অসুস্থতার খবরের মাঝেই নতুন ঠিকানায় পা রাখলেন আরবাজ় খান মুম্বইয়ের যোগেশ্বরী এলাকায় ২.৭৮ কোটি টাকায় নতুন বাড়ি কিনলেন তিনি পরিবারের টালমাটাল সময়েও সম্পত্তি বৃদ্ধিতে নজর কাড়লেন খান পরিবারের সদস্য।
বলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী চিত্রনাট্যকার সেলিম খান অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি—খবরটি প্রকাশ্যে আসতেই উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে গোটা ইন্ডাস্ট্রিতে। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জেরে তাঁকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে জানা যায়, রক্তক্ষরণের পরিমাণ খুবই সামান্য এবং আপাতত অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়নি। তবুও বয়সজনিত কারণ ও শারীরিক ঝুঁকি বিবেচনায় তাঁকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে খান পরিবারের আবেগঘন সময়ের মধ্যেই সামনে এল আর এক খবর—সেলিম খানের কনিষ্ঠ পুত্র আরবাজ় খান মুম্বইয়ের যোগেশ্বরী এলাকায় ২.৭৮ কোটি টাকায় নতুন ফ্ল্যাট কিনেছেন। পারিবারিক টালমাটাল পরিস্থিতির মাঝেও এই সম্পত্তি ক্রয় যেন এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করল খবরের শিরোনামে।
সেলিম খান শুধু একজন বাবা নন, তিনি বলিউডের ইতিহাসের এক উজ্জ্বল অধ্যায়। তাঁর এবং জাভেদ আখতারের যুগলবন্দি ভারতীয় বাণিজ্যিক সিনেমায় নতুন ধারা এনেছিল। বয়সের ভারে ন্যুব্জ হলেও তিনি এখনও পরিবার ও ইন্ডাস্ট্রির কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধেয়।
গত মঙ্গলবার আচমকা শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিলে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানান—মস্তিষ্কে সামান্য রক্তক্ষরণ হয়েছে, তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। এই ‘সামান্য’ শব্দটিই আশার আলো দেখালেও, পরিবারের উদ্বেগ কমেনি।
খবর প্রকাশ্যে আসতেই হাসপাতালে ভিড় করেন বলিউডের প্রথম সারির তারকারা। উপস্থিত ছিলেন শাহরুখ খান, আমির খান, সলমন খান, এমনকি পরিবারের প্রাক্তন সদস্যা মলাইকা অরোরা। তাঁদের উপস্থিতি প্রমাণ করে—সেলিম খানের প্রভাব ও সম্মান কতটা গভীর।
এই আবেগঘন পরিস্থিতির মধ্যেই জানা গেল, আরবাজ় খান গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন ফ্ল্যাট কেনার সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। ২৭ তলা একটি বিলাসবহুল আবাসনে ১২৪৩ বর্গফুটের ফ্ল্যাটটি তাঁর নতুন ঠিকানা।
ফ্ল্যাটটির মূল্য ২.৭৮ কোটি টাকা। স্ট্যাম্প ডিউটি বাবদ ১৬ লক্ষ টাকা এবং রেজিস্ট্রেশন ফি হিসেবে ৩০ হাজার টাকা খরচ করেছেন তিনি। এছাড়া দু’টি পার্কিং স্পেসও রয়েছে এই সম্পত্তির সঙ্গে—যা মুম্বইয়ের মতো শহরে একটি বড় সুবিধা।
যোগেশ্বরী মুম্বইয়ের দ্রুত বিকাশমান আবাসিক অঞ্চলগুলির মধ্যে অন্যতম। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্কুল-হাসপাতাল-শপিং মলসহ পরিকাঠামো এবং তুলনামূলক শান্ত পরিবেশ—সব মিলিয়ে এটি এখন বহু সেলিব্রিটির পছন্দের এলাকা।
