Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

কাঁথিতে মধ্যরাতের চমক, মুখ্যমন্ত্রীকে এক নজর দেখতে ভিড় হাজার মানুষের

গভীর রাতে কাঁথিতে পৌঁছতেই শুভেন্দু অধিকারীকে এক নজর দেখতে ভিড় জমালেন হাজার হাজার মানুষ। রাত দুটোতেও সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। মধ্যরাতের এই রাজনৈতিক উপস্থিতিকে ঘিরে এলাকাজুড়ে তৈরি হয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা।

পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি যেন আবারও প্রত্যক্ষ করল এক বিরল রাজনৈতিক মুহূর্ত। গভীর রাত পেরিয়ে যখন ঘড়ির কাঁটা প্রায় দুটো ছুঁয়েছে তখনও ঘুমিয়ে পড়েনি শহর। রাস্তার দু’ধারে ভিড় জমিয়েছিলেন হাজার হাজার মানুষ। কারও হাতে দলীয় পতাকা কারও হাতে মোবাইল ফোন আবার কেউ শুধুমাত্র এক ঝলক দেখার আশায় দাঁড়িয়ে ছিলেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা। আর সেই অপেক্ষার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

গভীর রাতে কাঁথিতে তাঁর পৌঁছনোকে ঘিরে যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল তা শুধু রাজনৈতিক নয় বরং আবেগেরও বহিঃপ্রকাশ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ জড়ো হতে শুরু করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য বহুদিন পর এমন দৃশ্য দেখা গেল যেখানে রাত দুটোতেও সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বাস এতটাই তীব্র ছিল যে পুরো এলাকা কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

শুভেন্দু অধিকারী কাঁথিতে পৌঁছনোর আগেই তাঁর সমর্থকরা রাস্তায় নেমে পড়েন। বিভিন্ন জায়গায় দলীয় পতাকা হাতে যুবকদের স্লোগান দিতে দেখা যায়। মহিলাদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। বহু মানুষ পরিবারের সদস্যদের নিয়েও উপস্থিত হন শুধুমাত্র শুভেন্দু অধিকারীকে একবার কাছ থেকে দেখার জন্য। রাজনৈতিক কর্মসূচি না থাকা সত্ত্বেও এই বিশাল জমায়েত স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনা শুরু করেছে।

স্থানীয়দের মতে কাঁথি শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক শক্ত ঘাঁটি হিসেবে বহুদিন ধরেই পরিচিত। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে গভীর রাতে এই বিপুল জনসমাগম বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। সমর্থকদের দাবি শুভেন্দু অধিকারী শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন তিনি এলাকার মানুষের আবেগেরও নাম। সেই কারণেই গভীর রাতেও তাঁর জন্য অপেক্ষা করতে দ্বিধা করেননি সাধারণ মানুষ।

রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সমর্থকদের মধ্যে ছিল প্রবল উৎসাহ। কেউ মোবাইলে ভিডিও করছিলেন কেউ লাইভ সম্প্রচার করছিলেন আবার কেউ স্লোগানে মুখর করে তুলেছিলেন গোটা এলাকা। শুভেন্দু অধিকারীর গাড়ি পৌঁছতেই মুহূর্তের মধ্যে চারপাশে উচ্ছ্বাস আরও বেড়ে যায়। নিরাপত্তা কর্মীদেরও পরিস্থিতি সামাল দিতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে এই ঘটনা শুধু একটি রাজনৈতিক সফর নয় বরং আগামী দিনের রাজনৈতিক সমীকরণেরও ইঙ্গিত বহন করছে। কারণ রাত দুটোতেও হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি যে কোনও রাজনৈতিক নেতার ক্ষেত্রেই তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে বাংলার বর্তমান রাজনৈতিক আবহে এমন দৃশ্য নিঃসন্দেহে বড় বার্তা বহন করছে বলে মত বিশ্লেষকদের।

অনেকের মতে শুভেন্দু অধিকারীর জনপ্রিয়তা এখনও পূর্ব মেদিনীপুর জুড়ে অটুট রয়েছে। তাঁর প্রতিটি সফর ঘিরেই সাধারণ মানুষের মধ্যে আলাদা আগ্রহ তৈরি হয়। তবে এবারের দৃশ্য আরও আলাদা কারণ এটি সম্পূর্ণ গভীর রাতে ঘটেছে। সাধারণত রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দিনের বেলায় ভিড় দেখা গেলেও রাত দুটোতেও হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

সমর্থকদের বক্তব্য শুভেন্দু অধিকারী মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বজায় রাখেন বলেই তাঁর প্রতি মানুষের এই টান। এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক আন্দোলন সব ক্ষেত্রেই তিনি মানুষের পাশে থেকেছেন বলে দাবি তাঁদের। সেই কারণেই তাঁকে একবার দেখার জন্য এত রাতেও অপেক্ষা করেছেন সাধারণ মানুষ।

অন্যদিকে বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরও এই ঘটনাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। রাজনৈতিক মহলের মতে সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। বিভিন্ন ইস্যুতে সরকার এবং বিরোধীদের মধ্যে সংঘাত তীব্র হয়েছে। সেই আবহে শুভেন্দু অধিকারীর কাঁথি সফর এবং তা ঘিরে জনসমাগম আগামী দিনে রাজনৈতিক লড়াইকে আরও তীব্র করতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

