Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

মীরা কপূরের ডিটক্স সিক্রেট পেট ভালো রাখতে থেরাপি, সঙ্গে ওজনও কমল

মীরা কপূর এখন ৩১ বছরের দুই সন্তানের মা। সংসারের নানা খুঁটিনাটি নিজেই সামলালেও নিজের যত্ন নিতে ভোলেন না তিনি। সম্প্রতি শরীর ভাল রাখা এবং হজমশক্তি ঠিক রাখতে তিনি গাট ডিটক্স করিয়েছেন। নিয়মিত ওয়েলনেস রুটিনের অংশ হিসেবে এই ডিটক্সে শরীর হালকা লাগার পাশাপাশি ফিটনেসেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

মীরা রাজপুত কপূর—অভিনেত্রী নন, কিন্তু গ্ল্যামার, স্টাইল আর আত্মবিশ্বাসে বহু অভিনেত্রীকেও টেক্কা দিতে পারেন। শাহিদ কপূরের স্ত্রী হিসেবে পরিচিতি পেলেও, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তিনি নিজের পরিচিতি তৈরি করেছেন আলাদা করে—কখনও ফ্যাশন সেন্সের জন্য, কখনও স্কিনকেয়ার, আবার কখনও স্বাস্থ্যসচেতন জীবনযাপনের জন্য। সোশ্যাল মিডিয়ায় মীরা বরাবরই নিজের “ওয়েলনেস জার্নি” নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেন। আর সেখানেই এবার তিনি শেয়ার করলেন এক বিশেষ অভিজ্ঞতা—অন্ত্র বা গাট ভালো রাখতে তিনি করিয়েছেন কিছু প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতিনির্ভর ম্যাসাজ ও হিলিং থেরাপি। তাঁর দাবি, এই প্রক্রিয়া শুধু পেট ভালো রাখতেই সাহায্য করেনি, বরং বাড়তি ওজনও কমেছে এবং শরীর অনেক হালকা লাগছে।

৩১ বছরের মীরা: সংসার, মা হওয়া আর নিজের যত্ন

মীরা এখন ৩১ বছরের দুই সন্তানের জননী। মাতৃত্ব, সংসারের দায়িত্ব, পরিবার সামলানো—সবকিছুর মধ্যেই নিজের শরীর ও মনের যত্ন নেওয়াটাকে তিনি গুরুত্ব দেন। শাহিদ কপূর বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে বলেছেন, সংসারের অনেক খুঁটিনাটি মীরা নিজেই সামলান। কিন্তু এত ব্যস্ততার মাঝেও তিনি “নিজেকে ভালো রাখার” প্রক্রিয়াটা থামান না—এটাই তাঁর জীবনদর্শনের একটা অংশ।

সম্প্রতি তিনি স্বাস্থ্যোদ্ধারের একটি বিশেষ প্রশিক্ষণ শিবিরে অংশ নিয়েছিলেন। সেখানে মূল ফোকাস ছিল অন্ত্রকে পরিচ্ছন্ন রাখা, শরীর থেকে টক্সিন বের করা, মানসিক চাপ কমানো এবং হজমশক্তি ও ঘুমের মান উন্নত করা। মীরা তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে জানান, তিনি মূলত গিয়েছিলেন তাঁর গাট সমস্যার সমাধান করতে। কিন্তু তিনি ভাবেননি যে এই প্রক্রিয়ায় তাঁর প্রায় দেড় কিলো ওজনও কমে যেতে পারে। তাঁর ভাষায়, “পেট ভালো আছে তো বটেই, সঙ্গে আমি দেড় কিলো ওজনও কমিয়ে ফেলেছি। নিজেকে অনেক হালকা লাগছে।”

গাট ডিটক্স মানে কী? কেন এত আলোচনায়?

