ভারতীয় ফুটবলের বর্তমান বাস্তবতা নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিলেন জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার সন্দেশ ঝিঙ্গান। তাঁর অভিযোগ, দেশে ভারতীয় ফুটবলের পরিকাঠামো, খেলোয়াড় উন্নয়ন ও লিগ ব্যবস্থায় বিনিয়োগের ক্ষেত্রে তেমন আগ্রহ দেখা যায় না। অথচ একজন আন্তর্জাতিক তারকা লিওনেল মেসির ভারত সফরের জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করতে কোনও দ্বিধা নেই। ঝিঙ্গানের মতে, এই বৈপরীত্যই ভারতীয় ফুটবলের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, বিদেশি তারকাদের এনে প্রদর্শনীমূলক ইভেন্ট আয়োজন করলে সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হয় ঠিকই, কিন্তু তাতে দেশের ফুটবলের দীর্ঘমেয়াদি উন্নতি হয় না। সেই অর্থ যদি যুব উন্নয়ন প্রকল্প, একাডেমি, কোচিং ব্যবস্থা ও ঘরোয়া লিগের মানোন্নয়নে ব্যয় করা হতো, তাহলে ভারতীয় ফুটবল অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারত। ঝিঙ্গানের এই মন্তব্য ইতিমধ্যেই ক্রীড়া মহলে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেক প্রাক্তন ফুটবলার ও সমর্থক তাঁর বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন। তাঁদের মতে, ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ গড়তে হলে প্রদর্শন নয়, বিনিয়োগ দরকার পরিকল্পিত ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে। সন্দেশ ঝিঙ্গানের এই মন্তব্য তাই শুধুই সমালোচনা নয়, বরং ভারতীয় ফুটবল নীতির প্রতি এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ছুড়ে দিল।
নিজস্ব প্রতিবেদক | কলকাতা ও নয়াদিল্লি
ভারতীয় ফুটবলের বাস্তব চিত্র নিয়ে আবারও সরব হলেন জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ও অধিনায়ক সন্দেশ ঝিঙ্গান। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসির ভারত সফর ঘিরে কোটি কোটি টাকা খরচ হওয়ার খবর সামনে আসতেই তিনি প্রশ্ন তুলেছেন—যেখানে দেশের ফুটবল কাঠামো বর্তমানে এক চরম অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, সেখানে এমন প্রদর্শনীমূলক সফরে এত বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় কতটা যুক্তিসঙ্গত? তাঁর এই মন্তব্য ইতিমধ্যেই ক্রীড়া মহলে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং ভারতীয় ফুটবলের অগ্রাধিকার নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
সন্দেশ ঝিঙ্গান দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত। ঘরোয়া ফুটবল থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক মঞ্চে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে তিনি স্পষ্ট ভাষায় তাঁর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বুধবার এক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পোস্টে তিনি সরাসরি প্রশ্ন তোলেন, "মনে হচ্ছে আমরা সবকিছু বন্ধ করে দেওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে আছি কারণ ভারতে ফুটবলে বিনিয়োগ করার মতো কেউ নেই, অথচ এই একটি সফরের জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করা হলো।"
ঝিঙ্গানের মতে:
স্থায়িত্বের অভাব: একজন বিশ্বতারকার সফরে সাময়িক উন্মাদনা তৈরি হয়, স্টেডিয়াম ভরে যায়, কিন্তু সেই উত্তেজনা কয়েক দিনের বেশি স্থায়ী হয় না।
ভুল বিনিয়োগ: যে অর্থ প্রদর্শনী ম্যাচে খরচ হচ্ছে, তা যদি যুব উন্নয়ন, ফুটবল একাডেমি বা ঘরোয়া লিগের মানোন্নয়নে ব্যয় হতো, তবে তার সুফল দীর্ঘমেয়াদী হতো।
