বলিউডে তারকারা শুধুমাত্র অভিনয় বা সিনেমার জন্য নয়, তাদের ব্যক্তিগত সহকারী, ড্রাইভার, কুক এবং অন্যান্য স্টাফদের সঙ্গে সংযুক্ত একটি বৃহৎ এন্টুরেজ নিয়ে কাজ করেন। এই এন্টুরেজ শুটিং ও কাজের মান বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ হলেও ক্রমবর্ধমান খরচ প্রযোজক এবং শিল্পের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। তবে বড় তারকারা যেমন সালমান খান এবং আমির খান নিজেই তাদের ব্যক্তিগত স্টাফের খরচ বহন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন। সালমান খান তার শুটিং সেটে নিজস্ব ফুড ট্রাক নিয়ে আসেন, যা পুরো ক্রু এবং দলের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করে, এবং এটি তার চ্যারিটি ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত। একইভাবে, আমির খান তার ড্রাইভারের বেতন নিজের খরচ থেকে বহন করেন, প্রযোজককে অতিরিক্ত অর্থ দিতে বাধ্য না করে। কোরিওগ্রাফাররা বলছেন, এই ধরনের উদ্যোগ শিল্পে নৈতিকতা এবং দায়িত্বশীলতার নতুন ধারা সৃষ্টি করেছে। ক্রমবর্ধমান এন্টুরেজ‑ব্যয় কেবল আর্থিক চাপ নয়, বরং শুটিং সেটের সময় ব্যবস্থাপনা ও মানের ওপরও প্রভাব ফেলে। সালমান ও আমিরের মতো দৃষ্টান্ত অন্য তারকারাও অনুসরণ করতে শুরু করেছেন, যা বলিউডকে আরও দায়িত্বশীল এবং টেকসই শিল্প হিসেবে গড়ে তুলছে। এটি প্রমাণ করে যে শুধু ব্যক্তিগত খরচ নয়, দায়িত্ব এবং নৈতিকতার সঙ্গে পরিচালনাও শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
বলিউড, শুধু সিনেমা বা বিনোদনের কেন্দ্র নয়, বরং এটি একটি বৃহৎ অর্থনৈতিক ইকোসিস্টেম। এখানে শুধু অভিনেতা, পরিচালক বা প্রযোজক নয়, হাজার হাজার পেছনের কর্মী—ড্রাইভার, সহকারী, কুক, কোরিওগ্রাফার, মেকআপ আর্টিস্ট—সংযুক্ত থাকে। একটি ছবির শুটিং শুরু হোক বা প্রচারণার প্রস্তুতি, এই পেছনের দল (entourage) কাজের মান এবং সময়সূচি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু একটি নতুন চ্যালেঞ্জ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে: এন্টুরেজ‑ব্যয়, যা বড় তারকাদের ব্যক্তিগত খরচ থেকে শুরু করে প্রযোজকদের বাজেটকে প্রভাবিত করছে।বলিউডে তারকারা শুধুমাত্র সিনেমার জন্য নয়, বরং তাদের ব্যক্তিগত সহকারী, ড্রাইভার, কুক, স্টাইলিস্ট, মেকআপ আর্টিস্ট এবং অন্যান্য সহায়ক কর্মীদের নিয়ে একটি বৃহৎ এন্টুরেজের সঙ্গে কাজ করেন। এই এন্টুরেজ শুটিং এবং অন্যান্য কার্যক্রমের মান বজায় রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও ক্রমবর্ধমান খরচ প্রযোজক এবং শিল্পের ওপর চাপ তৈরি করছে। বিশেষ করে বড় তারকাদের ক্ষেত্রে এন্টুরেজের ব্যয় কোটি কোটি টাকার মধ্যে পৌঁছায়। তবে এই পরিস্থিতিতে কিছু তারকা দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন। সালমান খান তার শুটিং সেটে নিজের ফুড ট্রাক নিয়ে আসেন, যা তার দলের এবং পুরো শুটিং ক্রুর জন্য খাবারের ব্যবস্থা করে। এটি কেবল সুবিধা নয়, বরং শুটিং সেটে সময় এবং মান বজায় রাখতে সাহায্য করে। একইভাবে, আমির খান তার ড্রাইভারের বেতন নিজের খরচ থেকে বহন করেন, প্রযোজককে অতিরিক্ত অর্থ দিতে বাধ্য না করে। কোরিওগ্রাফাররা এবং শিল্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এই ধরনের পদক্ষেপ শুধু আর্থিক দায়িত্ব নয়, এটি শিল্পে নৈতিকতা এবং দায়িত্বশীলতার নতুন ধারা তৈরি করছে। ক্রমবর্ধমান এন্টুরেজ খরচ কেবল ব্যক্তিগত সুবিধার বিষয় নয়, এটি