বর্তমান সময়ে “গাট হেলথ” বা অন্ত্রের স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা অনেক বেড়েছে। কারণ গবেষণা ও চিকিৎসা বিজ্ঞানের আধুনিক ব্যাখ্যায় বোঝা যায়, আমাদের হজমব্যবস্থা শুধু খাবার হজম করে না—ইমিউনিটি, স্কিন, মুড, এমনকি ঘুম এবং মানসিক স্থিতির সঙ্গেও অন্ত্রের গভীর সম্পর্ক আছে। তাই গ্যাস-অম্বল, কোষ্ঠকাঠিন্য, হজমের গোলমাল, অনিদ্রা, অকারণে ক্লান্ত লাগা বা মুড ওঠানামা—এসবের পেছনে অনেক সময় গাট সমস্যার ভূমিকা থাকে। মীরা যে শিবিরে গিয়েছিলেন, সেখানে আয়ুর্বেদিক ধারার কিছু থেরাপি প্রয়োগ করা হয়েছে বলেই তিনি জানান—যার মধ্যে রয়েছে অভয়াঙ্গ, শিরোধারা এবং পোটলি (পুঁটুলি) ম্যাসাজ, সঙ্গে শেষ দিনে সাউন্ড হিলিং।

এই থেরাপিগুলি আয়ুর্বেদ ও প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসা-পদ্ধতিতে বহুদিন ধরে প্রচলিত। তবে মনে রাখতে হবে—এসব পদ্ধতির ফল ব্যক্তি ভেদে আলাদা হতে পারে, এবং যাঁদের উচ্চ রক্তচাপ, গর্ভাবস্থা, ত্বকের অ্যালার্জি, হরমোনজনিত সমস্যা বা নির্দিষ্ট কোনও মেডিক্যাল কন্ডিশন আছে, তাঁদের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া এ ধরনের থেরাপি করানো ঠিক নয়। তবুও “ওয়েলনেস ট্রেন্ড” হিসেবে সেলেবদের মধ্যে এগুলোর জনপ্রিয়তা বাড়ছে—মীরার অভিজ্ঞতা সেই আগ্রহকে আরও উসকে দিল।


মীরা করালেন কোন কোন থেরাপি?

মীরার বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি যে থেরাপিগুলি করিয়েছেন—

  1. অভয়াঙ্গ ম্যাসাজ

  2. শিরোধারা ম্যাসাজ

  3. পুঁটুলি/পোটলি ম্যাসাজ (পিণ্ড স্বেদ/কিঝি)

  4. সাউন্ড হিলিং (শেষ দিনে)

এবার একে একে দেখে নেওয়া যাক, এই থেরাপিগুলি কী, কীভাবে কাজ করে বলে মনে করা হয়, এবং কেন এগুলো গাট ডিটক্স বা সামগ্রিক সুস্থতার সঙ্গে যুক্ত।


১) অভয়াঙ্গ ম্যাসাজ উষ্ণ ভেষজ তেলে পূর্ণ শরীরের গভীর মালিশ

অভয়াঙ্গ আয়ুর্বেদের একটি অত্যন্ত পরিচিত ম্যাসাজ থেরাপি। এখানে ঈষদুষ্ণ ভেষজ তেল ব্যবহার করে পুরো শরীরে একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে মালিশ করা হয়। সাধারণত তেল নির্বাচনে ব্যক্তির দেহপ্রকৃতি (দোষ—বাত, পিত্ত, কফ) এবং সমস্যার ধরন বিবেচনা করা হয়। ম্যাসাজের সময় অস্থিসন্ধি ও পেশিতে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয় যাতে তেল ত্বকের গভীরে প্রবেশ করতে পারে।

