Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

পেশাস্থলে মায়েদের উপস্থিতি: মা হওয়ার পর নায়িকাদের পেশাগত জীবন ও সমর্থন ব্যবস্থা

বর্তমানে শোবিজ ইন্ডাস্ট্রিতে মা হওয়ার পর পেশাগত জীবন চালানো একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি, একজন জনপ্রিয় নায়িকা মা হওয়ার পর ধারাবাহিক ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, কারণ তিনি তার সন্তানদের সঙ্গে বেশি সময় কাটাতে চান। এই সিদ্ধান্তের পর স্টুডিয়োপাড়া সরগরম হয়ে ওঠে, বিশেষত পরিচালকদের এবং অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। মা হওয়ার পর নায়িকাদের পেশায় উপস্থিতি নিয়ে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ থাকে। কিছু পরিচালক মনে করেন, মা হওয়ার পর একজন অভিনেত্রীর কাজের প্রতি মনোযোগ কমে যেতে পারে, তবে অন্যদিকে, কিছু পরিচালক মনে করেন, মাতৃত্ব অভিনেত্রীর অভিনয়ে গভীরতা যোগ করতে পারে। অভিভাবকরা মনে করেন, সন্তানের সুস্থ বিকাশের জন্য মা হওয়ার পর পরিবার এবং পেশার মধ্যে সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। তবে, পেশায় মা হিসেবে কাজ চালিয়ে যাওয়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়, কারণ শোবিজ ইন্ডাস্ট্রিতে কঠোর শিডিউল এবং দীর্ঘ সময় ধরে শুটিংয়ের চাপ থাকে।

বর্তমান সময়ে শোবিজ ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে  পেশায় মা হওয়া এবং মা হিসেবে পেশায় থাকার মধ্যে কোনটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ.মায়েদের কাজের ক্ষেত্রে কীভাবে তাঁদের ভূমিকা ও উপস্থিতি ব্যাখ্যা করা উচিত, তা নিয়ে আজকাল প্রায়ই আলোচনা উঠে আসে। বিশেষ করে চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির জন্য এই প্রশ্নটি কিছুটা আলাদা গুরুত্ব বহন করে, যেখানে একজন নায়িকার পেশাগত জীবন এবং মা হওয়ার বিষয়টি প্রায়শই পরস্পর সম্পর্কিত হয়ে থাকে। সম্প্রতি নতুন আলোচনার সূত্রপাত ঘটেছে যখন একজন জনপ্রিয় নায়িকা একটি জনপ্রিয় ধারাবাহিক ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি সরাসরি জানিয়েছেন যে, মা হওয়ার পর তাঁর পেশাগত জীবনে কিছু পরিবর্তন এসেছে এবং এখন তিনি তাঁর সন্তানদের সঙ্গে বেশি সময় কাটাতে চান। এই সিদ্ধান্তের পর স্টুডিয়োপাড়া সরগরম হয়ে উঠেছে, বিশেষত পরিচালকদের এবং অভিভাবকদের মধ্যে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। একদিকে যেমন কেউ কেউ তাঁর সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানাচ্ছেন, তেমনি অন্যদিকে প্রশ্ন উঠেছে  মা হওয়ার পর একজন নায়িকার কাজের গুরুত্ব কতটা কমে যেতে পারে এবং পেশায় মা হিসেবে সফল হওয়া কতটা সম্ভব শোবিজ ইন্ডাস্ট্রি এমন একটি জগৎ, যেখানে ব্যক্তিগত জীবন এবং পেশাগত জীবন একে অপরের সঙ্গে মিশে যায়। অনেকেই মনে করেন, একজন অভিনেত্রী বা টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব হতে গেলে ব্যক্তিগত জীবন একটি গোপনীয় বিষয় হওয়া উচিত, যা মঞ্চে বা পর্দায় আসা উচিত নয়। কিন্তু মা হওয়া, বিশেষ করে যখন একজন নারী মা হয়ে ওঠেন, তখন তাঁর জীবন সম্পূর্ণভাবে বদলে যায়। অনেক সময়ে তাঁর পেশাগত জীবনও তার সঙ্গে বদলে যেতে শুরু করে। নতুন দায়িত্ব এসে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সন্তান লালন-পালনের পাশাপাশি কাজের চাপও কিছুটা বেড়ে যায়, যা