Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

আগামি সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলায় থাকছে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস কলকাতা

দক্ষিণবঙ্গে শীতের আমেজ কমে দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে থাকছে এবং আগামী তিন দিনে কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলায় তাপমাত্রা আরও বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস

আগামি সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলায় থাকছে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস কলকাতা
Weather Update

দক্ষিণবঙ্গে ধীরে ধীরে শীতের আমেজ কমতে শুরু করেছে। সকালের ঠান্ডা অনুভূত হলেও দিনের বেলায় রোদের তেজ বাড়ছে এবং তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেশি থাকছে। আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী সাম্প্রতিক দিনে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে অবস্থান করছে। এর ফলে শীতের অনুভূতি অনেকটাই কমে এসেছে।

গতকাল কলকাতায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ৩০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেশি। এই তাপমাত্রা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে বসন্তের আবহাওয়া ধীরে ধীরে জাঁকিয়ে বসছে। রাতের দিকে ঠান্ডা থাকলেও সেই তীব্রতা আর আগের মতো নেই। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এখন স্বাভাবিকের আশেপাশেই ঘোরাফেরা করছে।

আজ কলকাতা শহরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের তুলনায় সামান্য কম হলেও সামগ্রিকভাবে আবহাওয়ার চরিত্র বদলের ইঙ্গিত স্পষ্ট। হাওয়া অফিস জানিয়েছে আগামী কয়েক দিনে এই সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও ধীরে ধীরে বাড়বে।

আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী তিন দিনে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। বিশেষ করে রাতের তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা বেশি। রবিবারের মধ্যে কলকাতা এবং সংলগ্ন অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ থেকে ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে পৌঁছতে পারে। এর ফলে রাতের শীত আরও কম অনুভূত হবে।

উপকূল সংলগ্ন জেলাগুলিতে তাপমাত্রা তুলনামূলকভাবে কিছুটা বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সব এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯ থেকে ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। সমুদ্রের প্রভাবের কারণে এখানে শীতের তীব্রতা সাধারণত কম থাকে এবং এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না।

অন্যদিকে পশ্চিমের জেলাগুলিতে এখনও তুলনামূলকভাবে কিছুটা ঠান্ডা অনুভূত হবে। এই অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এখানেও ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়বে এবং শীতের দাপট আরও কমবে।

এই আবহাওয়ার পরিবর্তনের প্রভাব পড়ছে দৈনন্দিন জীবনযাত্রায়। সকালে হালকা শীত থাকলেও দুপুরের দিকে গরম অনুভূত হচ্ছে। অনেকেই ইতিমধ্যে ভারী শীতের পোশাক তুলে রাখতে শুরু করেছেন। কৃষিকাজ এবং অন্যান্য বহিরাঙ্গন কাজের ক্ষেত্রেও আবহাওয়ার এই পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে।

সব মিলিয়ে বলা যায় দক্ষিণবঙ্গে শীত বিদায়ের পথে। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরও বাড়বে এবং বসন্তের আবহাওয়া আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে। হাওয়া অফিসের নিয়মিত আপডেট অনুযায়ী পরিস্থিতির উপর নজর রাখা জরুরি কারণ আবহাওয়ার এই রূপান্তর আগামী দিনের আবহাওয়ার গতিপথ নির্ধারণ করবে।

দক্ষিণবঙ্গে ঋতু পরিবর্তনের স্পষ্ট ছাপ এখন চোখে পড়ছে। জানুয়ারির কনকনে ঠান্ডা অনেকটাই অতীত। ফেব্রুয়ারির শেষভাগে এসে দিনের রোদ বেশ ঝাঁঝালো হয়ে উঠছে এবং দুপুরের পর থেকেই উষ্ণতার অনুভূতি বাড়ছে। আবহাওয়া দফতরের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরে অবস্থান করছে যা শীতের বিদায়ের ইঙ্গিত বহন করছে।

কলকাতা শহরে গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছিল। ফেব্রুয়ারির জন্য এই তাপমাত্রা অনেকটাই উষ্ণতার বার্তা দেয়। সকালের দিকে হালকা ঠান্ডা থাকলেও সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে তা দ্রুত কমে যাচ্ছে। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের কাছাকাছি। তবে আবহাওয়াবিদদের মতে এই সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও ধীরে ধীরে বাড়বে।

আগামী তিন দিনে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। বিশেষ করে রাতের তাপমাত্রা বৃদ্ধির সম্ভাবনা বেশি। এর ফলে শীতের আমেজ আরও কমে যাবে। রবিবারের মধ্যে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ থেকে ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে।

উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সমুদ্রের প্রভাবের কারণে আবহাওয়া তুলনামূলকভাবে নরম থাকে। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯ থেকে ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। দিনের বেলায় রোদ উজ্জ্বল থাকবে এবং আর্দ্রতার মাত্রাও ধীরে ধীরে বাড়তে পারে।

পশ্চিমের জেলাগুলিতে এখনও কিছুটা ঠান্ডা টিকে আছে। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। তবে এই অঞ্চলগুলিতেও তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী। আগামী কয়েক দিনে এখানেও শীতের তীব্রতা আরও কমবে।

