Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

নিউ টাউন ইকো পার্কে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ১২৫ ফুট মূর্তির ভূমিপূজন, উপস্থিত অমিত শাহ

নিউ টাউন ইকো পার্কে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ১২৫ ফুট মূর্তির ভূমিপূজন ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন আলোচনা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

নিউ টাউন ইকো পার্কে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ১২৫ ফুট মূর্তির ভূমিপূজন ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ১২৫তম জন্মবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে কলকাতায় একাধিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়, আর সেই আবহেই ইকো পার্কে প্রস্তাবিত ১২৫ ফুট উঁচু মূর্তির ভূমিপূজন বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, যা এই কর্মসূচিকে আরও রাজনৈতিক তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে। সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই মূর্তিটি নিউ টাউনের ইকো পার্কে তৈরি হওয়ার কথা এবং এটি ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর স্মৃতিকে সামনে রেখে একটি বড় স্মারক প্রকল্প হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী ভারতীয় রাজনীতির এমন এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, যাঁর নাম স্বাধীনতা-পরবর্তী ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি ছিলেন শিক্ষাবিদ, সাংসদ, চিন্তাবিদ এবং ভারতীয় জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা ব্যক্তিত্বদের অন্যতম। কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকও তাঁর ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দুই বছরব্যাপী দেশজুড়ে স্মরণ কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেছিল। কলকাতার মিলন মেলা প্রাঙ্গণেও তাঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজনের কথা জানানো হয়েছিল, যেখানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল।

এই ভূমিপূজনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসছে। একদিকে এটি শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ঐতিহাসিক অবদানকে সম্মান জানানোর কর্মসূচি হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে, অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগকে ঘিরে নতুন আলোচনা তৈরি হয়েছে। বাংলার মাটিতে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর স্মৃতি ও রাজনৈতিক উত্তরাধিকার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক, আবেগ এবং মতাদর্শগত আলোচনা রয়েছে। সেই জায়গা থেকে নিউ টাউনের মতো গুরুত্বপূর্ণ শহুরে পরিসরে তাঁর ১২৫ ফুট মূর্তি নির্মাণের উদ্যোগকে শুধুমাত্র একটি স্মারক নির্মাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে না; বরং এটি রাজ্যের রাজনৈতিক বার্তা, ঐতিহাসিক স্মৃতি এবং মতাদর্শগত অবস্থানের সঙ্গেও যুক্ত হয়ে উঠছে।

ইকো পার্ক কলকাতা তথা নিউ টাউনের অন্যতম পরিচিত স্থান। পর্যটন, বিনোদন এবং শহুরে সৌন্দর্যায়নের দিক থেকে এই পার্কের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। সেই ইকো পার্কেই ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ১২৫ ফুট মূর্তি তৈরির উদ্যোগ স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে। ১২৫ ফুট উচ্চতার মূর্তি নির্মাণের পরিকল্পনা তাঁর ১২৫তম জন্মবার্ষিকীর প্রতীকী স্মারক হিসেবেও ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। এই উচ্চতা কেবল স্থাপত্যগত দিক থেকেই বড় নয়, রাজনৈতিক প্রতীক হিসেবেও তা গুরুত্বপূর্ণ।

অমিত শাহের উপস্থিতি এই কর্মসূচিকে জাতীয় স্তরেও আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তাঁর কলকাতা সফর সবসময়ই রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বিজেপির অবস্থান, সংগঠনগত প্রস্তুতি এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ভাবধারাকে সামনে রেখে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন বার্তা দেওয়ার বিষয়টি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের নজরে রয়েছে। অমিত শাহ এর আগেও বিভিন্ন সময়ে পশ্চিমবঙ্গে এসে সাংগঠনিক এবং রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। তবে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর জন্মবার্ষিকীর দিনে তাঁর এই উপস্থিতি আলাদা গুরুত্ব বহন করে।

ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর জীবন ও রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে মতভেদ থাকলেও, ভারতীয় রাজনীতিতে তাঁর ভূমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই। তিনি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন এবং শিক্ষা ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে অল্প বয়সেই নিজের পরিচিতি গড়ে তোলেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক, শিক্ষাবিদ হিসেবে তাঁর ভূমিকা এবং পরে জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর উত্থান তাঁকে বাংলার ইতিহাসেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে পরিণত করেছে। ঐতিহাসিক সূত্রে জানা যায়, তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

