Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

মোদি স্মিত মচ্ছরের ভিডিও কলে কথা কেঁদে ফেললেন ভারতীয় পাইলট কোনও যাত্রীকে মরতে দিতে পারতাম না

  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে কেঁদে ফেললেন ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছর যাত্রীদের জীবন বাঁচানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন কোনও যাত্রীকে মরতে দিতে পারতাম না তাঁর কথায় উঠে আসে যাত্রীদের প্রতি দায়িত্ববোধ ও তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সংকল্প

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়লেন ভারতীয় পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর। হাসপাতাল থেকে মাঝ আকাশে হামলার অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি তিনি। তাঁর কথায় উঠে আসে নিজের জীবন বিপন্ন হওয়ার মধ্যেও যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা ভাবার বিষয়টি। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সাহস ও উপস্থিত বুদ্ধির প্রশংসা করেন এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কামনা জানান। ঘটনাটি ঘটে দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি বিমানে। সহ-পাইলটের হামলায় আহত হন স্মিত। এরপর বিমান দ্রুত উচ্চতা হারাতে শুরু করে। আহত অবস্থাতেও তিনি ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। এর ফলে অন্যরা ভিতরে ঢুকে পরিস্থিতি সামলানোর সুযোগ পান। পরে বিমানটি সৌদি আরবের তাবুকে নিরাপদে অবতরণ করে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথনে স্মিত জানান, সেই কঠিন মুহূর্তে তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে উঠে দাঁড়িয়ে কিছু করতে না পারলে যাত্রীদের জীবন বিপন্ন হবে। নিজের আঘাতের মধ্যেও তাঁদের বাঁচানোর চেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন তিনি। এই অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়েই আবেগে ভেঙে পড়েন ভারতীয় পাইলট। এবিপি আনন্দের প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্মিত প্রধানমন্ত্রীকে জানান যে দীর্ঘদিন বিমান চালালেও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার কথা কখনও ভাবেননি। কিন্তু সংকটের মুহূর্তে যাত্রীদের কথা তাঁর মনে ছিল। তাঁদের মৃত্যুর মুখে ছেড়ে দিতে চাননি তিনি। তাঁর এই বক্তব্যে যাত্রীদের প্রতি দায়িত্ববোধের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। একজন পাইলটের উপর যাত্রীদের যে আস্থা থাকে, এই ঘটনা সেই সম্পর্ককে সামনে এনেছে। বিমানে ওঠার পরে যাত্রীরা নিজের নিরাপত্তার জন্য পাইলট ও ক্রু সদস্যদের দক্ষতার উপর নির্ভর করেন। বিপদের মুহূর্তে পরিস্থিতি বোঝা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্মিতের দরজা খোলার সিদ্ধান্ত অন্যদের সাহায্য করার সুযোগ তৈরি করেছিল।

এই ঘটনার উদ্ধারপর্বে অন্যদের ভূমিকাও ছিল গুরুত্বপূর্ণ। স্মিত ককপিটের দরজা খোলার পরে যাত্রী ও ক্রু সদস্যরা হামলাকারীকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করেন। বিমানে থাকা অন্য পাইলটরা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিরাপদ অবতরণ করান বলে রয়টার্স জানিয়েছে। ফলে বিপদ কাটানোর ঘটনাটিতে স্মিতের সাহসের পাশাপাশি সম্মিলিত প্রচেষ্টার কথাও উঠে আসে। ভিডিও কলে স্মিতের আবেগ এই ঘটনার মানবিক দিকটি প্রকাশ করেছে। বিপদের মধ্যে দায়িত্ব পালন করা এবং পরে সেই অভিজ্ঞতা মনে করে কেঁদে ফেলা দুটি বিষয় একসঙ্গে থাকতে পারে। কঠিন মুহূর্তে সাহস দেখানো মানেই যে একজন মানুষ ভয় বা আবেগ অনুভব করবেন না তা নয়। তাঁর কথোপকথনে সংকটের সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দৃঢ়তার সঙ্গে পরবর্তী আবেগও দেখা যায়। প্রধানমন্ত্রী তাঁকে আশ্বস্ত করেন। স্মিতের কাজের জন্য দেশ গর্বিত বলে জানান মোদি। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পাবেন এমনটা ভাবেননি বলে স্মিতও জানান। কথোপকথনটি তাই শুধু ঘটনার বিবরণে সীমাবদ্ধ থাকেনি আহত পাইলটকে উৎসাহ ও সমর্থন দেওয়ার মুহূর্তও হয়ে উঠেছে। পাইলটের বক্তব্য থেকে দায়িত্ববোধের একটি স্পষ্ট ছবি পাওয়া যায়। বিপদের মধ্যে তাঁর সামনে নিজের জীবন রক্ষার প্রশ্ন ছিল। একই সঙ্গে বিমানে থাকা অন্যদের নিরাপত্তাও তাঁর চিন্তার মধ্যে ছিল। আহত অবস্থায় সাহায্যের পথ তৈরি করার চেষ্টা সেই দায়িত্ববোধের প্রকাশ হিসাবে দেখা যায়।

