Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

মমতার গাজোল জনসভা ঘিরে চূড়ান্ত প্রস্তুতি, নিরাপত্তা খতিয়ে দেখল পুলিশ ও প্রশাসন

মালদা:- আগামী ৩রা ডিসেম্বর মালদার গাজোলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলীয় জনসভাকে ঘিরে প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে। শুক্রবার গাজোল কলেজ মাঠের সভাস্থল পরিদর্শন করলেন মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ আধিকারিকরা। সঙ্গে ছিলেন জেলা পুলিশের একাধিক শীর্ষ আধিকারিক। ছিলেন সভার উদ্যোক্তা জেলা তৃণমূলের একাধিক নেতানেত্রী। এদিন মাঠ পরিদর্শনকালে হাজির ছিলেন জেলা তৃণমূলের সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী সহ অন্যান্যরা। সকলের উপস্থিতিতে এদিন মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ আধিকারিকরা গাজোল মাঠ পরিদর্শন করেন। কোথায় সভামঞ্চ হচ্ছে, কোথায় হচ্ছে হেলিপ্যাড, পার্কিংজোন ইত্যাদি নানান বিষয় তারা খতিয়ে দেখেন। মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার সুনিশ্চিত করতে কোথায় কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখেন বলে জানা গেছে।

রাজনীতি

মালদার গাজোলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভা ঘিরে সর্বোচ্চ সতর্কতা: প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে, নিরাপত্তা পরিদর্শনে উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের সমন্বয়

মালদা জেলার গাজোলে আগামী ৩রা ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ দলীয় জনসভা। ইতিমধ্যেই সভাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে পৌঁছেছে। মাঠ প্রস্তুতি, নিরাপত্তা বলয়, জনসমাগমের ব্যবস্থা, যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ—সবকিছুই খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে রাজ্য প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও দলীয় সংগঠনের তরফে। শুক্রবার গাজোল কলেজ মাঠের নির্দিষ্ট সভাস্থল পরিদর্শনে আসেন মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা একাধিক সিনিয়র পুলিশ আধিকারিক। তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মালদা জেলা পুলিশের শীর্ষ স্তরের অফিসাররা, জেলা নেতৃত্ব, তৃণমূল কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীরা, এবং সভার মূল উদ্যোক্তারা। মাঠ পরিদর্শনের সময় জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী নিজেও উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালীন বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কী কী বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন, কোথায় কীভাবে ব্যারিকেড বসবে, কোথায় ভিআইপি পথ তৈরি হবে, কোথায় হবে সাধারণ মানুষের প্রবেশপথ, কোথায় মিডিয়ার অবস্থান হবে—এসবই অত্যন্ত গভীরভাবে খতিয়ে দেখেন নিরাপত্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকরা। এর পাশাপাশি হেলিপ্যাডের অবস্থান, মুখ্যমন্ত্রীর নামার পথ, জরুরি বহির্গমন পথ, অ্যাম্বুলেন্স ও মেডিক্যাল টিমের ব্যবস্থা এবং সমগ্র এলাকা ঘিরে নিরাপত্তা বলয় তৈরির বিষয়েও বিস্তারিত পরিকল্পনা আলোচনা হয়।ছিলেন সভার উদ্যোক্তা জেলা তৃণমূলের একাধিক নেতানেত্রী। এদিন মাঠ পরিদর্শনকালে হাজির ছিলেন জেলা তৃণমূলের সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী সহ অন্যান্যরা। সকলের উপস্থিতিতে এদিন মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ আধিকারিকরা গাজোল মাঠ পরিদর্শন করেন। কোথায় সভামঞ্চ হচ্ছে, কোথায় হচ্ছে হেলিপ্যাড, পার্কিংজোন ইত্যাদি নানান বিষয় তারা খতিয়ে দেখেন। মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার সুনিশ্চিত করতে কোথায় কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখেন বলে জানা গেছে।


গাজোল কলেজ মাঠ পরিদর্শন: নিরাপত্তা কেন্দ্রীক তৎপরতা

শুক্রবার সকাল থেকেই গাজোল কলেজ মাঠে প্রশাসনের ব্যস্ততা নজর কাড়ে। বড় বড় মাচা তৈরি হচ্ছে, মাইক বসানো হচ্ছে, তার টানা হচ্ছে, লাইটিং সিস্টেম তৈরি করা হচ্ছে। মাঠের চারদিকে নজরদারি ক্যামেরা বসানোর প্রস্তুতিও চলছে। সভাস্থলকে ঘিরে পরিকল্পনামাফিক চারটি ভিন্ন নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সমগ্র পরিদর্শন, পর্যবেক্ষণ ও প্রস্তুতিমূলক কাজের মধ্যমণি ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপের (SPG সমতুল্য রাজ্য নিরাপত্তা টিম) অফিসাররা। তারা প্রথমেই মাঠটির আকার, জনসমাগমের সম্ভাব্য পরিমাণ, মঞ্চের স্থানচিহ্ন, এবং ভিআইপি চলাচলের পরিবেশ বিচার করেন। এরপর তারা জেলা পুলিশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনায় বসেন।

