Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

শীতের বিদায় বেলায় মনোরম আবহাওয়া দুই বঙ্গে, ফেব্রুয়ারি থেকেই কি প্যাচপ্যাচে গরম?

কনকনে ঠান্ডা না থাকলেও সকাল সন্ধ্যায় বেশ অনুভূত হচ্ছে হালকা শীতের আমেজ বেলা গড়ালেই বাড়ছে রোদের তেজ উত্তুরে হাওয়ার প্রভাবে আপাতত এমনই থাকবে দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রা  তবে এই মনোরম এই আবহাওয়া বেশি দিন থাকবে না দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস আগামী সপ্তাহে দক্ষিণবঙ্গ থেকে পাকাপাকি ভাবে বিদায় নিতে পারে শীত

ফেব্রুয়ারির শুরুতে পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে আবহাওয়ার চরিত্রে স্পষ্ট শীতের ছোঁয়া এখনও অনুভূত হচ্ছে। যদিও ক্যালেন্ডারে বসন্তের দিকে এগোচ্ছে সময় বাস্তবে দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গ দু’প্রান্তেই তাপমাত্রা এবং কুয়াশার প্রভাব আলাদা আলাদা ভাবে নজর কাড়ছে। কলকাতা থেকে শুরু করে জেলা শহর, আবার পাহাড়ি এলাকা থেকে উত্তরবঙ্গের সমতল সব জায়গাতেই আবহাওয়া নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতূহল বেড়েছে।

মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গত কয়েক দিনের তুলনায় খুব একটা বেশি নয়। সোমবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ছিল ১৫.১ ডিগ্রি। অর্থাৎ দিন ও রাতের তাপমাত্রার ব্যবধান এখনও যথেষ্ট রয়েছে। সকাল ও গভীর রাতের দিকে শীতের অনুভূতি থাকলেও, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তাপে কিছুটা উষ্ণতা ফিরে আসছে।

শুধু কলকাতা নয়  দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলিতেও একই রকম চিত্র দেখা যাচ্ছে। মঙ্গলবার শ্রীনিকেতনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে তুলনামূলক ভাবে কম। কল্যাণীতে সর্বনিম্ন নেমেছে ১১.২ ডিগ্রিতে, বাঁকুড়ায় ১৩.০ এবং ঝাড়গ্রামে ১৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই পরিসংখ্যানই বলছে, দক্ষিণবঙ্গের বহু এলাকায় রাতের দিকে এখনও হালকা থেকে মাঝারি শীত অনুভূত হচ্ছে।

দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ার আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল ভোরের কুয়াশা। প্রায় সব জেলাতেই সকালবেলায় হালকা কুয়াশা দেখা যাচ্ছে। রাস্তা-ঘাট মাঠঘাট এমনকি শহরের উঁচু দালানেও কুয়াশার পাতলা চাদর চোখে পড়ছে। তবে সূর্য ওঠার পর পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যাচ্ছে। রোদ উঠতেই কুয়াশা কেটে গিয়ে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে এবং দিনের বেলা আবহাওয়া থাকছে স্বাভাবিক ও শুষ্ক।

আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই শীতল পরিস্থিতি খুব বেশি দিন স্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করবে এবং তা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছতে পারে  অর্থাৎ আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শীতের বিদায় ঘণ্টা বেজে যাবে এবং গরমের উপস্থিতি টের পাওয়া যাবে। দিনের বেলা রোদ আরও প্রখর হবে, রাতের শীতও কমতে থাকবে।

অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া এই মুহূর্তে বেশ মনোরম হলেও সেখানে কুয়াশার দাপট অনেক বেশি। দার্জিলিং  জলপাইগুড়ি  কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুরে ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। বিশেষ করে ভোর ও রাতের শেষ প্রহরে দৃশ্যমানতা অনেকটাই কমে যাচ্ছে যার প্রভাব পড়ছে যান চলাচলের উপরও।

দার্জিলিংয়ের পার্বত্য অঞ্চলে তাপমাত্রা এখনও বেশ নিচে রয়েছে। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশেই ঘোরাফেরা করছে। পাহাড়ি এলাকায় ঠান্ডা বাতাস ও কুয়াশার মিলিত প্রভাব শীতের আমেজ বজায় রেখেছে। পর্যটকদের কাছে এই আবহাওয়া আকর্ষণীয় হলেও স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য সকাল ও রাতের ঠান্ডা কিছুটা কষ্টকর হয়ে উঠছে।

উত্তরবঙ্গের সমতল এলাকাগুলিতে তাপমাত্রা তুলনামূলক ভাবে বেশি হলেও, সেখানেও শীতের প্রভাব পুরোপুরি কাটেনি। জলপাইগুড়ি কোচবিহার কিংবা উত্তর দিনাজপুরের মতো জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। দিনের বেলা আবহাওয়া আরামদায়ক হলেও ভোরের কুয়াশা ও ঠান্ডা বাতাসের কারণে সকাল শুরু হচ্ছে ধীর গতিতে।

আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আপাতত উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রায় বিশেষ কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ আগামী কয়েক দিন এই মনোরম কিন্তু কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে। তবে সময় এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে, মার্চের শুরুতেই উত্তরবঙ্গেও ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদেরা।

সব মিলিয়ে বলা যায়, পশ্চিমবঙ্গে এখন এক রকমের ‘সংক্রমণকালীন’ আবহাওয়া চলছে—পুরোপুরি শীতও নয়, আবার গ্রীষ্মের দাপটও এখনও শুরু হয়নি। দক্ষিণবঙ্গে দিনের বেলা উষ্ণতা বাড়লেও রাতের শীত এখনও স্বস্তি দিচ্ছে। উত্তরবঙ্গে আবার কুয়াশা ও ঠান্ডার মিশেলে প্রকৃতি এক অন্য রূপে ধরা দিচ্ছে। এই সময়টুকু তাই অনেকের কাছেই বছরের সবচেয়ে আরামদায়ক সময়, আবার কারও কাছে পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে।


ফেব্রুয়ারির শুরুতেই পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়ায় শীতের রেশ এখনও স্পষ্টভাবে টের পাওয়া যাচ্ছে। যদিও ক্যালেন্ডার অনুযায়ী শীত বিদায়ের পথে, বাস্তবে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সকাল ও রাতের ঠান্ডা আবহাওয়া মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলছে। কলকাতা থেকে শুরু করে দক্ষিণবঙ্গের জেলা এবং উত্তরবঙ্গের পাহাড় ও সমতল সব জায়গাতেই আবহাওয়ার আলাদা আলাদা ছবি সামনে আসছে।

মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ২৫.৯ ডিগ্রিতে এবং সর্বনিম্ন ছিল ১৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ দিনের তুলনায় রাত ও ভোরের দিকে ঠান্ডা এখনও অনুভূত হচ্ছে। সকালের দিকে হালকা শীতের আমেজ থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তাপে সেই ঠান্ডা অনেকটাই কমে যাচ্ছে। শহরবাসীর কাছে এই আবহাওয়া তুলনামূলক ভাবে স্বস্তিদায়ক হলেও, ভোরের দিকে বেরোলে এখনও গরম জামাকাপড়ের প্রয়োজন পড়ছে।

শুধু কলকাতা নয়, দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলিতেও একই রকম পরিস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মঙ্গলবার শ্রীনিকেতনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। কল্যাণীতে পারদ ছিল ১১.২ ডিগ্রি, বাঁকুড়ায় ১৩.০ এবং ঝাড়গ্রামে ১৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই পরিসংখ্যান থেকেই বোঝা যাচ্ছে, দক্ষিণবঙ্গের বহু এলাকায় রাতের শীত এখনও বেশ অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে খোলা জায়গা ও গ্রামাঞ্চলে ঠান্ডার দাপট শহরের তুলনায় কিছুটা বেশি।

দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই ভোরের দিকে হালকা কুয়াশা দেখা যাচ্ছে। রাস্তা, মাঠ ও জলাশয়ের উপর পাতলা কুয়াশার আস্তরণ পড়ছে। তবে সূর্য ওঠার পর খুব দ্রুত পরিস্থিতির পরিবর্তন হচ্ছে। রোদ উঠতেই কুয়াশা কেটে গিয়ে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে এবং দিনের বেলা আবহাওয়া থাকছে শুষ্ক ও উজ্জ্বল। বৃষ্টির সম্ভাবনা না থাকায় স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে না বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

আবহাওয়াবিদদের মতে এই শীতল পরিস্থিতি খুব বেশি দিন স্থায়ী হবে না। ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করবে এবং তা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। অর্থাৎ মাসের শেষভাগে দিনের বেলা গরমের অনুভূতি স্পষ্ট হবে, যদিও রাতের ঠান্ডা ধীরে ধীরে কমে আসবে।

news image
আরও খবর

অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া আপাতত বেশ মনোরম হলেও কুয়াশার প্রভাব সেখানে অনেক বেশি। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুরে ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। বিশেষ করে ভোরের দিকে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় যান চলাচলে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় তাপমাত্রা এখনও বেশ নিচে রয়েছে। সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যেই ঘোরাফেরা করবে বলে পূর্বাভাস। ঠান্ডা বাতাস ও কুয়াশার মিলিত প্রভাবে পাহাড়ে শীতের আমেজ বজায় রয়েছে। সমতলের উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি হলেও তা ১৪ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যেই থাকবে।

আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আপাতত উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রায় বিশেষ কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ আগামী কয়েক দিন এই মনোরম কিন্তু কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে। সব মিলিয়ে বলা যায়, পশ্চিমবঙ্গে এখন শীত ও আসন্ন গরমের মাঝামাঝি এক রূপান্তরের সময় চলছে, যা আগামী দিনের আবহাওয়ার ইঙ্গিতও দিচ্ছে।