তবে হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর আগে তদন্তের ফল প্রয়োজন। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বিমান বিধ্বস্ত করার সম্ভাব্য প্রচেষ্টার অভিযোগ উঠে এসেছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে হামলার উদ্দেশ্য তখনও স্পষ্ট ছিল না। তাই কোনও নির্দিষ্ট ষড়যন্ত্র বা উদ্দেশ্যকে প্রমাণিত তথ্য হিসাবে বর্ণনা করা উচিত নয়। এই ঘটনার আলোচনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির একটি হল বিপদের মধ্যেও সাহায্যের সুযোগ তৈরি করা। স্মিতের পদক্ষেপের পরে অন্যরা পরিস্থিতি সামলাতে পেরেছিলেন। তাঁর সাহসিকতার প্রশংসা করতে গিয়ে সেই ধারাবাহিকতাকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন একজন আহত পাইলট দরজা খুলেছেন, অন্যরা এগিয়ে এসেছেন এবং বিমান নিরাপদে অবতরণ করেছে। মোদির সঙ্গে ভিডিও কলে স্মিতের চোখের জল সেই লড়াইয়ের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে সামনে এনেছে। যাত্রীদের জীবন বাঁচানোর সংকল্প এবং নিজের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা একসঙ্গে উঠে এসেছে তাঁর বক্তব্যে। এই মুহূর্তে তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার কামনার পাশাপাশি সংকটে দায়িত্ব পালন করা পাইলট, ক্রু ও সহায়তাকারীদের ভূমিকা আলোচনায় রয়েছে।

ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে ভারতীয় পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরের উপর হামলার ঘটনা নিয়ে আলোচনায় দুটি বিষয় পৃথকভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। একটি হল হামলার উদ্দেশ্য ও ঘটনার পূর্ণ বিবরণ জানতে তদন্তের প্রয়োজন। অন্যটি হল বিপদের মধ্যে আহত পাইলট এবং সহায়তাকারীদের পদক্ষেপ, যার পরে বিমান নিরাপদে অবতরণ করতে পেরেছিল। সাহসিকতার প্রশংসার পাশাপাশি ঘটনার কারণ সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্যের অপেক্ষা করাও জরুরি। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার উদ্দেশ্য তখনও স্পষ্ট ছিল না। বিমান বিধ্বস্ত করার সম্ভাব্য প্রচেষ্টার অভিযোগ সামনে এলেও কোনও নির্দিষ্ট ষড়যন্ত্র, সংগঠনের যোগসূত্র কিংবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যকে প্রমাণিত সত্য হিসাবে ধরে নেওয়ার ভিত্তি তৈরি হয়নি। অভিযোগ, প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার বিবরণ এবং তদন্তে প্রতিষ্ঠিত তথ্যের মধ্যে পার্থক্য বজায় রাখা প্রয়োজন। এ ধরনের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই বহু প্রশ্ন ওঠে। কেন হামলা হল, ঘটনার আগে কী হয়েছিল এবং কীভাবে পরিস্থিতি এত দ্রুত বিপজ্জনক হয়ে উঠল এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্তের মাধ্যমে খুঁজতে হয়। কোনও একটি বক্তব্য বা প্রাথমিক প্রতিবেদন পুরো ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে পারে না। বিভিন্ন বিবরণ মিলিয়ে এবং সংশ্লিষ্ট প্রমাণ পরীক্ষা করে সিদ্ধান্তে পৌঁছনো প্রয়োজন। তাই ঘটনার ভয়াবহতা বোঝাতে গিয়ে অনুমানকে তথ্য হিসাবে তুলে ধরা উচিত নয়। কোনও দাবি কার বক্তব্যের ভিত্তিতে এসেছে, সেটিও স্পষ্ট থাকা দরকার। এতে পাঠকের পক্ষে বোঝা সহজ হয় কোন অংশটি জানা তথ্য, কোনটি অভিযোগ এবং কোন বিষয়ে এখনও নিশ্চিত উত্তর পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ঘটনাকে ঘিরে অসম্পূর্ণ তথ্য থেকে সিদ্ধান্ত নিলে বিভ্রান্তি আরও বাড়তে পারে।

