Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

চিনা বিজ্ঞানীদের গবেষণা একটি বড়ি যা মানুষের আয়ু হতে পারে ১৫০ বছর

চিনা বিজ্ঞানীরা এমন একটি বার্ধক্যবিরোধী ওষুধ তৈরির গবেষণায় নেমেছেন, যা মানুষের গড় আয়ু উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে ১৫০ বছরে পৌঁছে দিতে পারে বলে দাবি করা হচ্ছে। এই ওষুধ শরীরের কোষের বার্ধক্য প্রক্রিয়া ধীর করে দীর্ঘায়ুর সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। গবেষণা সফল হলে মানবজীবন ও চিকিৎসাবিজ্ঞানের ধারায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে।

মানুষ যুগ যুগ ধরে দীর্ঘায়ুর স্বপ্ন দেখেছে। ইতিহাসজুড়ে অমরত্বের রহস্য খুঁজতে মানুষ নানা গবেষণা করেছে, তৈরি হয়েছে অসংখ্য কাহিনি, ধারণা এবং বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব। কিন্তু আধুনিক যুগে এসে এই স্বপ্ন যেন আরও বাস্তবের কাছাকাছি চলে এসেছে। কারণ সাম্প্রতিক সময়ে চিনা বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, তারা এমন একটি বিশেষ ধরনের বার্ধক্যবিরোধী ওষুধ তৈরির গবেষণায় কাজ করছেন, যা মানবজীবনের আয়ু বাড়িয়ে ১৫০ বছর পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই বিশ্বজুড়ে যেমন আলোড়ন শুরু হয়েছে, তেমনই বৈজ্ঞানিক মহলেও শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা। দীর্ঘায়ুর এই সম্ভাবনা কতটা বাস্তব? বিজ্ঞান কতটা এগোতে পেরেছে? বা মানবজাতির ভবিষ্যতের জন্য এর মানে কী? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই আজকের এই বিশদ আলোচনা।

চিনা গবেষকদের দাবি অনুযায়ী, যে ওষুধটি তৈরি হচ্ছে তা মানুষের কোষের বার্ধক্য প্রক্রিয়া ধীর করে দিতে সক্ষম। সাধারণত, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানবশরীরের কোষগুলো দুর্বল হতে থাকে। ডিএনএ-র ভাঙ্গন, কোষের শক্তি কমে যাওয়া, টেলোমিয়ার ছোট হয়ে যাওয়া এবং কোষ বিভাজনের ক্ষমতা কমে আসা—এই সবকিছুই বার্ধক্যের মূল কারণ। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, যদি এই প্রক্রিয়াগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় বা বিলম্বিত করা যায়, তাহলে মানুষের আয়ু বহু বছর পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। বর্তমানে চিনা বিজ্ঞানীরা যে ওষুধটি নিয়ে গবেষণা করছেন তা কোষগুলিকে দীর্ঘ সময় ধরে সক্রিয় রাখতে সক্ষম বলে দাবি করা হচ্ছে, যা স্বাভাবিকভাবে বার্ধক্যকে পিছিয়ে দিতে পারে।

গবেষণার সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানীদের মতে, এই ওষুধের মাধ্যমে কোষের অভ্যন্তরে যে ক্ষতিকর পরিবর্তন ঘটে সেগুলোকে ধীর করা বা বাধা দেওয়া সম্ভব হলে মানুষের আয়ু স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, মৃত্যু কোনও রহস্য নয়; বরং আমাদের শরীরে থাকা ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলির জড়ো হওয়াই মৃত্যু ডেকে আনে। যদি সেই কোষগুলোকে সুস্থ রাখা যায় বা তাদের মৃত্যু বিলম্বিত করা যায়, তাহলে আমরাও আরও বেশি দিন সুস্থভাবে বাঁচতে পারি।