মালদা জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর সফর হওয়ার কারণে কোনও ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি নেওয়া হবে না। জেলা পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ডি.ওয়াই.এস.পি-রা মাঠে ঘুরে ঘুরে প্রতিটি জায়গা পরিদর্শন করেন। কোথায় পুলিশের মোতায়েন হবে, কোথায় সিভিক ভলান্টিয়ার থাকবে, কোথায় কীভাবে ডগ স্কোয়াড ও বোম স্কোয়াড মোতায়েন হবে—এসবই সুক্ষ্মভাবে নির্ধারিত হয়।


মঞ্চ প্রস্তুতি থেকে হেলিপ্যাড: প্রতিটি স্তরে নজরদারি

সভাস্থলের ভেতরে মুখ্যমন্ত্রীর মঞ্চ কোন জায়গায় হবে, মঞ্চের উচ্চতা, মঞ্চের বাম ও ডান দিকের প্রবেশ ও প্রস্থান পথ—সবকিছুই খুঁটিয়ে দেখা হয়।

মঞ্চের পিছনে নিরাপত্তার জন্য তৈরি করা হচ্ছে আলাদা একটি সুরক্ষিত জোন। মুখ্যমন্ত্রী যেখানে বসবেন বা দাঁড়াবেন, সেই অংশে বিশেষভাবে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত লাইট, দ্রুত নামার সিঁড়ি, জরুরি নির্গমন পথ রাখা হবে। মঞ্চের সামনের অংশে মালদার সাধারণ মানুষের জন্য আলাদা আসন ব্যবস্থা তৈরি করা হচ্ছে।

এছাড়াও পরিদর্শন দল গাজোল কলেজ মাঠের পাশেই অবস্থিত নির্দিষ্ট হেলিপ্যাড এলাকাটিও পর্যবেক্ষণ করে। হেলিপ্যাডের চারদিক পরিষ্কার রাখা হয়েছে, যাতে মুখ্যমন্ত্রীর হেলিকপ্টার নিরাপদে অবতরণ করতে পারে। হেলিপ্যাডের জন্য আলাদা পুলিশ ক্যাম্প এবং অস্থায়ী মেডিক্যাল ইউনিটও তৈরি করা হচ্ছে।

সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ইঞ্জিনিয়ার, পুলিশ, প্রশাসনিক আধিকারিক এবং নিরাপত্তা দলের প্রতিনিধিরা মিলে ম্যাপের উপর চিহ্নিত করে নিচ্ছিলেন কোন কোন জায়গায় কী দায়িত্ব দেওয়া হবে।


পুলিশ ও প্রশাসনের সমন্বয়: মালদায় নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার

প্রতিবারের মতো এবারও মুখ্যমন্ত্রীর সভা ঘিরে প্রশাসন অতিরিক্ত সতর্ক। গোয়েন্দা বিভাগের রিপোর্ট, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের তথ্য, জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি—সবকিছু মাথায় রেখে বহুস্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে।

নিরাপত্তার পরিকল্পনায় থাকছে—

  • জেলা পুলিশ

  • সিভিক ভলান্টিয়ার

  • বিশেষ টহলদারি

  • ডগ স্কোয়াড

  • বোম স্কোয়াড

  • লুকানো ক্যামেরাযুক্ত নজরদারি

  • ট্র্যাফিক কন্ট্রোল ইউনিট

  • ড্রোন সার্ভেইলেন্স

  • অ্যান্টি-স্যাবোটাজ টিম

সভাস্থলের চারপাশে শুরু হয়ে গেছে চেকিং। প্রত্যেক দর্শনার্থীর প্রবেশের সময় মেটাল ডিটেক্টর গেট ব্যবহার করা হবে।


তৃণমূল নেতৃত্বের উপস্থিতি: মাঠের কাজ তদারকি

পরিদর্শনে ছিলেন জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী, মহকুমা সভাপতি, ব্লক তৃণমূল সভাপতি, বিভিন্ন ফ্রন্টের নেতা-নেত্রীরা। দলীয় নেতৃত্ব প্রশাসনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মাঠের প্রস্তুতি দেখছেন।

তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য—“মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের মানুষের ভালোবাসার প্রতীক। হাজার হাজার মানুষ এখানে আসবেন। তাই কোনও ত্রুটি রাখা যাবে না।”

মঞ্চের প্রস্তুতির পাশাপাশি জনসভায় সম্ভাব্য ভিড় নিয়ন্ত্রণেও বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভা মানেই মালদায় বিপুল সমাগম—এ কথা মাথায় রেখে পার্কিং জোন, পথ নির্দেশক বোর্ড, পানীয় জলের ব্যবস্থা, মেডিক্যাল ইউনিট—সবকিছুতেই বাড়তি নজরদারি চলছে।


জনসভাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসবের আমেজ

গাজোল ব্লক জুড়ে মানুষের মধ্যে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা লক্ষ করা যাচ্ছে। জায়গায় জায়গায় পোস্টার-ব্যানার লাগানো হয়েছে, তৃণমূলের পতাকা উড়ছে। স্থানীয়দের মতে, মুখ্যমন্ত্রীকে দেখার জন্য দূরদূরান্ত থেকেও মানুষ আসবেন।

news image
আরও খবর

তার উপরে মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণ সবসময় মানুষের মন ছুঁয়ে যায়—যে কারণে সাধারণ মানুষের আগ্রহও আকাশছোঁয়া।


ট্রাফিক কন্ট্রোল ও জনসমাগম ব্যবস্থাপনা

জেলার ট্রাফিক পুলিশ ইতিমধ্যেই একটি স্পেশাল রুট ম্যাপ তৈরি করেছে।

  • কোন রাস্তা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যাবেন

  • কোন রাস্তা দিয়ে সাধারণ মানুষ প্রবেশ করবে

  • জরুরি রাস্তা কোনটি

  • কোন কোন জায়গা এড়িয়ে চলতে হবে

সবকিছু আগেভাগে জানিয়ে দেওয়া হবে।

এদিনের বৈঠকে ট্রাফিক বিভাগ জানায়, মুখ্যমন্ত্রীর আগমনের আগে রাস্তা পরিষ্কার, বাম্পার চেক, সাইড রোড সিগন্যাল, ডাইভারশন প্ল্যান—সবই করা হবে।


প্রশাসনের বক্তব্য: নিরাপত্তায় কোনও খামতি থাকবে না

মালদা জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন,
“মুখ্যমন্ত্রীর সফর মানেই সর্বোচ্চ নিরাপত্তা। প্রতিটি বিষয় খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। মাঠ প্রস্তুতি, ভিড় নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা বলয়—সবই রাজ্য সরকারের নির্দেশ মেনে করা হচ্ছে।”

পুলিশের এক সিনিয়র অফিসার জানান,
“গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী কোনও ঝুঁকি নেই। তবে কোনও ঝুঁকি নেওয়া হবে না—এটাই নীতি।”


সভাস্থলের চারদিকে নজরদারি ক্যামেরা

প্রশাসন নূন্যতম ৩০–৪০টি সিসিটিভি ক্যামেরা বসাচ্ছে। প্রয়োজন হলে সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। এর পাশাপাশি বিশেষ স্নাইপার টিমও থাকবে ছাদের ওপর।

মঞ্চ, দর্শকাসন, প্রবেশদ্বার, সাংবাদিকদের জায়গা—প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান নজরদারির আওতায় থাকবে।


হেলিপ্যাডের প্রস্তুতিতে অতিরিক্ত সতর্কতা

মুখ্যমন্ত্রী সাধারণত গাজোল সফরে হেলিকপ্টারে আসেন। সেই কারণেই—

  • হেলিপ্যাডের চারপাশে নিরাপত্তা বলয়

  • আগাছা পরিষ্কার

  • ফায়ার টেন্ডার মোতায়েন

  • রিজার্ভ জেনারেটর

  • মেডিক্যাল টিম

  • ল্যান্ডিং সিগন্যাল সিস্টেম
    আগেভাগে দেখে রাখা হচ্ছে।

হেলিপ্যাড তৈরির জন্য বিশেষজ্ঞ দল এসে মাঠ সমতল করছে এবং প্রতিটি পাথর, কাঠ, ধাতু সরিয়ে ফেলছে।


মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্ভাব্য ভাষণ: কী থাকতে পারে?

রাজনৈতিক মহলের মতে, মুখ্যমন্ত্রী মালদার উন্নয়ন, বিভিন্ন প্রকল্প, কেন্দ্রীয় বঞ্চনা, যুব-ছাত্র-বীরসা–আদিবাসী–কৃষক–মহিলা উন্নয়ন নিয়ে বড় ঘোষণা করতে পারেন। এছাড়াও ২০২৪–২৫ সালের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিজেপিকে আক্রমণ করে তিনি দলীয় কর্মীদের আরও উজ্জীবিত করতে পারেন।


উপসংহার

মালদার গাজোলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভা ঘিরে প্রশাসনিক ও দলীয় তৎপরতা এখন চরমে। নিরাপত্তা, প্রস্তুতি, সমন্বয়—সবকিছুই চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়। মাঠ প্রস্তুতি থেকে শুরু করে মঞ্চ, দর্শক আসন, নিরাপত্তা বলয়, যাতায়াত নির্দেশ—সবই সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও কঠোর নজরদারিতে করা হচ্ছে।

৩রা ডিসেম্বর মালদা জেলাবাসীর জন্য একটি বিশেষ দিন হতে চলেছে। মানুষ মুখিয়ে আছে মুখ্যমন্ত্রীকে এক ঝলক দেখার জন্য। আর প্রশাসন ও দলীয় নেতৃত্ব প্রস্তুত আছে জনসভা নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে।

Preview image