Lenspedia Bangla Logo
  • কলকাতা
  • 30℃ Purba Bardhaman

শাহিদের ছবিতে নেই রশ্মিকা

• ‘ককটেল ২’-এর পর ফের শাহিদ কাপুরের সঙ্গে জুটি বাঁধার কথা ছিল রশ্মিকা মন্দানার। শোনা যাচ্ছিল, ‘বাধাই হো’ খ্যাত পরিচালক অমিত শর্মার পরের ছবিতেই এই জুটিকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছিল। তবে ছবিটি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন অভিনেত্রী। কেন? তা অবশ্য খোলসা করা হয়নি। সূত্রের খবর, শাহিদের সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত হয়েছে। তবে রশ্মিকার পরিবর্তে কাকে কাস্ট করা হবে, তা খুঁজছেন নির্মাতারা। মনে করা হচ্ছে, বলি পাড়ার কোনো নামজাদা তারকাই কাজ করবেন শাহিদের বিপরীতে। শীঘ্রই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হবে। উল্লেখ্য, রশ্মিকার বিয়ের জল্পনা দীর্ঘদিন ধরেই চলছে। সম্প্রতি তাঁর বিয়ের আমন্ত্রণপত্রের ছবি ছড়িয়েছে সমাজমাধ্যমে। জল্পনা, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোণ্ডার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধছেন রশ্মিকা। যদিও সম্পর্কের বিষয়ে এখনো মুখ খোলেননি কেউই।

বলিউডে তারকা জুটি মানেই দর্শকদের মধ্যে বাড়তি উত্তেজনা। বিশেষ করে যখন সেই জুটিতে থাকেন জনপ্রিয় অভিনেতা শাহিদ কাপুর এবং দক্ষিণী সিনেমা থেকে বলিউডে সফলভাবে পা রাখা অভিনেত্রী রশ্মিকা মন্দানা। ‘ককটেল ২’-এর মাধ্যমে এই দুই তারকার সম্ভাব্য জুটি নিয়ে যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল, তা এখন বড়সড় প্রশ্নের মুখে। কারণ, সেই জুটিকে ফের বড় পর্দায় দেখার যে পরিকল্পনা চলছিল, সেখান থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন রশ্মিকা মন্দানা।

বলিউডের অন্দরমহলে বেশ কিছুদিন ধরেই গুঞ্জন চলছিল, ‘বাধাই হো’ খ্যাত পরিচালক অমিত শর্মা তাঁর পরবর্তী ছবিতে শাহিদ কাপুরকে মুখ্য ভূমিকায় রেখে একটি পারিবারিক–রোমান্টিক গল্প আনতে চলেছেন। প্রাথমিক আলোচনায় শাহিদের বিপরীতে রশ্মিকা মন্দানার নামই প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল বলে খবর।

সূত্রের দাবি, চিত্রনাট্য পাঠ থেকে শুরু করে চরিত্র নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা—সব কিছুই ইতিবাচক দিকেই এগোচ্ছিল। এমনকি ছবির শুটিং শিডিউল এবং লোকেশন নিয়েও নাকি অনানুষ্ঠানিক কথাবার্তা শুরু হয়েছিল। কিন্তু আচমকাই এই প্রকল্প থেকে সরে দাঁড়ান রশ্মিকা।

এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি। অভিনেত্রী বা তাঁর টিমের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। তবে বলিপাড়ার অন্দরের সূত্র বলছে, এটি শুধুমাত্র ডেট বা পারিশ্রমিক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নয়।

অনেকের ধারণা, রশ্মিকা বর্তমানে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়ের মুখোমুখি। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর বিয়ে নিয়ে জল্পনা চলছে। সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে একটি বিয়ের আমন্ত্রণপত্রের ছবি ভাইরাল হওয়ার পর সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে।

চর্চা অনুযায়ী, আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণী তারকা **বিজয় দেবেরাকোণ্ডা**র সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পারেন রশ্মিকা মন্দানা। যদিও এই সম্পর্ক বা বিয়ে নিয়ে এখনও পর্যন্ত দু’জনের কেউই প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি, তবু তাঁদের একসঙ্গে সময় কাটানো, ভ্রমণ এবং পারস্পরিক ঘনিষ্ঠতার নানা ছবি ও ভিডিও অতীতে বহুবার ভাইরাল হয়েছে।

বলিউড ও টলিউডে এমন উদাহরণ আগেও দেখা গেছে, যেখানে অভিনেত্রী ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কারণে বড় কোনও প্রজেক্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। সেই দিক থেকে রশ্মিকার এই সিদ্ধান্ত অনেকের কাছেই অপ্রত্যাশিত হলেও অস্বাভাবিক নয়।

