মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় রাজ্য সরকারের জনমুখী পথশ্রী প্রকল্পের অধীনে আউসগ্রাম ১ ব্লকের বেরেন্ডা অঞ্চলে উন্নয়নের আরও এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হল। বেরেন্ডা পঞ্চায়েতের অন্তর্গত শ্রীকৃষ্ণপুর ও সুমাইপুর গ্রামে দুটি নতুন রাস্তার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যার অবসান ঘটল বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এই রাস্তা দুটি চালু হওয়ায় এলাকার মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াত যেমন সহজ হবে, তেমনই গ্রামীণ অর্থনীতি ও সামাজিক জীবনেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন মানচিত্রে আরও এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হল আউসগ্রাম–১ ব্লকের বেরেন্ডা অঞ্চলে। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় রাজ্য সরকারের অন্যতম জনমুখী প্রকল্প পথশ্রী প্রকল্পের অধীনে বেরেন্ডা পঞ্চায়েতের অন্তর্গত শ্রীকৃষ্ণপুর ও সুমাইপুর গ্রামে দুটি নতুন রাস্তার উদ্বোধন সম্পন্ন হল। এই উদ্বোধনের মাধ্যমে শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতিই নয়, গ্রামীণ জীবনের সার্বিক অগ্রগতির বার্তাও তুলে ধরা হল।
দীর্ঘদিন ধরেই এই দুই গ্রামের মানুষ ভালো রাস্তার অভাবে নানান সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন। বর্ষাকালে কাদা, জল জমে চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যেত, অসুস্থ রোগী নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ত, পড়ুয়াদের স্কুলে যাতায়াতে সমস্যা হত এবং কৃষিপণ্য বাজারে নিয়ে যেতে ভোগান্তি পোহাতে হত। সেই সমস্যার অবসান ঘটিয়ে পথশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে তৈরি হওয়া এই নতুন রাস্তা গ্রামবাসীদের কাছে যেন বহুদিনের স্বপ্নপূরণ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঘিরে বেরেন্ডা অঞ্চলে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আউসগ্রাম–১ ব্লকের বিডিএম ও নীলাদ্রি পাল, বেরেন্ডা পঞ্চায়েতের পঞ্চায়েত প্রধান মরিয়ম খাতুন, বেরেন্ডা অঞ্চলের অঞ্চল সভাপতি হাকিম শেখ, যুব সভাপতি ফিরোজ আলী সহ একাধিক জনপ্রতিনিধি ও তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শ্রীকৃষ্ণপুর বুথের বুথ সভাপতি নবী নেওয়াজ মল্লিক ও সেখ নিজামুল হক, শ্যামসুন্দর প্রামানিক সহ এলাকার বহু তৃণমূল কর্মী ও সমর্থকরা।
দীর্ঘদিন ধরে শ্রীকৃষ্ণপুর ও সুমাইপুর গ্রামের মানুষ কাঁচা রাস্তার সমস্যায় ভুগছিলেন। বর্ষাকালে জল জমে রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ত, ফলে স্কুলে পড়ুয়াদের যাওয়া, রোগীদের হাসপাতালে পৌঁছানো কিংবা কৃষিপণ্য বাজারে নিয়ে যাওয়া অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে উঠত। পথশ্রী প্রকল্পের অধীনে এই দুটি রাস্তা নির্মাণ হওয়ায় সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হল বলে জানাচ্ছেন গ্রামবাসীরা।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অঞ্চলের সভাপতি হাকিম শেখ বলেন, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে উন্নয়নের কাজ করে চলেছেন, সেই অনুপ্রেরণাতেই আউসগ্রাম–১ ব্লকের বেরেন্ডা অঞ্চলেও মানুষের পাশে থেকে কাজ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, উন্নয়নই তৃণমূল কংগ্রেসের মূল লক্ষ্য এবং সেই উন্নয়নের মাধ্যমেই মানুষের আস্থা অর্জন করা সম্ভব।
এদিন একাধিক বুথ সভাপতি ও স্থানীয় কর্মীরা হাকিম শেখের ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁদের বক্তব্যে উঠে আসে, এলাকার কোনও মানুষ যদি কোনও সমস্যায় পড়েন, তাহলে হাকিম শেখ সবসময় পাশে থেকে সহযোগিতা করেন। প্রশাসনিক কাজ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যার সমাধান পর্যন্ত তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন বলেও জানান তাঁরা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকেই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক বার্তাও উঠে আসে। নেতৃত্বের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে যায় যে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই আগামী দিনে মানুষের সমর্থন আরও জোরদার করার লক্ষ্য নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সব মিলিয়ে বলা যায়, বেরেন্ডা অঞ্চলে পথশ্রী প্রকল্পের অধীনে এই দুটি রাস্তার উদ্বোধন শুধু পরিকাঠামোগত উন্নয়
এই রাস্তা উদ্বোধন উপলক্ষে বেরেন্ডা অঞ্চলে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। গ্রামবাসীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আউসগ্রাম–১ ব্লকের বিডিএম ও নীলাদ্রি পাল, বেরেন্ডা পঞ্চায়েতের পঞ্চায়েত প্রধান মরিয়ম খাতুন, বেরেন্ডা অঞ্চলের অঞ্চল সভাপতি হাকিম শেখ, বেরেন্ডা অঞ্চলের যুব সভাপতি ফিরোজ আলী সহ একাধিক জনপ্রতিনিধি ও তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শ্রীকৃষ্ণপুর বুথের বুথ সভাপতি নবী নেওয়াজ মল্লিক ও সেখ নিজামুল হক, বিশিষ্ট তৃণমূল কর্মী শ্যামসুন্দর প্রামানিক সহ এলাকার এক ঝাঁক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী ও সমর্থকরা। তাঁদের উপস্থিতিতে গোটা অনুষ্ঠানটি যেন এক রাজনৈতিক ও সামাজিক মিলনমেলায় পরিণত হয়।
