পূর্ব বর্ধমান জেলা জুড়ে একের পর এক ব্লকে ভোট রক্ষা শিবির পরিদর্শন করছেন রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। আজ সন্ধ্যায় তিনি এসে পৌঁছান জামালপুরে। জামালপুরে এসে ব্লক পার্টি অফিসে ভোট রক্ষা শিবির ও ওয়ার রুম পরিদর্শন করে সেখানে উপস্থিত সকলের সঙ্গে কথা বলেন। পরে ব্লক নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করে এসে কর্মীদের সাথে মিলিত হন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন জেলা সভাপতি তথা কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি স্বরাজ ঘোষ, জেলা শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি সন্দীপ বসু, জামালপুরের বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, ব্লক সভাপতি মেহে্মুদ খাঁন সহ সমস্ত শাখা সংগঠনের সভাপতিরা । স্বভাব সিদ্ধ ভঙ্গিতে তিনি বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি। তিনি বলেন বিজেপি ও নির্বাচন কমিশন মনে করেছে এটা বিহার, উত্তরপ্রদেশ বা দিল্লী। কিন্তু ওরা জানেনা এটা মমতা ব্যানার্জীর বাংলা। দিল্লীতে কেজরিওয়ালের সঙ্গে বা বিহারে যে কাজ তারা করেছে বাংলায় তা হবে না। তিনি বলেন গত ২০০২ যে এস আই আর এর কাজ ২ বছর ধরে করা হয়েছিল এবারে তা দুমাসে করা হচ্ছে। বি এল ও দের চাপ দেওয়া হচ্ছে, শোকজ করা হচ্ছে। অ্যাপ কাজ করছে না। দুর্বিষহ অবস্থার মধ্যে পড়ছেন বি এল ও রা। তিনি জোরের সঙ্গে বলেন ২৬ এর নির্বাচনে ২৬ টা আসনও বিজেপি বাংলা থেকে পাবে না। এত ঠান্ডা উপেক্ষা করেও প্রচুর কর্মী সমর্থক ছিলেন আর জয় বাংলা ধ্বনিতে মুখরিত করে তোলেন।
পূর্ব বর্ধমান জেলা, যা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা, সেখানে একের পর এক ব্লকে ভোট রক্ষা শিবির পরিদর্শন করতে শুরু করেছেন রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এই সফর তার দলের কর্মীদের এবং সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ ও উজ্জীবিত মনোভাব সৃষ্টি করেছে। আজ সন্ধ্যায় তিনি জামালপুর পৌঁছান এবং সেখানে ব্লক পার্টি অফিসে ভোট রক্ষা শিবির ও ওয়ার রুম পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে, তিনি উপস্থিত সকলের সঙ্গে কথা বলেন এবং দলীয় কার্যক্রম সম্পর্কে তাদের মতামত শোনেন। এই সফরের অন্যতম লক্ষ্য ছিল, রাজ্যের সরকার ও দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে সঠিক বার্তা পৌঁছে দেওয়া।পূর্ব বর্ধমান জেলা জুড়ে একের পর এক ব্লকে ভোট রক্ষা শিবির পরিদর্শন করছেন রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। আজ সন্ধ্যায় তিনি এসে পৌঁছান জামালপুরে। জামালপুরে এসে ব্লক পার্টি অফিসে ভোট রক্ষা শিবির ও ওয়ার রুম পরিদর্শন করে সেখানে উপস্থিত সকলের সঙ্গে কথা বলেন।
অরূপ বিশ্বাসের সাথে উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি তথা কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি স্বরাজ ঘোষ, জেলা শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি সন্দীপ বসু, জামালপুরের বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান সহ অন্যান্য শাখা সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এই দলটি ছিল নির্বাচনী কার্যক্রমকে শক্তিশালী করার জন্য একত্রিত।
অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে ছিলেন জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি স্বরাজ ঘোষ, জেলা শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি সন্দীপ বসু, জামালপুরের বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। তিনি তার বক্তব্যে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে হুঁশিয়ারি দেন, বলেন, "বাংলায় জনগণের মনোভাব ভিন্ন, এখানে যা কাজ করবে না তা অন্য রাজ্যে করেছে তারা।"
তিনি উল্লেখ করেন, ২০০২ সালের এস আই আর কাজ দুই বছরে শেষ হয়েছিল, কিন্তু এবার তা দুই মাসে সম্পন্ন করা হয়েছে। কিছু বি এল ওদের ওপর চাপ দেওয়া হচ্ছে, শোকজ করা হচ্ছে এবং অ্যাপসও ঠিকভাবে কাজ করছে না, যা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
অরূপ বিশ্বাস ২৬ তারিখের নির্বাচনে বিজেপি একটিও আসন পাবে না, এমন দাবি করে বলেন, "বাংলার জনগণ জানে তাদের স্বার্থ কী, এবং তৃণমূল কংগ্রেস একমাত্র দল যা তাদের জন্য কাজ করছে।" প্রচণ্ড শীতকে উপেক্ষা করে বিপুল সংখ্যক কর্মী উপস্থিত ছিলেন এবং তারা জয় বাংলা ধ্বনিতে মুখরিত করে তোলেন।
এই সফরটি দলীয় কর্মীদের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক এবং তারা নির্বাচনে জয়লাভের জন্য প্রস্তুত বলে জানান অরূপ বিশ্বাস।
অরূপ বিশ্বাস তার বক্তব্যে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, "বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন মনে করেছে, পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি বিহার, উত্তরপ্রদেশ বা দিল্লীর মতো। কিন্তু তারা জানে না, এটা মমতা ব্যানার্জীর বাংলা, যেখানে গণতন্ত্র এবং মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করা হয়।"
তিনি আরও বলেন, "দিল্লীতে কেজরিওয়ালের সাথে বা বিহারে যে কাজ তারা করেছে, বাংলায় তা চলবে না। বাংলার মানুষ এর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আছে। বাংলায় জনগণের মনোভাব সম্পূর্ণ আলাদা।" তিনি গর্বিতভাবে উল্লেখ করেন যে, তাদের সরকারের অধীনে, মানুষের নিরাপত্তা, গণতান্ত্রিক অধিকার, এবং আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
অরূপ বিশ্বাস ২০০২ সালে এস আই আর (SIR) কাজের কথা উল্লেখ করে বলেন, “যে কাজ দুই বছর ধরে চলছিল, সেটি এবার দুই মাসে সম্পন্ন করা হয়েছে। সরকারের কর্মীরা এবং দলীয় নেতারা এই প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করেছেন। তবে কিছু ব্লক লেভেল অফিসারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তারা চাপের মধ্যে আছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে শোকজ নোটিস পাঠানো হয়েছে। সেই সঙ্গে নির্বাচনী সফরের সময় অ্যাপসের কাজ না করার বিষয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।" তিনি জানান যে, এই সমস্যা দূর করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং সকল পর্যায়ের দলীয় কর্মীরা একত্রিত হয়ে এই সমস্যাগুলি সমাধান করবেন।
অরূপ বিশ্বাস বলেন, "ব্লক লেভেল অফিসারদের চাপ দেওয়া হচ্ছে, তারা শোকজ নোটিস পাচ্ছেন এবং অ্যাপসও ঠিকভাবে কাজ করছে না। এমন পরিস্থিতিতে তারা দুর্বিষহ অবস্থায় আছেন।" তবে তিনি আশ্বস্ত করেন যে, এ সমস্ত সমস্যা সমাধান করার জন্য তৎপর রয়েছে রাজ্য সরকার। "যতটুকু সম্ভব, তাদের জন্য সমাধান বের করার চেষ্টা চলছে," বলেন মন্ত্রী।
অরূপ বিশ্বাস তার বক্তব্যে বিজেপি সম্পর্কে আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে বলেন, "আগামী ২৬ তারিখের নির্বাচনে বিজেপি বাংলায় একটিও আসন পাবে না। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এর বিরুদ্ধে সুষ্ঠু প্রতিবাদ করবে এবং আমরা দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাব।" তিনি একে পরিপূর্ণভাবে রাজনৈতিক দলের শক্তি এবং নির্বাচনী প্রস্তুতির নিদর্শন হিসেবে দেখেন।