কোনো কোনো অভিনেত্রীকে পর্দা থেকে কিছুটা দূরে ঠেলে দেয়। যে সব নায়িকা তাঁদের কাজের প্রতি সম্পূর্ণরূপে নিবেদিত, তাঁরা মা হওয়ার পর বুঝতে পারেন যে এখন তাঁদের জীবন ও কাজে সমন্বয় করার জন্য নতুন পদ্ধতির প্রয়োজন। তাঁদের পেশা এবং পরিবার দুটোই একই সময়ে পরিচালনা করা কঠিন হয়ে ওঠে, বিশেষত যখন সন্তানরা ছোট থাকে। এছাড়া, অনেক অভিনেত্রীর ক্ষেত্রে সন্তান জন্ম দেওয়ার পর কর্মক্ষেত্রে তাঁদের গুরুত্ব কমে যেতে পারে। বেশ কিছু ক্ষেত্রে তাঁদের জন্য আগের মতো কাজের সুযোগ থাকে না, অথবা তাঁরা সেই ধরনের চরিত্রের জন্য উপযুক্ত মনে করা হয় না। কিন্তু এইসব পরিবর্তনের মধ্যে থেকেই অনেক মা তাঁদের ভূমিকা পেশায় প্রতিষ্ঠা করেন এবং নতুন উপায়ে নিজের ক্যারিয়ারকে পরিচালনা করার চেষ্টা করেন। এরই মধ্যে প্রশ্ন ওঠে - একজন নায়িকার সন্তান জন্ম দেওয়ার পর তাঁর পেশায় 'উপস্থিতি' কতটা গুরুত্বপূর্ণ? নায়িকারা যখন মায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন অনেকেই তাঁদের পেশাগত জীবন নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করেন। একদিকে সন্তানদের প্রতি ভালোবাসা এবং দায়বদ্ধতা থাকে, অন্যদিকে পেশাগত জীবনের প্রতি দায়বদ্ধতাও আরও বড় হয়ে ওঠে। অনেক ক্ষেত্রেই তাঁরা নিজেদের ক্যারিয়ারকে নতুনভাবে গড়তে চান - যেমন অন্য ধরনের চরিত্রে অভিনয় বা ভিন্ন ধরনের কাজ শুরু করা। কিন্তু শিশু যত বড় হতে থাকে, একজন মা বুঝতে পারেন যে কাজ এবং পরিবার দুটি একসঙ্গে একেবারে ভারসাম্যপূর্ণভাবে চালানো সম্ভব নয়। ফলে যখন একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ধারাবাহিক ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন, তখন এটি অনেকের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তৈরি করে - এটা কি তাঁর ব্যক্তিগত জীবন এবং পরিবারের প্রতি ভালোবাসার প্রমাণ, নাকি পেশাগত জীবন থেকে সরে আসা? মাতৃত্ব একজন নায়িকার জীবনে এক নতুন মাত্রা যোগ করে। তাঁরা নতুন করে জীবনের অর্থ খুঁজে পান এবং তাঁদের অগ্রাধিকার পরিবর্তিত হয়। অনেকেই এই সময় বুঝতে পারেন যে, শুধুমাত্র পেশাগত সাফল্য নয়, বরং সন্তানের সুস্থ বেড়ে ওঠা এবং পারিবারিক সুখও সমান গুরুত্বপূর্ণ। এই ভারসাম্য খুঁজে পাওয়া প্রতিটি কর্মজীবী মায়ের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। পেশায় মায়েদের উপস্থিতি এবং তাঁদের কাজের গুরুত্ব নিয়ে পরিচালকদের মধ্যে মতপার্থক্য বেশ লক্ষণীয়। অনেক পরিচালক মনে করেন, মা হওয়ার পর অভিনেত্রীদের প্রতি কিছুটা উদাসীনতা দেখা দিতে পারে, বিশেষত যদি তাঁরা সন্তানদের প্রতি অতিরিক্ত মনোযোগী হন। এই ক্ষেত্রে পরিচালকরা প্রায়ই চান যে তাঁদের নায়িকারা কাজে পূর্ণ মনোনিবেশ করুন, কারণ শুটিংয়ে কাজের দক্ষতা এবং সময় ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কঠোর শিডিউল, দীর্ঘ শুটিং এবং বিভিন্ন স্থানে অবস্থানভিত্তিক কাজের জন্য একজন অভিনেত্রীকে সর্বদা উপস্থিত থাকতে হয়। এই পরিস্থিতিতে মা হওয়ার পর অনেক নায়িকার পক্ষে সেই একই নিবিড়তা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। পরিচালকরা মনে করেন যে, যদি কোনো অভিনেত্রী তাঁর সন্তানের জন্য বেশি সময় চান বা শুটিংয়ের সময়সূচীতে নমনীয়তা প্রত্যাশা করেন, তাহলে তা প্রযোজনার জন্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। অন্যদিকে, বেশ কিছু সংবেদনশীল ও আধুনিক