ভারত থেকে চিনা সংস্থা ওয়ানপ্লাস পুরোপুরি ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে বলে সম্প্রতি খবর প্রকাশ করে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা, যা নিয়ে এ বার গণমাধ্যমের কাছে মুখ খুললেন স্মার্টফোন নির্মাণকারী কোম্পানিটির সিইও।স্মার্টফোনের বাজারে ইন্দ্রপতন? বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ওয়ানপ্লাস? সম্প্রতি এমনটাই দাবি করেছে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা। পাশাপাশি সমাজমাধ্যমেও ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়েছে এই খবর। কারও কারও আবার বক্তব্য, ভারত থেকে ধীরে ধীরে ব্যবসা গুটোচ্ছে সংশ্লিষ্ট চিনা বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম নির্মাণকারী সংস্থা। কিন্তু আসল সত্যিটা কী? এ বার তার হদিস দিল আনন্দবাজার ডট কম।
দীর্ঘ দিন ধরেই ওয়ানপ্লাসের ব্যবসায় চলছে ডামাডোল। স্মার্টফোনের ডিসপ্লেতে সবুজ রেখার (গ্রিন লাইন) সমস্যার জেরে চিনা সংস্থাটির ব্র্যান্ডের যথেষ্টই বদনাম হয়েছে। বর্তমানে সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। এ-হেন পরিস্থিতিতে ওয়ানপ্লাস মোবাইল ফোন উৎপাদনের কারখানা বন্ধ করছে বলে খবর প্রকাশ করে বেশ কিছু গণমাধ্যম। তাদের দাবি, কর্মীদের বাড়ি চলে যাওয়ার নোটিসও জারি করেছে ওই চিনা সংস্থা।
গণমাধ্যমে এই খবর প্রকাশিত হতেই ওয়ানপ্লাসের বাড়তে থাকে বিড়ম্বনা। শেষে বিতর্কে জল ঢালতে সামনে এসে বিবৃতি দেন খোদ সংস্থার চিফ একজ়িকিউটিভ অফিসার (সিইও) রবিন লিউ। এক্স হ্যান্ডলে (সাবেক টুইটার) করা একটি পোস্টে তিনি বলেন, ‘‘মোবাইল ফোনের দুনিয়া ত্যাগ করছে না ওয়ানপ্লাস। ভারতেও ব্যবসা বন্ধ করার কোনও প্রশ্ন নেই।’’ বরং নতুন কিছু মুঠোবন্দি ডিভাইস বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। সেগুলির মাধ্যমে নতুন করে বাজার কাঁপাতে চাইছে সংশ্লিষ্ট চিনা সংস্থা।
ওয়ানপ্লাসের সিইও-র এই মন্তব্যে বেজায় খুশি গ্যাজেট বিশ্লেষকেরা। তাঁদের দাবি, বর্তমানে ভারতের মোবাইল ফোনের বাজারে স্যামসাং এবং অ্যাপ্লের একাধিপত্য রয়েছে। এ ছাড়া বেশ কিছু দুর্দান্ত মডেল তৈরি করে গ্রাহকদের নজর কেড়েছে ভিভো, ওপো, রেডমি ও রিয়্যালমির মতো চিনা সংস্থা। সেখানে ওয়ানপ্লাস থাকলে বাড়বে প্রতিযোগিতা। তখন মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তদের কথা ভেবে সস্তায় আরও ভাল মডেল বাজারে আনার কথা চিন্তা করবে এই সমস্ত সংস্থা।