গত ডিসেম্বরে Lionel Messi-কে কলকাতায় এনে ব্যাপক চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছিলেন শতদ্রু দত্ত। কিন্তু সেই আয়োজন ঘিরে বিতর্কের জেরে শেষ পর্যন্ত হাজতবাসও করতে হয়েছিল তাঁকে। সরকার বদলের মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই এবার বিস্ফোরক সুরে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী Aroop Biswas-কে তীব্র আক্রমণ করলেন শতদ্রু। তাঁর দাবি, সঠিক সহযোগিতা পেলে শুধু মেসিই নয়, ভবিষ্যতে Cristiano Ronaldo-কেও কলকাতায় আনা সম্ভব।
মেসিকে কলকাতায় এনে ‘গোট’ থেকে ‘স্কেপগোট’! বিস্ফোরক শতদ্রু দত্তের মুখে সেই বিতর্কিত রাতের অজানা গল্প
গত ডিসেম্বরে লিয়োনেল মেসিকে কলকাতায় এনে তুমুল বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন শতদ্রু দত্ত। হাজতবাস থেকে রাজনৈতিক চাপ, নিরাপত্তা ভাঙন থেকে অরূপ বিশ্বাসকে আক্রমণ—আনন্দবাজার ডট কম-এ বিস্ফোরক সাক্ষাৎকারে উঠে এল একাধিক চাঞ্চল্যকর দাবি।
Lionel Messi Kolkata, Shatadru Dutta, Messi Goat Tour, Kolkata Football, Messi India Visit, Rodrigo De Paul, Aroop Biswas, Football Event Controversy, Kolkata Sports News, Messi Security Controversy, Shah Rukh Khan, Sourav Ganguly, Mamata Banerjee, Argentine Football, Football Legends in Kolkata
খেলা
#Messi #LionelMessi #Kolkata #Football #ShatadruDutta #GoatTour #CristianoRonaldo #Maradona #Pele #Ronaldinho #SportsNews #KolkataFootball #Argentina #IndianFootball
হোয়াট্সঅ্যাপ ডিপিতে তিনি নিজেই মধ্যমণি। চারপাশে সাজানো ফুটবল বিশ্বের কিংবদন্তিরা। ডিয়েগো মারাদোনা, পেলে, রোনাল্ডিনহো, কাফু, রিভাল্ডো, জিকো, কার্লোস ভালদেরামা—একাধিক বিশ্বখ্যাত ফুটবলারকে তিনি কোনও না কোনও সময়ে কলকাতায় এনেছেন। সেই তালিকায় শেষ সংযোজন লিয়োনেল মেসি।
কিন্তু এই ‘স্বপ্নপূরণ’-এর পরিণতি যে এমন হবে, তা বোধহয় কল্পনাও করেননি শতদ্রু দত্ত। গত ডিসেম্বরে আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী অধিনায়ককে কলকাতায় এনে রাতারাতি আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছিলেন তিনি। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই স্বপ্ন ভেঙে যায় বিতর্ক, বিশৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ভাঙন এবং প্রশাসনিক চাপে। শেষ পর্যন্ত হাজতবাসও করতে হয়েছিল তাঁকে।
সরকার পরিবর্তনের পর ফের সামনে এসেছেন শতদ্রু। পাঁচ মাস ধরে জমে থাকা ক্ষোভ, অপমান, আতঙ্ক এবং অভিযোগ এবার প্রকাশ্যে আনলেন তিনি। আনন্দবাজার ডট কম-এ দেওয়া দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে তিনি তুলে ধরলেন সেই রাতের একাধিক অজানা তথ্য। তাঁর দাবি, পুরো আয়োজন ভেস্তে গিয়েছিল কিছু ‘অননুমোদিত’ মানুষের জন্য, যাঁরা মাঠে ঢুকে পড়েছিলেন। একই সঙ্গে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন তিনি।
এই সাক্ষাৎকার শুধু একটি বিতর্কিত ইভেন্টের নেপথ্য কাহিনি নয়। এটি বাংলার ফুটবল সংস্কৃতি, রাজনৈতিক প্রভাব, প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতা এবং আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া ইভেন্ট আয়োজনের বাস্তব চিত্রও তুলে ধরে।