মানসিকতার পরিচালক মনে করেন যে, একজন মায়ের জীবন অভিজ্ঞতা এবং অনুভূতি তাঁর অভিনয়ে এক বিশেষ গভীরতা যোগ করতে পারে। মা হওয়ার পর অভিনেত্রীরা তাঁদের চরিত্রে এক ধরনের বাস্তবতা এবং আন্তরিকতা নিয়ে আসতে পারেন, যা তাঁদের অভিনয়কে আরও শক্তিশালী এবং প্রভাবশালী করে তোলে। এই ধরনের পরিচালকরা বিশ্বাস করেন যে, মাতৃত্বের অভিজ্ঞতা একজন অভিনেত্রীকে আরও পরিণত করে এবং তাঁর অভিনয়ে নতুন মাত্রা যোগ করে। তাঁরা মনে করেন যে, একজন মায়ের আবেগ, দায়বদ্ধতা এবং ত্যাগের ক্ষমতা যখন পর্দায় ফুটে ওঠে, তখন তা দর্শকদের সঙ্গে এক গভীর সংযোগ তৈরি করে। বিশেষত যখন কোনো চরিত্রে মাতৃত্বের উপাদান থাকে, তখন একজন বাস্তব মায়ের অভিনয় অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য এবং হৃদয়স্পর্শী হয়ে ওঠে। তবে পরিচালকদের মধ্যে একটি সাধারণ উদ্বেগ হলো সময়ের সীমাবদ্ধতা। একটি ধারাবাহিক বা চলচ্চিত্রের শুটিং একটি নির্দিষ্ট সময়সূচী অনুসরণ করে এবং যদি প্রধান চরিত্রে অভিনয়কারী ব্যক্তি নিয়মিত উপস্থিত থাকতে না পারেন, তাহলে তা পুরো প্রযোজনার জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। এই কারণেই কিছু পরিচালক ছোট শিশুর মা এমন অভিনেত্রীদের প্রধান চরিত্রে নিতে দ্বিধাগ্রস্ত হন। অভিভাবকদের জন্যও বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল। তাঁদের জীবনে সন্তানকে সঠিকভাবে বড় করা এবং তাদের জীবনের প্রতিটি দিক উপভোগ করা সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অনেক অভিভাবক মনে করেন যে, সন্তান জন্মগ্রহণ করার পর তার জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। তবে চলচ্চিত্র শিল্পে এই বিষয়টি কিছুটা জটিল, কারণ এখানে কঠোর শিডিউল, দীর্ঘ শুটিং সময় এবং বিভিন্ন প্রজেক্টের চাপ থাকে, যা মা হওয়ার পর একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে ওঠে। অভিভাবকরা বিশ্বাস করেন যে, সন্তানদের সুস্থভাবে বড় করার জন্য তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন এবং পেশাগত জীবন সঠিকভাবে সমন্বিত করতে হবে। প্রথম কয়েক বছর একটি শিশুর জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এই সময়ে পিতা মাতার উপস্থিতি শিশুর মানসিক ও আবেগিক বিকাশের জন্য অপরিহার্য। অনেক অভিভাবক তাই মনে করেন যে, এই সময়ে কাজের চাপ কমিয়ে সন্তানের সঙ্গে বেশি সময় কাটানো উচিত। তবে এখানে একটি বিষয় উল্লেখযোগ্য যে, প্রতিটি পরিবার ভিন্ন এবং তাঁদের পরিস্থিতিও ভিন্ন। কিছু পরিবারে পর্যাপ্ত সহায়তা ব্যবস্থা থাকে  যেমন দাদা দাদি, নানা নানি বা অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনের সাহায্য। এমন ক্ষেত্রে, একজন মা তাঁর কর্মজীবন চালিয়ে যেতে পারেন কারণ তাঁর সন্তান ভালো যত্নে থাকে। অন্যদিকে, যদি এমন সহায়তা না থাকে, তাহলে মাকেই প্রধান যত্নদাতা হিসেবে বেশি সময় দিতে হয়। অনেক আধুনিক অভিভাবক মনে করেন যে, একজন মায়ের নিজের পরিচয় এবং কর্মজীবন থাকা সন্তানের জন্যও ভালো। যখন একটি শিশু দেখে যে তাঁর মা একজন স্বাধীন, কর্মঠ এবং সফল ব্যক্তি, তখন সে নিজেও অনুপ্রাণিত হয়। এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে, পেশায় মায়ের উপস্থিতি শুধুমাত্র অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য নয়, বরং একটি ইতিবাচক রোল মডেল হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ। সমাজে মা