নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার বালুরঘাটে পৌঁছলেন ড. অশোক লাহিড়ী। তাঁকে ঘিরে কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। নতুন দায়িত্বে রাজ্য ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে আশার বার্তা দেন তিনি।
নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার বালুরঘাটে পৌঁছলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. অশোক লাহিড়ী। তাঁর এই সফরকে ঘিরে বালুরঘাটে কর্মী-সমর্থক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর নিজের পুরনো কর্মক্ষেত্র ও পরিচিত জনপদে তাঁর আগমন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দিক থেকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ড. অশোক লাহিড়ী ৮ মে ২০২৬ নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি অর্থনীতি ও নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তি। এর আগে তিনি ভারত সরকারের প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা এবং পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের সদস্য হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
বালুরঘাটে পৌঁছতেই তাঁকে ঘিরে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের আবহ তৈরি হয়। বিভিন্ন স্তরের মানুষ তাঁর সঙ্গে দেখা করেন এবং নতুন দায়িত্বের জন্য শুভেচ্ছা জানান। বালুরঘাটের সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্ক আগেও ছিল, তাই এই সফর সাধারণ মানুষের কাছে এক ধরনের আবেগের মুহূর্ত হিসেবেও ধরা পড়ে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি বালুরঘাটে এসে বিভিন্ন জায়গায় যান, মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং এলাকার উন্নয়ন নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দেন। নীতি আয়োগ দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা, নীতি প্রস্তাব, রাজ্য-কেন্দ্র সমন্বয় এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক রূপরেখা তৈরির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেই প্রতিষ্ঠানের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে ড. অশোক লাহিড়ীর দায়িত্ব গ্রহণ শুধু জাতীয় স্তরেই নয়, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছেও বিশেষ আগ্রহের বিষয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে বালুরঘাট ও দক্ষিণ দিনাজপুরের মানুষ আশা করছেন, তাঁর অভিজ্ঞতা ও নীতিনির্ধারণী দক্ষতা ভবিষ্যতে এলাকার উন্নয়নের আলোচনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বালুরঘাট সফরে তিনি উন্নয়নের বার্তা দেওয়ায় স্থানীয় মানুষের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা, কর্মসংস্থান, কৃষি এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের মতো বিষয়গুলি নিয়ে সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি রয়েছে। ফলে নীতি আয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদে থাকা একজন অভিজ্ঞ অর্থনীতিবিদের বালুরঘাট সফরকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই আশার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ড. লাহিড়ীর এই সফর রাজনৈতিক দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ তিনি একসময় বালুরঘাটের জনপ্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন। ফলে এলাকার সমস্যা, মানুষের চাহিদা এবং উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে তাঁর প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা রয়েছে। নতুন দায়িত্বে থেকে সেই অভিজ্ঞতাকে কীভাবে বৃহত্তর নীতিগত আলোচনার সঙ্গে যুক্ত করা যায়, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলের।
তাঁর আগমন ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের উচ্ছ্বাস প্রমাণ করে যে বালুরঘাটে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা এখনও যথেষ্ট রয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, জাতীয় পর্যায়ের এই দায়িত্ব পাওয়ার পর বালুরঘাটের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক আরও নতুন মাত্রা পেল। যদিও নীতি আয়োগ সরাসরি কোনও প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা নয়, তবুও উন্নয়ন পরিকল্পনা ও নীতিগত পরামর্শের ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠানের গুরুত্ব অনেক। তাই এলাকার মানুষ আশা করছেন, দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো সীমান্তবর্তী জেলার উন্নয়ন, যোগাযোগ, শিল্প সম্ভাবনা এবং কৃষি-ভিত্তিক অর্থনীতির বিষয়গুলি ভবিষ্যতে আরও গুরুত্ব পাবে। সব মিলিয়ে, নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ড. অশোক লাহিড়ীর প্রথম বালুরঘাট সফর ছিল শুভেচ্ছা, আবেগ, রাজনৈতিক তাৎপর্য এবং উন্নয়নের আশার মিশ্র প্রতিচ্ছবি। তাঁর নতুন দায়িত্ব যেমন জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই বালুরঘাটের মানুষের কাছে এটি গর্বের বিষয়। আগামী দিনে তাঁর অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক ভূমিকা দেশ ও রাজ্যের উন্নয়ন আলোচনায় কীভাবে প্রতিফলিত হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।
নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার বালুরঘাটে পৌঁছলেন ড. অশোক লাহিড়ী। তাঁর এই আগমনকে ঘিরে বালুরঘাটে তৈরি হয় এক বিশেষ উৎসাহ ও আবেগঘন পরিবেশ। কর্মী-সমর্থক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ, অনেকেই তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত হন। নতুন জাতীয় দায়িত্ব গ্রহণের পর তাঁর বালুরঘাট সফর শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক সফর নয়, বরং এলাকার মানুষের কাছে এটি গর্ব, প্রত্যাশা এবং উন্নয়নের আশার প্রতীক হয়ে উঠেছে। ড. অশোক লাহিড়ী একজন অভিজ্ঞ অর্থনীতিবিদ এবং নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। দেশের অর্থনীতি, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির সঙ্গে তিনি বহুদিন ধরে যুক্ত। সেই কারণে নীতি আয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের ভাইস চেয়ারম্যান পদে তাঁর দায়িত্ব গ্রহণ জাতীয় স্তরে যেমন তাৎপর্যপূর্ণ, তেমনই পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছেও এটি একটি বড় বিষয়। বিশেষ করে বালুরঘাট ও দক্ষিণ দিনাজপুরের মানুষ এই দায়িত্বকে নিজেদের এলাকার জন্য গর্বের বিষয় হিসেবে দেখছেন।
বালুরঘাটে তাঁর আগমন ঘিরে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়, তা প্রমাণ করে যে এলাকার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এখনও দৃঢ় রয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, জাতীয় পর্যায়ের এমন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ার পর বালুরঘাটের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক আরও নতুন মাত্রা পেল। এলাকার মানুষের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ, তাঁদের সমস্যার প্রতি তাঁর পরিচিতি এবং উন্নয়ন নিয়ে তাঁর ভাবনা ভবিষ্যতে আরও গুরুত্ব পেতে পারে বলে আশা করছেন অনেকেই।
দক্ষিণ দিনাজপুর একটি সীমান্তবর্তী জেলা। এই জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি রয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি, কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির প্রসার, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার পরিকাঠামো শক্তিশালী করা এবং শিল্প সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার। বালুরঘাটের মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরকে কেন্দ্র করে গোটা জেলার উন্নয়নের দাবি দীর্ঘদিন ধরে উঠে আসছে। তাই নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে ড. অশোক লাহিড়ীর নতুন ভূমিকা এলাকার মানুষের মনে নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে। যদিও নীতি আয়োগ সরাসরি কোনও প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা নয়, তবুও দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা, নীতিগত পরামর্শ, রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে সমন্বয় এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক রূপরেখা তৈরির ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে এলাকার মানুষ আশা করছেন, দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো পিছিয়ে থাকা বা সীমান্তবর্তী জেলার বাস্তব সমস্যাগুলি ভবিষ্যতের নীতিগত আলোচনায় আরও গুরুত্ব পেতে পারে। বিশেষ করে যোগাযোগ, কৃষি, সীমান্ত বাণিজ্য, ক্ষুদ্র শিল্প, পর্যটন এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মতো বিষয়গুলিতে নীতিগত নজর বাড়লে জেলার উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
ড. অশোক লাহিড়ীর বালুরঘাট সফরে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে আবেগ দেখা গেছে, তা শুধু রাজনৈতিক সমর্থনের প্রতিফলন নয়, বরং একজন পরিচিত ব্যক্তিত্বের জাতীয় স্তরে উঠে যাওয়ার প্রতি এলাকার মানুষের গর্বের প্রকাশ। অনেকেই মনে করছেন, তাঁর অভিজ্ঞতা ও দায়িত্ববোধ বালুরঘাটের নামকে জাতীয় স্তরে আরও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরতে পারে। একজন অর্থনীতিবিদ হিসেবে তিনি উন্নয়নকে শুধুমাত্র পরিসংখ্যানের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেন না, বরং বাস্তব পরিস্থিতি, মানুষের প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আলোকে দেখেন এমনটাই আশা করছেন তাঁর অনুগামী ও শুভানুধ্যায়ীরা।
এই সফর রাজনৈতিক দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ বালুরঘাটের সঙ্গে তাঁর পূর্ব পরিচিতি এবং মানুষের সঙ্গে তাঁর সংযোগ তাঁকে স্থানীয় বাস্তবতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিয়েছে। ফলে জাতীয় পর্যায়ে কাজ করার সময় এই অভিজ্ঞতা তাঁর ভাবনায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। এলাকার মানুষ চান, দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলাগুলির উন্নয়ন শুধু প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব পরিকল্পনার অংশ হয়ে উঠুক।
বালুরঘাটে তাঁর আগমন উপলক্ষে কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি এবং শুভেচ্ছা বিনিময়ের দৃশ্য প্রমাণ করে যে তিনি এখনও এলাকার মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও বুদ্ধিজীবী ব্যক্তিত্ব। নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর তাঁর প্রথম সফরকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে যে আশার সঞ্চার হয়েছে, তা আগামী দিনে উন্নয়নমূলক আলোচনাকে আরও জোরদার করতে পারে। সব মিলিয়ে, নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ড. অশোক লাহিড়ীর প্রথম বালুরঘাট সফর ছিল আবেগ, সম্মান, রাজনৈতিক গুরুত্ব এবং উন্নয়নের প্রত্যাশায় ভরা একটি তাৎপর্যপূর্ণ মুহূর্ত। তাঁর নতুন দায়িত্ব যেমন দেশের নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই বালুরঘাট ও দক্ষিণ দিনাজপুরের মানুষের কাছে এটি এক বিশেষ গর্বের বিষয়। আগামী দিনে তাঁর অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং নীতিগত ভূমিকা কীভাবে দেশ, রাজ্য এবং এলাকার উন্নয়নের আলোচনায় প্রতিফলিত হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।