শুটিং সেটের সময় ব্যবস্থাপনা, মান এবং প্রযোজকের বাজেটের ওপরও প্রভাব ফেলে। অন্যদিকে, এই ধরণের উদ্যোগ অন্যান্য তারকার মধ্যেও অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করছে। নতুন প্রজন্মের অভিনেতারাও ধীরে ধীরে তাদের ব্যক্তিগত স্টাফের খরচ নিজেরাই বহন করতে শুরু করেছেন, যা শিল্পকে আরও দায়িত্বশীল এবং টেকসই করে তুলছে। এভাবে, বলিউডের এন্টুরেজ ব্যবস্থাপনা কেবল ব্যক্তিগত সুবিধার বিষয় নয়, বরং এটি একটি শিল্পগত দায়িত্ব, যা শৃঙ্খলা, নৈতিকতা এবং আর্থিক সচেতনতার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে। সালমান এবং আমিরের মতো তারকাদের দৃষ্টান্ত প্রমাণ করে যে বড় আয়ের তারকারাও তাদের ব্যক্তিগত খরচ নিয়ন্ত্রণ করে শিল্পে স্থায়ী ও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, যা বলিউডকে আরও দায়িত্বশীল এবং সুসংগঠিত একটি ইকোসিস্টেম হিসেবে গড়ে তুলছে।
“এন্টুরেজ” শব্দটি সাধারণত কোনো বিখ্যাত ব্যক্তির চারপাশের সহকর্মী, সহকারী ও সাপোর্ট স্টাফ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। বলিউডে এন্টুরেজের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকে:
ড্রাইভার ও নিরাপত্তা স্টাফ
পেশাদার সহকারী ও ম্যানেজার
কুক, ফুড সার্ভিস টিম, লাইভ কিচেন
স্টাইলিস্ট, মেকআপ আর্টিস্ট, হেয়ার ড্রেসার
কোরিওগ্রাফার, ফিটনেস ট্রেনার, ব্যায়াম ও ফিজিক্যাল কোচ
এই এন্টুরেজ শুধুমাত্র ব্যক্তিগত সুবিধা নয়, শুটিং ও কাজের সুষ্ঠু পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একজন অভিনেতার সময় সঠিকভাবে ব্যবহার করতে, শুটিং ফ্লোরে ব্যর্থতা এড়াতে এবং মান বজায় রাখতে এন্টুরেজ অপরিহার্য। তবে এন্টুরেজের সাথে যুক্ত খরচ প্রায়শই কোটি টাকার মধ্যে হয়ে যায়, বিশেষ করে বড় তারকাদের ক্ষেত্রে।
কোরিওগ্রাফারদের মতে, সালমান খান তার শুটিং সেটে নিজের ফুড ট্রাক নিয়ে আসেন। ট্রাকটি শুধু তার দলের জন্য নয়, পুরো ক্রু ও সহকর্মীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করে। এটি “Being Human” ব্র্যান্ডের একটি অংশ, যা তার চ্যারিটি উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত। কোরিওগ্রাফাররা উল্লেখ করেন, সালমানের এই উদ্যোগ শুধু সুবিধা নয়, এটি শুটিং সেটের ন্যূনতম অশান্তি রোধ করে এবং খরচকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
সালমানের উদাহরণ শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক দেখায়। অভিনেতা নিজেই খরচ বহন করে প্রযোজক বা স্টাফদের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেন না। এটি বলিউডে একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে যেখানে তারকারা শুধু ছবি নয়, অর্থনৈতিক ও সামাজিক দায়িত্বও বোঝেন।
আমির খান তার ড্রাইভারের বেতন নিজে বহন করেন। প্রযোজককে অতিরিক্ত অর্থ দিতে বাধ্য না করার মাধ্যমে তিনি দেখান যে বড় আয়ের তারকাদের উচিত তাদের ব্যক্তিগত স্টাফের খরচ নিজেরাই সামলানো। কোরিওগ্রাফারদের মতে, আমিরের এই পদক্ষেপ শিল্পে একটি নৈতিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
আমির বলেন, “যাঁরা কোটি কোটি উপার্জন করেন, তাদের উচিত তাদের নিজ‑স্টাফের ব্যয় নিজেই বহন করা।” এটি শুধু আর্থিক দায়িত্ব নয়, বরং শিল্পের মধ্যে শৃঙ্খলা এবং ন্যায্যতার উদাহরণ। এমন ধরণের দৃষ্টান্ত অন্যান্য তারকার মধ্যেও দেখা যায় যারা তাদের ব্যক্তিগত খরচ নিজেরাই বহন করতে শুরু করেছেন।
