Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে হাসপাতালে সাক্ষাৎ, সাংবাদিকদের মুখোমুখি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

হাসপাতালে মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থা ও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন তিনি।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বর্ষীয়ান অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার, ৭ আগস্ট সকালে কলকাতার বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে পৌঁছে মিঠুন চক্রবর্তীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন শুভেন্দু। বেশ কিছুক্ষণ অভিনেতার সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি তাঁর চিকিৎসার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মিঠুনের বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আশ্বস্ত করেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি জানান, ছোট একটি অস্ত্রোপচার হয়েছে এবং মিঠুন বর্তমানে ভালো আছেন।

মিঠুন চক্রবর্তীর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর সামনে আসতেই তাঁর অনুরাগীদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে বাংলা ও হিন্দি চলচ্চিত্রের অন্যতম পরিচিত মুখ মিঠুন। ফলে তাঁর শারীরিক অবস্থার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই অসংখ্য ভক্ত জানতে চাইছিলেন ঠিক কী হয়েছে অভিনেতার এবং বর্তমানে তিনি কেমন আছেন। সেই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর হাসপাতাল সফর এবং তাঁর দেওয়া স্বাস্থ্য সংক্রান্ত আপডেট স্বস্তি দিয়েছে মিঠুনের অনুরাগীদের।

প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ৬ আগস্ট রাতে কলকাতার ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাস সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় মিঠুন চক্রবর্তীকে। তবে এবারের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঘটনাকে হঠাৎ গুরুতর অসুস্থতার ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে না। জানা গিয়েছে, প্রায় দু’বছর আগে তাঁর ডান হাতে চোট লেগেছিল। সেই সময় অস্ত্রোপচার করে হাতে একটি প্লেট বসানো হয়েছিল। এবার চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী সেই প্লেটটি বের করার জন্য অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। অস্ত্রোপচারের পর তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেও চিকিৎসকদের উদ্ধৃত করে জানানো হয়েছে।

এই তথ্য সামনে আসার ফলে প্রাথমিক উদ্বেগ অনেকটাই কমেছে। কারণ কোনও আকস্মিক গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে নয়, বরং আগে হওয়া একটি অস্ত্রোপচারের পরবর্তী চিকিৎসা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি এবং সবকিছু স্বাভাবিক থাকলে দ্রুত হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

সকালে হাসপাতালে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী

মিঠুন চক্রবর্তীর হাসপাতালে থাকার খবর পাওয়ার পর শুক্রবার সকালে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যান শুভেন্দু অধিকারী। হাসপাতালে পৌঁছে তিনি প্রথমে মিঠুনের সঙ্গে দেখা করেন। দু’জনের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ কথাবার্তা হয় বলে জানা গিয়েছে। অভিনেতার শারীরিক অবস্থা, অস্ত্রোপচারের পর তাঁর কেমন লাগছে এবং চিকিৎসার অগ্রগতি নিয়েও খোঁজ নেন শুভেন্দু।

শুধু মিঠুনের সঙ্গে কথা বলেই ফিরে আসেননি তিনি। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলে অভিনেতার শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেন। তারপর হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে অপেক্ষারত সাংবাদিকদের সামনে মিঠুনের স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলেন।

শুভেন্দুর বক্তব্যের মূল সুর ছিল আশ্বাসের। মিঠুন চক্রবর্তীর শারীরিক অবস্থা নিয়ে অযথা আতঙ্কের কোনও কারণ নেই—এমন বার্তাই তাঁর বক্তব্য থেকে উঠে এসেছে।

হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু অধিকারী মিঠুন চক্রবর্তীকে বাংলার সম্পদ বলে উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মিঠুনের সঙ্গে সম্পর্ককে শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দেখা উচিত নয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনে শুভেন্দুকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, “উনি বাংলার সম্পদ।” একইসঙ্গে অস্ত্রোপচার প্রসঙ্গে তিনি জানান, ছোট একটি অপারেশন হয়েছে এবং মিঠুন ভালো আছেন।

এই মন্তব্য বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। কারণ মিঠুন চক্রবর্তী বর্তমানে রাজনৈতিকভাবেও সক্রিয় এবং বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হলেও তাঁর পরিচিতি শুধুমাত্র একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে নয়। ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কয়েক দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ার, বাংলা ও হিন্দি উভয় চলচ্চিত্র জগতে জনপ্রিয়তা এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তাঁর বিপুল সংখ্যক অনুরাগীর কারণে তাঁকে অভিনেতা হিসেবেই সবচেয়ে বেশি মানুষ চেনেন।

