কর্মসূচির পরিবর্তে জনস্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সুরক্ষার বার্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

কেন ‘আয়ুষ্মান দিবস’?

‘আয়ুষ্মান দিবস’ নামকরণের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা বা AB PM-JAY। এটি এমন একটি সরকারি স্বাস্থ্যসুরক্ষা প্রকল্প, যার মাধ্যমে যোগ্য পরিবারগুলি নির্দিষ্ট শর্তে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে নগদহীন চিকিৎসার সুবিধা পেতে পারে। গুরুতর অসুস্থতা, অস্ত্রোপচার, বিশেষায়িত চিকিৎসা এবং হাসপাতালে ভর্তির বড় ব্যয়ের ক্ষেত্রে এই প্রকল্প বহু পরিবারের আর্থিক চাপ কমানোর উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়।

পশ্চিমবঙ্গ ২০২৬ সালের ৮ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা বাস্তবায়নের জন্য ন্যাশনাল হেলথ অথরিটির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। এর মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ দেশের ৩৬তম রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের প্রায় ১ কোটি ৪৩ লক্ষ পরিবার এই স্বাস্থ্যসুরক্ষা ব্যবস্থার আওতায় আসতে পারে।

এই প্রেক্ষাপটে ১৬ আগস্টকে ‘আয়ুষ্মান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ রাজ্য সরকার এখন শুধু প্রকল্প চালু করাই নয়, প্রকল্পের সুবিধা প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া, যোগ্য নাগরিকদের নাম নথিভুক্ত করা, আয়ুষ্মান কার্ড তৈরি এবং হাসপাতালভিত্তিক চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর দিকে গুরুত্ব দিতে চাইছে।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সী নাগরিকরা আয়ুষ্মান প্রকল্পের বিশেষ সুবিধার আওতায় আসবেন। অন্যান্য যোগ্য নাগরিকদেরও ধাপে ধাপে প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রায় ৭০ শতাংশ সম্ভাব্য উপভোক্তাকে আয়ুষ্মান প্রকল্পের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। বাকি প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষের জন্য রাজ্য সরকারের নিজস্ব স্বাস্থ্যবিমা ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনার কথাও তিনি জানিয়েছেন। উভয় স্বাস্থ্যসুরক্ষা ব্যবস্থাকে সমন্বিতভাবে চালু করার লক্ষ্য রয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন।

প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্যসুরক্ষা

আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সম্প্রসারিত নিয়ম অনুযায়ী, ৭০ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণ নাগরিকরা তাঁদের আর্থসামাজিক অবস্থা নির্বিশেষে নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যসুরক্ষার সুযোগ পেতে পারেন। আয়ুষ্মান বয় বন্দনা কার্ডের মাধ্যমে এই বয়সসীমার প্রবীণদের বছরে সর্বোচ্চ পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা কভার দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

যেসব প্রবীণ ইতিমধ্যেই আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পভুক্ত পরিবারের সদস্য, তাঁদের জন্য পৃথকভাবে অতিরিক্ত স্বাস্থ্য কভারের ব্যবস্থা থাকতে পারে। আবার যাঁদের পরিবার আগে প্রকল্পের আওতায় ছিল না, তাঁরাও ৭০ বছর পূর্ণ হলে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারেন। কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য অনুযায়ী, এই সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের প্রায় ছয় কোটি প্রবীণ নাগরিককে স্বাস্থ্যসুরক্ষার আওতায় আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছিল।

পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ১৫ লক্ষ ৯৫ হাজার প্রবীণ নাগরিকের পরিবারকে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের আওতায় আনার সম্ভাবনার কথা সরকারি নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আশা কর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি সহায়কদের প্রায় তিন লক্ষের বেশি পরিবারকেও এই প্রকল্পের সুবিধাভোগী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

news image
আরও খবর

বাংলার বহু পরিবারে প্রবীণ সদস্যদের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা, হৃদরোগ, কিডনির সমস্যা, ক্যানসার, হাড়ের অস্ত্রোপচার কিংবা নিয়মিত হাসপাতালে ভর্তির খরচ বহন করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের ক্ষেত্রে একটি বড় চিকিৎসার ব্যয় সংসারের সঞ্চয় শেষ করে দিতে পারে। সেই জায়গায় স্বাস্থ্যবিমা বা সরকারি স্বাস্থ্যসুরক্ষা প্রকল্প বাস্তবে কার্যকর হলে তা পরিবারগুলির আর্থিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

