গত রবিবার ভারতীয় নারী ক্রিকেট দল ইতিহাস রচনা করে মহিলাদের এক দিনের বিশ্বকাপ জিতেছে। এই ঐতিহাসিক জয়ে ভারতীয় অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর এবং তার সহঅধিনায়ক স্মৃতি মন্ধানা ট্রফিটি এমনভাবে নিজের হাতে ধরে রাখলেন, যেন তা তাঁদের সারা জীবনের একটি অমুল্য স্মৃতি হয়ে রইল। শুধুমাত্র জয়ই নয়, এই মুহূর্তে প্রতিটি খেলোয়াড়, সমর্থক এবং দেশের মানুষকে গর্বিত করার মতো এক অবিস্মরণীয় ঘটনা তৈরি হলো। জয়ের আনন্দে উচ্ছ্বাসিত হরমনপ্রীত ও স্মৃতি যে রকম উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন, তা দেখলে বোঝা যায়, ক্রিকেট শুধু খেলা নয়, এটি দেশের মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা এবং দেশের ক্রিকেটের ইতিহাসে চিরস্থায়ী একটি স্মৃতিচিহ্ন।
গত রবিবার ভারতের নারী ক্রিকেট দল ইতিহাস সৃষ্টি করে মহিলাদের এক দিনের বিশ্বকাপ জিতেছে। এই অভূতপূর্ব জয়ের উচ্ছ্বাস এখনও কাটেনি ক্রিকেটার ও সমর্থকদের মধ্যে। সেই আনন্দময় মুহূর্তে ভারতীয় অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর এবং সহঅধিনায়ক স্মৃতি মন্ধানা বিশ্বকাপ ট্রফিটি এমনভাবে নিজের হাতে ধরে রাখলেন, যেন তা তাঁদের সারা জীবনের জন্য এক অমুল্য স্মৃতি হয়ে রইল।
এই জয়ের আনন্দকে আরও স্মরণীয় করে রাখতে, হরমনপ্রীত এবং স্মৃতি নিজেদের হাতে বিশ্বকাপের উল্কি করিয়েছেন। হরমনপ্রীত তাঁর বাঁ হাতের বাইসেপে খোদাই করেছেন ২০২৫ এবং ৫২ সংখ্যাটি, যা যথাক্রমে বিশ্বকাপ জয়ের বছর ও জয়ের ব্যবধানকে নির্দেশ করে। অন্যদিকে, স্মৃতি ডান হাতের কব্জিতে ভারতের জাতীয় পতাকা জড়ানো একটি উল্কি করিয়েছেন, যার নীচে বিশ্বকাপ জয়ের বছর খোদাই করা হয়েছে। এই উল্কিগুলি তাদের ব্যক্তিগত ইতিহাসের সঙ্গে জাতীয় ক্রিকেটের গৌরবকে এক করে রেখেছে।
এদিকে জয়পুরের নাহাড়গড় দুর্গের ভিতরে অবস্থিত জয়পুর মিউজিয়ামে স্থাপন করা হবে হরমনপ্রীতের মোমের মূর্তি। আগামী বছর ৮ মার্চ, আন্তর্জাতিক নারী দিবসের দিন এই মূর্তি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ্যে আসবে। মিউজিয়ামের প্রতিষ্ঠাতা অনুপ শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, “আমাদের মিউজিয়ামে শুধু বিখ্যাত ক্রিকেটারদের স্থান দেওয়া হয় না, বরং সমাজে অনুপ্রেরণার প্রতীক যারা, তাঁদের সম্মান জানানো হয়। হরমনপ্রীত প্রমাণ করেছেন যে, যেকোনো মঞ্চেই তিনি ছেলেদের চেয়ে কম নন।”
জয়পুর মিউজিয়ামে ইতিমধ্যেই মহেন্দ্র সিংহ ধোনি, সচিন তেন্ডুলকর ও বিরাট কোহলির মোমের মূর্তি রয়েছে। কর্তারা জানিয়েছেন, হরমনপ্রীতের মূর্তি তৈরির কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে এবং এটি ভারতীয় নারী ক্রিকেটের গৌরব ও ইতিহাসের এক স্থায়ী স্মারক হয়ে থাকবে।