মানুষের আয়ু বাড়ানোর গবেষণা অবশ্য নতুন নয়। গত কয়েক দশকে অনেক দেশেই জিন-ভিত্তিক থেরাপি, কোষভিত্তিক চিকিৎসা এবং ডিএনএ পুনর্গঠন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ হয়েছে। কিন্তু চিনা বিজ্ঞানীদের দাবি এবার এক ধাপ এগিয়ে গেছে। তারা বলছেন, এই ওষুধটি সরাসরি মানুষের শরীরের কোষে কাজ করবে এবং বয়স বৃদ্ধির পথটা অনেকটাই ধীর করে দেবে। কয়েকজন গবেষক তো এমনও বলছেন, ভবিষ্যতে হয়তো বার্ধক্যকে সম্পূর্ণরূপে থামানো সম্ভব হবে। যদিও এ ধরনের দাবি অনেকের কাছেই অতিরঞ্জিত মনে হলেও, আধুনিক জৈব প্রযুক্তির অগ্রগতি দেখে তা পুরোপুরি অসম্ভব নয়।

দীর্ঘায়ু নিয়ে এমন বৈজ্ঞানিক দাবির পাশাপাশি রয়েছে বহু প্রশ্নও। প্রথমত, মানুষ কি সত্যিই ১৫০ বছর সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে চাইবেন? দীর্ঘায়ু কি মানবজীবনে সুবিধা আনবে, না কি নতুন সমস্যা তৈরি করবে? যেমন—অতিরিক্ত জনসংখ্যা, খাদ্য সংকট, অবসরপ্রাপ্ত মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া, অর্থনৈতিক চাপ ইত্যাদি। অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, বয়স বাড়ানো শুধু সমাধান নয়; বরং বাঁচার মান উন্নত করাও অত্যন্ত জরুরি। যদি কেউ ১৫০ বছর বাঁচেও, কিন্তু জীবনের শেষ ৫০ বছর অসুস্থ, দুর্বল বা শারীরিকভাবে অক্ষম থাকে, তবে সেই দীর্ঘায়ু কতটা মূল্যবান হবে?

দ্বিতীয়ত, এই ওষুধটি কতটা নিরাপদ? কোষের স্বাভাবিক বৃদ্ধির প্রক্রিয়া পরিবর্তন করা কি বিপজ্জনক হতে পারে? ক্যানসারের মতো রোগ তো মূলত কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি থেকেই হয়। যদি কোষের মৃত্যু বা ক্ষয়প্রক্রিয়া অতিরিক্তভাবে থামানো হয়, তাহলে কি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়বে? এ নিয়ে চিকিৎসক ও গবেষকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ রয়েছে। তাই কোনও ওষুধ তৈরি হলেও তা মানুষের ওপর ব্যবহারের আগে বহু বছর ধরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে।

তৃতীয়ত, এই ওষুধ কি কেবল ধনী মানুষদের জন্যই উপলব্ধ হবে? নাকি সাধারণ মানুষের জন্যও তা পাওয়া সম্ভব হবে? ইতিহাসের অভিজ্ঞতা বলছে, বড় ধরনের চিকিৎসা উদ্ভাবন প্রথমে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে অনেক সময় নেয়। আর যদি আয়ুবর্ধক ওষুধ কেবল ধনীদের কাছে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে সমাজে সামাজিক বৈষম্য আরও চরম পর্যায়ে পৌঁছে যাবে। কারণ তখন ধনী শ্রেণি দীর্ঘায়ুর মাধ্যমে সমাজে আরও প্রভাবশালী হয়ে উঠবে।

তবে এই সমস্ত প্রশ্ন সত্ত্বেও অস্বীকার করা যায় না যে মানবজীবনের আয়ু বাড়ানোর এই গবেষণা নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞান এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে আগে অসম্ভব বলে মনে করা বিষয়গুলোও বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। ডিএনএ প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ন্যানো-মেডিসিন, স্টেম সেল থেরাপি—সবকিছু মিলিয়ে আধুনিক বিজ্ঞান মানবজীবনের সীমা ক্রমশ প্রসারিত করছে।