প্রশ্ন উঠতেই পারে—বাবা হাসপাতালে, পরিবার উদ্বেগে, এমন সময়েই কেন সম্পত্তি কেনা? তবে জানা যাচ্ছে, এই ক্রয় প্রক্রিয়া বহুদিন ধরেই চলছিল। মুম্বইয়ের রিয়েল এস্টেট বাজারে চুক্তি চূড়ান্ত করতে সময় লাগে। তাই অসুস্থতার সঙ্গে এই সিদ্ধান্তের সরাসরি সম্পর্ক নাও থাকতে পারে।
আরবাজ় খান বহু বছর ধরেই বিনিয়োগে সচেতন। চলচ্চিত্র প্রযোজনা ছাড়াও তিনি রিয়েল এস্টেটে আগ্রহী। অতীতে একাধিক সম্পত্তি কেনাবেচার খবরও প্রকাশ্যে এসেছে। ফলে নতুন ফ্ল্যাট কেনা তাঁর কাছে অস্বাভাবিক কিছু নয়।
আরবাজ় খানের ব্যক্তিগত জীবন গত কয়েক বছরে বেশ আলোচনায় ছিল। ২০১৭ সালে মলাইকা অরোরার সঙ্গে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদ হয়। দীর্ঘ বিবাহিত জীবনের পর সেই বিচ্ছেদ বলিউডে বড় খবর হয়ে উঠেছিল।
তারপর দীর্ঘ সময় তিনি একাই ছিলেন। ২০২৩ সালে রূপটানশিল্পী সুরা খানকে বিয়ে করেন। নতুন সম্পর্কে স্থিতি আসে তাঁর জীবনে। গত বছরের ৫ অক্টোবর দ্বিতীয়বার বাবা হন তিনি। কন্যাসন্তানের আগমনে পরিবারে আনন্দের স্রোত বয়ে যায়।
নতুন সন্তানের আগমন, নতুন দাম্পত্য জীবন—এই পর্বে বড় ও প্রশস্ত বাসস্থানের প্রয়োজন ছিলই। ১২৪৩ বর্গফুটের এই ফ্ল্যাট সেই প্রয়োজন মেটাতেই কেনা বলে মনে করা হচ্ছে।
একদিকে বাবার অসুস্থতা, অন্যদিকে নতুন সম্পত্তি—দুটি বিপরীত অনুভূতির সমাহার। সেলিম খান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, চিকিৎসকেরা আশ্বস্ত করলেও পরিবারের উদ্বেগ স্বাভাবিক।
এই পরিস্থিতিতে আরবাজ়ের সম্পত্তি কেনা কিছু মহলে প্রশ্ন তুললেও, ঘনিষ্ঠ সূত্র বলছে—পরিবারের আর্থিক পরিকল্পনা বা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত অসুস্থতার কারণে থেমে থাকে না। বরং কঠিন সময়েই মানুষ ভবিষ্যতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়।
হাসপাতালে সেলিম খানের খোঁজ নিতে আসা তারকাদের উপস্থিতি খান পরিবারের প্রতি ইন্ডাস্ট্রির সংহতির ছবি তুলে ধরে।
শাহরুখ খান ও সলমন খানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের কথা সকলেই জানেন। অতীতে সম্পর্কের টানাপোড়েন থাকলেও, এখন তাঁদের মধ্যে সুসম্পর্ক। এই পরিস্থিতিতে শাহরুখের উপস্থিতি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
আমির খানও বহুবার সেলিম খানের কাজের প্রশংসা করেছেন। তাঁর আগমন যেন সেই শ্রদ্ধারই বহিঃপ্রকাশ।
২.৭৮ কোটি টাকার ফ্ল্যাট—মুম্বইয়ের বাজারদরে এটি মাঝারি থেকে উচ্চমূল্যের সম্পত্তি।
আয়তন: ১২৪৩ বর্গফুট
তলা: ২৭ তলা আবাসন
পার্কিং: ২টি
স্ট্যাম্প ডিউটি: ১৬ লক্ষ টাকা
রেজিস্ট্রেশন ফি: ৩০ হাজার টাকা
এই পরিসংখ্যান দেখলেই বোঝা যায়—এটি পরিকল্পিত ও সুশৃঙ্খল বিনিয়োগ।
সামাজিক মাধ্যমে এই দুই খবর—অসুস্থতা ও নতুন বাড়ি—একসঙ্গে ভাইরাল হয়েছে। কেউ বলেছেন, কঠিন সময়েও জীবন থেমে থাকে না। আবার কেউ প্রশ্ন তুলেছেন—সময়টা কি ঠিক ছিল?
