শ্রীময়ীর মজার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে কাঞ্চনকে নিয়ে শুরু হয় চর্চা, কিন্তু জানা যায় সবটাই রসিকতা।অলিভিয়া ও শোলাঙ্কির সঙ্গে কাঞ্চনের ছবি শেয়ার করে মজার ছলেই কটাক্ষকারীদের জবাব দিলেন শ্রীময়ী।ভাইরাল পোস্টে দম্পতির রসিকতা ফের প্রমাণ করল ট্রোলারদের হাসিয়েই উত্তর দিতে জানেন তারা।
বাংলা টেলিভিশন ও বিনোদনজগৎ সাম্প্রতিক সময়ে যত আলোচিত বা হেডলাইনে থাকা ব্যক্তিগত ঘটনাগুলোর সাক্ষী হয়েছে, তার মধ্যে অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক এবং তাঁর স্ত্রী অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টোরাজের দাম্পত্য জীবন নিঃসন্দেহে অন্যতম। জনপ্রিয়তা, সম্পর্কের সমীকরণ, ট্রোলিং, সোশ্যাল মিডিয়ার বিতর্ক—সব মিলিয়ে তাঁরা কখনও কখনও অনিচ্ছাকৃতভাবেই নজরকাড়া বিষয় হয়ে ওঠেন। কিন্তু এ-বার যা ঘটল, তা সম্পূর্ণ ভিন্ন স্বাদের। কোনও ঝামেলা নয়, কোনও বিবাদ নয়—বরং রসিকতাই পরিস্থিতিকে কেন্দ্রবিন্দুতে এনে ফেলল।
২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি, ভালোবাসা দিবসেই আইনি বিয়ে করেন কাঞ্চন ও শ্রীময়ী। এরপর মার্চে অনুষ্ঠিত হয় তাঁদের সামাজিক বিয়ে। দু’জনের প্রেম, সম্পর্কে স্থিরতা, বিবাহিত জীবনের হাসি-খুশি পরিবেশ—সব কিছু মিলিয়ে তাঁরা ছিলেন সমানভাবে ভক্ত-অনুরাগীদের ভালোবাসার কেন্দ্রবিন্দু। এবং মাত্র সাড়ে আট মাসের মাথায় তাঁদের জীবনে আসে কন্যা সন্তান কৃষভি। সন্তানের আগমনে মিলেছিল নতুন মাত্রা, নতুন আনন্দ।
যদিও তাঁদের জীবন প্রায়ই প্রকাশ্যে থাকে, তবু দু’জনই এমনভাবে নিজেদেরকে সামলান যে অনেকে তাঁদের রসবোধ, স্বচ্ছ স্বীকারোক্তি আর ট্রোলিং মোকাবিলার ধরণ দেখে মুগ্ধ হন। কিন্তু সাম্প্রতিক এক ইনস্টাগ্রাম পোস্ট পরিস্থিতিকে অন্যরকম আলোচনায় নিয়ে গেল। শ্রীময়ীর একটি মাত্র বাক্য—“কাঞ্চন আবার???? আর না প্লিজ।”—ইন্টারনেটে ব্যাপক চর্চা শুরু করে দিল। কেন তিনি এ কথা লিখলেন? কাকে উদ্দেশ্য করে বললেন? তবে কি দাম্পত্যে কোনও নতুন উত্তাপ?—এমন নানা প্রশ্ন উঠল নেটিজেনদের মনে।
পরে অবশ্য জানা যায়, আসলেই সবটাই ছিল মজার ছলে। কিন্তু ততক্ষণে আলোচনা ঘুরে গেছে নানা কোণায়। এই নিবন্ধে তাই আমরা বিশদে তুলে ধরব এই ঘটনা ঘিরে ওঠা বিতর্ক, নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া, দম্পতির রসিকতা এবং সামগ্রিকভাবে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব।
শুরুটা বলা যাক। কাঞ্চন মল্লিক বাংলা বিনোদনজগতের পরিচিত মুখ। অভিনেতা হিসেবে তাঁর বহুমুখী চরিত্রাভিনয় তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। কমেডি থেকে সিরিয়াস রোল—সবেতেই তাঁর স্বচ্ছন্দ ব্যবহার তাঁকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রেখেছে বছরের পর বছর।
অন্যদিকে শ্রীময়ী চট্টোরাজও নিজস্ব পরিচিতিসহ ছাপ রেখে চলেছেন অভিনয়ের দুনিয়ায়। তাঁর পর্দার উপস্থিতি, ব্যক্তিত্ব, এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি তাঁকে করে তোলে আলাদা।