অনেক বিশেষজ্ঞ বলছেন, মানুষ এখন আর শুধু বেঁচে থাকার কথা ভাবছে না, বরং কিভাবে দীর্ঘসময় সুস্থভাবে বাঁচা যায় সেটাই আসল গবেষণার বিষয়। চিনা বিজ্ঞানীদের এই নতুন ওষুধ সেই দীর্ঘ গবেষণার একটি অংশ মাত্র। যদি এটি সত্যিই সফল হয়, তাহলে মানবসভ্যতার ইতিহাসে এটি এক বিশাল পরিবর্তন আনতে পারে। মানুষের জীবনযাত্রা, সমাজব্যবস্থা, অর্থনীতি, পরিবার, কর্মসংস্থান—সবকিছুর ওপরই এর গভীর প্রভাব পড়বে।

news image
আরও খবর

তবে এও সত্য যে দীর্ঘায়ুর ওষুধ তৈরি হলেও তা গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত হবে। অনেকেই হয়তো ১৫০ বছর বাঁচতে আগ্রহী হবেন, আবার অনেকে মনে করবেন প্রকৃতির উপর অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ মানবজাতির জন্য ভালো নয়। এমনকি মনোবিজ্ঞানীরাও বলছেন, মানুষ অতিরিক্ত দীর্ঘায়ু পেলে মানসিক চাপও বাড়তে পারে। জীবনের লক্ষ্য, কর্মজীবনের পরিকল্পনা, সম্পর্ক—সবই নতুনভাবে ভাবতে হবে।

সবশেষে, বলা যায় যে চিনা বিজ্ঞানীদের দাবি মানবসভ্যতার জন্য এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে। মানুষ স্বপ্ন দেখে, এবং বিজ্ঞান সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার পথ খুঁজে পায়। আজ যা স্বপ্ন, আগামী দশকে তা বাস্তব হতে পারে। হয়তো সত্যিই একদিন মানুষ ১৫০ বছর বাঁচবে—সুস্থভাবে, শক্তিশালীভাবে, পূর্ণ উদ্যমে।

কিন্তু তার আগে প্রয়োজন দীর্ঘ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, নৈতিক আলোচনা এবং সমগ্র মানবজাতির জন্য একটি সমানভাবে গ্রহণযোগ্য সমাধান। কারণ দীর্ঘায়ুর স্বপ্ন যতই আকর্ষণীয় হোক, এর বাস্তব প্রয়োগ আরও জটিল। তবুও এগিয়ে যাওয়াই মানবসভ্যতার বৈশিষ্ট্য, আর এই গবেষণা সেই অগ্রগতিরই আরেকটি 

মানবজীবনের আয়ু কতটা দীর্ঘ হতে পারে—এই প্রশ্ন বহু যুগ ধরে বিজ্ঞানী, দার্শনিক, চিকিৎসক ও সাধারণ মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। প্রযুক্তি ও চিকিৎসাশাস্ত্র যত এগোচ্ছে, মানুষ তত বেশি সুস্থ জীবনযাপন ও দীর্ঘায়ু লাভের আশা করছে। সেই প্রেক্ষিতেই চীনা বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক গবেষণা বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। তারা দাবি করছেন, এমন একটি অ্যান্টি-এজিং বা বার্ধক্য প্রতিরোধক ওষুধ তৈরির কাজে তাঁরা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছেন, যা মানুষের গড় আয়ু বাড়িয়ে ১৫০ বছর পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। বর্তমান সময়ে যেখানে অধিকাংশ দেশের মানুষের গড় আয়ু ৭০ থেকে ৮৫ বছরের মধ্যে ঘোরাফেরা করে, সেখানে ১৫০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকা নিঃসন্দেহে এক বৈপ্লবিক ঘটনা।