শতদ্রু দত্তের কথায়, সমস্যার শুরু হয় মাঠে প্রবেশের মুহূর্ত থেকেই। পরিকল্পনা অনুযায়ী সব কিছু এগোলেও হঠাৎই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে থাকে।
তিনি বলেন,
“মেসিকে নিয়ে মাঠে ঢুকেই লক্ষ করলাম, সেখানে অনেক মানুষ রয়েছেন, যাঁদের থাকার কথা ছিল না। সংখ্যাটা অন্তত ১০০ থেকে ১২০ জন। তাঁদের কাছে মাঠে ঢোকার কোনও কার্ডও ছিল না। কিন্তু তাঁরা মেসিকে ঘিরে ধরে ছবি তুলতে শুরু করেন।”
এই পরিস্থিতি যে অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠছিল, তা কয়েক মিনিটের মধ্যেই বুঝতে পারেন তিনি। বিশেষ করে, যখন একজন ব্যক্তি সেলফি তুলতে গিয়ে আর্জেন্টিনার তারকা মিডফিল্ডার রদ্রিগো ডি পলকে ধাক্কা দেন।
“মেসি অত্যন্ত বিরক্ত হয়েছিলেন। ওঁর ম্যানেজার বারবার জিজ্ঞাসা করছিলেন, তালিকার বাইরে থাকা মানুষ কী ভাবে মাঠে ঢুকছে?”—দাবি শতদ্রুর।
তিনি আরও জানান, মেসির নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরের কঠোর নিয়ম ছিল। মেসির প্রায় এক বিলিয়ন ডলারের বিমা কভারেজ ছিল বলে দাবি তাঁর। ফলে কোনও ধরনের দুর্ঘটনা শুধু ব্যক্তিগত নয়, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক এবং আর্থিক সমস্যাও তৈরি করতে পারত।
শতদ্রুর মতে, এই অনুষ্ঠানকে অনেকেই শুধুমাত্র একটি সেলিব্রিটি ইভেন্ট হিসেবে দেখছিলেন। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি ছিল অনেক বেশি সংবেদনশীল।
তিনি বলেন,
“ভাবুন, মাঠে যদি মেসির কিছু হত, সেটা জাতীয় লজ্জা হত। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ভারতকে নিয়ে প্রশ্ন উঠত। এত বড় তারকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হত।”
শতদ্রুর বক্তব্য অনুযায়ী, আর্জেন্টিনা দলের সদস্যরা পরিস্থিতি দেখে দ্রুত অস্বস্তিতে পড়ে যান। শেষ পর্যন্ত মেসির টিম সিদ্ধান্ত নেয়, তাঁরা আর মাঠে থাকবেন না।
“মেসি এমন দমবন্ধ করা পরিবেশ একেবারেই পছন্দ করেন না”—বলেছেন তিনি।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলির একটি হল—ঠিক কত জনের মাঠে থাকার অনুমতি ছিল?
শতদ্রু দত্ত জানিয়েছেন, পুলিশের সঙ্গে আগেই একটি নির্দিষ্ট ‘শো ফ্লো’ তৈরি করা হয়েছিল। সেই তালিকা অনুযায়ী খুব সীমিত সংখ্যক মানুষের মাঠে থাকার কথা ছিল।
তিনি বলেন,
“করমর্দনের জন্য কয়েক জন তরুণ ফুটবলারের থাকার কথা ছিল। পতাকা হাতে ছোট ফুটবল অ্যাক্টিভিটি করার জন্য কিছু শিশুকে রাখা হয়েছিল। তার পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শাহরুখ খান, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, আমি নিজে এবং দু’জন পিআর প্রতিনিধির থাকার কথা ছিল।”
কিন্তু বাস্তবে সেই তালিকা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। তাঁর অভিযোগ, বহু অননুমোদিত ব্যক্তি মাঠে ঢুকে পড়েন এবং নিরাপত্তা বলয় কার্যত ভেঙে যায়।
শতদ্রুর দাবি, পরিস্থিতি বুঝেই তিনি বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
“আমি প্রথমেই বলি—স্যর, এঁরা এখানে কী ভাবে এলেন? এঁদের তো অনুমতিই দেওয়া হয়নি!”
তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পুলিশও তখন হঠাৎ তৈরি হওয়া ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছিল। আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা বজায় রাখতে যে ধরনের নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন, তা সেই মুহূর্তে আর সম্ভব হচ্ছিল না।
অনেকের মতে, এই ঘটনাই পরবর্তীকালে পুরো ইভেন্টকে বিতর্কের কেন্দ্রে নিয়ে আসে। কারণ প্রশ্ন উঠতে শুরু করে—নিরাপত্তা পরিকল্পনায় গাফিলতি হয়েছিল কি না।
সবচেয়ে আলোচিত মন্তব্যগুলির একটি করেছেন শতদ্রু নিজেই। তিনি বলেন,
“আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী অধিনায়ককে কলকাতায় ‘গোট ট্যুর’-এ এনে নিজেই স্কেপগোট হয়ে গিয়েছি।”
এই একটি বাক্যেই যেন ধরা পড়েছে তাঁর ক্ষোভ এবং হতাশা। যে মানুষটি বহু বছর ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবল তারকাদের কলকাতায় এনে শহরের ফুটবলপ্রেমীদের স্বপ্ন পূরণ করেছেন, তিনিই শেষ পর্যন্ত বিতর্কের মুখ হয়ে উঠলেন।
তাঁর মতে, পুরো ঘটনায় তাঁকে একা দায়ী করা হয়েছে। অথচ পরিকল্পনা, নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক সমন্বয়ের সঙ্গে একাধিক সংস্থা ও ব্যক্তি যুক্ত ছিলেন।
এই বিতর্কের পর যে পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছিল, তা নিয়েও মুখ খুলেছেন শতদ্রু।
তিনি জানান, জীবনে কোনও দিন ভাবেননি যে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ইভেন্ট আয়োজন করতে গিয়ে তাঁকে হাজতে রাত কাটাতে হবে।
“যে শহরের জন্য এত কিছু করেছি, সেই শহরেই আমাকে অপরাধীর মতো দেখা হল”—অভিমান ঝরে পড়েছে তাঁর গলায়।
শতদ্রুর মতে, প্রশাসনিক ব্যর্থতার দায় তাঁর উপর চাপানো হয়েছিল। যদিও তিনি বারবার দাবি করেছেন, ইভেন্টের মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী সব কিছুই সাজানো ছিল। সমস্যা তৈরি হয় শেষ মুহূর্তে অননুমোদিত প্রবেশের কারণে।
সরকার পরিবর্তনের পর শতদ্রুর সুর আরও আক্রমণাত্মক হয়েছে। বিশেষ করে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন তিনি।
তাঁর দাবি, পর্যাপ্ত সহযোগিতা পেলে আরও বড় মাপের আন্তর্জাতিক ইভেন্ট আয়োজন সম্ভব ছিল। এমনকি ভবিষ্যতে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোকেও কলকাতায় আনার ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
“রোনাল্ডো আসবেই, মেসিকেও আবার আনা যাবে—শুধু সিস্টেমটা বদলাতে হবে”—এমন মন্তব্যও করেছেন তিনি।
রাজনৈতিক মহলের মতে, এই মন্তব্যের মধ্যে শুধু ব্যক্তিগত ক্ষোভ নয়, বাংলার ক্রীড়া প্রশাসনের ভিতরকার দ্বন্দ্বও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
কলকাতার সঙ্গে ফুটবলের সম্পর্ক বহু পুরনো। এই শহরে ফুটবল শুধু খেলা নয়, সংস্কৃতি। মারাদোনা থেকে মেসি—প্রতিটি প্রজন্মের তারকার সঙ্গে আবেগের যোগ রয়েছে বাঙালির।
সেই কারণেই মেসির কলকাতা সফর ঘিরে উত্তেজনা ছিল আকাশছোঁয়া। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে হোটেল, স্টেডিয়াম—সব জায়গাতেই ছিল উপচে পড়া ভিড়।
কিন্তু সেই আবেগই কখনও কখনও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক তারকাদের নিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে আবেগের পাশাপাশি পেশাদারিত্বও জরুরি।
বিশ্বমানের তারকাদের নিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজন করতে গেলে কয়েকটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে—
এই প্রতিটি ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক প্রোটোকল মানা বাধ্যতামূলক। সামান্য ভুলও বড় বিতর্কের কারণ হতে পারে।