এই মূর্তি নির্মাণের উদ্যোগকে সমর্থনকারীদের দাবি, বাংলার মাটিতে জন্ম নেওয়া এমন এক ব্যক্তিত্বকে যথাযথ সম্মান দেওয়া দরকার, যিনি স্বাধীনতা-পরবর্তী ভারতের রাজনৈতিক ভাবনার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন। তাঁদের বক্তব্য, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ভাবনা, দেশপ্রেম এবং রাজনৈতিক দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য এই ধরনের স্মারক গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে বিরোধী রাজনৈতিক পরিসরে অনেকেই এই উদ্যোগকে রাজনৈতিক প্রতীকী বার্তা হিসেবেও দেখছেন। তাঁদের মতে, স্মারক নির্মাণের সঙ্গে সঙ্গে এর রাজনৈতিক প্রভাব এবং সময় নির্বাচনও আলোচনার বিষয়।

রাজ্য রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই ভূমিপূজন আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গে রাজনীতি দীর্ঘদিন ধরেই মতাদর্শ, পরিচয়, ইতিহাস এবং সাংস্কৃতিক স্মৃতির উপর দাঁড়িয়ে বহুস্তরীয় বিতর্কের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে। শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর মতো ব্যক্তিত্বকে ঘিরে তাই শুধু একটি মূর্তি বা স্মারক নিয়ে আলোচনা হয় না, বরং তাঁর রাজনৈতিক উত্তরাধিকার নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়। বিজেপি শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীকে নিজের আদর্শিক ভিত্তির অন্যতম প্রধান মুখ হিসেবে তুলে ধরে। ফলে তাঁর ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কলকাতায় এমন বড় মাপের কর্মসূচি রাজ্য রাজনীতিতে বিজেপির বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

এই কর্মসূচির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল বাংলার সঙ্গে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর সরাসরি সংযোগ। তিনি শুধু জাতীয় রাজনীতির চরিত্র ছিলেন না, তিনি বাংলারই সন্তান। তাই তাঁর স্মৃতিকে ঘিরে কলকাতায় এমন একটি বড় স্মারক নির্মাণের পরিকল্পনা আবেগের দিক থেকেও গুরুত্ব বহন করে। বিশেষ করে যারা তাঁকে বাংলার রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক ঐতিহ্যের অংশ বলে মনে করেন, তাঁদের কাছে এই উদ্যোগ একটি গর্বের বিষয়। আবার যারা তাঁর রাজনীতির সঙ্গে একমত নন, তাঁদের কাছেও এটি বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠতে পারে। এই দ্বিমুখী প্রতিক্রিয়াই প্রমাণ করে, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী এখনও রাজনীতির আলোচনায় প্রাসঙ্গিক।

news image
আরও খবর

নিউ টাউনের ইকো পার্কে এই মূর্তি তৈরি হলে তা ভবিষ্যতে একটি নতুন দর্শনীয় স্থান হিসেবেও উঠে আসতে পারে। কলকাতায় ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব, স্বাধীনতা সংগ্রামী ও সমাজসংস্কারকদের স্মৃতিচিহ্ন রয়েছে। সেই তালিকায় শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ১২৫ ফুট মূর্তি যুক্ত হলে তা পর্যটন, ইতিহাসচর্চা এবং রাজনৈতিক স্মৃতির এক নতুন কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। তবে এর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্নও থাকছে—এই প্রকল্পের নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ, স্থাপত্য পরিকল্পনা এবং জনসাধারণের প্রবেশাধিকার কীভাবে নির্ধারিত হবে।

