Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

২৩ বছরের সম্পর্কে ফিকে নয়, বরং আরও গভীর বন্ধন—জিৎ জানেন কীভাবে বন্ধুত্ব টিকে রাখতে হয়,বললেন প্রিয়াঙ্কা

২৩ বছরে সম্পর্ক ফিকে নয়, বরং আরও গভীর হয়েছে, জিৎ জানে কীভাবে বন্ধুত্ব রাখতে হয়, প্রিয়াঙ্কা বলেন বিজ্ঞানী তথা অভিনেতা জিৎ এবং তার দীর্ঘদিনের বন্ধু প্রিয়াঙ্কার সম্পর্ক সত্যিই এক বিশেষ উদাহরণ। প্রায় ২৩ বছর ধরে এই বন্ধুত্ব এক টুকরো ইতিহাস হয়ে উঠেছে। প্রিয়াঙ্কা সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, তাদের সম্পর্ক কখনোই ফিকে হয়নি, বরং দিন যত এগিয়েছে, ততই গভীর হয়েছে। তার মতে, জীৎ জানে কীভাবে বন্ধুত্ব ধরে রাখতে হয়। তিনি বলেন, সম্পর্কের গাঢ়তা এবং একে অপরকে সম্মান জানানোই এমন একটি বন্ধন তৈরী করেছে যা যুগ যুগ ধরে টিকে থাকবে। তাদের বন্ধুত্বের গল্প যেমন অনুপ্রেরণামূলক, তেমনি অন্যদের কাছেও এটি সম্পর্কের মানে এবং সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি শেখানোর একটি সুন্দর উদাহরণ।


জিৎ এবং প্রিয়াঙ্কা সম্পর্কের মধ্যে সেরা কিছু উদাহরণ আমরা সমাজে দেখি, তবে খুব কম সংখ্যক বন্ধু থাকে, যারা একে অপরকে এত গভীরভাবে বোঝে এবং একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে থাকে। প্রিয়াঙ্কা এবং জীৎ এর সম্পর্ক তারই একটি অমুল্য উদাহরণ। ২৩ বছরের দীর্ঘ সম্পর্কের মধ্যে তারা একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এবং সহমর্মিতা দিয়ে যে বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছেন, তা শুধু তাদের মধ্যে নয়, বরং তাদের ভক্তদের মাঝেও অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সম্পর্কটি শুধুমাত্র তাদের ব্যক্তিগত জীবনের অংশ নয়, এটি একটি নিখুঁত বন্ধুত্বের মাপকাঠি যা আজকের দিনে বেশ বিরল।২৩ বছর একটি দীর্ঘ সময়, এবং সেই সময় ধরে ধরে বন্ধুত্বের এক গভীর বন্ধন গড়ে তোলা সহজ কাজ নয়। তবে প্রিয়াঙ্কা এবং জীৎ সেটা সফলভাবে করেছেন। প্রিয়াঙ্কা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, “জিৎ জানে কীভাবে বন্ধুত্বটা টিকিয়ে রাখা যায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, এই সম্পর্কের গভীরতা বেড়েছে।” তাদের সম্পর্কের ভিত্তি শুরু থেকেই ছিল সম্মান এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া। প্রিয়াঙ্কা বলেছেন, সম্পর্কের মাঝে কখনও কোনো প্রকার সংকটের সৃষ্টি হয়নি, বরং তাদের বন্ধুত্বই দিন দিন শক্তিশালী হয়েছে। এটা সত্যিই বিস্ময়কর যে তারা এত বছর ধরে একে অপরকে এত ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন। বন্ধুত্বের মধ্যে কখনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল না, বরং দুজনেই একে অপরকে নিজের জীবনের অংশ হিসেবে দেখেছেন। কখনো তারা একে অপরের ওপর চাপ সৃষ্টি করেননি। জীৎ এবং প্রিয়াঙ্কার বন্ধুত্বের সবচেয়ে বড় দিক হলো একে অপরের ব্যক্তিগত জীবনকে পুরোপুরি সম্মান দেওয়া এবং কখনো একে অপরের মধ্যে কোনো ধরনের সীমানা না টানা। বন্ধুত্বের ভিত্তি শুধু ভালোবাসা বা মনোযোগ নয়, বরং এটি সম্পর্কের মধ্যে আস্থা এবং সম্মানের ওপর নির্ভরশীল। প্রিয়াঙ্কা এবং জীৎ এই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে একে অপরের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক তৈরি করেছেন। যখনই কোনো সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন, তারা একে অপরকে পাশে পেয়েছেন, সমঝোতার মাধ্যমে পরিস্থিতি সমাধান করেছেন। একে অপরের দোষ-ত্রুটি তারা বরাবরই মেনে নিয়েছেন, কারণ তারা জানতেন যে বন্ধুত্বে কখনোই একে অপরকে পূর্ণতা দেওয়া বা সমর্থন করা জরুরি।