শুভেন্দুর বক্তব্যেও সেই দিকটি উঠে এসেছে। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে মিঠুনের সাংস্কৃতিক ও চলচ্চিত্র জগতের দীর্ঘ অবদানের কথাই কার্যত মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি।

মিঠুনের স্বাস্থ্য নিয়ে স্বস্তির খবর

বর্ষীয়ান কোনও তারকার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর প্রকাশ্যে এলে স্বাভাবিকভাবেই তাঁর অনুরাগীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। মিঠুন চক্রবর্তীর ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা শুরু হয় এবং অনেকেই অভিনেতার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

তবে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসা তথ্য অনুযায়ী, আতঙ্কিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি নেই। চিকিৎসকদের উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। অস্ত্রোপচারও পরিকল্পনা অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

সবকিছু ঠিক থাকলে খুব বেশি দিন তাঁকে হাসপাতালে থাকতে নাও হতে পারে। তবে একজন রোগীকে কখন হাসপাতাল থেকে ছাড়া হবে, সেটি সম্পূর্ণভাবেই চিকিৎসকদের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল। ফলে নির্দিষ্ট সময় নিয়ে অনুমান না করে হাসপাতাল বা পরিবারের আনুষ্ঠানিক তথ্যের উপর নির্ভর করাই যুক্তিযুক্ত।

বর্তমানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, মিঠুনের চিকিৎসা চলছে এবং তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা যাচ্ছে। শুভেন্দু অধিকারীও তাঁকে দেখে বেরিয়ে একই ধরনের ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন।

কেন অস্ত্রোপচার?

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রায় দু’বছর আগে মিঠুন চক্রবর্তীর ডান হাতে একটি চোট লেগেছিল। সেই চোটের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে হাতে প্লেট বসানো হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে চিকিৎসকদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সেই প্লেট বের করার প্রয়োজন হয়।

বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর সেই অস্ত্রোপচারই করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অর্থাৎ এবারের চিকিৎসার সঙ্গে পুরনো হাতের চোটের যোগ রয়েছে।

এই বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া গুরুত্বপূর্ণ, কারণ “হাসপাতালে ভর্তি” কথাটি শোনার পর অনেক সময় গুরুতর অসুস্থতার আশঙ্কা তৈরি হয়। বিশেষ করে কোনও বর্ষীয়ান অভিনেতার ক্ষেত্রে অনুরাগীদের উদ্বেগ আরও বেশি হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু বর্তমান ঘটনায় পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এটি মূলত তাঁর হাতের আগের চিকিৎসার ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার অংশ।

এক্ষেত্রে হাসপাতাল বা চিকিৎসকদের আনুষ্ঠানিক মেডিক্যাল বুলেটিন ছাড়া তাঁর চিকিৎসা নিয়ে অতিরিক্ত কোনও দাবি করা উচিত নয়। তাই বর্তমানে প্রকাশ্যে নিশ্চিত হওয়া তথ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা প্রয়োজন।

মিঠুন-শুভেন্দুর সম্পর্ক

মিঠুন চক্রবর্তী এবং শুভেন্দু অধিকারী—দু’জনেই বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ পরিচিত মুখ। তবে তাঁদের সম্পর্ক শুধুমাত্র রাজনৈতিক কর্মসূচির মঞ্চে সীমাবদ্ধ নয়। বিভিন্ন সময়ে তাঁদের একসঙ্গে দেখা গিয়েছে।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরও শুভেন্দু অধিকারী নিউটাউনে মিঠুন চক্রবর্তীর বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন।

এবার মিঠুন হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরও তাঁকে দেখতে যাওয়ায় তাঁদের ব্যক্তিগত যোগাযোগের বিষয়টি ফের সামনে এসেছে।

news image
আরও খবর

মিঠুন চক্রবর্তী বিজেপির বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে উপস্থিত থেকেছেন। তারকা জনপ্রিয়তা এবং সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর গ্রহণযোগ্যতার কারণে বিভিন্ন রাজনৈতিক সভা ও প্রচারেও তাঁকে দেখা যায়।

তবে হাসপাতালে সাক্ষাতের পর শুভেন্দুর বক্তব্যে রাজনৈতিক পরিচয়ের তুলনায় ব্যক্তিগত সৌজন্য ও মিঠুনের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের উপরই বেশি গুরুত্ব দেখা গিয়েছে।