অন্যদিকে, শাহিদ কাপুরের তরফে কিন্তু ছবিটি নিয়ে আগ্রহে কোনও ঘাটতি নেই। সূত্রের খবর, অভিনেতার সঙ্গে নির্মাতাদের আলোচনা চূড়ান্ত হয়েছে এবং তিনি এই ছবিতে কাজ করতে রাজি। শাহিদের মতে, ছবির গল্প এবং চরিত্রে যথেষ্ট নতুনত্ব রয়েছে, যা তাঁর কেরিয়ারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

শাহিদের কেরিয়ারে এমনিতেই একাধিক ভিন্নধর্মী চরিত্র রয়েছে—রোমান্টিক নায়ক থেকে শুরু করে তীব্র, মনস্তাত্ত্বিক চরিত্র। অমিত শর্মার পরিচালনায় এই নতুন ছবিটি তাঁর অভিনয় জীবনে আরেকটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হতে পারে বলেই মনে করছেন অনেকে।

এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—রশ্মিকার জায়গায় কে আসছেন? নির্মাতারা এখনও পর্যন্ত কোনও নাম ঘোষণা করেননি। তবে ইন্ডাস্ট্রির খবর অনুযায়ী, শাহিদের বিপরীতে কোনও নামজাদা বলিউড অভিনেত্রীকেই নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে।

ক্যাটরিনা কাইফ, কিয়ারা আডবাণী, ম্রুণাল ঠাকুর কিংবা আলিয়া ভাট—এই ধরনের একাধিক নাম ঘুরছে গুঞ্জনের তালিকায়। যদিও এগুলোর কোনওটিই এখনও নিশ্চিত নয়।

সব মিলিয়ে বলা যায়, এই মুহূর্তে ছবিটি রয়েছে এক রকম রূপান্তরের মধ্য দিয়ে। অভিনেত্রী পরিবর্তনের পাশাপাশি, শুটিং শিডিউল ও মুক্তির তারিখেও সামান্য বদল আসতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

নির্মাতাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খুব শীঘ্রই পুরো কাস্টিং নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হবে। সেই ঘোষণার দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন শাহিদ কাপুরের ভক্তরা এবং বলিউড অনুরাগীরা।

রশ্মিকা মন্দানার এই সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে ছবির পরিকল্পনায় বড় পরিবর্তন আনলেও, **শাহিদ কাপুর**কে ঘিরে ছবিটি নিয়ে আগ্রহ একটুও কমেনি—বরং বলা যায়, আগ্রহের মাত্রা আরও বেড়েছে। কারণ, বলিউডে কোনও বড় প্রকল্প থেকে কোনও জনপ্রিয় অভিনেত্রীর সরে দাঁড়ানো মানেই সেখানে তৈরি হয় একাধিক সম্ভাবনা, জল্পনা এবং কৌতূহলের স্তর। এই মুহূর্তে ঠিক সেই জায়গাতেই দাঁড়িয়ে রয়েছে শাহিদ কাপুরের আসন্ন ছবি।

বলিউডের ইতিহাস বলছে, অভিনেত্রী বদল মানেই সব সময় ছবির ক্ষতি হয় না। বরং বহু ক্ষেত্রে তা ছবির প্রচারের ক্ষেত্রে বাড়তি অক্সিজেন জোগায়। দর্শকদের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়—নতুন মুখ কে? কেন বদল হল? গল্পে কি কোনও পরিবর্তন আসছে?

এই কৌতূহলই ছবির চারপাশে এক ধরনের আগ্রহের আবহ তৈরি করে, যা প্রাথমিক প্রচারের সময় নির্মাতাদের অনেকটাই সুবিধা দেয়। শাহিদ কাপুরের এই ছবির ক্ষেত্রেও ঠিক তাই হচ্ছে। রশ্মিকা মন্দানার নাম উঠে যাওয়ার পর থেকেই ছবিটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া এবং ফিল্ম সার্কেলে আলোচনা দ্বিগুণ হয়েছে।

news image
আরও খবর

বর্তমান বলিউডে শাহিদ কাপুর এমন একজন অভিনেতা, যিনি কেবল তারকাখ্যাতির উপর নির্ভর করেন না। বরং গল্প, চরিত্র এবং পরিচালকের উপর গুরুত্ব দেন। তাঁর কেরিয়ারে ‘হায়দার’, ‘কবীর সিং’, ‘জার্সি’, ‘পদ্মাবত’-এর মতো ভিন্ন স্বাদের কাজ রয়েছে, যা প্রমাণ করে তিনি ঝুঁকি নিতে ভালোবাসেন।

এই কারণেই রশ্মিকার সরে দাঁড়ানো সত্ত্বেও ছবিটি থেকে তাঁর সরে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠেনি। বরং শোনা যাচ্ছে, তিনি নিজেই নির্মাতাদের পাশে দাঁড়িয়ে নতুন অভিনেত্রী খোঁজার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করছেন।

