হলুদ আসলে কোনো ফল বা পাতার অংশ নয়—এটি গাছের শিকড়! শুকিয়ে গুঁড়ো করে প্যাকেটজাত আকারে আমরা যেটা রান্নায় ব্যবহার করি, সেটিই পরিচিত হলুদ মসলা হিসেবে। তবে এখন বেশিরভাগ বাজারেই সহজে পাওয়া যায় তাজা কাঁচা হলুদ, যার গুণাগুণ আরও বেশি।
হলুদ জল, হলুদ দুধ কিংবা হলুদের চা — এই সবই আজকাল পুষ্টিবিদদের পরামর্শের তালিকায় জায়গা পাচ্ছে। যুগ যুগ ধরে ভারতীয় রান্নার অপরিহার্য এই মশলাটি শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না, শরীরেরও নানা উপকার করে। গাছের শিকড় থেকে পাওয়া এই মসলা শুকিয়ে গুঁড়ো আকারে বাজারে বিক্রি হয়, তবে কাঁচা হলুদের গুণও কম নয়। আয়ুর্বেদ মতে, সকালে খালি পেটে এক টুকরো কাঁচা হলুদ চিবিয়ে খেলে শরীরের সার্বিক উন্নতি হয়।
১ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
শীতের সময় সর্দি-কাশি ও সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। হলুদের অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিভাইরাল গুণ শরীরকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে তোলে।
২️ হজমশক্তি উন্নতি
শীতকালে অনেকেরই হজমে সমস্যা দেখা দেয়। খালি পেটে কাঁচা হলুদ খেলে হজম এনজাইম সক্রিয় হয়, অ্যাসিডিটি, পেট ফাঁপা ও বদহজমের সমস্যা কমে।
৩️ প্রদাহ ও ব্যথা উপশম
হলুদের কারকিউমিন যৌগটি প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি। এটি গাঁটের ব্যথা, বাতের সমস্যা, ঠান্ডাজনিত গলা ব্যথা ও কাশির উপশমে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
৪️ ত্বকের যত্নে
শীতকালে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। হলুদের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ডিটক্সিফাইং গুণ ত্বককে উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে।
৫️ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে
হলুদ শরীরে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। এটি কোষের ক্ষতি রোধ করে এবং শরীরকে ভেতর থেকে সুস্থ রাখে।