পরিকাঠামোর সংকট: ঘরোয়া ফুটবল যখন সম্প্রচারকারী সঙ্গী (Broadcaster) খুঁজে পাচ্ছে না এবং লিগগুলি অনিশ্চয়তার মুখে, তখন এই ধরনের খরচ 'বিলাসিতা' ছাড়া আর কিছু নয়।
লিওনেল মেসির এই সফর মূলত কেরল সরকারকে কেন্দ্র করে আলোচনার তুঙ্গে ওঠে। সূত্রের খবর, কেরল সরকার এবং তাদের বাণিজ্যিক অংশীদাররা আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে (AFA) প্রায় ১৩০ কোটি টাকা প্রদানের চুক্তি করেছিল। কিন্তু পরবর্তীতে এই সফর নিয়ে তৈরি হয়েছে চূড়ান্ত বিভ্রান্তি।
অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগ: সম্প্রতি খবর পাওয়া গেছে যে, ১৩০ কোটি টাকা নিয়েও আর্জেন্টিনা দল এ বছর ভারতে আসতে অস্বীকার করেছে। যা নিয়ে কেরল সরকার এবং স্পনসর সংস্থা ‘রিপোর্টার ব্রডকাস্টিং কোম্পানি’-র মধ্যে আইনি লড়াইয়ের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
আরটিআই (RTI) চাঞ্চল্য: কেরলের ক্রীড়ামন্ত্রী দাবি করেছিলেন যে এই সফরে সরকারি কোষাগার থেকে এক টাকাও খরচ হবে না। কিন্তু আরটিআই-এর তথ্যে জানা গেছে, মন্ত্রীর স্পেন সফরের জন্যই সরকারি তহবিল থেকে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছে।
ঝিঙ্গানের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে নতুন করে সামনে এসেছে ভারতীয় ফুটবলের সেই পুরনো ক্ষত। বর্তমানে ভারতীয় ফুটবলের ইকোসিস্টেম সবচেয়ে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে: ১. আইএসএল ও আই-লিগ সংকট: বিনিয়োগকারীর অভাবে ভারতের প্রধান ফুটবল লিগগুলোর ভবিষ্যৎ এবং সম্প্রচার নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে। ২. তৃণমূল স্তরে অবহেলা: গ্রাম ও মফস্বলের প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা আজও সঠিক পরিকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের অভাবে অঙ্কুরেই ঝরে যাচ্ছে। ৩. আর্থিক সুরক্ষা: ঘরোয়া ফুটবলারদের আর্থিক নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্য পরিকাঠামো এখনও বিশ্বমানের থেকে যোজন যোজন দূরে।
ক্রীড়া বিশ্লেষকরা ঝিঙ্গানের এই অবস্থানকে 'বাস্তবসম্মত' বলে বর্ণনা করেছেন। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, "আমরা ফুটবলের গ্ল্যামারকে ভালোবাসি, কিন্তু খেলাটাকে নয়।" মেসির মতো তারকাকে একবার দেখা হয়তো লক্ষ লক্ষ মানুষের স্বপ্নপূরণ, কিন্তু সেই টাকা দিয়ে দেশের প্রতিটি রাজ্যে অন্তত একটি আধুনিক ফুটবল একাডেমি তৈরি করা সম্ভব ছিল।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝিঙ্গানের মন্তব্য ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। বহু সমর্থক লিখেছেন, "সন্দেশ ঠিকই বলেছেন, বিদেশি তারকার সেলফি তোলার ভিড়ে আমাদের নিজেদের ফুটবলাররা হারিয়ে যাচ্ছে।" আবার একাংশের মতে, মেসির মতো আইকন ভারতে এলে ছোটদের মধ্যে ফুটবলার হওয়ার অনুপ্রেরণা বাড়ে, যা পরোক্ষভাবে ফুটবলের উন্নতিতে সাহায্য করে।
সন্দেশ ঝিঙ্গানের এই মন্তব্য শুধুই সমালোচনা নয়, বরং ভারতীয় ফুটবলের বর্তমান 'রক্তহীন' অবস্থার বিরুদ্ধে এক অভিজ্ঞ যোদ্ধার আর্তনাদ। লিওনেল মেসির সফর ভারতীয় ফুটবলে সাময়িক আলো আনতে পারে, কিন্তু সেই আলো যদি অন্ধকারাচ্ছন্ন ঘরোয়া পরিকাঠামোকে উজ্জ্বল না করে, তবে তা হবে কেবলই অর্থের অপচয়। ঝিঙ্গানের এই প্রতিবাদ কি এআইএফএফ (AIFF) বা ক্রীড়া মন্ত্রকের টনক নড়াতে পারবে? এই প্রশ্নই এখন গোটা ভারতীয় ক্রীড়ামহলে ঘুরপাক খাচ্ছে।