মেসির সফরের ঘটনা সেই বাস্তবতাকেই সামনে এনে দিয়েছে।
শতদ্রুর বক্তব্য অনুযায়ী, পুরো অনুষ্ঠানে একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের উপস্থিতির পরিকল্পনা ছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শাহরুখ খান এবং সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নামও তিনি উল্লেখ করেছেন।
এতেই বোঝা যায়, অনুষ্ঠানটি কত বড় পরিসরে ভাবা হয়েছিল। শুধু ফুটবল নয়, বিনোদন এবং রাজনীতির জগতের সঙ্গেও এই ইভেন্টের সংযোগ ছিল।
তবে এত বড় মাপের আয়োজনের ক্ষেত্রেই সমন্বয়ের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। আর সেখানেই যে বড় ফাঁক থেকে গিয়েছিল, তা এখন স্পষ্ট বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
শতদ্রুর সাক্ষাৎকারে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অংশগুলির একটি হল—মেসির বিরক্তির প্রসঙ্গ।
কারণ আন্তর্জাতিক তারকাদের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত স্বস্তি এবং নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁরা কোথায় যাবেন, কার সঙ্গে দেখা করবেন, কতক্ষণ থাকবেন—সব কিছু নির্দিষ্ট প্রোটোকল অনুযায়ী হয়।
যদি কোনও তারকা মনে করেন তাঁর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে, তা হলে সঙ্গে সঙ্গে পরিকল্পনা বদলে দেওয়া হয়। মেসির টিমও সম্ভবত সেই কারণেই দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়।
এই সাক্ষাৎকার প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কেউ শতদ্রুর পাশে দাঁড়িয়েছেন, কেউ আবার তাঁকেই দায়ী করেছেন।
একাংশের মতে, এত বড় ইভেন্ট আয়োজন করতে গেলে আরও কড়া নিরাপত্তা দরকার ছিল। অন্যদিকে, অনেকে মনে করছেন, পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার জন্য রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দায়ী।
ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যেও মতভেদ স্পষ্ট। কেউ বলছেন, অন্তত মেসিকে কলকাতায় আনার সাহস দেখিয়েছিলেন শতদ্রু। আবার কেউ প্রশ্ন তুলছেন, প্রস্তুতি যদি যথেষ্ট না থাকে, তা হলে এমন অনুষ্ঠান আয়োজন করা উচিত কি না।
সব বিতর্কের মাঝেও সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—ভবিষ্যতে আবার কি কলকাতায় আসবেন লিয়োনেল মেসি?
শতদ্রুর বক্তব্য শুনে মনে হচ্ছে, তিনি এখনও আশা ছাড়েননি। বরং আরও ভালো পরিকল্পনা এবং উন্নত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আবারও আন্তর্জাতিক তারকাদের আনার স্বপ্ন দেখছেন।
তাঁর দাবি, কলকাতার ফুটবল আবেগ বিশ্বের অন্যতম সেরা। সঠিক পরিকাঠামো এবং প্রশাসনিক সহযোগিতা পেলে এই শহরে আরও বড় মাপের ফুটবল ইভেন্ট আয়োজন সম্ভব।
সাক্ষাৎকারে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর নামও উঠে এসেছে। যদিও বিষয়টি এখনও পরিকল্পনার স্তরেই রয়েছে, তবু শতদ্রুর বক্তব্য নতুন করে চর্চা শুরু করেছে।
ফুটবলবিশ্বের দুই মহাতারকা—মেসি এবং রোনাল্ডো—কে ঘিরে বাঙালির আবেগ নতুন কিছু নয়। তাই ভবিষ্যতে যদি সত্যিই রোনাল্ডো কলকাতায় আসেন, তা হলে সেটিও ঐতিহাসিক মুহূর্ত হবে বলেই মনে করছেন ফুটবলপ্রেমীরা।
মেসি বিতর্কের পরে সবচেয়ে বড় যে প্রশ্ন উঠে এসেছে, তা হল—আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া ইভেন্ট আয়োজনের জন্য কলকাতা কতটা প্রস্তুত?
পরিকাঠামো থাকা সত্ত্বেও সমন্বয়, নিরাপত্তা এবং পেশাদারিত্বের ঘাটতি বারবার সামনে আসছে বলে অভিযোগ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতে এ ধরনের ইভেন্ট সফল করতে গেলে কয়েকটি বিষয়ে জোর দেওয়া জরুরি—