এই দু’জনের সম্পর্ক প্রথম থেকেই ছিল আলোচনার কেন্দ্রে। সম্পর্ক স্বীকার থেকে বিয়ে পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপেই তাঁরা লোকচক্ষুর আড়ালে থাকেননি। বরং নিজেদের বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তে তাঁরা সবসময়ই স্বচ্ছ ছিলেন। তাঁদের বিয়ে শুধুই দু’জনের এক হওয়া নয়; বরং ছিল দুই পরিবারের, দুই বন্ধু মহলের এবং হাজারো ভক্তের আবেগকে একসঙ্গে বেঁধে দেওয়া।
বিয়ের কিছুদিন পরেই আসে তাঁদের কন্যা সন্তান কৃষভি। পিতৃত্ব-মাতৃত্বের নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করে দু’জনের জীবন আরো উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। কাঞ্চন প্রায়ই সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়েকে নিয়ে তাঁর আবেগ প্রকাশ করেন। অন্যদিকে শ্রীময়ীও মা হয়ে ওঠার নানা অনুভূতি শেয়ার করেন ফলোয়ারদের সঙ্গে। নতুন অতিথির আগমনে তাঁরা হয়ে ওঠেন আরও বেশি সংযুক্ত, আরও বেশি দায়বদ্ধ।
সব ভালোই চলছিল। হঠাৎই আসে বৃহস্পতিবারের সেই পোস্ট।
শ্রীময়ী তাঁর ইনস্টাগ্রামে দুটি ছবি শেয়ার করেন।
প্রথম ছবিতে কাঞ্চন রয়েছেন অভিনেত্রী অলিভিয়া সরকারের সঙ্গে।
দ্বিতীয় ছবিতে তিনি শোলাঙ্কি রায়ের সঙ্গে।
দুই ছবিতেই কাঞ্চন যথারীতি হাসিমুখে, আর অভিনেত্রীদের সঙ্গেও তাঁর বন্ধুত্বপূর্ণ মুহূর্ত স্পষ্ট।
কিন্তু ক্যাপশনেই আসল চমক—
বাক্যটি শোনামাত্রই নেট দুনিয়ায় শুরু হয় আলোচনা।
অনেকে ভাবলেন—
“নিশ্চয়ই কিছু হয়েছে!”
“সম্পর্কে কি আবার টালমাটাল?”
“এই ছবি কী বোঝায়?”
কারো কারো কাছে মনে হয়েছিল, এটি সম্ভবত ঈর্ষান্বিত বোধের প্রকাশ। তো আবার কেউ বলছিলেন এটি হয়তো রাগ বা ব্যঙ্গের ছলে লেখা।
কিন্তু যাঁরা কাঞ্চন–শ্রীময়ীর রসবোধ সম্পর্কে জানেন, তারা বিষয়টি নিয়ে এতটা চিন্তিত হননি। কারণ এই দম্পতি বরাবরই সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করেন হাস্যরসের মাধ্যমে কটাক্ষকারীদের জবাব দিতে।
শ্রীময়ীর পোস্ট উঠতেই মন্তব্য বক্সে নেমে আসে নানা প্রতিক্রিয়া।
— “দিদি, সব ঠিক তো?”
— “কাঞ্চনদা আবার কী করল?”
— “দম্পতির ঝামেলা নিয়ে আবার শুরু হবে আলোচনা।”
এদিকে কিছু নেটিজেন খুব স্বাভাবিকভাবে এটিকে রসিকতা বলেই ধরে নিয়েছিলেন। তাঁদের মতে—
“ইস! এ তো তাঁদের নিজস্ব স্টাইল। এমনই তো মজা করেন ওরা!”
ঠিকই তাই। মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে যায়, কোনও ঝামেলার ইঙ্গিত নয়, বরং পুরোটাই মূলত মজা।
কাঞ্চন ও শ্রীময়ীর সম্পর্কে ভক্তরা যা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করেন, তা হলো তাঁদের খোলামেলা যোগাযোগ। তাঁরা ট্রোলিং নিয়ে বিচলিত হন না। সম্পর্ক নিয়ে যেসব অযাচিত মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোরাফেরা করে, তার কিছু কিছু তাঁরা সুন্দরভাবে হাসিতে উড়িয়ে দেন। আবার কখনও ইচ্ছাকৃতভাবে এমন পোস্ট করেন যাতে বোঝা যায়—
“আমরা আছি, হাসছি, আর ভালোই আছি!”