চীনের বায়োটেক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলির একটি যৌথ টিম এ গবেষণার নেতৃত্ব দিচ্ছে। তাঁদের দাবি—মানবদেহে কোষের বার্ধক্যের প্রধান কারণগুলির মধ্যে একটি হল কোষের অভ্যন্তরে ডিএনএ ক্ষয়, টেলোমিয়ারের সংকোচন, এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস। নতুন এই ওষুধটি শরীরের বার্ধক্যজনিত কোষগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে, ক্ষতিগ্রস্ত কোষ মেরামত করতে সক্ষম, এমনকি শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলির কার্যক্ষমতা দীর্ঘদিন ধরে বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে। গবেষণার প্রাথমিক ফলাফলে দেখা গিয়েছে যে পরীক্ষাগারে ব্যবহৃত প্রাণীদের ক্ষেত্রে ওষুধটি শুধু বার্ধক্য কমায়নি—বরং তাদের শক্তি, স্মৃতিশক্তি, প্রতিরোধক্ষমতা ও কোষ পুনরুৎপাদনের ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে।

বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, কোষের মধ্যে থাকা ‘সেনেসেন্ট সেল’ বা বার্ধক্যগ্রস্ত কোষগুলির সংখ্যা কমানো এবং নতুন কোষ পুনরুজ্জীবিত করার প্রক্রিয়াই দীর্ঘায়ুর মূল রহস্য। বিশ্বের বহু গবেষণাগার বছরের পর বছর ধরে এ নিয়ে কাজ করলেও চীনা বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, তাঁদের হাতে থাকা নতুন যৌগটি এই প্রক্রিয়া কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। এই যৌগটি প্রাকৃতিক কিছু অণু এবং জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রযুক্তির সমন্বয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে। ওষুধটি গভীর স্তরে কোষের বিপাক ক্রিয়া সঠিক রাখতে পারে, মাইটোকন্ড্রিয়ার শক্তি উৎপাদন বাড়াতে পারে এবং শরীরের প্রদাহ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

অবশ্যই এমন দাবি সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বজুড়ে সন্দেহ এবং বিতর্কও তৈরি হয়েছে। অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, মানবজীবন ১৫০ বছরে পৌঁছাবে—এমন ধারণা এখনই নিশ্চিত করে বলা যায় না। কারণ মানবশরীরের জটিলতা, পরিবেশগত প্রভাব, জীবনযাত্রা, খাদ্যাভ্যাস এবং মানসিক স্বাস্থ্যের মতো বিষয়গুলিও দীর্ঘায়ু নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শুধু একটি ওষুধ মানুষকে ১৫০ বছর পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারবে কি না, তা নিয়ে বৈজ্ঞানিক মহলে এখনও মতভেদ প্রবল। তবে অনেক বিজ্ঞানীই স্বীকার করছেন—জেনেটিক থেরাপি ও বার্ধক্যবিরোধী ওষুধের ক্ষেত্রে সাম্প্রতিক অগ্রগতি সত্যিই বিস্ময়কর এবং এটি ভবিষ্যতে মানবজীবনকে সম্পূর্ণ নতুন পথে নিয়ে যেতে পারে।

গবেষণার নৈতিক দিক নিয়েও আলোচনা চলছে। মানুষের আয়ু ১৫০ বছর হলে তা সমাজব্যবস্থা, অর্থনীতি, জনসংখ্যা, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও প্রাকৃতিক সম্পদের উপরে কী ধরনের চাপ সৃষ্টি করবে—তা এখনই স্পষ্ট নয়। দীর্ঘায়ু যদি সবার নাগালে না আসে, তাহলে সমাজে বৈষম্যও বাড়তে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। তবুও, চিকিৎসাবিজ্ঞানের নতুন দিগন্ত খুলে দিতে এই গবেষণা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ।

চীনা গবেষকরা জানিয়েছেন, ওষুধটির মানবদেহে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করতে এখনও কয়েক বছর সময় লাগবে। সফল পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই ওষুধটি বাজারজাত করা সম্ভব হবে। তবে এখন থেকেই বিশ্বজুড়ে সাধারণ মানুষের মনে একটিই প্রশ্ন—মানুষ কি সত্যিই ১৫০ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারবে? উত্তর সময়ই দেবে। কিন্তু এটুকু নিশ্চিত—মানবসভ্যতা আর এক নতুন যুগে প্রবেশ করার পথে দাঁড়িয়ে আছে, যার নাম বায়োলজিক্যাল লংজিভিটি রেভোলিউশন

Preview image