তবে অধিকাংশ মতেই আরবাজ়ের সিদ্ধান্তকে ব্যক্তিগত ও পেশাদার জীবনের স্বাভাবিক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
খান পরিবার এই মুহূর্তে আবেগের দোলাচলে। একদিকে হাসপাতালের শয্যায় সেলিম খান, অন্যদিকে নতুন বাড়ির চাবি হাতে আরবাজ় খান। জীবন কখনও কখনও একই সঙ্গে দুঃখ ও আশার গল্প লেখে।
সেলিম খানের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল—এটাই আপাতত স্বস্তির খবর। আর আরবাজ়ের নতুন বাড়ি যেন ভবিষ্যতের পরিকল্পনার প্রতীক।
অসুস্থতার অন্ধকারের মধ্যেও নতুন শুরুর আলো জ্বলে উঠেছে—এই দুই বিপরীত স্রোতই এখন খান পরিবারের গল্প।
সামাজিক মাধ্যমে এই দুই সমান্তরাল খবর—একদিকে সেলিম খান-এর অসুস্থতা, অন্যদিকে আরবাজ় খান-এর নতুন বাড়ি কেনা—প্রচণ্ডভাবে ভাইরাল হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম থেকে ফ্যান পেজ, টুইটার থ্রেড থেকে ইনস্টাগ্রাম রিল—সব জায়গাতেই চলছে আলোচনা।
অনেকেই বলেছেন, জীবন কখনও একরৈখিক নয়। দুঃখ-উদ্বেগের মাঝেও মানুষকে ভবিষ্যতের কথা ভাবতেই হয়। আরবাজ়ের নতুন ফ্ল্যাট কেনাকে তাঁরা দেখছেন জীবনের স্বাভাবিক গতিপথ হিসেবে—একজন পিতা, স্বামী ও পেশাদার মানুষের দায়িত্ববোধের অংশ হিসেবে। নতুন সন্তানের আগমন, পারিবারিক পরিসরের প্রসার—এসবই তো বড় বাসস্থানের প্রয়োজন তৈরি করে।
তবে সমালোচনাও কম হয়নি। কিছু নেটিজেন প্রশ্ন তুলেছেন—পারিবারিক সংকটের সময় কি এমন খবর সামনে আনা উচিত? সময়টা কি একটু অপেক্ষা করতে পারত না? আবার কেউ কেউ মনে করছেন, সংবাদমাধ্যমই দুই খবরকে পাশাপাশি রেখে আলোচনার আগুন জ্বালিয়েছে। ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকে অযথা বিতর্কের কেন্দ্রে টেনে আনা হয়েছে।
বাস্তবে দেখলে, সম্পত্তি কেনাবেচা দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। চুক্তি, আইনি যাচাই, আর্থিক লেনদেন—সব মিলিয়ে বহুদিনের প্রস্তুতির ফল। তাই এই ক্রয়ের সঙ্গে অসুস্থতার সরাসরি যোগ আছে—এমন ধারণা বাস্তবসম্মত নাও হতে পারে।
একাংশ আবার বিষয়টিকে খান পরিবারের আর্থিক স্থিতি ও পরিকল্পনার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন। বলিউডের প্রতিষ্ঠিত পরিবার হিসেবে তাঁদের বিনিয়োগ ও সম্পত্তি বৃদ্ধি নতুন কিছু নয়। বরং কঠিন সময়েই ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার মানসিকতা অনেক পরিবারেই দেখা যায়।
এই মুহূর্তে খান পরিবার যেন সময়ের এক অদ্ভুত সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। একদিকে হাসপাতালের শয্যায় চিকিৎসাধীন সেলিম খান, অন্যদিকে নতুন বাড়ির চাবি হাতে তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র আরবাজ় খান। দুটি ছবি—দুটি ভিন্ন আবেগ—তবু একই পরিবারের গল্পে বাঁধা। জীবন যে কখনও একমাত্রিক নয়, বরং আলো-অন্ধকারের সহাবস্থান—এই ঘটনাপ্রবাহ যেন তারই বাস্তব উদাহরণ।
সেলিম খানের শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল—চিকিৎসকদের এই আশ্বাস খান পরিবার এবং অনুরাগীদের জন্য বড় স্বস্তি। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি শুধু অসংখ্য স্মরণীয় চিত্রনাট্য উপহার দেননি, বলিউডের সাংস্কৃতিক অভিঘাতও গড়ে তুলেছেন। ফলে তাঁর অসুস্থতার খবর স্বাভাবিকভাবেই আবেগ ছড়িয়ে দিয়েছে ইন্ডাস্ট্রিজুড়ে। হাসপাতালের করিডরে সহকর্মী ও বন্ধুদের উপস্থিতি প্রমাণ করে—তিনি শুধু পরিবারের নন, বৃহত্তর চলচ্চিত্র পরিবারেরও একজন অভিভাবকস্বরূপ।
