মোহাম্মদ শামী এবং তার প্রাক্তন স্ত্রী হাসিন জাহান এর মধ্যে চলমান আইনি লড়াই এখন সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছেছে, এবং হাসিন জাহান নতুন করে ₹৪ লক্ষ মাসিক রক্ষণভোগী বাড়ানোর দাবি করেছেন।
হাসিন জাহান, যিনি শামী থেকে আলাদা হয়ে গেছেন, তার মতে ₹৪ লক্ষ যা আদালত তার জন্য নির্ধারণ করেছে, তা একেবারেই যথেষ্ট নয়। তিনি দাবি করেছেন, তার এবং তার কন্যার জন্য আরও বেশি রক্ষণভোগী দরকার।
শামী এই দাবি মেনে নিতে নারাজ। তিনি বারবার বলেছেন, “আমি যা করতে পারি, তা দিয়েছি। আমি সবসময় নিজের পরিবারকে যথাযথ সহায়তা দিয়ে আসছি।”
শামীর মতে, তার বিশ্বমানের ক্রিকেট ক্যারিয়ার এবং কোটি কোটি টাকার আয় থাকা সত্ত্বেও, এমন দাবি আরোপ করা কি সঠিক?
বিভিন্ন মিডিয়ায় এই মামলা নিয়ে আলোচনা চলছে, বিশেষ করে এমন একজন তারকা ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে কি এমন অভিযোগ সঠিক?
শামীর সমর্থকরা দাবি করছেন, “কীভাবে একজন সফল ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তোলা হতে পারে?”
হাসিনের পক্ষে কেউ কেউ যুক্তি দিচ্ছেন, যে একজন ক্রিকেটার হিসেবে শামীকে অনেক কিছুই করতে হবে, আর তার আয়ের তুলনায় ₹৪ লক্ষ নিতান্তই কম।
আইনকে নিজের সুবিধায় কাজে লাগানোর অভিযোগ!
ভারতের সেরা ক্রিকেটার মোহাম্মদ শামী এখন সুপ্রিম কোর্টে হাসিন জাহান-এর বিরুদ্ধে এক নতুন আইনি লড়াইয়ের মুখোমুখি। হাসিন জাহান, যিনি শামী থেকে আলাদা হয়েছেন, তার বিরুদ্ধে একের পর এক অবৈধ এবং অনৈতিক দাবি তুলে ধরছেন।
এই নতুন মামলায় হাসিন শামীকে মাসিক ₹৪ লক্ষ রক্ষণভোগী দেওয়ার পরও আরো বেশি টাকা দাবি করছেন, যা দেখে অনেকেই মনে করছেন, তিনি আইনকে নিজের সুবিধায় ব্যবহার করতে চাইছেন।
হাসিনের এই ধরনের দাবি নিয়ে আইনজীবী এবং সমাজের একাংশ ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু করেছে। প্রশ্ন উঠছে, যে আইন প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার রক্ষা করার জন্য, সেই আইন কি এখন শুধুমাত্র ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহৃত হবে?