শ্রীময়ীর সাম্প্রতিক পোস্টও তারই উদাহরণ। একই সঙ্গে এটি কটাক্ষ ছিল তাঁদের প্রতি, যাঁরা সাধারণ বন্ধুত্বকেও নানা রকম রসাল ব্যাখ্যা দিতে ব্যস্ত থাকেন।
ইদানীং অভিনেতা–অভিনেত্রীদের ছোটখাটো মুহূর্ত বা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনর্থক গল্প তৈরি হয়ে যায়। কোনও দুই ব্যক্তির ছবিই কখনও কখনও হয়ে ওঠে ভুয়ো গসিপ তৈরি করার উপাদান। শ্রীময়ী তাই আগাম কটাক্ষের ভঙ্গিতে নিজেদের অভ্যন্তরীণ রসিকতা প্রকাশ করে বুঝিয়ে দিলেন—
“আমরা দেখছি, আর মজা নিয়েই সব সামলাচ্ছি।”
আজকের দিনে সোশ্যাল মিডিয়া যেমন অনেক ইতিবাচক যোগাযোগের মাধ্যম, তেমনি ভুল ব্যাখ্যারও বড় উৎস। বিশেষ করে তারকাদের ব্যক্তিগত জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত—
কোথায় গেলেন,
কাকে সঙ্গ দিলেন,
কী ক্যাপশন দিলেন—
সবকিছু নিয়েই শুরু হয় ব্যাখ্যার ঢেউ।
শ্রীময়ীর পোস্ট তাই একভাবে নেটিজেনদের সামনে আয়না ধরার মতো।
যাঁরা ভাবতে পছন্দ করেন “নিশ্চয় কিছু লুকিয়ে আছে”, তাঁদের উদ্দেশেই মূলত ছিল তাঁর রসিক বার্তা।
এমনকি তাঁরা ইচ্ছাকৃতভাবেই এমন বাক্যচয়ন বেছে নেন যাতে প্রথমে চমক লাগলেও পড়তে পড়তে বোঝা যায়—
এটি তাদের নিজস্ব হিউমার।
যদিও এই নির্দিষ্ট ঘটনার ক্ষেত্রে কাঞ্চনের আলাদা কোনও মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যায়নি, তবে তাঁর স্বভাবগত আচরণই বোঝায়—
তিনি এসব বিষয়কে অত্যন্ত নির্বিকারভাবে নেন।
অভিনেতা হিসেবে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তাঁকে শিখিয়েছে—সোশ্যাল মিডিয়া কখনও সত্য বলে, কখনও কল্পনা।
তাই নিজের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো তিনি বাস্তবের ওপরেই রাখেন।
কাঞ্চন–শ্রীময়ীর ব্যক্তিগত বন্ধন এবং সন্তানের আগমনে তাঁদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। তাঁদের অভ্যন্তরীণ বোঝাপড়া এমনই যে, বাইরের মন্তব্য তাদের প্রভাবিত করার সুযোগ পায় না।
এমন ঘটনা প্রকাশ্যে এলে অনেক দম্পতি বিব্রত বোধ করেন, কিন্তু কাঞ্চন–শ্রীময়ী বরাবরই অন্যদের থেকে আলাদা। তাঁরা জানেন—যত বেশি হাস্যরসের সঙ্গে জীবনকে নেওয়া যায়, তত সহজ হয় প্রতিকূল অবস্থাকেও সামাল দেওয়া।
বরং এই দম্পতি বারবার প্রমাণ করেছেন—
হাসি-ঠাট্টা দিয়ে উত্তেজনাময় পরিস্থিতি প্রশমিত করা যায়।
শ্রীময়ীর পোস্টের মাধ্যমে আসলে যাঁদের উদ্দেশে এই রসিকতা, তাঁরা হলেন সে সমস্ত মানুষ যারা—
• দুই মানুষের বন্ধুত্ব মানেই সম্পর্ক ধরে নেন,
• সামান্য একটি ছবিকে বিতর্কের কেন্দ্রে ঠেলে দেন,
• দম্পতির জীবন নিয়ে অকারণ গুজব ছড়ান।
একটি মজার পোস্টের মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন,
“আমরা বিন্দুমাত্র বিচলিত নই।”
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, রসিকতা কখনও কখনও মানুষের উপলব্ধিকে আরও তীক্ষ্ণ করে তোলে। ট্রোলাররা যেখানে ভাবেন তাঁদের মন্তব্য অভিনেতাদের বিচলিত করবে, সেখানে উল্টো হাসিই তাঁদের নিরস্ত করে দেয়।