এই আবেগঘন পরিস্থিতির মাঝেই সামনে এসেছে আরবাজ়ের নতুন ফ্ল্যাট কেনার খবর। অনেকের কাছে এটি বিস্ময়ের, কারও কাছে সময়োপযোগী, আবার কারও কাছে বিতর্কিত। তবে ঘটনাদুটিকে একসঙ্গে বিচার করতে গেলে বাস্তবতার দিকে তাকানো জরুরি। সম্পত্তি ক্রয় কোনো তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নয়; দীর্ঘ পরিকল্পনা, আর্থিক মূল্যায়ন, আইনি প্রক্রিয়া—সব মিলিয়ে এটি সময়সাপেক্ষ পদক্ষেপ। ফলে পারিবারিক সংকটের সঙ্গে এর সরাসরি যোগ টানা যুক্তিযুক্ত নাও হতে পারে।
সামাজিক মাধ্যমে দুই খবর একসঙ্গে ভাইরাল হওয়ায় আলোচনার ঝড় ওঠা স্বাভাবিক। সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম, ফ্যান পেজের পোস্ট, টুইটার থ্রেড, ইনস্টাগ্রাম রিল—সব জায়গায় একই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে: “সময়টা কি ঠিক ছিল?” কেউ বলছেন, কঠিন সময়েও জীবন থেমে থাকে না; বরং দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়। একজন পিতা হিসেবে নতুন সন্তানের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করা, পরিবারের জন্য প্রশস্ত বাসস্থানের ব্যবস্থা করা—এসবই তো দায়িত্ববোধের অংশ।
আবার অন্য একটি অংশের মত, এমন পরিস্থিতিতে নতুন সম্পত্তির খবর সামনে এলে তা সংবেদনশীলতার প্রশ্ন তোলে। তাঁদের মতে, পারিবারিক উদ্বেগের মুহূর্তে এই ধরনের ঘোষণা হয়তো অপেক্ষা করতে পারত। তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল—খবরের উপস্থাপন। সংবাদমাধ্যম যখন দুটি ভিন্ন আবেগের ঘটনাকে পাশাপাশি রাখে, তখন স্বাভাবিকভাবেই একটি নাটকীয়তা তৈরি হয়। বাস্তব জীবনে যা হয়তো সমান্তরাল প্রক্রিয়া, তা সংবাদভাষ্যে পরস্পর-সম্পর্কিত বলে মনে হতে পারে।
আরবাজ় খানের জীবনের সাম্প্রতিক অধ্যায়ও এখানে প্রাসঙ্গিক। বিবাহবিচ্ছেদের পর দীর্ঘ সময় একা থাকা, পরবর্তীতে নতুন সম্পর্কে স্থিতি পাওয়া, আবার পিতৃত্বের স্বাদ—এই পরিবর্তনগুলি তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে বড় প্রভাব ফেলেছে। নতুন সন্তানের আগমন মানেই বাড়তি দায়িত্ব, বাড়তি পরিকল্পনা। একটি প্রশস্ত ও সুরক্ষিত বাসস্থান সেই পরিকল্পনারই অংশ হতে পারে। ফলে নতুন ফ্ল্যাট কেনাকে অনেকেই দেখছেন ভবিষ্যৎকেন্দ্রিক চিন্তার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে।
খান পরিবার বরাবরই বলিউডের প্রতিষ্ঠিত ও আর্থিকভাবে সচ্ছল পরিবারগুলির একটি। বিনিয়োগ ও সম্পত্তি বৃদ্ধির খবর তাঁদের ক্ষেত্রে নতুন নয়। বরং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা ও ভবিষ্যতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা—এই প্রবণতা বহু সেলিব্রিটি পরিবারেই দেখা যায়। কঠিন সময় মানুষকে আরও বাস্তববাদী করে তোলে—এই মনস্তত্ত্বও অস্বীকার করা যায় না। কখনও কখনও ব্যক্তিগত সংকটই মানুষকে ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও সচেতন করে তোলে।
সব মিলিয়ে, খান পরিবারের বর্তমান পরিস্থিতি যেন এক দ্বৈত আবেগের প্রতিচ্ছবি। একদিকে হাসপাতালের নীরবতা, উদ্বেগ, প্রার্থনা; অন্যদিকে নতুন ঠিকানার পরিকল্পনা, সংসারের স্বপ্ন, আগামীর প্রস্তুতি। এই দুই স্রোত বিরোধী নয়—বরং একই জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
সেলিম খানের সুস্থতার আশাই এখন সবার প্রথম কামনা। আরবাজ়ের নতুন বাড়ি হয়তো সেই আশারই আর এক প্রতীক—একটি পরিবার যে দুঃসময় পেরিয়েও এগিয়ে যেতে চায়, ভবিষ্যৎ গড়তে চায়।
জীবন শেষ পর্যন্ত চলমান। দুঃখের ছায়া যত গভীরই হোক, আলো খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা থামে না। খান পরিবারের গল্পও আজ সেই চিরন্তন সত্যেরই পুনরাবৃত্তি—অসুস্থতার অন্ধকারের মাঝেও নতুন শুরুর সম্ভাবনা, উদ্বেগের ভিতরেও আগামী দিনের স্বপ্ন।