news image
আরও খবর

হামলার উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্নের পাশাপাশি উদ্ধারপর্বের ঘটনাক্রমও গুরুত্বপূর্ণ। সংবাদমাধ্যমের বিবরণ অনুযায়ী, গুরুতর আহত অবস্থায় স্মিত ককপিটের দরজা খুলতে সক্ষম হন। এর ফলে অন্যরা ভিতরে প্রবেশ করে পরিস্থিতি সামলানোর সুযোগ পান। যাত্রী ও ক্রু সদস্যরা হামলাকারীকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করেন এবং বিমানে থাকা অন্য পাইলটরা বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সৌদি আরবের তাবুকে অবতরণ করান। এই ধারাবাহিকতায় স্মিতের পদক্ষেপ ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সাহায্য পৌঁছনোর পথ তৈরি করেছিলেন। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অন্যরা এগিয়ে আসেন এবং বিমান নিরাপদে নামানোর কাজ সম্পন্ন হয়। ফলে ঘটনাটিকে বুঝতে হলে একজনের সাহসের সঙ্গে অন্যদের সহায়তা ও দায়িত্ব পালনের সম্পর্কটিও দেখতে হবে। বিপদের মধ্যে সাহায্যের সুযোগ তৈরি করা অনেক সময় পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে। একজন আহত মানুষ নিজে সব কাজ করতে না পারলেও এমন একটি পদক্ষেপ নিতে পারেন, যার মাধ্যমে অন্যরা প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সক্ষম হন। স্মিতের দরজা খোলার ঘটনাটি সেই দৃষ্টিকোণ থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর উদ্যোগের পরে সম্মিলিতভাবে পরিস্থিতি সামলানোর সুযোগ তৈরি হয়েছিল।