পথশ্রী প্রকল্প রাজ্য সরকারের এমন একটি উদ্যোগ, যার মূল লক্ষ্য গ্রামীণ এলাকায় উন্নত ও টেকসই সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলেছেন, “রাস্তা মানেই শুধু পিচ নয়, রাস্তা মানেই উন্নয়নের পথ।” সেই ভাবনাকে সামনে রেখেই রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকায় এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।
বেরেন্ডা পঞ্চায়েতের শ্রীকৃষ্ণপুর ও সুমাইপুরে এই দুটি রাস্তা নির্মাণের ফলে কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং স্থানীয় ব্যবসা—সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। গ্রামবাসীদের মতে, এই রাস্তা তৈরি হওয়ায় এখন খুব সহজেই বাজার, ব্লক অফিস, হাসপাতাল ও স্কুলে যাতায়াত করা সম্ভব হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একাধিক বুথ সভাপতি ও তৃণমূল কর্মীরা বেরেন্ডা অঞ্চলের অঞ্চল সভাপতি হাকিম শেখের ভূমিকায় পঞ্চমুখে প্রশংসা করেন। তাঁদের বক্তব্যে উঠে আসে, বেরেন্ডা অঞ্চলের কোনও মানুষ যদি কোনও সমস্যায় পড়েন, তাহলে হাকিম শেখ সবসময় তাঁদের পাশে দাঁড়ান।
বুথ সভাপতিরা জানান, ব্যক্তিগত সমস্যা থেকে শুরু করে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে হাকিম শেখ নিরলসভাবে কাজ করেন। মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নেওয়া, সমস্যার কথা শুনে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা—এই গুণগুলির জন্যই তিনি এলাকার মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।
একজন বুথ সভাপতির কথায়, “আমরা শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নয়, একজন অভিভাবক হিসেবে হাকিম শেখকে পাশে পাই।”
উদ্বোধনী মঞ্চ থেকেই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দেন অঞ্চল সভাপতি হাকিম শেখ। তিনি বলেন, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে রাজ্যজুড়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে একের পর এক উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন, সেই পথ অনুসরণ করেই আউসগ্রাম–১ ব্লকের বেরেন্ডা অঞ্চলেও তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে।
হাকিম শেখ আরও বলেন, “মানুষের পাশে থাকাই আমাদের রাজনীতির মূল ভিত্তি। উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করেই আমরা ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ককে জয়যুক্ত করব।”
এই বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে যায় যে উন্নয়নমূলক কাজের পাশাপাশি রাজনৈতিক সংগঠন মজবুত করার দিকেও নজর দিচ্ছে শাসক দল।
রাস্তা উদ্বোধনের পর গ্রামবাসীদের মধ্যে স্বস্তি ও খুশির আমেজ চোখে পড়ে। বহু প্রবীণ গ্রামবাসী জানান, এতদিন কাঁচা রাস্তার কারণে তাঁদের দৈনন্দিন জীবনে অসুবিধা হত। এখন পাকাপোক্ত রাস্তা হওয়ায় তাঁদের জীবন অনেক সহজ হবে।
একজন কৃষক বলেন, “আগে ফসল নিয়ে বাজারে যেতে অনেক কষ্ট হত। এখন রাস্তা হওয়ায় ট্রাক বা ভ্যান সহজেই আসতে পারবে।” অন্যদিকে, এক গৃহবধূ জানান, অসুস্থ হলে হাসপাতালে যেতে আর আগের মতো ভয় লাগবে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের উন্নয়নমূলক প্রকল্প শুধু পরিকাঠামোর উন্নয়ন নয়, রাজনৈতিক আস্থার ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা রাখে। যখন মানুষ নিজের চোখে উন্নয়ন দেখতে পায়, তখন সরকারের প্রতি বিশ্বাস আরও দৃঢ় হয়।
পথশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে তৈরি হওয়া এই রাস্তা বেরেন্ডা অঞ্চলে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক শক্তিকে আরও মজবুত করবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন দর্শনের মূল ভিত্তি হল প্রান্তিক মানুষকে মূল স্রোতে আনা। রাস্তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা—এই সব ক্ষেত্রেই তাঁর সরকারের একাধিক প্রকল্প রয়েছে। বেরেন্ডা অঞ্চলে পথশ্রী প্রকল্পের অধীনে রাস্তা উদ্বোধন সেই দর্শনেরই বাস্তব প্রতিফলন।
সব মিলিয়ে বলা যায়, আউসগ্রাম–১ ব্লকের বেরেন্ডা অঞ্চলের শ্রীকৃষ্ণপুর ও সুমাইপুরে পথশ্রী প্রকল্পের অধীনে দুটি রাস্তার উদ্বোধন শুধুমাত্র একটি উন্নয়নমূলক কাজ নয়, বরং এটি গ্রামীণ জীবনের পরিবর্তনের প্রতীক। এই রাস্তা যেমন মানুষের দৈনন্দিন জীবন সহজ করবে, তেমনই রাজনৈতিকভাবে আগামী দিনের প্রস্তুতির দিকেও ইঙ্গিত দিচ্ছে।
মানুষের পাশে থেকে কাজ করা, উন্নয়নের মাধ্যমে আস্থা অর্জন করা এবং সেই আস্থাকে পুঁজি করে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক লড়াই—এই তিনটি বিষয়ই যেন এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।