ভারতীয় ফুটবলের বাস্তব চিত্র নিয়ে আবারও সরব হলেন জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার সন্দেশ ঝিঙ্গান। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসির ভারত সফর ঘিরে কোটি কোটি টাকা খরচ হওয়ার খবর সামনে আসতেই তিনি প্রশ্ন তুলেছেন—যেখানে দেশের ফুটবল কাঠামো এখনও দুর্বল, সেখানে এমন প্রদর্শনীমূলক সফরে এত বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় কতটা যুক্তিসঙ্গত? তাঁর এই মন্তব্য ইতিমধ্যেই ক্রীড়া মহলে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
সন্দেশ ঝিঙ্গান দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত। আই-লিগ, আইএসএল থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক ম্যাচ—সব স্তরেই তিনি দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ভারতীয় ফুটবলে প্রতিভার অভাব নেই, অভাব রয়েছে পরিকল্পিত ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের।
তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, “একজন বিশ্বতারকার সফরে কোটি কোটি টাকা খরচ করা হলে সাময়িক উন্মাদনা তৈরি হয়। স্টেডিয়াম ভরে যায়, সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা হয়। কিন্তু সেই উত্তেজনা কয়েক দিনের বেশি স্থায়ী হয় না। অথচ সেই একই অর্থ যদি যুব উন্নয়ন, ফুটবল একাডেমি, কোচিং অবকাঠামো বা ঘরোয়া লিগের মানোন্নয়নে ব্যয় করা হতো, তাহলে তার সুফল বহু বছর ধরে পাওয়া যেত।”
লিওনেল মেসির মতো বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলারের ভারত সফর নিঃসন্দেহে এক ঐতিহাসিক ঘটনা। লক্ষ লক্ষ ফুটবলপ্রেমীর কাছে এটি ছিল স্বপ্নপূরণের মতো। কিন্তু ঝিঙ্গানের মতে, এই ধরনের সফরের সঙ্গে ভারতীয় ফুটবলের বাস্তব উন্নয়নের কোনও সরাসরি যোগ নেই।
তিনি মনে করেন, বিদেশি তারকাদের এনে প্রদর্শনী ম্যাচ বা অনুষ্ঠান আয়োজন মূলত গ্ল্যামার ও বিপণন নির্ভর। এতে স্পনসর ও আয়োজকদের লাভ হলেও, দেশের ফুটবলারদের দক্ষতা উন্নয়ন বা পরিকাঠামোগত অগ্রগতিতে তেমন প্রভাব পড়ে না।
ঝিঙ্গানের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে নতুন করে সামনে এসেছে ভারতীয় ফুটবলের একাধিক পুরনো সমস্যা। আজও দেশের বহু রাজ্যে পর্যাপ্ত অনুশীলন মাঠ নেই। গ্রাম ও মফস্বলের প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা সঠিক সুযোগ ও প্রশিক্ষণের অভাবে হারিয়ে যায়।
এছাড়াও রয়েছে—
মানসম্মত কোচের অভাব
যুব লিগগুলির অনিয়মিত পরিচালনা
আর্থিক অনিশ্চয়তার কারণে বহু ক্লাবের অস্তিত্ব সংকট
খেলোয়াড়দের পর্যাপ্ত ম্যাচ খেলার সুযোগ না পাওয়া
ঝিঙ্গানের মতে, এই সমস্যাগুলির সমাধান না করলে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতীয় ফুটবলকে প্রতিযোগিতামূলক করে তোলা অসম্ভব।
সন্দেশ ঝিঙ্গানের মন্তব্যের পর বহু প্রাক্তন ফুটবলার ও ক্রীড়া বিশ্লেষক তাঁর বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন। তাঁদের মতে, ঝিঙ্গান যে প্রশ্ন তুলেছেন, তা নতুন নয়—বরং বহু বছর ধরেই ফুটবল মহলে এই আলোচনা চলছে।
অনেকে বলেছেন, “ভারতীয় ফুটবলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে বড় নাম নয়, বড় পরিকল্পনা দরকার।” অর্থাৎ, তারকা নির্ভর ইভেন্টের বদলে তৃণমূল স্তরে বিনিয়োগই হওয়া উচিত অগ্রাধিকার।
ঝিঙ্গানের মন্তব্য প্রশাসনিক স্তরেও প্রশ্ন তুলেছে। কেন এখনও ফুটবল ফেডারেশন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ বাস্তবায়নে ব্যর্থ? কেন একাডেমি ও কোচিং ব্যবস্থার মান দেশের সর্বত্র সমান নয়?
অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, প্রদর্শনীমূলক ইভেন্টের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক নজর কাড়ার চেষ্টা করা হলেও, দেশের ভিত শক্ত না হলে সেই নজরের কোনও বাস্তব ফল পাওয়া যায় না।
ঝিঙ্গানের মতে, বিনিয়োগের অভাব নয়, বরং সমস্যাটি হলো বিনিয়োগের দিকনির্দেশ। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী—
প্রতিটি রাজ্যে অন্তত একটি মানসম্মত ফুটবল একাডেমি গড়ে তোলা
স্কুল ও কলেজ স্তরে নিয়মিত লিগ চালু করা
কোচদের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ দেওয়া
খেলোয়াড়দের জন্য আর্থিক সুরক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিকাঠামো তৈরি করা
এই উদ্যোগগুলি গ্রহণ করলে ভারতীয় ফুটবল দীর্ঘমেয়াদে অনেকটাই উপকৃত হবে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝিঙ্গানের মন্তব্য ঘিরে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। অনেক সমর্থক তাঁর সাহসী বক্তব্যের প্রশংসা করেছেন। তাঁদের মতে, একজন সক্রিয় আন্তর্জাতিক ফুটবলারের মুখ থেকে এমন স্পষ্ট কথা আসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অনেকে আবার প্রশ্ন তুলেছেন—মেসির সফরের জন্য যদি এত বড় বাজেট বরাদ্দ করা যায়, তাহলে কেন ঘরোয়া লিগের বহু ক্লাব এখনও আর্থিক সমস্যায় ভোগে?
ঝিঙ্গানের এই মন্তব্য হয়তো কোনও নীতিগত পরিবর্তন আনবে না অবিলম্বে, কিন্তু এটি নিঃসন্দেহে একটি প্রয়োজনীয় বিতর্ক শুরু করেছে। ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ গড়তে হলে আবেগ ও গ্ল্যামারের বাইরে বেরিয়ে বাস্তব উন্নয়নের দিকে নজর দিতে হবে—এই বার্তাই স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই যদি সঠিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা যায়, তাহলে আগামী এক দশকের মধ্যে ভারতীয় ফুটবল এশিয়ার মধ্যম স্তরের শক্তিতে পরিণত হতে পারে।
সন্দেশ ঝিঙ্গানের মন্তব্য শুধুই সমালোচনা নয়, বরং এক অভিজ্ঞ ফুটবলারের হৃদয় থেকে উঠে আসা বাস্তব অভিজ্ঞতার প্রতিফলন। মেসির মতো তারকার সফর ভারতীয় ফুটবলে আলো আনতে পারে ঠিকই, কিন্তু সেই আলো যদি ভিত মজবুত না করে, তাহলে তা ক্ষণস্থায়ী হয়ে যাবে।
ভারতীয় ফুটবলের প্রকৃত উন্নতির জন্য প্রয়োজন পরিকল্পিত বিনিয়োগ, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি। ঝিঙ্গানের কণ্ঠে সেই দাবিই নতুন করে জোরালো হয়ে উঠেছে—আর সেই দাবির প্রতিধ্বনি এখন ছড়িয়ে পড়ছে গোটা ক্রীড়া মহলে।