রাজনৈতিকভাবে এই কর্মসূচির প্রভাবও কম নয়। অমিত শাহের উপস্থিতিতে ভূমিপূজন হওয়ায় বিজেপি সমর্থক মহলে উচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছে। তাঁদের মতে, এটি বাংলার ইতিহাসে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর যথাযথ মর্যাদা প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। অন্যদিকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করছেন, ২০২৬ সালের রাজ্য রাজনীতির প্রেক্ষাপটে এই ধরনের কর্মসূচি সাংগঠনিক বার্তাও বহন করে। কারণ বাংলার রাজনীতিতে প্রতীক, স্মৃতি এবং ব্যক্তিত্বের গুরুত্ব সবসময়ই প্রবল। রবীন্দ্রনাথ, নেতাজি, বিদ্যাসাগর, বিবেকানন্দ থেকে শুরু করে শ্যামাপ্রসাদ—প্রতিটি নামই রাজনীতির বিভিন্ন শিবিরে ভিন্ন ভিন্ন অর্থ বহন করে।

এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজেপি সম্ভবত বাংলায় নিজের আদর্শিক অবস্থান আরও দৃঢ়ভাবে সামনে আনতে চাইছে। শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীকে সামনে রেখে দলীয়ভাবে জাতীয়তাবাদ, সাংস্কৃতিক পরিচয় এবং ঐতিহাসিক অবদানের কথা তুলে ধরা হতে পারে। একই সঙ্গে বাংলার মাটিতে জন্ম নেওয়া একজন জাতীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে ঘিরে জনমত তৈরি করার চেষ্টা দেখা যেতে পারে। তবে সাধারণ মানুষের কাছে এই উদ্যোগ কতটা গ্রহণযোগ্য হবে, তা সময়ই বলবে।

ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্রীয় স্তরে যে স্মরণ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, তা শুধু একটি দিনের অনুষ্ঠান নয়। কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক জানিয়েছে, তাঁর জন্মবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে দুই বছরব্যাপী দেশজুড়ে স্মরণ কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য তাঁর রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষাগত এবং জাতীয় জীবনে অবদানকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা।

ভূমিপূজনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতিও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতির কারণে স্বাভাবিকভাবেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা কড়া করা হয়। নিউ টাউন, ইকো পার্ক ও আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক কর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ মানুষের আগ্রহও চোখে পড়ার মতো ছিল। বড় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সফর মানেই শহরের যান চলাচল, নিরাপত্তা এবং জনসমাগমের বিষয়গুলি গুরুত্ব পায়। সেই দিক থেকেও এই কর্মসূচি প্রশাসনিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

এই পুরো ঘটনা রাজ্য রাজনীতিতে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে মূলত তিনটি কারণে। প্রথমত, এটি বাংলার একজন ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে ঘিরে বড় স্মারক নির্মাণের উদ্যোগ। দ্বিতীয়ত, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতি এই অনুষ্ঠানকে জাতীয় রাজনৈতিক গুরুত্ব দিয়েছে। তৃতীয়ত, পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজনৈতিক আবহে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর নাম নিজেই এক বড় মতাদর্শগত প্রতীক। ফলে ভূমিপূজনের ঘটনা শুধুমাত্র সাংস্কৃতিক বা স্মারক উদ্যোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; তা রাজ্য রাজনীতির বৃহত্তর আলোচনার অংশ হয়ে উঠেছে।

তবে এই ধরনের স্মারক প্রকল্পকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ একে ঐতিহাসিক সম্মান হিসেবে দেখেন, কেউ আবার উন্নয়ন, নাগরিক পরিষেবা এবং জনস্বার্থের প্রাধান্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বড় মূর্তি বা স্মারক নির্মাণের ক্ষেত্রে সবসময়ই অর্থব্যয়, প্রয়োজনীয়তা এবং ব্যবহারিক গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়। তাই ইকো পার্কে ১২৫ ফুট মূর্তি নির্মাণের উদ্যোগও ভবিষ্যতে আরও নানা প্রশ্ন ও আলোচনার জন্ম দিতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলায় স্মৃতি-রাজনীতি বা memory politics সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। কোন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বকে কীভাবে স্মরণ করা হবে, কোন স্থানে তাঁর মূর্তি হবে, কোন নামে প্রতিষ্ঠান হবে—এসবই রাজনীতির ভাষা তৈরি করে। শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ১২৫ ফুট মূর্তি তাই শুধু ব্রোঞ্জ, পাথর বা নির্মাণ সামগ্রীর বিষয় নয়; এটি এক ধরনের রাজনৈতিক বার্তা, যা সমর্থক এবং বিরোধী—দুই পক্ষের মধ্যেই আলোচনা তৈরি করবে।

 

Preview image