Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

পূর্ব মেদিনীপুরে জমিয়ত উলামা হিন্দের উদ্যোগে SIR সচেতনতা কর্মসূচি: সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর নেতৃত্বে বিভ্রান্তি দূরীকরণে জেলা কর্মী-সভা

শনিবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মেছেদা শান্তিপুর ব্লকে জমিয়ত উলামায়ে হিন্দের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হল SIR সচেতনতা কর্মসূচি ও জেলা কর্মী-সভা। মাদ্রাসা ইমাদাদুল উলুমের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই সভায় পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং পুরুলিয়া জেলার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য জমিয়ত উলামা হিন্দের সভাপতি মাওলানা সিদ্দীকুল্লা চৌধুরী সাহেব। সিদ্দীকুল্লা চৌধুরী তাঁর বক্তৃতায় SIR প্রকল্পের সঠিক উদ্দেশ্য তুলে ধরেন এবং বলেন, “এই প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নানা সরকারি সুবিধা পেতে পারবে, তবে কিছু ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছেন। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে এই বিভ্রান্তি দূর করা এবং প্রকল্পটির সঠিক সুবিধা সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে জানানো।” এছাড়া, মুফতী ইয়াহইয়া ক্বাসেমী, মুফতি শাহরুল আলম ক্বাসেমী, সৈয়দ আব্দুস সামাদ, মুফতি ইব্রাহীম ক্বাসেমী, ক্বারী তৈয়বসহ আরও বহু নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা দেন। তাঁরা বলেন, SIR প্রকল্প শিক্ষার্থীদের জন্য এক বড় সুযোগ, তবে সঠিকভাবে এটি জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে হবে। তারা সকলকে আহ্বান জানান যাতে মানুষ এসআই–এর মাধ্যমে তাদের তথ্য সঠিকভাবে আপডেট করে এবং বিভ্রান্তি দূর করতে সহায়তা করে। এই সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলার বিভিন্ন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, যারা সবার প্রতি আহ্বান জানান, একযোগে কাজ করে এই প্রকল্পটির সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে। সভায় একযোগভাবে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন অঞ্চলে শিবির আয়োজনের কথাও বলা হয়, যেখানে মানুষকে সঠিক তথ্য দেওয়া হবে এবং তাদের সকল শঙ্কার সমাধান করা হবে। পরিশেষে, মাওলানা সিদ্দীকুল্লা চৌধুরী বলেন, “এটি শুধু একটি সরকারি উদ্যোগ নয়, এটি আমাদের দায়িত্বও। SIR প্রকল্পের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে আমরা সমাজের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে পারব।”

পূর্ব মেদিনীপুরে জমিয়ত উলামা হিন্দের উদ্যোগে SIR সচেতনতা কর্মসূচি: সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর নেতৃত্বে বিভ্রান্তি দূরীকরণে জেলা কর্মী-সভা
রাজনীতি

পূর্ব মেদিনীপুর জেলা ও মেছেদা শান্তিপুর ব্লক জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত SIR সচেতনতা কর্মসূচি ও জেলা কর্মী-সভা: এক বিশদ প্রতিবেদন

শনিবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মেছেদা শান্তিপুর ব্লকে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা, যেখানে সারা পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। মাদ্রাসা ইমাদাদুল উলুমের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই সভাটি ছিল অত্যন্ত সফল এবং আলোচনা–বিতর্কে ভরপুর। সভার মূল উদ্দেশ্য ছিল SIR (Student Information Registration) বিষয়ে জনমনে যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে, তা দূর করা এবং সচেতনতা বাড়ানো।

এই সভায় উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য জমিয়তে উলামা হিন্দের সভাপতি মাওলানা সিদ্দীকুল্লাহ চৌধুরী সাহেব, যিনি প্রধান বক্তা হিসেবে আলোচনা করেন। তাঁর বক্তব্যে তিনি SIR নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভিন্ন ভুল বোঝাবুঝি ও বিভ্রান্তির বিষয়টি তুলে ধরেন এবং সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, "SIR একটি উদ্যোগ, যা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও স্বচ্ছ করতে সাহায্য করবে। তবে, আমাদের দায়িত্ব হল, সকলকে এর সঠিক উদ্দেশ্য বুঝিয়ে দেওয়া এবং এর সুফল সম্পর্কে অবহিত করা।"

এছাড়া, মুফতী ইয়াহইয়া ক্বাসেমী, মুফতি শাহরুল আলম ক্বাসেমী, সৈয়দ আব্দুস সামাদ, মুফতি ইব্রাহীম ক্বাসেমী, ক্বারী তৈয়ব, আব্দুল গাফফার, সেক মনখুশ আলি, আদিল হোসেন, মাওলানা জামিল, হাজী হাসান আলি, সেক হাপিজুল রহমান, মাস্টার জিয়াউর রহমান, আফতাব আলি মল্লিক এবং মুফতী আরিফ বিল্লাহ ক্বাসেমী–সহ আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব বক্তব্য রাখেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন, কারণ তারা সবাই সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে SIR–এর সঠিক উপকারিতা সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানান।