হওয়া এবং কর্মজীবী হওয়া একটি জটিল সমন্বয় হতে পারে। এটি শুধুমাত্র একজন মায়ের ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গির বিষয় নয়, বরং সমাজের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকেও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ঐতিহ্যগতভাবে, অনেকেই মনে করতেন যে মা হওয়ার পর নারীদের কাজের ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়া বা পেশাগত অবস্থা সংকুচিত হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু আজকের দিনে এই ধারণা পরিবর্তিত হচ্ছে। আধুনিক সমাজে নারীরা একে অপরের সহায়ক হয়ে উঠছেন এবং একে অপরকে উৎসাহিত করছেন। নারী ক্ষমতায়নের এই যুগে, মায়েরা প্রমাণ করছেন যে তাঁরা পরিবার ও পেশা - দুটোই সফলভাবে সামলাতে সক্ষম। সামাজিক সহায়তা ব্যবস্থা, কর্মক্ষেত্রে নমনীয় নীতি এবং পরিবারের সহযোগিতা এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে সমাজে এখনও কিছু দ্বিচারিতা রয়ে গেছে। যখন একজন মা তাঁর ক্যারিয়ারকে প্রাধান্য দেন, তখন অনেক সময় তাঁকে 'খারাপ মা' বলে আখ্যায়িত করা হয়। আবার যখন তিনি সন্তানের জন্য কাজ ছেড়ে দেন, তখন তাঁকে 'উচ্চাকাঙ্ক্ষাহীন' বলে মনে করা হয়। এই ধরনের সামাজিক চাপ একজন কর্মজীবী মায়ের জন্য অতিরিক্ত মানসিক বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। শোবিজ ইন্ডাস্ট্রিতে এই চাপ আরও বেশি, কারণ এখানে একজন নায়িকার ব্যক্তিগত জীবন সবসময় জনসমক্ষে থাকে। তাঁর প্রতিটি সিদ্ধান্ত, প্রতিটি পদক্ষেপ মিডিয়া এবং জনসাধারণ দ্বারা পর্যবেক্ষিত এবং বিচার করা হয়। এমন পরিস্থিতিতে, একজন নায়িকা যখন মাতৃত্বের জন্য তাঁর কাজ ছেড়ে দেন বা কমিয়ে দেন, তখন তা ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে। একজন কর্মজীবী মায়ের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো কর্মক্ষেত্রে পর্যাপ্ত সহায়তা ও সুবিধা না থাকা। বিশেষ করে শোবিজ ইন্ডাস্ট্রিতে, যেখানে কাজের সময় অনিয়মিত এবং দীর্ঘ, সেখানে মাতৃত্ব ছুটি বা শিশু যত্নের সুবিধা অপর্যাপ্ত। অনেক প্রযোজনা সংস্থা এবং টেলিভিশন চ্যানেল এখনও মাতৃত্ববান্ধব নীতি গ্রহণ করেনি।যদি কর্মক্ষেত্রে নমনীয় সময়সূচী, শিশু যত্ন কেন্দ্র এবং মাতৃত্বকালীন সহায়তা ব্যবস্থা থাকে, তাহলে একজন মা তাঁর পেশা চালিয়ে যেতে আরও সক্ষম হবেন। পশ্চিমা দেশগুলিতে এই ধরনের সুবিধা ক্রমশ প্রচলিত হচ্ছে, কিন্তু ভারতীয় বিনোদন শিল্পে এখনও এই বিষয়ে অনেক উন্নতির সুযোগ রয়েছে। কিছু প্রগতিশীল প্রযোজনা সংস্থা এখন শুটিং শিডিউল এমনভাবে তৈরি করছে যাতে নতুন মায়েরা তাঁদের সন্তানের কাছে থেকেও কাজ করতে পারেন। শুটিং সেটে শিশুদের আনার অনুমতি, সংক্ষিপ্ত শুটিং সময় এবং নমনীয় কাজের ঘণ্টা  এই ধরনের ব্যবস্থা একজন কর্মজীবী মাকে ব্যাপকভাবে সাহায্য করতে পারে।নতুন প্রজন্মের পেশাগত মা হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং তারা বুঝতে পেরেছেন যে, তাদের পেশা এবং পরিবার সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। একজন নায়িকার জন্য পেশায় মা হওয়ার ব্যাপারটি একটি নতুন ভূমিকা তৈরি করে, যা তাকে নতুন দৃষ্টিতে ভাবতে শেখায়। তবে, একজন মায়ের পেশায় উপস্থিতি এবং কাজের গুরুত্ব তার ব্যক্তিগত অনুভূতি, অভিভাবকদের চিন্তা এবং পরিচালকদের প্রভাবের সমন্বয়ে নির্মিত হয়।

news image
আরও খবর
Preview image