গত বছরের (পড়ুন ২০২৫ সাল) ১৩ নভেম্বর ওয়ানপ্লাস-১৫ নামের একটি ফ্ল্যাগশিপ ফোন বাজারে আনে সংশ্লিষ্ট চিনা সংস্থা। ওই মুঠোবন্দি ডিভাইসটির প্রথম চিপটি প্রকৃতপক্ষে এর প্রসেসার। সেখানে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগনের ৮ এলিট জেন ৫ ব্যবহার করেছে নির্মাণকারীরা। একে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে সেরা প্রসেসার বললে অত্যুক্তি হবে না। ফ্ল্যাগশিপ ফোনে ওয়ানপ্লাস যে এই ধরনের চমক দেবে, তা আশা করেছিলেন গ্যাজেট বিশ্লেষকদের একাংশ।
গত বছরের (পড়ুন ২০২৫ সালের) ১৩ নভেম্বর স্মার্টফোন বাজারে নতুন আলোড়ন তোলে চিনা প্রযুক্তি সংস্থা ওয়ানপ্লাস। তারা আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ করে তাদের বহুল প্রতীক্ষিত ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইস ওয়ানপ্লাস-১৫। বাজারে আসার পর থেকেই এই ফোনটি প্রযুক্তিপ্রেমী, গেমার, কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং প্রিমিয়াম ব্যবহারকারীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। আর তার মূল কারণ—ফোনটির শক্তিশালী প্রসেসর।
এই ডিভাইসের “প্রথম চিপ” অর্থাৎ প্রধান প্রসেসর হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮ এলিট জেন ৫। প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সময়ের অ্যান্ড্রয়েড ইকোসিস্টেমে এটিই অন্যতম শক্তিশালী মোবাইল প্রসেসর। একে “সবচেয়ে সেরা” বলা অতিরঞ্জন হবে না—এমন মতও দিয়েছেন অনেক বিশেষজ্ঞ।
একটি স্মার্টফোনের প্রকৃত ক্ষমতা নির্ধারণ করে তার প্রসেসর বা SoC (System on Chip)। প্রসেসরই নিয়ন্ত্রণ করে—
অ্যাপ লোডিং স্পিড
মাল্টিটাস্কিং
গেমিং পারফরম্যান্স
ক্যামেরা প্রসেসিং
AI ফিচার
ব্যাটারি অপ্টিমাইজেশন
ফ্ল্যাগশিপ ফোনের ক্ষেত্রে প্রসেসর শুধু পারফরম্যান্স নয়, ব্র্যান্ডের মর্যাদার সঙ্গেও জড়িত।
কোয়ালকমের এই চিপসেটটি তৈরি হয়েছে উন্নত ন্যানোমিটার আর্কিটেকচারে (ধরা যাক ৩nm ক্লাস প্রসেসে), যা আগের জেনারেশনের তুলনায়—
বেশি শক্তিশালী
কম বিদ্যুৎখেকো
কম তাপ উৎপন্নকারী
নতুন Kryo আর্কিটেকচারভিত্তিক কোর ডিজাইনে—
হাই-পারফরম্যান্স কোর
ব্যালান্সড কোর
পাওয়ার-এফিশিয়েন্ট কোর
—এর সমন্বয় করা হয়েছে, যাতে ভারী কাজেও ল্যাগ না হয়।
Adreno-র নতুন জেনারেশন GPU যুক্ত হওয়ায়—
4K/8K ভিডিও রেন্ডারিং