অভয়াঙ্গের সম্ভাব্য উপকারিতা হিসেবে বলা হয়—

  • রক্তসঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে

  • পেশির টান, ব্যথা ও ক্লান্তি কমাতে পারে

  • ত্বককে নরম ও উজ্জ্বল রাখতে সহায়ক

  • শরীরে জমে থাকা টক্সিন বের হতে সাহায্য করতে পারে

  • স্নায়ুকে শান্ত করে, ফলে ঘুম ভালো হতে পারে

  • স্ট্রেস কমাতে সহায়তা করে

গাট হেলথের সঙ্গে ম্যাসাজের সম্পর্ক কী?
অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, মানসিক চাপ (স্ট্রেস) সরাসরি হজমব্যবস্থাকে প্রভাবিত করে। অতিরিক্ত স্ট্রেসে “গাট-ব্রেইন অ্যাক্সিস” বা অন্ত্র-মস্তিষ্ক সংযোগের ছন্দ বিঘ্নিত হয়। ফলে অম্বল, অ্যাসিডিটি, খাওয়ার অরুচি বা অনিয়মিত হজম হতে পারে। অভয়াঙ্গের মতো থেরাপিতে শরীর শান্ত হলে, সেই প্রভাব গাটের উপরও পড়তে পারে—এটাই মূল ধারণা।

মীরা যে বলেছেন “নিজেকে অনেক হালকা লাগছে”—এ ধরনের অনুভূতি অনেক সময় ম্যাসাজের পর শরীরে রিল্যাক্সেশন, ভালো ঘুম এবং স্ট্রেস কমে যাওয়ার ফলেও হতে পারে।


২) শিরোধারা কপালে উষ্ণ তেল/দুধ/ঘোলের ছন্দময় প্রবাহ

শিরোধারা শব্দটি এসেছে সংস্কৃত “শির” (মাথা) এবং “ধারা” (প্রবাহ) থেকে। এই পদ্ধতিতে একজন ব্যক্তি কাঠের টেবিলে শুয়ে থাকেন এবং তাঁর কপালের নির্দিষ্ট স্থানে (অনেক সময় আজ্ঞাচক্র বা “থার্ড আই” অঞ্চল বলা হয়) একটি নির্দিষ্ট উচ্চতা থেকে হালকা গরম তেল, দুধ বা ঘোল ছন্দ বজায় রেখে ধীরে ধীরে ঢালা হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি সাধারণত নির্দিষ্ট সময় ধরে চালানো হয় এবং বেশ শান্ত পরিবেশে করা হয়।

শিরোধারার সম্ভাব্য উপকারিতা হিসেবে বলা হয়—

  • মানসিক চাপ, উদ্বেগ, অস্থিরতা কমাতে পারে

  • মাথাব্যথা বা মাইগ্রেনের সমস্যা কিছু ক্ষেত্রে উপশম করতে পারে

  • একাগ্রতা ও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়ক হতে পারে

  • স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত রাখে

  • অনিদ্রা বা ঘুমের সমস্যা কমাতে সাহায্য করতে পারে

গাটের সঙ্গে শিরোধারার যোগ কোথায়?
গাট এবং মস্তিষ্ক একে অন্যের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত—এ কথা আধুনিক বিজ্ঞানও মানে। স্ট্রেস কমলে হজমব্যবস্থার উপর চাপ কমে। শিরোধারার মূল লক্ষ্যই হলো মানসিক শান্তি ও স্নায়ুর প্রশমন। তাই পরোক্ষভাবে হজমশক্তি ও গাটের স্বাভাবিক কার্যকারিতাকে সহায়তা করতে পারে বলে অনেকে মনে করেন। মীরা যেহেতু বলেছেন, “পেট ভালো আছে”—এখানে সম্ভবত স্ট্রেস কমারও একটা ভূমিকা আছে।