আবহাওয়া দপ্তরের পক্ষ থেকে দার্জিলিং জলপাইগুড়ি  কোচবিহার ও উত্তর দিনাজপুরে ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে ভোরের দিকে কুয়াশার ঘনত্ব এতটাই বেশি হচ্ছে যে, অনেক জায়গায় দৃশ্যমানতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে সড়ক ও রেল যোগাযোগের উপরও। সকালের দিকে যানবাহন চালানোর সময় চালকদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোথাও কোথাও ট্রেন ও বাস চলাচলেও সাময়িক ধীরগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় শীত এখনও পুরোপুরি কাটেনি। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দার্জিলিং ও সংলগ্ন পাহাড়ি অঞ্চলে তাপমাত্রা আপাতত ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যেই ঘোরাফেরা করবে। ঠান্ডা বাতাস, কুয়াশা ও মাঝে মাঝে মেঘলা আকাশ—সব মিলিয়ে পাহাড়ে শীতের পরিবেশ বজায় রয়েছে। সকালের দিকে পাহাড় ঢেকে যাচ্ছে কুয়াশার চাদরে, যা পর্যটকদের কাছে একদিকে যেমন আকর্ষণীয়, তেমনই স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য ঠান্ডাজনিত কিছুটা ভোগান্তির কারণ হয়ে উঠছে।

দার্জিলিংয়ের পাশাপাশি কালিম্পং ও কার্শিয়াংয়ের মতো পাহাড়ি এলাকাতেও একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করছে। ভোরের দিকে তাপমাত্রা কম থাকায় গরম পোশাক ছাড়া বাইরে বেরোনো কঠিন হয়ে পড়ছে। যদিও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূর্যের আলো মিলতেই তাপমাত্রা সামান্য বাড়ছে এবং শীতের তীব্রতা কিছুটা কম অনুভূত হচ্ছে।

উত্তরবঙ্গের সমতল জেলাগুলিতেও শীতের প্রভাব এখনও রয়েছে, যদিও তা পাহাড়ের তুলনায় কম। জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং উত্তর দিনাজপুরে তাপমাত্রা সাধারণত ১৪ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যেই ঘোরাফেরা করছে। দিনের বেলা আবহাওয়া বেশ মনোরম থাকছে, কিন্তু ভোরের দিকে কুয়াশা ও ঠান্ডা বাতাসের কারণে শীতের অনুভূতি স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

সমতলের জেলাগুলিতে কুয়াশার প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেশি সময় ধরে থাকছে। অনেক জায়গায় সকাল ৯টা বা তার পরেও কুয়াশা পুরোপুরি কাটছে না। ফলে কৃষিকাজ, বিশেষ করে সবজি চাষ ও ধান কাটার পরবর্তী কাজের ক্ষেত্রে কিছুটা অসুবিধা হচ্ছে বলে জানাচ্ছেন কৃষকেরা। তবে অন্যদিকে, এই আবহাওয়া শীতকালীন সবজি ও ফসলের জন্য উপযোগী বলেই মত কৃষি বিশেষজ্ঞদের।

আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আপাতত উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রায় বিশেষ কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। অর্থাৎ আগামী কয়েক দিন এই ঠান্ডা ও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া বজায় থাকতে পারে। নতুন করে কোনও তীব্র শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা নেই, আবার হঠাৎ তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ারও সম্ভাবনা খুব কম। ফলে উত্তরবঙ্গের মানুষজন আপাতত এই মনোরম আবহাওয়ার মধ্যেই দিন কাটাতে পারবেন।

পর্যটনের দিক থেকেও এই আবহাওয়া বেশ গুরুত্বপূর্ণ। শীতের শেষ লগ্নে দার্জিলিং ও ডুয়ার্স অঞ্চলে পর্যটকের সংখ্যা সাধারণত বেড়ে যায়। সকালের কুয়াশা, ঠান্ডা হাওয়া আর দিনের বেলায় নরম রোদ এই সংমিশ্রণ পাহাড়প্রেমী ও প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে আলাদা আকর্ষণ তৈরি করে। তবে কুয়াশার কারণে পাহাড়ি রাস্তায় চলাচলের সময় সাবধানতা অবলম্বন করা অত্যন্ত জরুরি বলে সতর্ক করেছেন প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময় ঠান্ডা ও কুয়াশার কারণে সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট ও অ্যালার্জিজনিত সমস্যা বাড়তে পারে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা প্রয়োজন। ভোর ও রাতে গরম পোশাক ব্যবহার, কুয়াশার সময় অপ্রয়োজনীয় বাইরে বেরোনো এড়িয়ে চলা এবং পর্যাপ্ত গরম খাবার গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।

সব মিলিয়ে বলা যায়, উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া এখন এক আরামদায়ক কিন্তু সতর্কতামূলক পর্যায়ে রয়েছে। একদিকে মনোরম শীত ও প্রকৃতির সৌন্দর্য, অন্যদিকে ঘন কুয়াশার কারণে দৈনন্দিন জীবনে কিছুটা বাড়তি সাবধানতার প্রয়োজন। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই পরিস্থিতি আপাতত অপরিবর্তিত থাকলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মার্চের শুরুতে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। ততদিন পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের পাহাড় ও সমতলে শীত ও কুয়াশার এই যুগলবন্দিই প্রকৃতির মূল সুর হয়ে থাকবে।

Do you like this personality?

 

Preview image