রিয়েল-টাইম রে-ট্রেসিং
হাই FPS গেমিং
—আরও মসৃণ হয়েছে।
ওয়ানপ্লাস-১৫ মূলত হাই-এন্ড গেমারদেরও লক্ষ্য করে তৈরি।
BGMI / COD Mobile / Genshin Impact — Ultra settings
120Hz–144Hz ফ্রেম রেট সাপোর্ট
হিট ম্যানেজমেন্ট অপ্টিমাইজেশন
লো ল্যাটেন্সি টাচ রেসপন্স
গেমিং চলাকালীন ফ্রেম ড্রপ কম হওয়াই এই চিপের বড় সাফল্য।
নতুন Snapdragon AI Engine যুক্ত হওয়ায়—
রিয়েল-টাইম ট্রান্সলেশন
ভয়েস কমান্ড প্রসেসিং
AI ফটো এনহ্যান্সমেন্ট
ব্যাটারি ইউজেজ প্রেডিকশন
—সবকিছু দ্রুত ও স্মার্ট হয়েছে।
এমনকি অন-ডিভাইস AI প্রসেসিংয়ের ফলে ক্লাউড নির্ভরতা কমেছে।
ফ্ল্যাগশিপ ফোনে ক্যামেরা শুধু লেন্স নয়—ISP (Image Signal Processor) বড় ভূমিকা নেয়।
এই চিপে উন্নত ISP থাকার ফলে—
নাইট ফটোগ্রাফি উন্নত
HDR ব্যালান্স ভালো
8K ভিডিও স্টেবিলাইজেশন
AI পোর্ট্রেট প্রসেসিং
—আরও নিখুঁত হয়েছে।
হাই-পারফরম্যান্স চিপের বড় সমস্যা—হিটিং।
কিন্তু জেন ৫-এ—
উন্নত থার্মাল অ্যালগরিদম
ভেপার চেম্বার সাপোর্ট
ডাইনামিক ক্লক স্কেলিং
—ফোনকে কুল রাখে।
ফলে দীর্ঘক্ষণ গেমিং/এডিটিংয়েও পারফরম্যান্স ড্রপ কম।
নতুন মডেম যুক্ত হওয়ায়—
মাল্টি-গিগাবিট 5G স্পিড
Wi-Fi 7 সাপোর্ট
লো ল্যাটেন্সি ক্লাউড গেমিং
স্টেবল ভিডিও কল
—নেটওয়ার্ক অভিজ্ঞতা উন্নত হয়েছে।
হার্ডওয়্যার শক্তিশালী হলেই যথেষ্ট নয়—সফটওয়্যার টিউনিং দরকার।
OxygenOS-এর মাধ্যমে ওয়ানপ্লাস দিয়েছে—
স্মুথ অ্যানিমেশন
ল্যাগ-ফ্রি UI
RAM ম্যানেজমেন্ট
গেম মোড অপ্টিমাইজেশন
ফলে চিপের পূর্ণ ক্ষমতা ব্যবহার সম্ভব।
ফ্ল্যাগশিপ মানে শুধু স্পিড নয়—লুকও গুরুত্বপূর্ণ।
সম্ভাব্য ফিচার:
কার্ভড AMOLED ডিসপ্লে
120Hz+ রিফ্রেশ রেট
Gorilla Glass প্রোটেকশন
অ্যালুমিনিয়াম/টাইটানিয়াম ফ্রেম
হাই-এন্ড প্রসেসর থাকলেও পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট জরুরি।
ওয়ানপ্লাস-১৫ এ থাকতে পারে—
5000mAh+ ব্যাটারি
100W+ ফাস্ট চার্জ
ওয়্যারলেস চার্জিং
রিভার্স চার্জিং
এই ফোন সরাসরি প্রতিযোগিতা করে—
Samsung Galaxy S সিরিজ
iQOO flagship
Xiaomi Ultra series
Vivo X series
প্রসেসর শক্তির দিক থেকে ওয়ানপ্লাস বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়েছে।
অনেক বিশ্লেষক আগেই অনুমান করেছিলেন—
“ওয়ানপ্লাস ফ্ল্যাগশিপে বড় চমক দেবে।”
কারণ:
ব্র্যান্ডের প্রিমিয়াম ইমেজ
পারফরম্যান্স-ফোকাসড লিগ্যাসি
গেমিং কমিউনিটি সাপোর্ট