প্রিয়াঙ্কা আরো জানিয়েছেন, "জিৎ এমন একজন মানুষ, যার সঙ্গে আমি চাইলেও কখনো ঝগড়া করতে পারব না, কারণ সে সবসময় সমঝোতার পথ বেছে নেয়।" এই কথাটি তাদের বন্ধুত্বের গভীরতা এবং সম্পর্কের সুন্দর দিকগুলোর একটি বাস্তব উদাহরণ। জীৎ এবং প্রিয়াঙ্কার বন্ধুত্বে সব সময় একে অপরের ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্ব ছিল। তারা কখনো একে অপরের জীবনে হস্তক্ষেপ করেননি, বরং একে অপরের সিদ্ধান্ত এবং ব্যক্তিগত সীমাবদ্ধতাকে সম্মান করেছেন। তারা জানতেন যে একে অপরের সঙ্গীত, অভিনয় অথবা জীবনের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দিক সম্পর্কে পরস্পরের মতামত এবং সমর্থন সেরা হতে পারে। এভাবেই তাদের বন্ধুত্বের মধ্যে একটি গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, যা শতাব্দীর পর শতাব্দী টিকে থাকতে সক্ষম হবে। একটি বড় উদাহরণ হলো তাদের কর্মজীবনেও তারা একে অপরকে সমর্থন করেছেন। যে সময় প্রিয়াঙ্কা তার ক্যারিয়ারের মধ্যমণি সময়ে ব্যস্ত ছিলেন, জীৎ সবসময় তার পাশে দাঁড়িয়ে তাকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছেন। প্রতিটি সাফল্যের মুহূর্তে এবং প্রতিটি প্রতিকূলতায়, তাদের বন্ধুত্বই ছিল সেই শক্তি, যা তাদের সফলতা ও শান্তি এনে দিয়েছে।  আজকের এই দ্রুতগামী এবং আধুনিক সমাজে, সম্পর্কগুলো অনেকটা সস্তা হয়ে যাচ্ছে। সম্পর্কের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি, জটিলতা এবং সন্দেহের সৃষ্টি হচ্ছে, যা বন্ধুত্বের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি করছে। তবে প্রিয়াঙ্কা এবং জীৎ তাদের বন্ধুত্বের মাধ্যমে এমন এক উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন, যা প্রমাণ করে যে সত্যিকারের বন্ধুত্ব কখনও পুরনো হয় না, বরং প্রতিনিয়ত শক্তিশালী হয়ে ওঠে। তাদের বন্ধুত্ব সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং মানবিক মূল্যবোধের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, যা আমাদের সবার জন্য এক
news image
আরও খবর
অনুপ্রেরণা। তাদের সম্পর্কের মধ্যে যে বন্ধুত্বের অমূল্য মূল্য রয়েছে, তা বর্তমান সমাজে আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। যেখানে সম্পর্কের মাঝে ঠাণ্ডা-গরম লাগছে, সেখানে প্রিয়াঙ্কা এবং জীৎ এর সম্পর্ক নিঃসন্দেহে এক স্বপ্নের মতো। তারা দেখিয়েছেন যে বন্ধুত্ব শুধু মধুর সম্পর্ক নয়, এটি একটি জীবনের অংশ হতে পারে, যা একে অপরকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। বন্ধুত্বের এই শক্তিশালী সম্পর্কটি পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে, যা আমাদের শেখাবে যে একে অপরকে সম্মান এবং ভালোবাসা দিয়ে বন্ধুত্বটি শক্তিশালী করা সম্ভব। জিৎ এবং প্রিয়াঙ্কার বন্ধুত্ব শুধু তাদের ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি সমাজে বন্ধুত্বের একটি নতুন সংজ্ঞা তৈরি করেছে। তারা প্রমাণ করেছেন যে বন্ধুত্বের মধ্যে যদি গভীরতা, সহানুভূতি, এবং শ্রদ্ধা থাকে, তবে সেই সম্পর্ক কখনো ভাঙবে না, বরং সময়ের সঙ্গে আরও শক্তিশালী হবে। আজকালকার সমাজে যেখানে