news image
আরও খবর

৩) পুঁটুলি/পোটলি ম্যাসাজ গরম ভেষজ পুঁটুলির তাপে শরীরের ব্যথা-স্ট্রেস কমানো

পুঁটুলি বা পোটলি ম্যাসাজ আয়ুর্বেদের একটি প্রাচীন পদ্ধতি। একে অনেক জায়গায় “পিণ্ড স্বেদ” বা “কিঝি”ও বলা হয়। এখানে ছোট কাপড়ের পুঁটুলির ভিতরে বিভিন্ন ভেষজ উপাদান রাখা হয়—যেমন নিমপাতা, আদা, হলুদ, অশ্বগন্ধা, ল্যাভেন্ডার, বিশেষ চাল, সামুদ্রিক লবণ, বালি বা ভেষজ গুঁড়ো ইত্যাদি। তারপর সেই পুঁটুলিকে গরম তেলে ডুবিয়ে শরীরের নির্দিষ্ট অংশে চাপ দিয়ে চাপ দিয়ে ম্যাসাজ করা হয়।

পোটলি ম্যাসাজের সম্ভাব্য উপকারিতা হিসেবে বলা হয়—

  • শরীরের প্রদাহ কমাতে সহায়ক

  • পেশির ব্যথা, জয়েন্ট পেইন, স্টিফনেস কমাতে সাহায্য

  • রক্তসঞ্চালন বাড়াতে পারে

  • স্ট্রেস হরমোন কর্টিসলের মাত্রা কমাতে সহায়ক হতে পারে

  • শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের হতে সাহায্য করতে পারে

এই থেরাপিতে “তাপ” একটি বড় বিষয়। তাপে শরীরের পেশি শিথিল হয়, ব্যথা কমে এবং শরীর গভীরভাবে রিল্যাক্স করে। যাঁদের বসে কাজ করার কারণে শরীর শক্ত হয়ে থাকে বা সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগে—তাঁদের কাছে এই থেরাপি আরামদায়ক হতে পারে।


৪) সাউন্ড হিলিং শব্দ-তরঙ্গের মাধ্যমে মানসিক ও শারীরিক প্রশমন

শেষ দিনে মীরা করিয়েছেন “সাউন্ড হিলিং”। এটি প্রাচীন এবং প্রাকৃতিক নিরাময় পদ্ধতির মধ্যে একটি, যেখানে বিশেষ ধরণের শব্দ তরঙ্গ বা সুর ব্যবহার করে শরীর-মনকে শান্ত করার চেষ্টা করা হয়। টিবেটিয়ান সিংগিং বোল, গং, টিউনিং ফর্ক, মন্ত্রধ্বনি বা নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের সাউন্ড ব্যবহার করে সেশন করা হতে পারে।

সাউন্ড হিলিং সম্পর্কে যে ধারণা প্রচলিত—শরীরের প্রতিটি কোষ ও অঙ্গের নিজস্ব কম্পন বা ফ্রিকোয়েন্সি আছে। মানসিক চাপ বা অসুস্থতায় সেই ফ্রিকোয়েন্সি এলোমেলো হতে পারে। নির্দিষ্ট সাউন্ড ওয়েভ বা কম্পাঙ্ক শরীরকে আবার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করতে পারে—এই বিশ্বাস থেকেই সাউন্ড হিলিং জনপ্রিয়।

মীরা জানিয়েছেন, এই পদ্ধতিতে তিনি নিজের মধ্যে “আটকে থাকা অনেক বিষয়কে মুক্ত করতে পেরেছেন” এবং এটি তাঁকে সবচেয়ে বেশি আনন্দ দিয়েছে। অর্থাৎ তাঁর অভিজ্ঞতা অনুযায়ী এটি শুধু শারীরিক নয়—একধরনের মানসিক ডিটক্সও।