সেই প্রত্যাশা অনেকটাই পূরণ করেছে এই চিপ নির্বাচন।
এই ফোন সবচেয়ে উপযোগী—
হাই-এন্ড গেমার
ভিডিও এডিটর
কনটেন্ট ক্রিয়েটর
টেক এnthusiast
প্রিমিয়াম ইউজার
ডেইলি ইউজারও ব্যবহার করতে পারবেন, তবে পুরো ক্ষমতা কাজে লাগাতে পারফরম্যান্স ইউজ দরকার।
ফ্ল্যাগশিপ ফোনের দাম বেশি হওয়াই স্বাভাবিক।
তবে ভ্যালু নির্ভর করে—
প্রসেসর
ক্যামেরা
বিল্ড
সফটওয়্যার সাপোর্ট
রিসেল ভ্যালু
ওয়ানপ্লাস সাধারণত “ফ্ল্যাগশিপ কিলার” ইমেজ ধরে রাখতে চায়।
প্রিমিয়াম প্রসেসরের আরেক সুবিধা—
দীর্ঘদিন ফাস্ট পারফরম্যান্স
ভবিষ্যৎ অ্যান্ড্রয়েড আপডেট সাপোর্ট
AI ফিচার স্কেলিং
ফলে ফোন ৩–৪ বছর স্মুথ থাকে।
ভারত ওয়ানপ্লাসের অন্যতম বড় বাজার।
এই ফোনের মাধ্যমে—
প্রিমিয়াম সেগমেন্টে প্রতিযোগিতা বাড়বে
গেমিং ফোন মার্কেট বাড়বে
Snapdragon dominance বজায় থাকবে
ওয়ানপ্লাস-১৫ শুধু আরেকটি ফ্ল্যাগশিপ ফোন নয়—এটি প্রযুক্তিগত ক্ষমতার এক প্রদর্শনী। Snapdragon 8 Elite Gen 5 চিপ ব্যবহার করে ওয়ানপ্লাস দেখিয়ে দিয়েছে, তারা এখনও পারফরম্যান্স রেসে শীর্ষে থাকতে চায়।
করোনা-পরবর্তী ডিজিটাল লাইফস্টাইল, গেমিং বুম, AI-চালিত ইউজ—সবকিছুর সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই ফোন ভবিষ্যৎমুখী অভিজ্ঞতা দিতে সক্ষম।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের ভাষায়—
“ফ্ল্যাগশিপ মানে শুধু দাম নয়, শক্তি—আর সেই শক্তির কেন্দ্রে থাকে প্রসেসর।”
ওয়ানপ্লাস-১৫ সেই শক্তিরই এক নতুন সংজ্ঞা তৈরি করেছে।
চাইলে আমি এটাকে—
500 শব্দে শর্ট নিউজ
ইউটিউব স্ক্রিপ্ট
রিভিউ ফরম্যাট
বাংলা + ইংরেজি মিক্স
—করেও দিতে পারি ?
কাগজে-কলমে শক্তিশালী প্রসেসর দেখালেই যে বাস্তব ব্যবহারে একইরকম অভিজ্ঞতা পাওয়া যাবে—তা সবসময় হয় না। তবে স্ন্যাপড্রাগন ৮ এলিট জেন ৫-এর ক্ষেত্রে বাস্তব ব্যবহারেও পারফরম্যান্স জাম্প স্পষ্ট বলে মনে করছেন প্রাথমিক রিভিউকারীরা। বিশেষ করে অ্যাপ সুইচিং, হেভি মাল্টিটাস্কিং এবং ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস ম্যানেজমেন্টে ফোনটি অত্যন্ত স্থিতিশীল পারফরম্যান্স দিতে সক্ষম।
ধরা যাক, একজন ব্যবহারকারী একই সঙ্গে—
4K ভিডিও এডিট করছেন
ব্যাকগ্রাউন্ডে ক্লাউড ব্যাকআপ চলছে
পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়া লাইভ স্ট্রিম করছেন
এই ধরনের ভারী কাজেও ফোন ল্যাগ বা ফ্রিজ না হওয়াই ফ্ল্যাগশিপ চিপের বড় প্রমাণ। জেন ৫-এর উন্নত CPU-GPU সিঙ্ক্রোনাইজেশন এই মাল্টিলেয়ার প্রসেসিংকে আরও মসৃণ করেছে।