কাঁথির বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ এসে জড়ো হয়েছিলেন। শুধু শহর নয় আশপাশের গ্রামাঞ্চল থেকেও বহু মানুষ উপস্থিত হন। যুবক যুবতীদের পাশাপাশি প্রবীণদের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য। অনেকেই বলেন তাঁরা রাত জেগে শুধুমাত্র শুভেন্দু অধিকারীর আগমনের অপেক্ষা করেছেন। এমনকি বহু দোকানপাটও গভীর রাত পর্যন্ত খোলা ছিল বলে জানা গিয়েছে।

এই ঘটনার ভিডিও এবং ছবি ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সমর্থকরা সেই মুহূর্তের ভিডিও পোস্ট করছেন। রাত দুটোতেও মানুষের ঢল দেখে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে সামাজিক মাধ্যমে এই ছবি ও ভিডিও আরও বড় রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে কাজ করতে পারে।

news image
আরও খবর

শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক জীবনে কাঁথির গুরুত্ব বরাবরই বিশেষ। এখান থেকেই তাঁর রাজনৈতিক উত্থান এবং সাংগঠনিক শক্তি গড়ে ওঠে। ফলে কাঁথির মানুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক অনেকটাই আবেগঘন বলেই মনে করেন স্থানীয়রা। সেই সম্পর্কেরই প্রতিফলন দেখা গেল গভীর রাতের এই ঘটনায়।

সমর্থকদের দাবি বাংলার রাজনৈতিক পরিবর্তনের অন্যতম মুখ হয়ে উঠেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য এবং আন্দোলন সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন আশা তৈরি করেছে বলেও দাবি তাঁদের। সেই কারণেই তাঁকে দেখতে এত মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি।

এদিকে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে রাত দুটোতেও এমন বিপুল জনসমাগম কেবল সংগঠনের জোরে সম্ভব নয়। এর পিছনে মানুষের আবেগ এবং ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাও বড় কারণ। কারণ সাধারণ মানুষ যদি কোনও নেতার প্রতি আগ্রহ না দেখান তাহলে এত গভীর রাতে কেউ রাস্তায় নামেন না।

কাঁথির রাস্তায় সেই রাতে এক অন্য ছবি ধরা পড়ে। গাড়ির আলো স্লোগানের শব্দ মানুষের উচ্ছ্বাস এবং রাজনৈতিক আবেগ মিলিয়ে গোটা এলাকা যেন উৎসবের আবহে পরিণত হয়েছিল। বহু মানুষ বলেন তাঁরা এই মুহূর্ত দীর্ঘদিন মনে রাখবেন।

শুভেন্দু অধিকারীর গাড়ি এলাকা পার হওয়ার সময় সমর্থকদের মধ্যে স্লোগানের ঝড় ওঠে। কেউ ফুল ছুঁড়ে অভ্যর্থনা জানান আবার কেউ হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। গাড়ির কাচ খুলে শুভেন্দু অধিকারীকেও সমর্থকদের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাতে দেখা যায় বলে উপস্থিতদের দাবি।

রাজনৈতিক মহলের মতে আগামী দিনের রাজ্য রাজনীতিতে শুভেন্দু অধিকারীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। তাঁর প্রতিটি রাজনৈতিক পদক্ষেপ এখন বিশেষভাবে নজরে রাখা হচ্ছে। আর সেই আবহেই কাঁথির এই মধ্যরাতের জনসমাগম রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

সব মিলিয়ে গভীর রাতে কাঁথিতে শুভেন্দু অধিকারীর পৌঁছনো শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক সফর হয়ে থাকেনি। এটি পরিণত হয়েছে এক বড় রাজনৈতিক বার্তায়। রাত দুটোতেও হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি প্রমাণ করে দিয়েছে যে তাঁর জনপ্রিয়তা এবং রাজনৈতিক প্রভাব এখনও যথেষ্ট শক্তিশালী। আগামী দিনে এই জনসমর্থন রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে এখন সেটাই দেখার।

গভীর রাত হলেও কাঁথির মানুষের উচ্ছ্বাসে কোনও ভাটা পড়েনি। শুভেন্দু অধিকারীর আগমনকে কেন্দ্র করে যেন গোটা এলাকা এক বিশেষ রাজনৈতিক আবেগে ভেসে যায়। বহু মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন শুধুমাত্র তাঁকে একবার চোখের সামনে দেখার জন্য। স্থানীয় যুবকদের পাশাপাশি প্রবীণ নাগরিকদের উপস্থিতিও ছিল অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য। অনেকেই বলেন এত গভীর রাতেও মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত ভিড় প্রমাণ করে দেয় শুভেন্দু অধিকারীর প্রতি মানুষের আবেগ এখনও কতটা প্রবল।

সমর্থকদের মধ্যে কেউ কেউ দাবি করেন বাংলার বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারী অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠেছেন। তাঁর বক্তব্য আন্দোলন এবং রাজনৈতিক অবস্থান সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে বলেও মত তাঁদের। সেই কারণেই তাঁর প্রতিটি সফর এখন সাধারণ মানুষের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। কাঁথির রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষের হাতে দলীয় পতাকা দেখা যায় আবার অনেকে মোবাইলে সেই মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করতে ব্যস্ত ছিলেন।

এদিকে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে মধ্যরাতের এই বিপুল জনসমাগম আগামী দিনের রাজনৈতিক পরিস্থিতিরও ইঙ্গিত বহন করছে। কারণ সাধারণত গভীর রাতে এমন ভিড় খুব কম ক্ষেত্রেই দেখা যায়। তাই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিশ্লেষণও শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে। সব মিলিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর কাঁথি সফর শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক উপস্থিতি নয় বরং তা পরিণত হয়েছে এক বড় জনআবেগের ছবিতে যা আগামী দিনেও রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে পারে।

Preview image