“বাংলার সম্পদ”—মিঠুনকে নিয়ে শুভেন্দুর মন্তব্য

হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল মিঠুনকে “বাংলার সম্পদ” হিসেবে বর্ণনা করা।

একজন রাজনৈতিক সহকর্মী হিসেবে নয়, বরং বাংলার একজন বিশিষ্ট শিল্পী হিসেবে মিঠুনকে তুলে ধরার চেষ্টা ছিল সেই বক্তব্যে।

মিঠুন চক্রবর্তীর অভিনয়জীবনের বিস্তার দেখলে এই মন্তব্যের প্রেক্ষাপটও বোঝা যায়। বাংলা চলচ্চিত্র থেকে তাঁর যাত্রা শুরু হলেও পরবর্তীতে বলিউডে তিনি এমন একটি জায়গা তৈরি করেন, যা তাঁকে সর্বভারতীয় তারকার মর্যাদা দেয়।

দীর্ঘ অভিনয়জীবনে বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। বাণিজ্যিক ছবি, অ্যাকশন, নাচনির্ভর ছবি থেকে চরিত্রাভিনয়—বিভিন্ন ধারার চলচ্চিত্রে নিজের উপস্থিতি রেখেছেন মিঠুন।

বিশেষ করে তাঁর নাচের নিজস্ব স্টাইল এবং পর্দার ব্যক্তিত্ব তাঁকে এক সময় দেশের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতায় পরিণত করে। ভারতের বাইরেও তাঁর জনপ্রিয়তা তৈরি হয়েছিল।

এই দীর্ঘ চলচ্চিত্র জীবনের কারণেই রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে মিঠুন চক্রবর্তীর সাংস্কৃতিক পরিচয় আজও অত্যন্ত শক্তিশালী।

উদ্বিগ্ন অনুরাগীদের জন্য ইতিবাচক বার্তা

মিঠুনের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যের পর সবচেয়ে বেশি স্বস্তি পেয়েছেন সম্ভবত অভিনেতার অনুরাগীরাই।

কারণ হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তিনি সরাসরি জানিয়েছেন যে মিঠুন ভালো আছেন। একই সঙ্গে অস্ত্রোপচারটিকেও ছোট অপারেশন হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

চিকিৎসকদের উদ্ধৃত করে প্রকাশিত তথ্যেও তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলা হয়েছে। ফলে দুটি তথ্যই বর্তমানে আশাব্যঞ্জক।

অবশ্য চিকিৎসার ক্ষেত্রে রোগীর অবস্থার বিষয়ে চূড়ান্ত বক্তব্য দেওয়ার অধিকার সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। তাই মিঠুনের পরবর্তী স্বাস্থ্য আপডেটের ক্ষেত্রে তাঁদের বক্তব্যই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

তবে এই মুহূর্তে যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তা মিঠুনের ভক্তদের জন্য নিঃসন্দেহে স্বস্তির।

রাজনীতির বাইরেও মিঠুনের জনপ্রিয়তা

মিঠুন চক্রবর্তী বর্তমানে একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। বিভিন্ন নির্বাচনী প্রচার ও রাজনৈতিক সভাতেও তাঁর উপস্থিতি দেখা যায়। কিন্তু তাঁর জনপ্রিয়তার মূল ভিত্তি এখনও তাঁর দীর্ঘ চলচ্চিত্রজীবন।

বাংলা থেকে মুম্বই—দুই চলচ্চিত্র জগতেই নিজের আলাদা জায়গা তৈরি করেছেন তিনি। তাঁর ছবির সংলাপ, নাচের স্টাইল এবং পর্দার উপস্থিতি একাধিক প্রজন্মের দর্শকের কাছে পরিচিত।

এই কারণেই তাঁর অসুস্থতার খবর রাজনৈতিক সীমারেখার বাইরেও মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করে।

কোনও অভিনেতা যখন কয়েক দশক ধরে দর্শকের সামনে থাকেন, তখন তাঁর সঙ্গে দর্শকের এক ধরনের আবেগের সম্পর্ক তৈরি হয়। মিঠুনের ক্ষেত্রেও সেই সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর।

তাঁর অসুস্থতার খবর সামনে এলেই তাই পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি দেশের অন্যান্য অংশ থেকেও তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে খোঁজ নেওয়া হয়।

 

 

 

 

 

 

 

 

Preview image