ফ্ল্যাগশিপ প্রসেসরের একটি বড় সুবিধা হলো “ফিউচার প্রুফিং”। অর্থাৎ, আগামী দিনে যে অ্যাপ, গেম, AI টুল বা সফটওয়্যার আপডেট আসবে—সেগুলো চালানোর মতো ক্ষমতা আগে থেকেই ডিভাইসে থাকে।
Snapdragon 8 Elite Gen 5-এ উন্নত Neural Processing Unit (NPU) যুক্ত হওয়ায়—
জেনারেটিভ AI টুল
অন-ডিভাইস ভিডিও আপস্কেলিং
স্মার্ট এডিটিং
ভয়েস ক্লোনিং প্রসেসিং
—এই ধরনের ফিচার ভবিষ্যতে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যাবে।
নতুন জেনারেশনের চিপে সিকিউরিটিও বড় ফ্যাক্টর। এতে যুক্ত হয়েছে—
হার্ডওয়্যার-লেভেল এনক্রিপশন
সিকিউর বায়োমেট্রিক প্রসেসিং
অন-ডিভাইস ডাটা আইসোলেশন
ফলে ব্যাংকিং, ডিজিটাল পেমেন্ট, অফিসিয়াল ডাটা ব্যবহারে নিরাপত্তা বাড়ে।
শুধু গেমিং বা ক্যামেরা নয়, কর্পোরেট ও প্রোডাক্টিভিটি ইউজারদের জন্যও এই চিপ গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ:
মোবাইল অফিস সুইট
রিমোট ডেস্কটপ
CAD ভিউয়ার
মাল্টি-উইন্ডো টাস্কিং
ল্যাপটপের বিকল্প হিসেবে স্মার্টফোন ব্যবহারের ট্রেন্ড বাড়ছে—এই চিপ সেই অভিজ্ঞতাকে শক্তিশালী করে।
ওয়ানপ্লাস এখন শুধু ফোন নয়—একটি ইকোসিস্টেম তৈরি করছে।
যেমন—
ট্যাবলেট কানেক্টিভিটি
ইয়ারবাডস লো-ল্যাটেন্সি সিঙ্ক
স্মার্টওয়াচ ডাটা ইন্টিগ্রেশন
স্ক্রিন মিররিং
শক্তিশালী প্রসেসর থাকায় এই ডিভাইস-টু-ডিভাইস কমিউনিকেশন আরও দ্রুত ও স্মুথ হয়।
ওয়ানপ্লাস বরাবরই “পারফরম্যান্স ব্র্যান্ড” হিসেবে নিজেদের তুলে ধরেছে। এই ফোনের মাধ্যমে তারা আবারও সেই বার্তাই দিল—
“আমরা স্পিড ও পাওয়ারে আপস করি না।”
ফলে যারা iOS থেকে অ্যান্ড্রয়েডে বা অন্য ব্র্যান্ড থেকে আপগ্রেড করতে চাইছেন, তাদের জন্য এটি বড় আকর্ষণ হতে পারে।
সব মিলিয়ে, ওয়ানপ্লাস-১৫-এ স্ন্যাপড্রাগন ৮ এলিট জেন ৫-এর ব্যবহার শুধুমাত্র একটি স্পেসিফিকেশন আপগ্রেড নয়—এটি ফ্ল্যাগশিপ পারফরম্যান্সের এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে। গেমিং, AI, ক্যামেরা, কানেক্টিভিটি, সিকিউরিটি—সব ক্ষেত্রেই এই চিপ ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
স্মার্টফোন এখন আর শুধু যোগাযোগের যন্ত্র নয়—এটি পকেটের ভিতর একটি সুপারকম্পিউটার। আর সেই সুপারকম্পিউটারের হৃদয় যদি শক্তিশালী হয়, তবে ব্যবহার অভিজ্ঞতাও হয়ে ওঠে অসাধারণ। ওয়ানপ্লাস-১৫ ঠিক সেই দিকেই এক বড় পদক্ষেপ।