এই সভার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল SIR নিয়ে জনমনে যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা করা। বক্তারা সবার কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছানোর জন্য সুশৃঙ্খলভাবে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন। মাওলানা সিদ্দীকুল্লাহ চৌধুরী সাহেব বলেন, "SIR প্রকল্পটি আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, কিন্তু দুঃখজনকভাবে কিছু ভুল তথ্য ও গুজব এর সফলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। আমাদের কাজ হল, এই ভুল ধারণাগুলোর অবসান করা এবং প্রকল্পটি সঠিকভাবে সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরা।"

মুফতী ইয়াহইয়া ক্বাসেমী ও মুফতি শাহরুল আলম ক্বাসেমী জানিয়ে দেন, "বিভ্রান্তি দূর করতে আমাদের প্রতি অঞ্চলে সচেতনতা শিবির চালানো হবে, যাতে মানুষ প্রকল্পটির উদ্দেশ্য এবং তার সুফল সম্পর্কে সঠিকভাবে জানতে পারেন।" মুফতি ইব্রাহীম ক্বাসেমী আরও বলেন, "SIR প্রকল্পের সঠিক প্রয়োগ শিক্ষার্থীদের জন্য বড় ধরনের সুবিধা আনতে পারে, তবে তার জন্য সঠিক তথ্যের প্রয়োজন।"

বক্তারা সবাই একমত হন যে, রাজনৈতিক বা সামাজিক অস্থিরতার কারণে যদি প্রকল্পটি সঠিকভাবে কার্যকর না হয়, তবে তা অনেকের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই সঠিক তথ্যের প্রচারে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

SIR প্রকল্পটি মূলত শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহের একটি উদ্যোগ। এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের ডাটা সংগ্রহ করা হয় এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে সরকার বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন সরকারি সুযোগ–সুবিধা যেমন স্কলারশিপ, শিক্ষামূলক সাহায্য ইত্যাদি পেতে পারে।

এছাড়া, SIR শিক্ষার্থীদের আরও উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থার দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি পদ্ধতি হতে পারে, যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে তার শিক্ষাগত দক্ষতা ও প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করা হবে। তবে, এই প্রক্রিয়ার সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করার জন্য সকলের মধ্যে সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সদস্যরা জানান, "SIR প্রকল্পটি যদি সঠিকভাবে পরিচালিত হয়, তবে এটি সমাজের পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য এক বড় সুযোগ হতে পারে। সরকারের বিভিন্ন সুযোগ–সুবিধা তাদের কাছে পৌঁছে দিতে এই প্রকল্পের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"

এটি শুধুমাত্র একটি সচেতনতা কর্মসূচি ছিল না, বরং এক সম্মিলিত প্রয়াস ছিল যেখানে মাদ্রাসা ইমাদাদুল উলুমের আয়োজনে সারা পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং পুরুলিয়া জেলার বিভিন্ন প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এটি এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যেখানে সারা পশ্চিমবঙ্গের জমিয়তের নেতৃত্ব একত্রিত হয়ে নিজেদের উদ্দেশ্য স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন।

মাওলানা সিদ্দীকুল্লা চৌধুরী সাহেব বলেন, "এটি শুধু একটি ধর্মীয় সংগঠনের কাজ নয়, এটি একটি সামাজিক দায়িত্বও। আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে, যাতে এই প্রকল্পটি সফল হয় এবং প্রত্যেক শিক্ষার্থী এর সুবিধা পায়।"

news image
আরও খবর

সভায় বিভিন্ন মুফতি, ক্বারী, শিক্ষক এবং সমাজসেবীরা উপস্থিত ছিলেন, যারা তাদের নিজ নিজ অঞ্চলে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। তাঁরা জানিয়েছেন যে, আগামী দিনে স্থানীয় পর্যায়ে আরও বেশি সচেতনতা শিবির আয়োজন করা হবে এবং SIR প্রকল্পের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে জনগণকে এগিয়ে আসতে আহ্বান জানানো হবে।

এই সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য জমিয়তে উলামা হিন্দের সভাপতি মাওলানা সিদ্দীকুল্লা চৌধুরী সাহেব। তিনি তাঁর বক্তৃতায় SIR প্রকল্পের সঠিক উদ্দেশ্য এবং এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি হওয়া সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি জানান, "SIR প্রকল্পটি একটি দারুণ উদ্যোগ, তবে সাধারণ মানুষ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ বিষয়ে কিছু ভুল ধারণা রয়েছে, যা আমাদের সঠিকভাবে জানাতে হবে।"