মানুষ যতই সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে, ব্যক্তিগত জীবনের বিষয়ে স্বচ্ছতা ও গোপনীয়তার ভারসাম্য ততই কঠিন হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে কাঞ্চন ও শ্রীময়ী যেভাবে তাঁদের সম্পর্ককে উপস্থাপন করেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
তাঁরা নিজেরাই নিজের গল্প বলেন।
নিজেরাই নিজের জীবনকে তুলে ধরেন।
কেউ ভুল ব্যাখ্যা করলে—তাঁরা নিজস্ব রসবোধে তা সংশোধন করেন।
এই খোলামেলা মনোভাব তাঁদেরকে শুধু ভক্তদের কাছেই নয়, বরং অনেক সাধারণ মানুষের কাছেও বিশেষভাবে সমাদৃত করেছে।
অলিভিয়া সরকার ও শোলাঙ্কি রায়ের সঙ্গে কাঞ্চনের সেই ছবিগুলোতেও ছিল সম্পূর্ণ স্বাভাবিকতার ছাপ। তিনজনই বন্ধু, এবং ইন্ডাস্ট্রির সহকর্মী। অভিনয় দুনিয়ায় কাজের সূত্রে বা ইভেন্টে এমন ছবি হওয়াই স্বাভাবিক।
কিন্তু সামাজিক মানসিকতা এখনো এমন জায়গায় দাঁড়িয়ে যেন পুরুষের নারীসঙ্গ মানেই অন্যরকম দৃষ্টিভঙ্গি। শ্রীময়ী সেই জায়গাটিকেই ক্যাপশনের ভঙ্গিতে কটাক্ষ করেন।
প্রশ্ন উঠে আসে—
কেন পুরুষ–নারীর বন্ধুত্ব আজও এত বিতর্কের জন্ম দেয়?
শ্রীময়ী তাঁর সেই পোস্টের মাধ্যমে এই দীর্ঘদিনের স্টেরিওটাইপকেই আঘাত করলেন হাসিমুখে।
দাম্পত্য সম্পর্ক টিকে থাকে ভালোবাসা, বিশ্বাস, সম্মান ও যোগাযোগের ওপর। আর কিছু দম্পতি আরও একটা জিনিস যোগ করতে পারেন—রসিকতা।
কাঞ্চন–শ্রীময়ী সেই দম্পতিদের মধ্যেই পড়েন।
তাঁরা জানেন, দুই জনের সম্পর্কের ভিত যত মজবুত হবে, বাহিরের চাপ ততই সহজে সামলানো যাবে।
এ কারণেই শ্রীময়ীর পোস্ট যতটা আলোচনার জন্ম দিয়েছে, ততটাই প্রমাণ করেছে—
তাঁদের সম্পর্কের ভিত শক্ত।
ঘটনাটি যদিও এক দিনের ট্রেন্ড, তবুও সমাজের মানসিকতা নিয়ে নতুন করে ভাবতে সাহায্য করে।
ভক্তদের প্রত্যাশা হল—
অভিনেতারা তাঁদের কাজের জন্য আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকুক, ব্যক্তিগত সম্পর্কের জন্য নয়।
কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টোরাজ দম্পতি এই প্রত্যাশাকে পূরণ করতে সচেষ্ট।
তাঁরা কাজ, পরিবার, সন্তান—সব মিলিয়ে এক সুন্দর ভারসাম্য বজায় রাখছেন।
পুরো ঘটনার সারমর্ম হলো—একটি সাধারণ মজার পোস্টই মানুষের উৎসুক মনোভাবকে চাঙ্গা করে তুলতে পারে। কিন্তু শেষমেশ স্পষ্ট হয়ে যায়,
এটি কোনও ঝামেলার ইঙ্গিত নয়, বরং একটি সুস্থ সম্পর্কের সুস্বাদু রসিকতা।
দাম্পত্যজীবনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পারস্পরিক বিশ্বাস।
আর সেই বিশ্বাসকেই বারবার প্রমাণ করেছেন কাঞ্চন ও শ্রীময়ী।
তাঁরা দেখিয়েছেন—
আর এই হাসিই তাঁদের সম্পর্ককে করে তুলেছে আরও স্থির, আরও পরিণত।
সোশ্যাল মিডিয়ার যুগেও সুস্থ সম্পর্ক কেমন হয়—সেই উদাহরণ তাঁরা আবারও রাখলেন সকলের সামনে।