কোরিওগ্রাফাররা এবং শিল্প বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে এন্টুরেজ‑ব্যয় শুধুমাত্র ব্যক্তিগত সুবিধা নয়, এটি প্রযোজক ও ছবির বাজেটের জন্য একটি বড় চাপ। ক্রমবর্ধমান এন্টুরেজ খরচ অনেক সময় প্রযোজককে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে বাধ্য করে।
কোরিওগ্রাফাররা উল্লেখ করেন:
অনেক বড় তারকা এখন এন্টুরেজ খরচে বেশি সচেতন।
ব্যক্তিগত স্টাফের খরচ নিজেরাই বহন করলে প্রযোজকের বাজেট এবং ছবির মানের ওপর চাপ কমে।
শুটিং সেটে খাবার, পরিবহন এবং অন্যান্য সুবিধার জন্য সুসংগঠিত ব্যবস্থা থাকা জরুরি।
এছাড়া তারা বলেন যে নতুন প্রজন্মের তারকারাও ধীরে ধীরে এই নীতি অনুসরণ করছে, যা শিল্পকে আরও দায়িত্বশীল করে তুলছে।
বলিউডে এন্টুরেজ‑ব্যয় নিম্নরূপ বৃদ্ধি পাচ্ছে:
লাইভ কিচেন ও ফুড সার্ভিস: কিছু বড় তারকার শুটিং‑সেটের জন্য পুরো ফুড টিম থাকে।
লগিস্টিক খরচ: স্টাফদের বাসস্থান, পরিবহন ও নিরাপত্তা।
প্রফেশনাল সার্ভিস: মেকআপ আর্টিস্ট, ফিটনেস কোচ এবং স্টাইলিস্ট।
প্রচার ও মিডিয়া: সোশ্যাল মিডিয়া ও শুটিং প্রোমোশনের জন্য অতিরিক্ত স্টাফ।
এই খরচ প্রযোজক ও নির্মাতাদের জন্য একটি বড় চাপ। অনেক সময় ছবির প্রযোজককে শুধু স্টার পারিশ্রমিক নয়, এন্টুরেজ খরচও বহন করতে হয়। এটি শিল্পের অর্থনৈতিক কাঠামোতে নতুন চিন্তা উদ্রেক করেছে।
সালমান ও আমির খানের মতো তারকাদের দৃষ্টান্ত কেবল ব্যয়‑সংক্রান্ত নয়, সামাজিক ও নৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ।
সামাজিক দায়িত্ব: বড় আয়ের তারকাদের উচিত তাদের ব্যক্তিগত স্টাফের খরচ বহন করা।
প্রযোজকের চাপ কমানো: বাজেটের মধ্যে স্থায়িত্ব রাখা।
শিল্পে নৈতিক দৃষ্টান্ত: অন্যান্য তারকাও এন্টুরেজ‑ব্যয় নিয়ন্ত্রণে সচেতন হচ্ছে।
ক্রিয়েটিভ প্রভাব: সুসংগঠিত এন্টুরেজ শুটিং সেটে মান এবং সময়সূচি বজায় রাখে।
বর্তমানে বলিউডে নতুন কিছু প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে:
নিয়মিত বাজেট পরিকল্পনা: এন্টুরেজ‑ব্যয়কে প্রযোজক বাজেটের অংশ হিসেবে হিসাব করা।
স্টারদের ব্যক্তিগত খরচ নিয়ন্ত্রণ: সালমান ও আমিরের মতো উদ্যোগ।
দায়িত্বশীলতা ও স্বচ্ছতা: শুটিং সেটে সবাই বুঝতে পারে কে কি ব্যয় বহন করছে।
টেকসই শিল্প কাঠামো: নতুন প্রজন্মের তারকারা দায়িত্বশীল আচরণ অনুসরণ করছে।
বলিউডের এন্টুরেজ‑ব্যয় একটি বাস্তবতা। কিন্তু সালমান খান ও আমির খান প্রমাণ করেছেন, বড় আয়ের তারকারাও এই ব্যয় নিজেরাই সামলাতে পারেন। এটি শিল্পে একটি নতুন নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। কোরিওগ্রাফাররা এবং প্রযোজকরা মনে করেন, এ ধরনের পদক্ষেপ শিল্পকে আরও স্থায়ী, দায়িত্বশীল এবং ন্যায্য করে তুলবে।
এন্টুরেজ‑ব্যয় শুধুমাত্র একটি খরচ নয়, এটি শিল্পের আর্ন্তজাতিক মান, শৃঙ্খলা, সময় ব্যবস্থাপনা এবং নৈতিক দিকের প্রতিফলন। শুটিং‑ফ্লোরে সুসংগঠিত ব্যবস্থাপনা ও তারকাদের দায়িত্বশীল পদক্ষেপ শিল্পকে দীর্ঘমেয়াদে সমৃদ্ধ এবং টেকসই করবে।ক্রমবর্ধমান এন্টুরেজ‑ব্যয় কেবল আর্থিক চাপ নয়, বরং শুটিং সেটের সময় ব্যবস্থাপনা ও মানের ওপরও প্রভাব ফেলে। সালমান ও আমিরের মতো দৃষ্টান্ত অন্য তারকারাও অনুসরণ করতে শুরু করেছেন, যা বলিউডকে আরও দায়িত্বশীল এবং টেকসই শিল্প হিসেবে গড়ে তুলছে। এটি প্রমাণ করে যে শুধু ব্যক্তিগত খরচ নয়, দায়িত্ব এবং নৈতিকতার সঙ্গে পরিচালনাও শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।