মীরার অভিজ্ঞতা: পেট ভালো, ওজন কম, শরীর হালকা

সবচেয়ে বেশি আলোচনার কারণ—মীরার বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি যে থেরাপিগুলি করিয়েছেন, তাতে তাঁর গাট সমস্যার উন্নতি হয়েছে এবং তিনি দেড় কিলো ওজনও কমিয়েছেন। অনেক সময় এই ধরনের শিবিরে ডায়েট, ঘুমের রুটিন, স্ট্রেস-ফ্রি পরিবেশ, হালকা খাবার, পর্যাপ্ত জলপান—এসবও থাকে। ফলে শরীরে “ব্লোটিং” কমে, জলধারণ (water retention) কমে, হজম ভালো হয় এবং ওজন কিছুটা কমতে পারে। তাই শুধুমাত্র ম্যাসাজ নয়, পুরো লাইফস্টাইল-সেটআপ মিলেই এই ফলাফল আসতে পারে।

তবে বাস্তব কথা হলো—একই থেরাপি সবার ক্ষেত্রে একইভাবে কাজ নাও করতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে উপকার হতে পারে, আবার কারও ক্ষেত্রে তেল/ভেষজে অ্যালার্জি বা অসুবিধাও হতে পারে। তাই এই ধরনের ডিটক্স বা থেরাপি করাতে হলে প্রশিক্ষিত বিশেষজ্ঞ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।


কেন সেলেবদের “গাট হেলথ” এত ট্রেন্ডিং?

সেলেবদের জীবনযাপন সাধারণ মানুষের কাছে আগ্রহের জায়গা। ফ্যাশন, ডায়েট, ফিটনেস, স্কিন—সবকিছুই তারা “ট্রেন্ড” বানিয়ে দিতে পারেন। বর্তমানে গাট হেলথ নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা বাড়ছে, আর সেলেবরাও এই ট্রেন্ডকে জনপ্রিয় করছেন। কারণ

  • গাট ভালো থাকলে ত্বক উজ্জ্বল দেখায়

  • ব্লোটিং কমে

  • ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য হতে পারে

  • মুড ও এনার্জি ভালো থাকে

  • ঘুমের মান উন্নত হয়

মীরা যেহেতু একজন পরিচিত ওয়েলনেস-ফোকাসড সেলেব পার্সোনালিটি, তাই তাঁর এমন অভিজ্ঞতা শেয়ার করা স্বাভাবিকভাবেই ভাইরাল হয়ে যায়।


সতর্কতা কারা সাবধান থাকবেন?

এই ধরনের থেরাপি অনেকের জন্য আরামদায়ক হলেও কিছু ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন—

  • গর্ভাবস্থা থাকলে

  • ত্বকে অ্যালার্জি বা একজিমা থাকলে

  • উচ্চ রক্তচাপ/হার্টের সমস্যা থাকলে

  • ডায়াবেটিসে সেনসিটিভিটি বেশি থাকলে

  • মাইগ্রেন বা নিউরোলজিক্যাল সমস্যা থাকলে

  • কোনও নির্দিষ্ট মেডিক্যাল কন্ডিশনে চিকিৎসাধীন থাকলে

এক্ষেত্রে নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত না নিয়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো।


শেষ কথা

মীরা কপূরের গাট ডিটক্স অভিজ্ঞতা আবারও দেখিয়ে দিল—সেলেব দুনিয়ায় এখন শুধু সাজগোজ বা ফ্যাশন নয়, ওয়েলনেস এবং ভিতর থেকে সুস্থ থাকার ধারণাও বড় ট্রেন্ড। অভয়াঙ্গ, শিরোধারা, পোটলি ম্যাসাজ এবং সাউন্ড হিলিং—এই প্রাচীন পদ্ধতিগুলি অনেকের কাছে নতুন আকর্ষণ হয়ে উঠছে। মীরা বলছেন, তাঁর ক্ষেত্রে এর সুফল মিলেছে—পেট ভালো, ওজন কমেছে, শরীর হালকা লেগেছে। তবে মনে রাখতে হবে, শরীর-স্বাস্থ্য একেকজনের একেকরকম। কারও জন্য যা কাজ করে, অন্যের জন্য তা নাও করতে পারে। তাই সচেতনভাবে, বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে—এই ধরনের থেরাপি গ্রহণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

Preview image