সম্পর্কগুলো প্রাথমিকভাবে ‘সামাজিক মিডিয়া সম্পর্ক’ বা ‘নেতিবাচক’ দৃষ্টিভঙ্গিতে গড়ে ওঠে, সেখানে প্রিয়াঙ্কা এবং জীৎ এর বন্ধুত্ব আমাদের শেখায় যে প্রকৃত সম্পর্ক কেবল হৃদয়ে গড়ে ওঠে, যা আত্মবিশ্বাস, দায়িত্ব এবং ভালোবাসায় পরিপূর্ণ। তাদের বন্ধুত্বের মাধ্যমে এই বার্তা পৌঁছানোর মাধ্যমে আমাদের বুঝতে হবে যে, কেবল সময় নয়, সম্পর্কের ভিতরকার মানসিকতা এবং দৃষ্টিভঙ্গিও গুরুত্বপূর্ণ। এভাবেই, প্রিয়াঙ্কা এবং জীৎ এর সম্পর্ক ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি আলোকবর্তিকা হয়ে থাকবে। বন্ধুত্বের শক্তি এবং এর অমূল্য মূল্য বুঝতে পারা এবং সেই অনুযায়ী আমাদের সম্পর্ক তৈরি করা আমাদের সবার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।  ২৩ বছর একটি দীর্ঘ সময়, এবং সেই সময় ধরে ধরে বন্ধুত্বের এক গভীর বন্ধন গড়ে তোলা সহজ কাজ নয়। তবে প্রিয়াঙ্কা এবং জীৎ সেটা সফলভাবে করেছেন। দুজনের সম্পর্ক সম্পর্কে প্রিয়াঙ্কা সম্প্রতি বলেছেন, “জিৎ জানে কীভাবে বন্ধুত্বটা টিকিয়ে রাখা যায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, এই সম্পর্কের গভীরতা বেড়েছে।” তাদের সম্পর্কের ভিত্তি শুরু থেকেই ছিল সম্মান এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া। প্রিয়াঙ্কা বলেছেন, সম্পর্কের মাঝে কখনও কোনো প্রকার সংকটের সৃষ্টি হয়নি, বরং তাদের বন্ধুত্বই দিন দিন শক্তিশালী হয়েছে। জিৎ এবং প্রিয়াঙ্কার বন্ধুত্বের অন্যতম দিক হলো তারা কখনো একে অপরের ওপর চাপ সৃষ্টি করেননি। দুজনেই তাদের ব্যক্তিগত জীবনকে সম্মান জানিয়ে একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে থেকেছেন। এমনকি প্রিয়াঙ্কা আরও বলেন, “জিৎ এমন একজন মানুষ, যার সঙ্গে আমি চাইলেও কখনো ঝগড়া করতে পারব না, কারণ সে সবসময় সমঝোতার পথ বেছে নেয়।" এটি শুধু তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নয়, বরং একটি সমাজের মধ্যে বন্ধুত্বের অমূল্য মূল্যকেও তুলে ধরে। আজকের দিনে, যেখানে অনেক সম্পর্ক সস্তা হয়ে যায়, সেখানে তাদের বন্ধুত্ব এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে। বিজ্ঞানী তথা অভিনেতা জিৎ এবং তার দীর্ঘদিনের বন্ধু প্রিয়াঙ্কার সম্পর্ক সত্যিই এক বিশেষ উদাহরণ। প্রায় ২৩ বছর ধরে এই বন্ধুত্ব এক টুকরো ইতিহাস হয়ে উঠেছে। প্রিয়াঙ্কা সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, তাদের সম্পর্ক কখনোই ফিকে হয়নি, বরং দিন যত এগিয়েছে, ততই গভীর হয়েছে। তার মতে, জীৎ জানে কীভাবে বন্ধুত্ব ধরে রাখতে হয়। তিনি বলেন, সম্পর্কের গাঢ়তা এবং একে অপরকে সম্মান জানানোই এমন একটি বন্ধন তৈরী করেছে যা যুগ যুগ ধরে টিকে থাকবে। তাদের বন্ধুত্বের গল্প যেমন অনুপ্রেরণামূলক, তেমনি অন্যদের কাছেও এটি সম্পর্কের মানে এবং সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি শেখানোর একটি সুন্দর উদাহরণ।বিখ্যাত অভিনেতা জিৎ এবং তার বন্ধুত্বের সঙ্গী প্রিয়াঙ্কার সম্পর্ক নিয়ে নতুন এক সাক্ষাৎকার প্রকাশ পেতে যাচ্ছে। প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছেন, তাদের সম্পর্ক কখনোই ফিকে হয়নি, বরং ২৩ বছর ধরে এটি আরও গভীর হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “জিৎ জানে কীভাবে বন্ধুত্ব রাখতে হয়।” এই সাক্ষাৎকারে তাদের বন্ধুত্বের গভীরতা এবং সম্পর্কের সাফল্যের রহস্য খোলাসা হয়েছে।

Preview image