জাপানের তরুণ বিলিয়নিয়ার শুনসাকু সাগামির সাফল্যের গল্প ? টোকিওর আকাশছোঁয়া দালানগুলির মাঝে এক নতুন নাম আজ ব্যবসা-জগতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু — শুনসাকু সাগামি (Shunsaku Sagami)। মাত্র ৩৩ বছর বয়সেই তাঁর নেট ওয়ার্থ প্রায় ১.৯ বিলিয়ন ডলার, এবং তিনি এখন জাপানের সবচেয়ে তরুণ বিলিয়নিয়ার।
২০১৮ সালে সাগামি প্রতিষ্ঠা করেন M&A Research Institute Holdings,
একটি প্রযুক্তিনির্ভর সংস্থা যা জাপানের ছোট-বড় কোম্পানির মার্জার ও অধিগ্রহণ (M&A)-এর জন্য AI-ভিত্তিক সমাধান দেয়।
যে দেশে ৬ লক্ষেরও বেশি প্রতিষ্ঠান উত্তরসূরীর অভাবে বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে, সেখানে সাগামির কোম্পানি প্রযুক্তির মাধ্যমে বিক্রেতা ও ক্রেতাকে সংযুক্ত করছে — দ্রুত, স্বচ্ছ, এবং ন্যায্যভাবে।
আজ তাঁর তৈরি এই স্টার্টআপ টোকিও স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত এবং জাপানের কর্পোরেট দুনিয়ার গর্ব।
শুনসাকু সাগামির নিজের ভাষায় —
“আমার লক্ষ্য শুধু লাভ নয়, বরং এমন কিছু গড়া যা সমাজের সমস্যার সমাধান এনে দেয়।”
![]()
আরও খবর
এই চিন্তাই তাঁকে আলাদা করে দিয়েছে। যেখানে অন্যরা ব্যবসাকে প্রতিযোগিতা ভাবে,
সেখানে তিনি দেখেছেন সমাধানের সুযোগ।
AI-চালিত ব্যবসা-ম্যাচিং সিস্টেম তৈরি করে তিনি প্রথাগত M&A মডেল পুরোপুরি বদলে দিয়েছেন।
তাঁর প্রতিষ্ঠান কেবল সফল চুক্তির ক্ষেত্রেই কমিশন নেয় — ফলে স্বচ্ছতা ও আস্থার জন্ম দিয়েছে।
এই পদ্ধতি এতটাই কার্যকর যে হাজারো ছোট ব্যবসা এখন নতুন জীবন পাচ্ছে।
শুনসাকু সাগামির গল্প প্রমাণ করে —
বয়স নয়, দৃষ্টি ও উদ্ভাবনী মানসিকতাই আসল শক্তি।
তিনি দেখিয়ে দিয়েছেন, সমাজের সমস্যা চিহ্নিত করে সেটিকে ব্যবসায়িক সুযোগে রূপ দেওয়া সম্ভব —
এটাই ২১-শ শতকের উদ্যোক্তা ভাবনা।
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| ?? নাম | শুনসাকু সাগামি (Shunsaku Sagami) |
| ? কোম্পানি | M&A Research Institute Holdings |
| ? নেট ওয়ার্থ | প্রায় $1.9 বিলিয়ন (২০২৫ সাল) |
| ? দেশ | জাপান |
| ? সাফল্যের কারণ | AI-নির্ভর ব্যবসায়িক সমাধান, স্বচ্ছতা, সামাজিক দায়িত্ব |
| ? উপাধি | জাপানের সর্বকনিষ্ঠ বিলিয়নিয়ার |