রশ্মিকা মন্দানার জায়গায় কে আসবেন—এই প্রশ্নই এখন বলিউডের অন্দরে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে। কারণ, শাহিদের সঙ্গে জুটি মানেই সেই অভিনেত্রীর কেরিয়ারে বড় সুযোগ।

নির্মাতারা নাকি এমন একজন মুখ খুঁজছেন, যিনি শুধু জনপ্রিয়ই নন, বরং অভিনয়ের দিক থেকেও শক্তিশালী। কারণ ছবির গল্পে নারী চরিত্রটি কেবল নায়িকার ভূমিকায় সীমাবদ্ধ নয়—তিনি গল্পের আবেগগত স্তম্ভ।

এই জায়গায় এসে বলিপাড়ার অন্দরে নানা নাম ঘুরছে। যদিও এখনও কোনও নাম নিশ্চিত নয়, তবে একথা স্পষ্ট—নতুন অভিনেত্রী যিনিই হোন, তাঁকে নিয়ে আগ্রহ থাকবে তুঙ্গে।

এদিকে, রশ্মিকা মন্দানার সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত কেবল একটি ছবিকে ঘিরেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি তাঁর কেরিয়ার এবং ব্যক্তিগত জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় বলেই মনে করছেন অনেকে।

রশ্মিকা দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রি থেকে বলিউডে যেভাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি জাতীয় স্তরের পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন। কিন্তু ঠিক সেই সময়েই যদি তিনি বড় একটি প্রজেক্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন, তবে তার পেছনে নিশ্চয়ই বড় কোনও কারণ রয়েছে।

রশ্মিকার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চলতে থাকা জল্পনা যদি সত্যি হয়, তবে তাঁর জীবনে সত্যিই একটি নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে। বহুদিন ধরেই তাঁর সঙ্গে দক্ষিণী সুপারস্টার **বিজয় দেবেরাকোণ্ডা**র নাম একসঙ্গে উচ্চারিত হচ্ছে। যদিও তাঁরা কখনও প্রকাশ্যে সম্পর্ক স্বীকার করেননি, তবু তাঁদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে খুব একটা সন্দেহ নেই ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে।

বিয়ের আমন্ত্রণপত্রের ছবি সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে। যদি সত্যিই আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি তাঁদের বিয়ে হয়, তবে সেটি শুধু বিনোদন জগতের নয়, বরং গোটা দেশের অনুরাগীদের কাছে বড় খবর হয়ে উঠবে।

ভারতীয় সিনেমায় বহু অভিনেত্রীই বিয়ের আগে বা পরে কেরিয়ার নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কেউ কেউ বিয়ের পর কাজ কমিয়েছেন, কেউ আবার সম্পূর্ণ বিরতি নিয়েছেন। আবার অনেকে বিয়ের পর আরও শক্তিশালীভাবে ফিরে এসেছেন।

রশ্মিকার ক্ষেত্রেও প্রশ্ন উঠছে—তিনি কি কেরিয়ার থেকে সাময়িক বিরতি নিতে চাইছেন? নাকি কাজের পরিমাণ বেছে নিতে চাইছেন আরও সচেতনভাবে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর সময়ই দেবে।

আজকের দিনে তারকাদের জীবনে শুধু কাজই সব নয়। মানসিক শান্তি, ব্যক্তিগত জীবন এবং পরিবার—এই বিষয়গুলোও সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। রশ্মিকা মন্দানা এমন একজন অভিনেত্রী, যিনি বরাবরই নিজের অনুভূতি এবং জীবনদর্শন নিয়ে স্পষ্ট কথা বলেছেন।

তাই তাঁর এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই দেখছেন এক ধরনের সচেতন পদক্ষেপ হিসেবে—যেখানে তিনি নিজের জীবনের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখতে চাইছেন।

রশ্মিকা মন্দানার সরে দাঁড়ানো নিঃসন্দেহে ছবির প্রাথমিক পরিকল্পনায় বড় বদল এনেছে। কিন্তু একই সঙ্গে এটি ছবিটিকে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে এনে দিয়েছে। শাহিদ কাপুরকে ঘিরে আগ্রহ যেমন অটুট রয়েছে, তেমনই নতুন অভিনেত্রীকে নিয়ে কৌতূহল ক্রমশ বাড়ছে।

অন্যদিকে, রশ্মিকার ব্যক্তিগত জীবন যদি সত্যিই নতুন মোড় নেয়, তবে সেটিও তাঁর অনুরাগীদের কাছে এক আবেগঘন অধ্যায় হয়ে উঠবে। কেরিয়ার এবং ব্যক্তিগত জীবনের এই সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে রশ্মিকা যে সিদ্ধান্তই নিন না কেন, তা যে তাঁর জীবনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

Preview image