Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

ট্রেনের ভাড়া বাড়ছে ২৬ ডিসেম্বর থেকে কত কিলোমিটারে কত খরচ নতুন ভাড়া প্রকাশ রেলের

২৬ ডিসেম্বর থেকে ভারতীয় রেল নন-এসি ট্রেনের ভাড়া সংশোধনের ঘোষণা করেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ৫০০ কিলোমিটারে যাত্রীদের অতিরিক্ত ১০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া গুনতে হবে। এই ভাড়া বৃদ্ধি সাধারণ যাত্রীদের উপর কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েই শুরু হয়েছে আলোচনা।

২৬ ডিসেম্বর থেকে ভারতীয় রেলের টিকিট ভাড়ায় যে পরিবর্তন আসতে চলেছে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ ভারতীয় রেলের উপর নির্ভর করে এক শহর থেকে অন্য শহরে যাতায়াত করেন। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত যাত্রীদের কাছে রেলই সবচেয়ে সাশ্রয়ী ও ভরসাযোগ্য পরিবহণ মাধ্যম। এই পরিস্থিতিতে রেলের নন-এসি ভাড়াবৃদ্ধির ঘোষণা সাধারণ মানুষের জীবনে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।

রেল সূত্রে জানানো হয়েছে, নন-এসি শ্রেণির টিকিটে প্রতি ৫০০ কিলোমিটার যাত্রাপথে ১০ টাকা করে ভাড়া বাড়ানো হবে। এই নতুন ভাড়ার হার কার্যকর হবে ২৬ ডিসেম্বর থেকে। অর্থাৎ কেউ যদি ১০০০ কিলোমিটার নন-এসি ট্রেনে যাত্রা করেন, তবে আগের তুলনায় ২০ টাকা বেশি গুনতে হবে। দূরপাল্লার যাত্রীদের ক্ষেত্রে এই বাড়তি খরচ আরও বেশি অনুভূত হবে। যদিও রেলের দাবি, এই ভাড়া বৃদ্ধি খুবই সীমিত এবং বহু বছর পর নন-এসি ভাড়ায় সামান্য সংশোধন আনা হয়েছে।

ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, রক্ষণাবেক্ষণ খরচ, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, কর্মচারীদের বেতন ও পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে। এই ব্যয় সামাল দিতেই ধাপে ধাপে ভাড়ায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। রেলের আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আধুনিকীকরণ, নতুন ট্রেন চালু, স্টেশন সংস্কার, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা এবং পরিষেবা উন্নত করতে নিয়মিত বিনিয়োগ প্রয়োজন। এই প্রেক্ষাপটে সামান্য ভাড়া বৃদ্ধি অনিবার্য বলেই মনে করছে রেল মন্ত্রক।

তবে যাত্রীদের একাংশের মত, নন-এসি যাত্রীরা মূলত সাধারণ মানুষ। দৈনন্দিন যাতায়াত, কাজের সূত্রে বা আত্মীয়-পরিজনের বাড়ি যাওয়ার জন্য এই শ্রেণির ট্রেনেই ভরসা রাখেন তাঁরা। ভাড়া বাড়লে সেই চাপ সরাসরি সাধারণ মানুষের পকেটেই পড়বে। বিশেষ করে যারা নিয়মিত দূরপাল্লার নন-এসি ট্রেনে যাতায়াত করেন, তাঁদের মাসিক খরচ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে। উৎসবের মরসুমে বা ছুটির সময় বাড়ি ফেরার ক্ষেত্রে এই বাড়তি খরচ অনেকের জন্য চিন্তার কারণ হয়ে উঠতে পারে।

রেলের তরফে আরও জানানো হয়েছে, এসি শ্রেণির ভাড়ায় আপাতত কোনও পরিবর্তন আনা হচ্ছে না। শুধুমাত্র নন-এসি সাধারণ শ্রেণি, স্লিপার ও অন্যান্য নন-এসি কোচের ক্ষেত্রেই এই নতুন ভাড়ার হার প্রযোজ্য হবে। এতে বোঝা যাচ্ছে, রেল মূলত দীর্ঘদিন ধরে অপরিবর্তিত থাকা ভাড়ার কাঠামোতে সামান্য সংশোধন করতে চাইছে। কারণ বিগত কয়েক বছরে মূল্যবৃদ্ধি, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং পরিচালন খরচ অনেকটাই বেড়েছে।

অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ভাড়া বৃদ্ধি একদিকে যেমন রেলের আয় বাড়াতে সাহায্য করবে, তেমনই অন্যদিকে সাধারণ মানুষের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে। যদিও ভাড়ার অঙ্ক তুলনামূলকভাবে কম, কিন্তু দেশের বিশাল জনসংখ্যার কথা মাথায় রাখলে এর সামগ্রিক প্রভাব যথেষ্ট বড়। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকা ও ছোট শহরের মানুষ যারা কাজের খোঁজে বড় শহরে যান, তাঁদের জন্য এই সিদ্ধান্ত বাড়তি আর্থিক বোঝা হয়ে উঠতে পারে।