সাহসিকতার আলোচনায় এই সম্মিলিত প্রচেষ্টাকে গুরুত্ব দিলে ঘটনার পূর্ণ ছবি পাওয়া যায়। ককপিটে সাহায্য পৌঁছনো, হামলাকারীকে নিয়ন্ত্রণে আনা এবং বিমান অবতরণ করানো ছিল পৃথক দায়িত্ব। প্রতিটি ধাপ পরবর্তী ধাপের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি তৈরি করেছে। নিরাপদ অবতরণের সাফল্যে তাই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা একসঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ভিডিও কলে স্মিতের আবেগ এই ঘটনার ব্যক্তিগত দিকটি সামনে এনেছে। আবু ধাবির হাসপাতাল থেকে কথা বলার সময় হামলার অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে আহত অবস্থাতেও যাত্রীদের জীবন রক্ষার জন্য কিছু করার তাগিদ। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সাহস, ধৈর্য ও উপস্থিত বুদ্ধির প্রশংসা করেন। সেই চোখের জলকে সাহসের বিপরীত হিসাবে দেখার কারণ নেই। বিপদের মধ্যে দায়িত্ব পালন করা এবং পরে সেই অভিজ্ঞতা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হওয়া দুটিই মানুষের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ার অংশ হতে পারে। কঠিন পরিস্থিতিতে কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরেও একজন মানুষ নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে ভেঙে পড়তে পারেন। তবে এই দৃশ্য থেকে তাঁর মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে কোনও চিকিৎসাগত সিদ্ধান্ত টানা উচিত নয়। স্মিতের কথায় যাত্রীদের প্রতি দায়িত্ববোধের বিষয়টি বিশেষভাবে উঠে এসেছে। তিনি জানান, নিজের আঘাতের মধ্যেও বুঝেছিলেন যে তাঁকে উঠে কিছু করতে হবে, অন্যথায় যাত্রীদের জীবন বিপন্ন হতে পারে। এই বক্তব্য তাঁর সংকটের মুহূর্তের ভাবনাকে প্রকাশ করে। একই সঙ্গে এটি মনে করিয়ে দেয়, বিমান পরিচালনার দায়িত্বের সঙ্গে বহু মানুষের নিরাপত্তার প্রশ্ন জড়িয়ে থাকে।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথন আহত পাইলটের জন্য সমর্থনের একটি প্রকাশ্য মুহূর্তও ছিল। তাঁর অভিজ্ঞতা মন দিয়ে শোনা এবং দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি দেওয়ার মধ্যে মানবিক গুরুত্ব রয়েছে। তবে প্রশংসার পাশাপাশি চিকিৎসা, বিশ্রাম ও সুস্থ হয়ে ওঠার প্রয়োজনও সামনে থাকে। তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মজীবন বা কাজে ফেরার সময় সম্পর্কে অনুমান করার বদলে নির্ভরযোগ্য তথ্যের অপেক্ষা করা প্রয়োজন। ঘটনাটির সংবাদ পরিবেশনেও সংবেদনশীলতা জরুরি। আহত ব্যক্তির আবেগকে অযথা নাটকীয় করে তোলা অথবা তাঁর নামে যাচাই না করা বক্তব্য যোগ করা ঠিক নয়। তিনি যা বলেছেন তার অর্থ অক্ষুণ্ণ রেখে তুলে ধরা এবং অন্য সহায়তাকারীদের ভূমিকা উল্লেখ করা পাঠকের কাছে আরও পরিষ্কার ও দায়িত্বশীল বিবরণ পৌঁছে দেয়। এই ঘটনার দুটি প্রশ্নের উত্তর পৃথকভাবে খুঁজতে হবে। হামলা কেন হয়েছিল, তা তদন্তের বিষয়। বিপদ কাটাতে কারা কী ভূমিকা নিয়েছিলেন, তা ঘটনার বিবরণ ও সংশ্লিষ্ট সাক্ষ্যের বিষয়। একটি প্রশ্নের উত্তর অসম্পূর্ণ থাকলেও অন্যটির গুরুত্ব কমে যায় না। একইভাবে উদ্ধারপর্বের সাহসিকতা হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে কোনও অনুমানকে প্রমাণ করে না। স্মিত মচ্ছরের অভিজ্ঞতায় তাই সাহস, দায়িত্ববোধ এবং সহযোগিতার সম্পর্ক সামনে এসেছে। আহত অবস্থায় তাঁর পদক্ষেপ অন্যদের সাহায্য করার সুযোগ তৈরি করেছিল। পরে মোদির সঙ্গে কথোপকথনে সেই লড়াইয়ের আবেগ প্রকাশ পেয়েছে। তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার কামনার সঙ্গে উদ্ধারপর্বে এগিয়ে আসা পাইলট ক্রু ও সহায়তাকারীদের অবদানও যথাযথভাবে স্বীকৃতি পাওয়ার দাবি রাখে।

Preview image