এছাড়া, মুফতী ইয়াহইয়া ক্বাসেমী, মুফতি শাহরুল আলম ক্বাসেমী, সৈয়দ আব্দুস সামাদ, মুফতি ইব্রাহীম ক্বাসেমী, ক্বারী তৈয়ব, আব্দুল গাফফার, সেক মনখুশ আলি, আদিল হোসেন, মাওলানা জামিল, হাজী হাসান আলি, সেক হাপিজুল রহমান, মাস্টার জিয়াউর রহমান, আফতাব আলি মল্লিক এবং মুফতী আরিফ বিল্লাহ ক্বাসেমী—সহ একাধিক বক্তা SIR প্রকল্পের সঠিক প্রয়োগ নিয়ে তাঁদের বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা এই প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধা যেমন স্কলারশিপ, শিক্ষামূলক সহায়তা ইত্যাদি প্রদান করা হবে বলে জানান। তবে, তাঁরা এও বলেন যে, প্রকল্প নিয়ে যেসব ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে, তা নিয়ে আরও সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। মাওলানা সিদ্দীকুল্লা চৌধুরী সাহেব স্পষ্টভাবে জানান—"এটা শুধুমাত্র একটি সরকারি উদ্যোগ নয়, এটি আমাদের সকলের জন্য একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা, যাতে প্রকৃত শিক্ষার্থীরা এর সুবিধা পায়।"

SIR প্রকল্প, যা মূলত শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহের একটি পদ্ধতি, তা নিয়ে গত কিছুদিনে অনেক বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষ, বিশেষত গরিব, কৃষক ও শ্রমিক শ্রেণির মানুষ, সঠিক তথ্য না পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। অনেকের মতে, এই প্রকল্পের কারণে তাঁদের ভোটার তালিকা বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথি ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যাবে। এসব বিভ্রান্তি দূর করার জন্যই এই সচেতনতা কর্মসূচি শুরু হয়েছে। বক্তারা বলেন, "এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য কখনও মানুষের ক্ষতি করা নয়, বরং তাদের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া।"

মাওলানা সিদ্দীকুল্লা চৌধুরী সাহেব বক্তৃতায় আরও বলেন, "এটি একটি বড় সুযোগ, যা যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়, তাহলে সমাজের পিছিয়ে পড়া শ্রেণীও শিক্ষার মূল স্রোতে আসবে। তাই আমাদের দায়িত্ব হল, সঠিক তথ্য নিয়ে সাধারণ মানুষকে জানানো এবং বিভ্রান্তি দূর করা।"

এছাড়া, বক্তারা সবার প্রতি আহ্বান জানান যে, তাঁরা যেন সঠিক সময়ে এসআই অফিসে গিয়ে নিজেদের তথ্য আপডেট করেন এবং SIR প্রকল্পের সঠিক ব্যবহারে সচেতন হন।

এই সচেতনতা কর্মসূচি এবং জেলা কর্মী-সভা একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হয়ে দাঁড়ায়, কারণ এটি শুধু একটি ধর্মীয় সংগঠনের উদ্যোগ নয়, বরং একটি বৃহৎ সামাজিক আন্দোলনের সূচনা। সারা রাজ্যের বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধিরা একত্রিত হয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ শেয়ার করেন। সভায় উপস্থিত হয়ে মাওলানা সিদ্দীকুল্লা চৌধুরী বলেন, "এটা শুধু ধর্মীয় সংগঠনের দায়িত্ব নয়, এটি আমাদের সমাজের শিক্ষিত ও সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের সবার দায়িত্ব।"

এদিনের সভায় যোগ দেওয়া একাধিক নেতা জানান, সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনে সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষা করতে এগিয়ে আসতে হবে। তাঁরা সবার প্রতি আহ্বান জানান, "এটি শুধু সঠিক তথ্য জানার সময় নয়, বরং আমাদের সমাজের সবার জন্য শিক্ষার শৃঙ্খলা তৈরির সময়।"

সিদ্ধান্তের ভাষায়—"প্রকৃত তথ্য ছড়িয়ে দিতে হবে, যাতে মানুষ ভুল বোঝাবুঝির শিকার না হয়।" এই আন্দোলনটি শুধুমাত্র একটি সচেতনতা বৃদ্ধি কর্মসূচি নয়, এটি সবার জন্য এক নতুন ভবিষ্যত তৈরি করার একটি পথ। আর সেই পথে সবার সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই সভার মাধ্যমে সারা রাজ্য জুড়ে এক নতুন আলোর দেখা মিলেছে, যেখানে রাজ্য ও দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সকল শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণ ও সচেতনতা প্রয়োজন। জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের এই প্রচেষ্টা রাজ্যকে উন্নত, সমৃদ্ধ এবং সচেতন জনগণের দিকে নিয়ে যাবে, এমনটাই আশা করছেন সকল উপস্থিত বক্তা এবং কর্মীরা।

Preview image