রেল যাত্রীদের সংগঠনগুলিও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। কিছু সংগঠনের দাবি, পরিষেবার মান উন্নত হলে ভাড়া বাড়ানো নিয়ে আপত্তি কম থাকবে। কিন্তু ট্রেন দেরিতে চলা, অতিরিক্ত ভিড়, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব এবং নিরাপত্তাজনিত সমস্যা যদি থেকেই যায়, তাহলে শুধুমাত্র ভাড়া বাড়ানো গ্রহণযোগ্য হবে না। যাত্রীদের মতে, ভাড়া বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পরিষেবার মানেও দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা জরুরি।

রেল মন্ত্রকের তরফে অবশ্য আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, ভাড়া বৃদ্ধির পাশাপাশি যাত্রী পরিষেবার উন্নয়নেও জোর দেওয়া হবে। স্টেশনগুলিতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, ট্রেনে পরিচ্ছন্নতা, ডিজিটাল টিকিটিং ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তা জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও নতুন রুটে ট্রেন চালু, পুরনো কোচ বদল এবং যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য বাড়ানোর নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রেলের দাবি, এই অতিরিক্ত আয় সরাসরি পরিষেবা উন্নয়নেই ব্যয় করা হবে।

ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা মতামত প্রকাশ পাচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন, এই পরিমাণ ভাড়া বৃদ্ধি খুব বেশি নয় এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এমন পরিবর্তন স্বাভাবিক। আবার অনেকে মনে করছেন, মূল্যবৃদ্ধির বাজারে সাধারণ মানুষের উপর আরও চাপ দেওয়া ঠিক নয়। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম, জ্বালানি মূল্য ও অন্যান্য পরিষেবার খরচ যখন লাগাতার বাড়ছে, তখন রেলের এই সিদ্ধান্ত বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করছে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, ২৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হতে চলা নন-এসি ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ভারতীয় রেলের আর্থিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ হলেও সামাজিক দিক থেকে তা বেশ সংবেদনশীল। রেল যেমন দেশের মেরুদণ্ড, তেমনই সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই ভাড়া বৃদ্ধি কতটা গ্রহণযোগ্য হবে, তা নির্ভর করবে পরিষেবার মান উন্নয়নের উপর। যদি যাত্রীরা সত্যিই উন্নত পরিষেবা, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাত্রার অভিজ্ঞতা পান, তাহলে এই সামান্য বাড়তি খরচ অনেকেই মেনে নিতে প্রস্তুত হবেন। অন্যদিকে, যদি পুরনো সমস্যাগুলি থেকেই যায়, তাহলে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ আরও বাড়তে পারে। এখন দেখার বিষয়, নতুন ভাড়ার হার কার্যকর হওয়ার পর রেল কতটা সফলভাবে যাত্রীদের আস্থা বজায় রাখতে পারে।

news image
আরও খবর

২৬ ডিসেম্বর থেকে ভারতীয় রেলের টিকিট ভাড়ায় যে পরিবর্তন আসতে চলেছে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ ভারতীয় রেলের উপর নির্ভর করে এক শহর থেকে অন্য শহরে যাতায়াত করেন। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত যাত্রীদের কাছে রেলই সবচেয়ে সাশ্রয়ী ও ভরসাযোগ্য পরিবহণ মাধ্যম। এই পরিস্থিতিতে রেলের নন-এসি ভাড়াবৃদ্ধির ঘোষণা সাধারণ মানুষের জীবনে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।

রেল সূত্রে জানানো হয়েছে, নন-এসি শ্রেণির টিকিটে প্রতি ৫০০ কিলোমিটার যাত্রাপথে ১০ টাকা করে ভাড়া বাড়ানো হবে। এই নতুন ভাড়ার হার কার্যকর হবে ২৬ ডিসেম্বর থেকে। অর্থাৎ কেউ যদি ১০০০ কিলোমিটার নন-এসি ট্রেনে যাত্রা করেন, তবে আগের তুলনায় ২০ টাকা বেশি গুনতে হবে। দূরপাল্লার যাত্রীদের ক্ষেত্রে এই বাড়তি খরচ আরও বেশি অনুভূত হবে। যদিও রেলের দাবি, এই ভাড়া বৃদ্ধি খুবই সীমিত এবং বহু বছর পর নন-এসি ভাড়ায় সামান্য সংশোধন আনা হয়েছে।

ভারতীয় রেল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, রক্ষণাবেক্ষণ খরচ, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, কর্মচারীদের বেতন ও পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে। এই ব্যয় সামাল দিতেই ধাপে ধাপে ভাড়ায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। রেলের আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আধুনিকীকরণ, নতুন ট্রেন চালু, স্টেশন সংস্কার, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা এবং পরিষেবা উন্নত করতে নিয়মিত বিনিয়োগ প্রয়োজন। এই প্রেক্ষাপটে সামান্য ভাড়া বৃদ্ধি অনিবার্য বলেই মনে করছে রেল মন্ত্রক।