আবহাওয়ার এই পরিবর্তন দৈনন্দিন জীবনে স্পষ্ট প্রভাব ফেলছে। সকালে হালকা চাদর বা সোয়েটার প্রয়োজন হলেও দুপুরে তা আর দরকার পড়ছে না। বাজার হাট অফিস স্কুল কলেজ সব জায়গাতেই এখন হালকা পোশাক চোখে পড়ছে। কৃষিক্ষেত্রেও তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ কারণ ফসলের বৃদ্ধির উপর এর সরাসরি প্রভাব পড়ে।

news image
আরও খবর

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে আপাতত বড় ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। আকাশ সাধারণত পরিষ্কার থাকবে। রোদ এবং শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে দিনের তাপমাত্রা আরও কিছুটা বাড়তে পারে।

সব মিলিয়ে বলা যায় দক্ষিণবঙ্গে শীত এখন বিদায়ের পথে। বসন্তের আগমনী বার্তা স্পষ্ট। তাপমাত্রার এই ধীর উত্থান আগামী সপ্তাহে আরও স্পষ্ট হবে। নিয়মিত আবহাওয়ার আপডেটের দিকে নজর রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা কারণ ঋতু পরিবর্তনের এই সময় শরীরের যত্ন নেওয়াও সমান জরুরি।

দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ায় এখন স্পষ্ট পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কয়েক সপ্তাহ আগেও যেখানে সকালের কুয়াশা এবং হিমেল হাওয়া অনুভূত হচ্ছিল সেখানে এখন দিনের আলো আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। সূর্যের তেজ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতের দাপট কমে এসেছে। আবহাওয়া দফতরের পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ক্রমাগত স্বাভাবিকের উপরে থাকছে যা ঋতু পরিবর্তনেরই ইঙ্গিত বহন করছে।

কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বহু জেলায় দুপুরের দিকে গরমের অনুভূতি তৈরি হচ্ছে। সকাল ও সন্ধ্যায় সামান্য শীত থাকলেও তা আর দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না। গত কয়েক দিনের তাপমাত্রার পরিসংখ্যান বলছে ফেব্রুয়ারির শেষভাগে এসে বসন্তের আবহাওয়া ধীরে ধীরে জাঁকিয়ে বসছে।

আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমেছে। যা স্বাভাবিকের কাছাকাছি হলেও হাওয়া অফিস জানিয়েছে এই তাপমাত্রা আর খুব বেশিদিন এই স্তরে থাকবে না। আগামী কয়েক দিনে রাতের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়বে। ফলে শীতের অনুভূতি আরও কমে যাবে।

আবহাওয়াবিদদের মতে আগামী তিন দিনে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। এই বৃদ্ধি মূলত রাতের তাপমাত্রায় বেশি দেখা যাবে। রবিবারের মধ্যে কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০ থেকে ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে পৌঁছাতে পারে। এর ফলে শীতের শেষ অধ্যায় প্রায় সম্পূর্ণ হয়ে যাবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলিতে সমুদ্রের প্রভাব বরাবরই আবহাওয়াকে কিছুটা উষ্ণ রাখে। দক্ষিণবঙ্গের উপকূল সংলগ্ন জেলাগুলিতে আগামী কয়েক দিনে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯ থেকে ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সব এলাকায় আর্দ্রতার পরিমাণও ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। ফলে দিনের বেলায় গরমের অনুভূতি আরও স্পষ্ট হতে পারে।

পশ্চিমের জেলাগুলিতে এখনও কিছুটা ঠান্ডা অনুভূত হলেও এখানেও শীতের দাপট আর আগের মতো নেই। এই অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। তবে আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী এখানেও ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়বে এবং শীতের আমেজ আরও ফিকে হয়ে যাবে।

এই আবহাওয়ার পরিবর্তনের প্রভাব পড়ছে মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায়। অনেকেই ভারী শীতের পোশাক ব্যবহার করা বন্ধ করে দিয়েছেন। সকালবেলায় হালকা চাদর বা জ্যাকেট যথেষ্ট হলেও দুপুরে তা প্রয়োজন হচ্ছে না। স্কুল কলেজ অফিস সব ক্ষেত্রেই এখন হালকা পোশাকের চল বেড়েছে।

কৃষিক্ষেত্রেও এই তাপমাত্রা পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ। শীতকালীন ফসলের শেষ পর্যায়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাব পড়তে পারে। একই সঙ্গে বসন্তকালীন চাষের প্রস্তুতিও শুরু হয়ে যায় এই সময়। তাই কৃষকদের কাছেও আবহাওয়ার এই পরিবর্তন বিশেষ গুরুত্ব রাখছে।

সব মিলিয়ে বলা যায় দক্ষিণবঙ্গে শীত এখন বিদায়ের পথে। আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি ইঙ্গিত দিচ্ছে বসন্তের আগমনের। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা আরও বাড়বে এবং দিনের উষ্ণতা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে। হাওয়া অফিসের নিয়মিত পূর্বাভাসের দিকে নজর রেখে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা কারণ ঋতু পরিবর্তনের এই সময় শরীরের যত্ন নেওয়াও অত্যন্ত জরুরি।

 

 

Preview image