এই সময়, প্রচন্ড শীতকে উপেক্ষা করে বিপুল সংখ্যক কর্মী এবং সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতি এবং তাদের উদ্দীপনা স্পষ্টভাবে একটি বার্তা পৌঁছে দেয় যে, এই নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয় অনিবার্য। তিনি জয় বাংলা ধ্বনিতে মুখরিত পরিবেশে উপস্থিত সবাইকে উদ্দীপিত করে বলেন, "আমরা একত্রিত হয়ে এই নির্বাচনেও জয়লাভ করব।"
অরূপ বিশ্বাসের সফরের মধ্যে উপস্থিত সমর্থকরা তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং আস্থার পরিচয় দিয়েছেন। ব্লক স্তরের নেতারা জানিয়ে দেন, তাদের কর্মীরা যাতে যেকোনো পরিস্থিতিতেই দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনী প্রচারে যোগ দিতে পারদর্শী হন এবং একই সাথে সকল নির্বাচনী কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে চালিয়ে যান, তার জন্য তারা সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত।
তিনি বলেন, "এবারে আমরা নির্বাচনী দৃষ্টিতে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করতে যাচ্ছি এবং সকল স্তরের নেতা-কর্মীরা এই নির্বাচনের মাধ্যমে দলের শক্তি আরও বাড়িয়ে তুলবেন।"
তিনি কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "আপনারা যদি সক্রিয়ভাবে কাজ করেন, যদি সমস্ত দলের কর্মী ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে আসে, তাহলে বাংলায় একচেটিয়া ক্ষমতা আসবে এবং আপনাদের সাহায্য ছাড়া তা সম্ভব নয়।" দলের প্রচারের সাথে, তিনি নিশ্চিত করেন যে সব ধরনের আইনি ও প্রক্রিয়াগত বিপত্তি দূরীকরণে কাজ চলছে এবং দলীয় কর্মীরা নির্বাচনে জয়লাভের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
অরূপ বিশ্বাস জামালপুরে এসে নির্বাচন প্রক্রিয়া সুরক্ষিত এবং সুষ্ঠু হওয়ার দিকে সকল দৃষ্টি নিবদ্ধ করতে বলেছেন। রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী হিসেবে নির্বাচনী নিরাপত্তা এবং সুষ্ঠু নির্বাচন প্রক্রিয়ার উপর জোর দিয়েছেন, যাতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে চলতে পারে। তার এই সঙ্কল্পের ফলে দলীয় কর্মী এবং সমর্থকরা নতুন উদ্যমে কাজ করতে শুরু করেছেন এবং নির্বাচনের প্রস্তুতিও এগিয়ে চলেছে।
শেষে, অরূপ বিশ্বাস তার বক্তব্যে বলেন, "এবার আমরা সব বাধা অতিক্রম করব, আমাদের দল এবং আমাদের কর্মীরা একত্রিতভাবে নির্বাচনে জয়লাভ করবে।" তিনি সবার সাথে একত্রিত হয়ে আগামী ২৬ তারিখের নির্বাচনে তার দলের বিজয় নিশ্চিত করতে প্রস্তুত আছেন।
এভাবে, অরূপ বিশ্বাসের পূর্ব বর্ধমান সফর রাজনৈতিক তৎপরতা এবং দলীয় নেতাদের মধ্যে একতা এবং দৃঢ়তার প্রমাণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ভোট রক্ষা শিবির পরিদর্শন, নির্বাচনী প্রস্তুতি এবং বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে হুঁশিয়ারি দেওয়ার মাধ্যমে তিনি বাংলার মানুষের কাছে সরকারের পক্ষ থেকে বার্তা পৌঁছানোর কাজ করেছেন। এর পাশাপাশি, তৃণমূল কংগ্রেসের শক্তিশালী নেতাদের একত্রিত করা এবং নির্বাচনী দিক থেকে দলের প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করা, এই সফরের মূল লক্ষ্য ছিল।
এই প্রচারণার মাধ্যমে, রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী এক নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে নতুন আঙ্গিকে তুলে ধরেছেন, যা আগামী নির্বাচনগুলোতে দলীয় শক্তি ও বিজয়ের সম্ভাবনাকে আরও দৃঢ় করেছে।