তবে যাত্রীদের একাংশের মত, নন-এসি যাত্রীরা মূলত সাধারণ মানুষ। দৈনন্দিন যাতায়াত, কাজের সূত্রে বা আত্মীয়-পরিজনের বাড়ি যাওয়ার জন্য এই শ্রেণির ট্রেনেই ভরসা রাখেন তাঁরা। ভাড়া বাড়লে সেই চাপ সরাসরি সাধারণ মানুষের পকেটেই পড়বে। বিশেষ করে যারা নিয়মিত দূরপাল্লার নন-এসি ট্রেনে যাতায়াত করেন, তাঁদের মাসিক খরচ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে। উৎসবের মরসুমে বা ছুটির সময় বাড়ি ফেরার ক্ষেত্রে এই বাড়তি খরচ অনেকের জন্য চিন্তার কারণ হয়ে উঠতে পারে।

রেলের তরফে আরও জানানো হয়েছে, এসি শ্রেণির ভাড়ায় আপাতত কোনও পরিবর্তন আনা হচ্ছে না। শুধুমাত্র নন-এসি সাধারণ শ্রেণি, স্লিপার ও অন্যান্য নন-এসি কোচের ক্ষেত্রেই এই নতুন ভাড়ার হার প্রযোজ্য হবে। এতে বোঝা যাচ্ছে, রেল মূলত দীর্ঘদিন ধরে অপরিবর্তিত থাকা ভাড়ার কাঠামোতে সামান্য সংশোধন করতে চাইছে। কারণ বিগত কয়েক বছরে মূল্যবৃদ্ধি, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং পরিচালন খরচ অনেকটাই বেড়েছে।

অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ভাড়া বৃদ্ধি একদিকে যেমন রেলের আয় বাড়াতে সাহায্য করবে, তেমনই অন্যদিকে সাধারণ মানুষের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে। যদিও ভাড়ার অঙ্ক তুলনামূলকভাবে কম, কিন্তু দেশের বিশাল জনসংখ্যার কথা মাথায় রাখলে এর সামগ্রিক প্রভাব যথেষ্ট বড়। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকা ও ছোট শহরের মানুষ যারা কাজের খোঁজে বড় শহরে যান, তাঁদের জন্য এই সিদ্ধান্ত বাড়তি আর্থিক বোঝা হয়ে উঠতে পারে।

রেল যাত্রীদের সংগঠনগুলিও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। কিছু সংগঠনের দাবি, পরিষেবার মান উন্নত হলে ভাড়া বাড়ানো নিয়ে আপত্তি কম থাকবে। কিন্তু ট্রেন দেরিতে চলা, অতিরিক্ত ভিড়, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব এবং নিরাপত্তাজনিত সমস্যা যদি থেকেই যায়, তাহলে শুধুমাত্র ভাড়া বাড়ানো গ্রহণযোগ্য হবে না। যাত্রীদের মতে, ভাড়া বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পরিষেবার মানেও দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা জরুরি।

রেল মন্ত্রকের তরফে অবশ্য আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, ভাড়া বৃদ্ধির পাশাপাশি যাত্রী পরিষেবার উন্নয়নেও জোর দেওয়া হবে। স্টেশনগুলিতে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, ট্রেনে পরিচ্ছন্নতা, ডিজিটাল টিকিটিং ব্যবস্থা এবং নিরাপত্তা জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও নতুন রুটে ট্রেন চালু, পুরনো কোচ বদল এবং যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য বাড়ানোর নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। রেলের দাবি, এই অতিরিক্ত আয় সরাসরি পরিষেবা উন্নয়নেই ব্যয় করা হবে।

ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা মতামত প্রকাশ পাচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন, এই পরিমাণ ভাড়া বৃদ্ধি খুব বেশি নয় এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এমন পরিবর্তন স্বাভাবিক। আবার অনেকে মনে করছেন, মূল্যবৃদ্ধির বাজারে সাধারণ মানুষের উপর আরও চাপ দেওয়া ঠিক নয়। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম, জ্বালানি মূল্য ও অন্যান্য পরিষেবার খরচ যখন লাগাতার বাড়ছে, তখন রেলের এই সিদ্ধান্ত বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করছে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, ২৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হতে চলা নন-এসি ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ভারতীয় রেলের আর্থিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ হলেও সামাজিক দিক থেকে তা বেশ সংবেদনশীল। রেল যেমন দেশের মেরুদণ্ড, তেমনই সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই ভাড়া বৃদ্ধি কতটা গ্রহণযোগ্য হবে, তা নির্ভর করবে পরিষেবার মান উন্নয়নের উপর। যদি যাত্রীরা সত্যিই উন্নত পরিষেবা, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাত্রার অভিজ্ঞতা পান, তাহলে এই সামান্য বাড়তি খরচ অনেকেই মেনে নিতে প্রস্তুত হবেন। অন্যদিকে, যদি পুরনো সমস্যাগুলি থেকেই যায়, তাহলে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ আরও বাড়তে পারে। এখন দেখার বিষয়, নতুন ভাড়ার হার কার্যকর হওয়ার পর রেল কতটা সফলভাবে যাত্রীদের আস্থা বজায় রাখতে পারে।

Preview image