তবে শুধু কার্ড তৈরি করলেই প্রকল্প সফল হবে না। সাধারণ মানুষকে জানতে হবে কোথায় আবেদন করতে হবে, কী কী নথি লাগবে, কোন হাসপাতালে পরিষেবা পাওয়া যাবে এবং কোনও হাসপাতাল পরিষেবা দিতে অস্বীকার করলে কোথায় অভিযোগ করতে হবে। তাই ‘আয়ুষ্মান দিবস’ পালনের আসল সাফল্য নির্ভর করবে সচেতনতা কর্মসূচি এবং প্রশাসনিক সহযোগিতার উপরে।

পশ্চিমবঙ্গে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সম্ভাব্য উপভোক্তা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ১ কোটি ২৪ লক্ষ যোগ্য পরিবার সরাসরি আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার সুবিধা পেতে পারে। আশা কর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, সহায়ক এবং প্রবীণ নাগরিকদের পরিবার যুক্ত হলে মোট সম্ভাব্য সুবিধাভোগী পরিবারের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৪৩ লক্ষে পৌঁছতে পারে। এই পরিবারগুলির সদস্যসংখ্যা প্রায় ছয় কোটি বলে সরকারি অনুমান।

প্রকল্পের আওতায় যোগ্য পরিবারগুলি বছরে পরিবারপিছু সর্বোচ্চ পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি-নির্ভর চিকিৎসার সুবিধা পেতে পারে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন রাজ্যে থাকা তালিকাভুক্ত সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী নগদহীন চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য প্রকল্পের পোর্টেবিলিটি সুবিধা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গের বহু মানুষ কাজের জন্য দিল্লি, মহারাষ্ট্র, গুজরাট, কর্নাটক, কেরল, তামিলনাড়ু এবং দেশের অন্যান্য রাজ্যে থাকেন। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী যোগ্য ও নিবন্ধিত সুবিধাভোগীরা অন্য রাজ্যের তালিকাভুক্ত হাসপাতালেও চিকিৎসা পেতে পারেন। ফলে কর্মসূত্রে রাজ্যের বাইরে থাকা পরিবারগুলির জন্য এই সুবিধা কার্যকর হলে বড় ধরনের চিকিৎসা সংকটের সময় তা সহায়ক হতে পারে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের বার্ষিক আর্থিক অবদান প্রায় এক হাজার কোটি টাকা হতে পারে। সেই অর্থ স্বাস্থ্যসুরক্ষার পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের পরিষেবা ব্যবস্থাকে আরও সক্রিয় করতে সহায়তা করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

সরকারের প্রথম ১০০ দিনের সঙ্গে বিশেষ সংযোগ

১৬ আগস্ট দিনটি নতুন রাজ্য সরকারের প্রথম ১০০ দিন পূর্ণ হওয়ার সময়ের সঙ্গেও মিলে যাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে দিনটিকে ‘আয়ুষ্মান দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নতুন সরকারের প্রথম পর্যায়ের প্রশাসনিক সাফল্য ও ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্যনীতি তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ হয়ে উঠতে পারে।

সাধারণত কোনও নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রথম ১০০ দিনের কাজকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরে। এই সময়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত, শুরু হওয়া প্রকল্প এবং ভবিষ্যতের রূপরেখা সরকারের প্রশাসনিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রাথমিক পরিচয় দেয়। পশ্চিমবঙ্গে আয়ুষ্মান ভারত বাস্তবায়ন, স্বাস্থ্যবিমার আওতা সম্প্রসারণ এবং স্বাস্থ্যসচেতনতাকে রাজনৈতিক স্লোগানের উপরে স্থান দেওয়ার বার্তা নতুন সরকারের প্রচারের অন্যতম বিষয় হতে পারে।

তবে সরকারের ঘোষণার বাস্তব মূল্যায়ন নির্ভর করবে মাঠপর্যায়ের ফলাফলের উপরে। কত দ্রুত যোগ্য পরিবারগুলির কার্ড তৈরি হচ্ছে, কতগুলি হাসপাতাল বাস্তবে পরিষেবা দিচ্ছে, রোগীদের কোনও অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে কি না এবং প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ কতটা সুবিধা পাচ্ছেন—এসব বিষয়ই প্রকল্পের কার্যকারিতা নির্ধারণ করবে।

 

 

 

 

Preview image